যে মতবাদ একান্ত ব্যক্তিগত, ব্যক্তি ও স্রষ্টার মধ্যে থাকে সীমিত, যা মানুষকে ঐশি প্রতিনিধি হিসেবে গড়ে তুলতে নিয়ত সহযোগীতা করে থাকে, তেমন মতবাদ প্রশাসনিক বা রাষ্ট্রীয় অনুমোদন বা স্বীকৃতি লাভে কতটুকু উৎকর্ষ লাভ করতে পারে? দেখা গেছে, ভিতরের বিষয় প্রকাশ্যে জাহির করার ফলে পরম-সত্ত্বা নির্ভরতা বহুলাংশে দুর্বল হয়ে পড়ে।
বিশ^ নির্মাতাকে কেউ কখনো দেখতে পায় না। তিনি যে আছেন, নিয়ত থাকেন সৃষ্টির কল্যাণকর্মে ব্যতিব্যস্ত, তা তো কেবল বিশ্বাসহেতু মানুষ করে থাকে উপলব্ধি। তবে তিনি যে আছেন, তিনি আদি অন্ত, যাকে বলা চলে আলফা ওমেগা, এ টু জেড। অনন্তকাল ধরে অনন্তকাল অবধি যার ব্যপ্তি, যাকে বলে চিরঞ্জিব, ক্ষুদে মানুষের জন্য রয়েছেন সজাগ সচেতন, তাঁর সাথে আন্তরিক মধুময় সম্পর্ক ধরে রাখা তাদের জন্য বড়ই কঠিন, যারা নিয়ত চলতে বাধ্য হচ্ছে কন্টকাকীর্ণ বন্ধুর পথে তথা পরিবেশে বসবাস করতে, চলতে ফিরতে। কোনো মাছই ব্যাধের জালে ধরা পড়তে সাচ্ছন্দ বোধ করে না, তবে চলার পথে, অসাবধানতাহেতু ধরা খায়, মরণ হয়; আর জালপাতা হয়ে থাকে বধ করার জন্যই।
আপনাদের জানা আছে নিশ্চয়, প্রথম জোড়া মানুষ, খোদা যাদের নিজ সুতে স্বীয় খাস প্রতিনিধি হিসেবে সৃষ্টি করলেন, যাদের হাতে তুলে দিলেন অবিশ্বাস্য এক ক্ষমতা ও অধিকার, তারাই ধরা খেল প্রাণঘাতি ব্যাধের জালে, জনমের তরে হারিয়ে ফেললো ঐশিদত্ত প্রাধিকার; যার বিশ্বজুড়ে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া আপামর জনতা আজ পর্যন্ত আমরা ভুগে চলছি। কাঁচের পাত্র কঠিন পাথরের উপর পতনের ফলে খান খান অগণীত টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়লো বিশ্বজুড়ে; আর আমরাই হলাম একই পাত্রের অগণীত খন্ডিতাংশ; সকলে নির্বিকার, নেই অধিকার কারো কোনো মন্তব্য প্রকাশ করার; নেই কারো ছিদ্রান্বেষণ করার অযুহাত; কেননা পাইকারীহারে সকলেই জনমের মত পোড় খাওয়া, সকলেই পাপ করেছে, খোদার অবাধ্য হয়ে পড়েছে এবং তা ব্যতিক্রমহীনভাবে। কুলুপ লেগেছে প্রত্যেকের মুখে। তবে খোদা রয়েছেন কুলটা ইবলিসের মুখে লাগাম টেনে ধরার জন্য। সকলেই যখন নিরব, সেই সুবাদে ইবলিস ও ইবলিসাশ্রিত ব্যক্তিবর্গ নিয়ত অঙ্গুলি নির্দেশ করে চলছ অপরের ক্রুটিবিচ্যুতি দেখিয়ে দেবার দায়িত্বে।
দোষ দেখানো হলো ইবলিসের দায়িত্ব। মসিহ তো কারো দোষ দেখাতে পতিত ভুমে আগত নন; বরং তিনি এসেছেন অপরাধীদের সংশোধন করার জন্য, স্নাতশুভ্র করে পিতার সন্তান পিতার ক্রোড়ে ফিরিয়ে দেবার জন্য। আপনি যদি নিয়মিত কালামপাক অধ্যয়ন করে থাকেন তবে বুঝতে পারবেশ, চিনে নিতে পারবেন খোদা ও ইবলিসের মধ্যে থাকা গড়মিল। চোর আসে চুরি, খুন ও নষ্ট করার জন্য; আর মসিহ এসেছেন সেবা করার জন্য এবং হারিয়ে যাওয়া পতিত জনগোষ্টিকে পুনর্গঠন দেবার জন্য, পিতার আদুরে সন্তান পিতার ক্রোড়ে তুলে দেবার জন্য।
খোদা তো মানুষকে কুলটা হিসেবে সৃষ্টি করেন নি। সৃষ্টিলগ্নে মানুষ হলো পুতপবিত্র সম্মানিত ঐশি প্রতিনিদি; যাদের মাধ্যমে অদৃশ্য খোদার পরিচয় হবে দৃশ্যমান ও প্রতিভাত।
আর্শির মাধ্যমে সৌরলোক হয়ে থাকে প্রতিফলিত, একইভাবে পূতপবিত্র স্বচ্ছ ঈমানদার মানুষের মাধ্যমে রূহানী খোদার গুনাবলী জনগণে হবে প্রতিফলিত। বিশ্বাস করুন, খোদা নিজেকে প্রকাশ করার জন্য নিজ সুরতে মানুষ সৃষ্টি করেছেন। ব্যাধের জাল থেকে মাছ নিজে নিজেকে যেমন অবমুক্ত করার ক্ষমতা রাখে না, জালে ধরা খাওয়া মাছের পরিণতি কেবল মৃত্যু, ঠিক একইভাবে পাপের জালে বন্দী সকলের জন্যই অবধারিত হলো মৃত্যু, অনন্ত বিনাশ; শরীয়ত দেওয়া হয়েছে তা প্রমান করার জন্য। মানুষের অহমিকা ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে শরীয়তের মাধ্যমে। মানুষের সার্বিক ধার্মিকতা কেবল ছেড়া মলিন ন্যাকড়াতুল্য। তবে মানুষের জন্য রয়েছে দ্বিতীয় সুযোগ কেবল খোদার অপার রহমতে, যা তিনি প্রকাশ করেছেন স্বীয় রূহানী পুত্র কালেমাতুল্লাহ অর্থাৎ রূহুল্লাহর মাধ্যমে। খোদা হলেন প্রেম, যিনি অনন্ত প্রেম দিয়ে বিশ্ববাসিকে ধরে রেখেছেন (মথি ২০:২৮, ইফিষীয় ২:৮-১০)।
নিরুপায় অসহায় মানুষ যখন খোদার সীমাহিন প্রেমের পরিচয় লাভ করে, সিদ্ধান্ত নেয় নিজেকে পাপ ও ইবলিসের দুষ্টচক্র থেকে অবমুক্ত করার, ঠিক তখনই আর্তনাদ করে ওঠে হৃদয় অভ্যন্তরে আর দুয়ারে দাড়িয়ে থাকা অপেক্ষমান মাবুদ তার মধ্যে প্রবেশ করেন, তার যাবতীয় ইল্লত দূর করে তাকে অবমুক্ত স্নাতশুভ্র করে ফিরিয়ে দেন খোদার সন্তান খোদার হাতে।
বিশ^ নির্মাতাকে কেউ কখনো দেখতে পায় না। তিনি যে আছেন, নিয়ত থাকেন সৃষ্টির কল্যাণকর্মে ব্যতিব্যস্ত, তা তো কেবল বিশ্বাসহেতু মানুষ করে থাকে উপলব্ধি। তবে তিনি যে আছেন, তিনি আদি অন্ত, যাকে বলা চলে আলফা ওমেগা, এ টু জেড। অনন্তকাল ধরে অনন্তকাল অবধি যার ব্যপ্তি, যাকে বলে চিরঞ্জিব, ক্ষুদে মানুষের জন্য রয়েছেন সজাগ সচেতন, তাঁর সাথে আন্তরিক মধুময় সম্পর্ক ধরে রাখা তাদের জন্য বড়ই কঠিন, যারা নিয়ত চলতে বাধ্য হচ্ছে কন্টকাকীর্ণ বন্ধুর পথে তথা পরিবেশে বসবাস করতে, চলতে ফিরতে। কোনো মাছই ব্যাধের জালে ধরা পড়তে সাচ্ছন্দ বোধ করে না, তবে চলার পথে, অসাবধানতাহেতু ধরা খায়, মরণ হয়; আর জালপাতা হয়ে থাকে বধ করার জন্যই।
আপনাদের জানা আছে নিশ্চয়, প্রথম জোড়া মানুষ, খোদা যাদের নিজ সুতে স্বীয় খাস প্রতিনিধি হিসেবে সৃষ্টি করলেন, যাদের হাতে তুলে দিলেন অবিশ্বাস্য এক ক্ষমতা ও অধিকার, তারাই ধরা খেল প্রাণঘাতি ব্যাধের জালে, জনমের তরে হারিয়ে ফেললো ঐশিদত্ত প্রাধিকার; যার বিশ্বজুড়ে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া আপামর জনতা আজ পর্যন্ত আমরা ভুগে চলছি। কাঁচের পাত্র কঠিন পাথরের উপর পতনের ফলে খান খান অগণীত টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়লো বিশ্বজুড়ে; আর আমরাই হলাম একই পাত্রের অগণীত খন্ডিতাংশ; সকলে নির্বিকার, নেই অধিকার কারো কোনো মন্তব্য প্রকাশ করার; নেই কারো ছিদ্রান্বেষণ করার অযুহাত; কেননা পাইকারীহারে সকলেই জনমের মত পোড় খাওয়া, সকলেই পাপ করেছে, খোদার অবাধ্য হয়ে পড়েছে এবং তা ব্যতিক্রমহীনভাবে। কুলুপ লেগেছে প্রত্যেকের মুখে। তবে খোদা রয়েছেন কুলটা ইবলিসের মুখে লাগাম টেনে ধরার জন্য। সকলেই যখন নিরব, সেই সুবাদে ইবলিস ও ইবলিসাশ্রিত ব্যক্তিবর্গ নিয়ত অঙ্গুলি নির্দেশ করে চলছ অপরের ক্রুটিবিচ্যুতি দেখিয়ে দেবার দায়িত্বে।
দোষ দেখানো হলো ইবলিসের দায়িত্ব। মসিহ তো কারো দোষ দেখাতে পতিত ভুমে আগত নন; বরং তিনি এসেছেন অপরাধীদের সংশোধন করার জন্য, স্নাতশুভ্র করে পিতার সন্তান পিতার ক্রোড়ে ফিরিয়ে দেবার জন্য। আপনি যদি নিয়মিত কালামপাক অধ্যয়ন করে থাকেন তবে বুঝতে পারবেশ, চিনে নিতে পারবেন খোদা ও ইবলিসের মধ্যে থাকা গড়মিল। চোর আসে চুরি, খুন ও নষ্ট করার জন্য; আর মসিহ এসেছেন সেবা করার জন্য এবং হারিয়ে যাওয়া পতিত জনগোষ্টিকে পুনর্গঠন দেবার জন্য, পিতার আদুরে সন্তান পিতার ক্রোড়ে তুলে দেবার জন্য।
খোদা তো মানুষকে কুলটা হিসেবে সৃষ্টি করেন নি। সৃষ্টিলগ্নে মানুষ হলো পুতপবিত্র সম্মানিত ঐশি প্রতিনিদি; যাদের মাধ্যমে অদৃশ্য খোদার পরিচয় হবে দৃশ্যমান ও প্রতিভাত।
আর্শির মাধ্যমে সৌরলোক হয়ে থাকে প্রতিফলিত, একইভাবে পূতপবিত্র স্বচ্ছ ঈমানদার মানুষের মাধ্যমে রূহানী খোদার গুনাবলী জনগণে হবে প্রতিফলিত। বিশ্বাস করুন, খোদা নিজেকে প্রকাশ করার জন্য নিজ সুরতে মানুষ সৃষ্টি করেছেন। ব্যাধের জাল থেকে মাছ নিজে নিজেকে যেমন অবমুক্ত করার ক্ষমতা রাখে না, জালে ধরা খাওয়া মাছের পরিণতি কেবল মৃত্যু, ঠিক একইভাবে পাপের জালে বন্দী সকলের জন্যই অবধারিত হলো মৃত্যু, অনন্ত বিনাশ; শরীয়ত দেওয়া হয়েছে তা প্রমান করার জন্য। মানুষের অহমিকা ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে শরীয়তের মাধ্যমে। মানুষের সার্বিক ধার্মিকতা কেবল ছেড়া মলিন ন্যাকড়াতুল্য। তবে মানুষের জন্য রয়েছে দ্বিতীয় সুযোগ কেবল খোদার অপার রহমতে, যা তিনি প্রকাশ করেছেন স্বীয় রূহানী পুত্র কালেমাতুল্লাহ অর্থাৎ রূহুল্লাহর মাধ্যমে। খোদা হলেন প্রেম, যিনি অনন্ত প্রেম দিয়ে বিশ্ববাসিকে ধরে রেখেছেন (মথি ২০:২৮, ইফিষীয় ২:৮-১০)।
নিরুপায় অসহায় মানুষ যখন খোদার সীমাহিন প্রেমের পরিচয় লাভ করে, সিদ্ধান্ত নেয় নিজেকে পাপ ও ইবলিসের দুষ্টচক্র থেকে অবমুক্ত করার, ঠিক তখনই আর্তনাদ করে ওঠে হৃদয় অভ্যন্তরে আর দুয়ারে দাড়িয়ে থাকা অপেক্ষমান মাবুদ তার মধ্যে প্রবেশ করেন, তার যাবতীয় ইল্লত দূর করে তাকে অবমুক্ত স্নাতশুভ্র করে ফিরিয়ে দেন খোদার সন্তান খোদার হাতে।