একটি গল্প পড়েছিলাম, সাত সহোদর ভাই মিলে মিশে বাণিজ্যে নেমেছিল। তা নদীপথে হাটে বাজারে মালামাল কেনা বেচা করত; এক নৌবন্ধর থেকে আর এক নৌবন্দরে যাবার পথে জল তোলার সময় এক ভাইয়ের হাত থেকে একটি পিতলের ঘটি হাত ছাড়া হয়ে গেল, অমনি সাথে সাথে নৌকার ঠিক সেই স্থানটি চুন দিয়ে চিহ্নিত করে রাখলো। এবার নিজেদের ঘাটে এসে নৌকা ভিড়ানোর পরে তারা সকলে জলের মধ্যে নেমে উক্ত ঘটিটি খুঁজতে লেগে গেল; পানি ঘোলাটে করে ছাড়লো, তবুও আলোশ্চ্য ঘটিটির দেখা নেই।
খোদা নিজ সুরতে স্বীয় প্রতিনিধি হিসেবে মাত্র একজন আদম সৃষ্টি করলেন, দিলেন তার হাতে তুলে গোটাবিশে^র দায় দায়িত্ব; অবশ্য প্রজ্ঞা-ধার্মিকতা দিয়ে তাকে প্রশিক্ষিত করে তুললেন।
দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা হলো তিনি হলেন প্রতারিত ইবলিসের কুটচালে, হারিয়ে ফেললেন প্রাধিকার যা খোদা তাকে অভিষেক করেছিলেন। এ অভিষেক কোনো বাহিরের বিষয় নয়; নয় তা দেহজ প্রাপ্তী, বরং অদৃশ্য গুনাবলী যার দ্বারা খোদা গোটাবিশ^ করে চলছেন পরিচালনা। যেমন বাদশাহ সোলাময়মান খোদার কাছে যাঞ্ছা করেছিলেন প্রজ্ঞা-ধার্মিকতা যার বদৌলতে তিনি গোটা বিশ^ পরিচালনা করে চলছেন (১বাদশানামা ৩ : ১-১৫)। অবশ্য খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহের সাথে বিশ^াস নিয়ে যারা যুক্ত হন তারা আমূল রূপান্তরীত হয়ে যায় তাঁরই সুরতে, যার অর্থ হলো মন-মানসিকতার দিক দিয়ে তাদের ঘটে পরিবর্তন, প্রাণীক মানুষটি হয়ে ওঠে রূহানী এক মানুষে, যেমন মানব পুত্র খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ মানব দেহে অবস্থান করা সত্তে¡ও ছিলেন সম্পূর্ণ রূহানী মানুষ, যাকে মাংসিক কামনা বাসনা বাধ্য করতে পারে নি রূহের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে। আর আমরা তো সম্পূর্ণ মাংসিক অভিলাষ ভোগ করার জন্য সদা থাকি উম্মূখ হয়ে। প্রাণীক মানুষ আর রূহানী মানুষের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যাবে এখানেই।
আদম যেমন স্খলিত হলেন তার প্রকৃত পজিশন থেকে, একইভাবে তার ঔরশজাত বংশ, আমরা ইতোপূর্বে কব্জাবন্দী হয়ে আছি ইবলিসের। যার যথার্থ প্রমাণ পাবেন যাবতীয় চলমান এবং অতীতে ঘটে যাওয়া যুদ্ধবিগ্রহের দিকে দৃষ্টিপাত করা হলো। কথায় বলে জীর্ণ কাঁথার মধ্যে থাকে ছোট ছোট ছিদ্র আর অগণীত বড় বড় ফাঁকা। নবী ইশাইয়া তাই বলেছেন, শরীরের সর্বত্র পচা ঘা, সূচ ফুটাবার মত সুস্থ স্থান নেই; যেমন আমাদের ধার্মিকতা আস্তাকুড়ে ফেলে দেয়া জীর্ণ নোংরা ন্যাকড়া তুল্য (ইশাইয়া ১ : ৬, ৬৪: ৬)।
গল্পের চরিত্র সাত ভাইয়ের মতো আজ আমরা সাধ্যমত খুঁজে ফিরছি হারানো ঘটি, হারানো অধিকার, তা চলমান নৌকার যে স্থান থেকে খসে পড়েছিল সেই স্থানে; আমরা বুঝতে চাই না, চলমান বিশে^ আমাদের হারানো অধিকার আর আদমের মধ্যে খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়; তা এখন খোদার হাতে ফিরে গেছে; ফিরে পেতে হলে খোদার কাছেই আর্জী পেশ করতে হবে যা খোদার ব্যবস্থায় বিশ^াস ও নির্ভর করেই করতে হবে। নিজেদের মনগড়া ব্যবস্থায় আস্থা রাখলে আদৌ চলবে না। আমরা ইতোপূর্বে বদ্ধ উম্মাদ হয়ে পড়েছি। মাটি, পাহাড়, পর্বত প্রদক্ষিণ করার মাধ্যমে কোনোদিন ব্রতে কামিয়াব হতে পারব না, ঐসকল মন্ত্রণা রচিত হয়েছে কেবল বাণিজ্যিক ফায়দা হাসিলের জন্য, পৃথিবীতে মাংসিক কামনা বাসনা চরিতার্থ করার জন্য। অথচ খোদা হলেন এক রূহানী সত্ত¡া যিনি সতত: সত্যে বাস করেন। তার প্রতি অনুরাগ প্রকাশ করতে হবে কেবল রূহানী পর্যায়ে, সেক্ষেত্রে মৃত্তিকাজাত দ্রব্য কোনো পূজায় লাগতে পারে না।
খোদা হলেন রূহ (ইউহোন্না ৪ : ২৪)। তাই তার এবাদত অবশ্যই রূহানী পর্যায়ে হতে হবে সাধিত। গল্পের সাত ভাই যেমন হারানো পিতলের ঘটি ভ্রান্ত পদ্ধতিতে পুণঃপুণঃ খুঁজেও তার নাগাল পেল না, ঠিক একইভাবে, বর্তমানে বিনষ্ট মানুষের দ্বারা রচিত ভুল তথা স্ববিরোধী রচনা নির্দেশনা মানুষকে ফিরিয়ে দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ তাদের হারানো অধিকার যা হলো মানুষ খোদার সুরতে তাঁরই প্রতিনিধি হিসেবে সৃষ্ট। আর এই মানুষের হাতেই তুলে দেয়া হয়েছে স্বর্গের ও পৃথিবীর সার্বিক অধিকার দায় দায়িত্ব (মথি ২৮:২৮)।
যারাই মসিহের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন, নিজের আমিত্ব এখতিয়ার সম্পূর্ণ তাঁর উপর সমর্পণ করেছেন, তাদেরও তিনি উক্ত ক্ষমতায় করেছেন ক্ষমতাবান। “যদি কেউ মসিহের সংগে যুক্ত হয়ে থাকে তবে সে নতুনভাবে সৃষ্ট হল। তার পুরানো সব কিছু মুছে গিয়ে নতুন হয়ে উঠেছে। এই সব আল্লাহ থেকেই হয়। তিনি মসিহের মধ্য দিয়ে তাঁর নিজের সংগে আমাদের মিলিত করেছেন, আর তাঁর সংগে আমাদের মিলন করিয়ে দেবার দায়িত্ব আমাদের উপর দিয়েছেন। এর অর্থ হল, আল্লাহ মানুষের গুনাহ না ধরে মসিহের মধ্য দিয়ে নিজের সংগে মানুষকে মিলিত করছিলেন, আর সেই মিলনের খবর জানাবার ভার তিনি আমাদের উপর দিয়েছেন। সেজন্যই আমরা মসিহের দূত হিসাবে তাঁর হয়ে কথা বলছি। আসলে আল্লাহ যেন নিজেই আমাদের মধ্য দিয়ে লোকদের কাছে অনুরোধ করছেন। তাই মসিহের হয়ে আমরা এই মিনতি করছি, “তোমরা আল্লাহর সংগে মিলিত হও।” ঈসা মসিহের মধ্যে কোন গুনাহ ছিল না; কিন্তু আল্লাহ আমাদের গুনাহ তাঁর উপর তুলে দিয়ে তাঁকেই গুনাহের জায়গায় দাঁড় করালেন, যেন মসিহের সংগে যুক্ত থাকবার দরুন আল্লাহর পবিত্রতা আমাদের পবিত্রতা হয়” (২করিন্থীয় ৫ : ১৭-২১)
খোদা নিজ সুরতে স্বীয় প্রতিনিধি হিসেবে মাত্র একজন আদম সৃষ্টি করলেন, দিলেন তার হাতে তুলে গোটাবিশে^র দায় দায়িত্ব; অবশ্য প্রজ্ঞা-ধার্মিকতা দিয়ে তাকে প্রশিক্ষিত করে তুললেন।
দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা হলো তিনি হলেন প্রতারিত ইবলিসের কুটচালে, হারিয়ে ফেললেন প্রাধিকার যা খোদা তাকে অভিষেক করেছিলেন। এ অভিষেক কোনো বাহিরের বিষয় নয়; নয় তা দেহজ প্রাপ্তী, বরং অদৃশ্য গুনাবলী যার দ্বারা খোদা গোটাবিশ^ করে চলছেন পরিচালনা। যেমন বাদশাহ সোলাময়মান খোদার কাছে যাঞ্ছা করেছিলেন প্রজ্ঞা-ধার্মিকতা যার বদৌলতে তিনি গোটা বিশ^ পরিচালনা করে চলছেন (১বাদশানামা ৩ : ১-১৫)। অবশ্য খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহের সাথে বিশ^াস নিয়ে যারা যুক্ত হন তারা আমূল রূপান্তরীত হয়ে যায় তাঁরই সুরতে, যার অর্থ হলো মন-মানসিকতার দিক দিয়ে তাদের ঘটে পরিবর্তন, প্রাণীক মানুষটি হয়ে ওঠে রূহানী এক মানুষে, যেমন মানব পুত্র খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ মানব দেহে অবস্থান করা সত্তে¡ও ছিলেন সম্পূর্ণ রূহানী মানুষ, যাকে মাংসিক কামনা বাসনা বাধ্য করতে পারে নি রূহের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে। আর আমরা তো সম্পূর্ণ মাংসিক অভিলাষ ভোগ করার জন্য সদা থাকি উম্মূখ হয়ে। প্রাণীক মানুষ আর রূহানী মানুষের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যাবে এখানেই।
আদম যেমন স্খলিত হলেন তার প্রকৃত পজিশন থেকে, একইভাবে তার ঔরশজাত বংশ, আমরা ইতোপূর্বে কব্জাবন্দী হয়ে আছি ইবলিসের। যার যথার্থ প্রমাণ পাবেন যাবতীয় চলমান এবং অতীতে ঘটে যাওয়া যুদ্ধবিগ্রহের দিকে দৃষ্টিপাত করা হলো। কথায় বলে জীর্ণ কাঁথার মধ্যে থাকে ছোট ছোট ছিদ্র আর অগণীত বড় বড় ফাঁকা। নবী ইশাইয়া তাই বলেছেন, শরীরের সর্বত্র পচা ঘা, সূচ ফুটাবার মত সুস্থ স্থান নেই; যেমন আমাদের ধার্মিকতা আস্তাকুড়ে ফেলে দেয়া জীর্ণ নোংরা ন্যাকড়া তুল্য (ইশাইয়া ১ : ৬, ৬৪: ৬)।
গল্পের চরিত্র সাত ভাইয়ের মতো আজ আমরা সাধ্যমত খুঁজে ফিরছি হারানো ঘটি, হারানো অধিকার, তা চলমান নৌকার যে স্থান থেকে খসে পড়েছিল সেই স্থানে; আমরা বুঝতে চাই না, চলমান বিশে^ আমাদের হারানো অধিকার আর আদমের মধ্যে খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়; তা এখন খোদার হাতে ফিরে গেছে; ফিরে পেতে হলে খোদার কাছেই আর্জী পেশ করতে হবে যা খোদার ব্যবস্থায় বিশ^াস ও নির্ভর করেই করতে হবে। নিজেদের মনগড়া ব্যবস্থায় আস্থা রাখলে আদৌ চলবে না। আমরা ইতোপূর্বে বদ্ধ উম্মাদ হয়ে পড়েছি। মাটি, পাহাড়, পর্বত প্রদক্ষিণ করার মাধ্যমে কোনোদিন ব্রতে কামিয়াব হতে পারব না, ঐসকল মন্ত্রণা রচিত হয়েছে কেবল বাণিজ্যিক ফায়দা হাসিলের জন্য, পৃথিবীতে মাংসিক কামনা বাসনা চরিতার্থ করার জন্য। অথচ খোদা হলেন এক রূহানী সত্ত¡া যিনি সতত: সত্যে বাস করেন। তার প্রতি অনুরাগ প্রকাশ করতে হবে কেবল রূহানী পর্যায়ে, সেক্ষেত্রে মৃত্তিকাজাত দ্রব্য কোনো পূজায় লাগতে পারে না।
খোদা হলেন রূহ (ইউহোন্না ৪ : ২৪)। তাই তার এবাদত অবশ্যই রূহানী পর্যায়ে হতে হবে সাধিত। গল্পের সাত ভাই যেমন হারানো পিতলের ঘটি ভ্রান্ত পদ্ধতিতে পুণঃপুণঃ খুঁজেও তার নাগাল পেল না, ঠিক একইভাবে, বর্তমানে বিনষ্ট মানুষের দ্বারা রচিত ভুল তথা স্ববিরোধী রচনা নির্দেশনা মানুষকে ফিরিয়ে দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ তাদের হারানো অধিকার যা হলো মানুষ খোদার সুরতে তাঁরই প্রতিনিধি হিসেবে সৃষ্ট। আর এই মানুষের হাতেই তুলে দেয়া হয়েছে স্বর্গের ও পৃথিবীর সার্বিক অধিকার দায় দায়িত্ব (মথি ২৮:২৮)।
যারাই মসিহের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন, নিজের আমিত্ব এখতিয়ার সম্পূর্ণ তাঁর উপর সমর্পণ করেছেন, তাদেরও তিনি উক্ত ক্ষমতায় করেছেন ক্ষমতাবান। “যদি কেউ মসিহের সংগে যুক্ত হয়ে থাকে তবে সে নতুনভাবে সৃষ্ট হল। তার পুরানো সব কিছু মুছে গিয়ে নতুন হয়ে উঠেছে। এই সব আল্লাহ থেকেই হয়। তিনি মসিহের মধ্য দিয়ে তাঁর নিজের সংগে আমাদের মিলিত করেছেন, আর তাঁর সংগে আমাদের মিলন করিয়ে দেবার দায়িত্ব আমাদের উপর দিয়েছেন। এর অর্থ হল, আল্লাহ মানুষের গুনাহ না ধরে মসিহের মধ্য দিয়ে নিজের সংগে মানুষকে মিলিত করছিলেন, আর সেই মিলনের খবর জানাবার ভার তিনি আমাদের উপর দিয়েছেন। সেজন্যই আমরা মসিহের দূত হিসাবে তাঁর হয়ে কথা বলছি। আসলে আল্লাহ যেন নিজেই আমাদের মধ্য দিয়ে লোকদের কাছে অনুরোধ করছেন। তাই মসিহের হয়ে আমরা এই মিনতি করছি, “তোমরা আল্লাহর সংগে মিলিত হও।” ঈসা মসিহের মধ্যে কোন গুনাহ ছিল না; কিন্তু আল্লাহ আমাদের গুনাহ তাঁর উপর তুলে দিয়ে তাঁকেই গুনাহের জায়গায় দাঁড় করালেন, যেন মসিহের সংগে যুক্ত থাকবার দরুন আল্লাহর পবিত্রতা আমাদের পবিত্রতা হয়” (২করিন্থীয় ৫ : ১৭-২১)