Sunday, August 31, 2025
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

রূহানী মানুষ : এম এ ওয়াহাব

alorfoara by alorfoara
June 3, 2023
in সংখ্যা ৩৯ (০৩-০৬-২০২৩), সম্পাদকীয়
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter
বর্তমান বাজারে সাধারণ মানুষ কেনাকাটা করতে গিয়ে নিত্যদিন ঠকে যাচ্ছে; যার কারণ হলো দুই নাম্বারের মালামাল পরিবেশন করার জন্য। এমন কি টাকার মধ্যেও জাল টাকা ধরিয়ে দেয়া হয়ে থাকে যা আনপড় ব্যক্তিবর্গ ঠাহর করতে পারে না। মালামালের কথা নাইবা বললাম। জাল তেল, জাল ঘি, খাবার দাবারে ভ্যাজাল পণ্য গুঁজিয়ে দেয়া এমন কি ঔষধে পর্যন্ত দুই নাম্বারের ঔষধ পরিবেশন করা হয় বাহিরের লেবেল ফিটফাট রেখে।

আজ আমরা বসবাস করে চলছি ভ্যাজালের দুনিয়ায়। ভ্যাজাল মানুষের তাৎপর্য হলো বাহারি মানুষটি ভরে আছে প্রতারণায়; মানুষের ক্ষতিসাধন করা হলো তার একমাত্র ব্রত। আমরা দুষ্ট ইবলিস চিনি না, তবে উক্ত প্রতারক যখন কোনো মানুষের উপর ভর করে তখন সেই আশ্রিত (ভুতাশ্রিত) মানুষটি সর্বদা থাকে ব্যস্ত মানুষের ক্ষতি সাধনকল্পে। খোদার সুমহান সৃষ্টি তছনছ করা ছাড়া ইবলাশ্রিত ব্যক্তিটি কোনো কিছুত্ইে আর শান্তি পায় না।

আমরা কথঞ্চিত জানি খোদার পরিচয়। তিনি হলেন মহব্বত এবং মহব্বতেরর কারণেই স্বীয় সুরতে বা চরিত্রে মানুষ সৃষ্টি করেছেন; সৃষ্টি করেছেন মাত্র একজন আদম। তিনি মাটি দিয়ে মাত্র একজন আদম (মানুষ) সৃষ্টি করেছেন এবং তার নাশিকায় প্রাণবায়ু ফুঁকে দিলেন, অমনি তিনি জীবিত মানুষে হলেন উন্নিত। খোদার ঐশি গুনাবলি তিনি আদমকে দান করলেন যেন তার পক্ষে সম্ভব হয় অদৃশ্য খোদার পক্ষে দূতীয়ালি করা।

দুঃখের বিষয় হলো, খোদার দুষমণ ইবলিসের অবাস্তব প্রলোভনে তিনি ধরা খেলেন, হলেন খোদাদ্রোহী, খোদার উপর নিরঙ্কুষ আস্থা রাখতে আর পারলেন না, ফলে ইবলিসের শেখানো ভুল পথে চলতে শুরু কররেন। ভন্ডুল হয়ে গেল মহান পরিকল্পনা যা ছিল খোদার প্রতিনিধিত্ব, তা না করে ইবলিসের নোমায়েন্দা বলে গিয়ে দুনিয়াটা নরককুন্ডে পরিণত করে তুললো। সবচেয়ে বড় দৃষ্টান্ত হলো মাংসিক অভিলাষ চরিতার্থ করার জন্য স্বীয় সহোদর ভাইকে খুন করে বসলো কাবিল।

খোদা হলেন প্রেম ও সততায় পরিপূর্ণ; মানুষের কল্যাণবই অকল্যাণ বলতে তাঁর কাছে থেকে আমরা কিছুই কামনা করতে পারি না (ইয়ারমিয়া ২৯ : ১১)।

তিনি মানুষকে এক চিরস্থায়ী প্রেমে জড়িয়ে রেখেছেন। তিনি হলেন রূহানী সত্ত¡া সদা বাস করেন সততায়, থাকেন সর্বত্র বিরাজমান, যাকে খুজতে পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণ কোথাও ছুটতে হবে না। তাঁকে সময়ের গন্ডিতে আবদ্ধ করার উপায় নেই। তিনি মানুষের হৃদয়ে বাস করেন। তাঁর ক্ষমতা আসমান জমীন জুড়ে পরিব্যাপ্ত। তিনি নিজেই ক্ষুদে মানুষকে বলেন, কোাথায় তাঁর জন্য আমরা বসবাসোপযোগী গৃহ নির্মাণ করব; কেননা আসমান জমীন জুড়ে যার ব্যাপ্তি। তবে তিনি স্বীয় হস্তে গড়া গৃহে বাস করে স্বাচ্ছন্দ বোাধ করেন। আপনি কি জানেন, সে কোন ঘর খানা যা তিনি নিজ হাতে নির্মাণ করেছেন? তিনি নিজ হাতে আদমকে সৃষ্টি করেছেন, তাই আদমের হৃদয়ে তিনি বসবাস করে হন মহপ্রীত। আর তিনি তার মধ্যে শতত: বাস করতে চান যদি আদম তাকে তাড়িয়ে না দেন।

কথা হলো, মানুষের মধ্যে ইবলিসের আবির্ভাবের ফলে মানুষ সম্পূর্ণ নারকী হয়ে পড়লো। মানুষ মারাত্মক ক্ষতিকারক শক্তিতে হলো পরিণত। শুধু মানুষের ক্ষতিসাধণই নয়, আজকে মানুষ ভ্রান্ত ফতোয়া দিয়ে সাধারণ মানুষকে উদব্রান্ত করে তুলেছে। সর্বশক্তিমান, সর্বত্র বিরাজমান, সদাজাগ্রত খোদাকে পর্যন্ত সময়ের গন্ডিতে আবদ্ধ করে ফেলেছে; তাঁরই সৃষ্টি চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্রের আবর্তে তাকে আবর্তমান এক ঘুর্ণমান পদার্থে পরিণত করে মানুষের কাছে প্রচার করে ফিরছে; তাছাড়া খোদা হলেন এক পরম রূহানী সত্ত¡া, যাকে ভজনা করতে হবে রূহে ও সত্যে বাস করে; সেক্ষেত্রেও ধান-দূর্বা দিয়ে সময়ের গন্ডিতে তার আরাধনার মেকি ব্যবস্থা মানুষের ঘাড়ে চাপিয়ে দিল বাণিজ্যিক ফায়দা অর্জনের জন্য; মানুষ আসল নকলের মধ্যে কোনো পার্থক্যই খুঁজে পায় না, সততঃ তটস্থ থাকে কল্পিত অজানা জুজুর ভয়ে। অথচ খোদা নিজেই ডেকে বলেন, তিনি পবিত্র, তাই তাঁর সাহচর্য্য লাভ করতে হবে কেবল পবিত্রতায় ও অন্তরে খাঁটি বিশ্বাস নিয়ে তাকে ডাকতে হবে। কোনো সময়ের ফ্রেমে খোদাকে বেধে রাখার উপায় নেই। জীবন বাঁচাতে অক্সিজেন যেমন সর্বদা টেনে নিতে হয়, তদ্রুপ খোদার উপস্থিতি থাকতে হবে ব্যক্তির হৃদয় জুড়ে সতত:। তাইতো কবি গেয়েছেন; “শতত প্রার্থনা, জোগায় মোরে আলোর কণা, ফল পেয়েছি শুভ, দূর হয়েছে বিড়ম্বনা”।

ধর্মের নামে একশ্রেণির বণিক সম্প্রদায় আজ গোটা বিশ^ ঘিরে রেখেছে। ধর্ম হলো তাদের জন্য ব্যবসার পুজি। তাদের নাজায়েজ ফায়দা হাতছাড়া হোক তা কি তারা মেনে নিতে পারে? প্রশ্নই জাগে না। তাদের হাতে শোভা পায় শাণীত তরবারি, যদি কেউ তাদের দেয়া ফতোয়ার পক্ষে বা বিপক্ষে বিশ্লেষণধর্মী ব্যাখ্যা প্রকাশ করে তখন তারা নখদন্তে তেড়ে আসে নিজেদের জালযুক্তি সুপ্রতিষ্ঠিত রাখার জন্য। সে জন্য খুন-রাহাজানি যা কিছুরই প্রয়োজন হোক না কেন তাতে তাদের কোনো আপত্তি থাকে না। আর তেমন যুদ্ধ হলো জেহাদ বা ধর্মযুদ্ধ। আসলে যুদ্ধ করতে হবে অভিশপ্ত ইবলিসের বিরুদ্ধে তেমন ক্ষেত্রে ঢাল তলোয়ারের কোনো প্রয়োজন পড়ে না। তাছাড়া খোদা থাকেন ব্যক্তির স্বপক্ষে ইবলিসকে পরাভুত করার জন্য। তাই খোদা যখন আমাদের স্বপক্ষে তখন বিপক্ষে দাড়িয়ে কে কি করতে পারে বলুন (রোমীয় ৮ : ৩১)।

আপনাকে পরিষ্কার ভাবে চিনে নিতে হবে দুটি চরিত্রের বিষয়ে। প্রেম ও ক্ষমা হলো খোদার চরিত্র, আর বিপরীত পক্ষে স্বার্থপরতা, হত্যাযজ্ঞ হলো ইবলিসের চরিত্র। খোদা অবশ্য তেমন দৃষ্টান্ত প্রকাশ করেছেন তার দেয়া শিক্ষাকলাপের মাধ্যমে। গুনাহ-স্বভাবের কাজগুলো স্পষ্টই দেখা যায়। সেগুলো হলÑ জেনা, নাপাকী, লম্পটতা, মূর্তিপূজা, জাদুবিদ্যা, শত্রুতা, ঝগড়া, লোভ, রাগ, স্বার্থপরতা, অমিল, দলাদলি, হিংসা, মাতলামি, হৈ-হুল্লা করে মদ খাওয়া, আর এই রকম আরও অনেক কিছু। আমি যেমন এর আগে তোমাদের সতর্ক করেছিলাম এখনও তা-ই করে বলছি, যারা এই রকম কাজ করে আল্লাহর রাজ্যে তাদের জায়গা হবে না (গালাতীয় ৫ : ১৯-২১)।

প্রথম মানুষটি যদিও খোদার চরিত্রের বহিপ্রকাশ ঘটাতে হয়েছিলেন আদিষ্ট, তবুও দুঃখজনক ঘটনা হলো, সে হলো পতীত, হলো ইবলিসের হাতে বন্দী। খোদা আর একজন ঐশি মানুষ জগতে প্রেরণ করলেন, ইবলিস তাঁকেও মন্ত্রপুট করার প্রচেষ্টা নিয়েছিল বটে, কিন্তু সে উল্টো ধরা খেল, হলো চরমভাবে প্রতিহত, হলো বিতাড়িত। যে কথা আমরা কালামপাকে দেখতে পাই, নারীর গর্ভজাত একটি পুত্র অভিশপ্ত ইবলিসের মস্তক চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ছাড়বে। “আমি তোমার ও স্ত্রীলোকের মধ্যে এবং তোমার বংশ ও স্ত্রীলোকের মধ্য দিয়ে বংশের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করব। সেই বংশের একজন তোমার মাথা পিষে দেবে আর তুমি তার পায়ের গোড়ালীতে ছোবল মারবে” (পয়দায়েশ ৩ : ১৫)।

বর্তমান সমাজ দুটো ভাগে হয়ে আছে বিভক্ত; একদল ইবলিসের পক্ষে রয়েছে কর্মরত, যাদের নিয়ত সাধনা, মানুষের ক্ষতিসাধন করা, আর একদল রয়েছে আর্তপীড়িত দুস্থ মানুষের সেবাদান করে তাদের মানুষের কাতারে দাড় করানো। চুরি, খুন ও নষ্ট করার নিমিত্তে কুলটা ইবলিস কুচাল চেলে চলছে, আর পাকরূহ (মসিহ) এসেছেন জীবনের বারতা নিয়ে তথা উপচে পড়া জীবনের সঞ্চালণ ঘটাতে। খোদার নিয়ত বাসনা মানুষের কল্যাণ সাধন।

খোদার সেবা হবে মানুষের সেবা। যেহেতু খোদা হলেন রূহ, তাই তাঁর আরাধনা হতে হবে অবশ্যই রূহানী পর্যায়ে এবং ভক্তের মনে কোনো ধরণের পরশ্রীকাতরতা, লোভ, রাগ, জিঘাংসা নিয়ে খোদার কাছে প্রণতি জ্ঞাপন করা সম্ভব নয়। নিজেকে সম্পূর্ণ স্নাতশুভ্র করে তবে তার সাথে রূহানীভাবে একাত্ম হওয়া সম্ভব “সেজন্য আল্লাহর উদ্দেশে কোরবানগাহের উপরে তোমার দান কোরবনী দেবার সময় যদি মনে পড়ে যে, তোমার বিরুদ্ধে তোমার ভাইয়ের কিছু বলবার আছে, তবে তোমার দান সেই কোরবানগাহের সামনে রেখে চলে যাও। আগে তোমার ভাইয়ের সংগে আবার মিলিত হও এবং পরে এসে তোমার দান কোরবানী দাও” (মথি ৫ : ২৩-২৪)। মসিহ অবশ্য বলেছেন, তিনি আমাদের বেছে নিয়ে কাজে লাগিয়ে থাকেন “তোমরা আমাকে বেছে নাও নি, কিন্তু আমিই তোমাদের বেছে নিয়ে কাজে লাগিয়েছি যাতে তোমাদের জীবনে ফল ধরে আর তোমাদের সেই ফল যেন টিকে থাকে। তাহলে আমার নামে পিতার কাছে যা কিছু চাইবে তা তিনি তোমাদের দেবেন” (ইউহোন্না ১৫ : ১৬)। নতুবা মানুষের পক্ষে খোদাকে তালাশ করে কামিয়াব হওয়া আদৌ সম্ভব নয়। মানুষ তো তাঁরই হাতে সৃষ্ট এবং তাঁর পক্ষে কারিগর “আমরা আল্লাহর হাতের তৈরী। আল্লাহ মসিহ ঈসা সংগে যুক্ত করে আমাদরে নতুন করে সৃষ্টি করেছেন যাতে আমরা সৎ কাজ করি। এই সৎ কাজ তিনি আগেই ঠিক করে রেখেছিলেন, যেন আমরা তা করে জীবন কাটাই” (ইফিষীয় ২ : ১০)। তিনি স্বীয় কারিগর স্বীয় মহিমা প্রকাশের জন্য ব্যবহার করে থাকেন। যে জন্য তিনি এক সহায় প্রেরণ করেছেন যিনি হলেন পাকরূহ, যিনি মসিহের পক্ষেই কাজ করে থাকেন এবং ব্যক্তিকে নিয়ত পরিচালনা করে থাকেন ও পথ দেখিয়ে পূর্ণাঙ্গ সত্যে নিয়ে চলছেন। “আমরা এখন যেন আয়নায় অস্পষ্ট দেখছি, কিন্তু তখন সামনা-সামনি দেখতে পাব। আমি এখন যা জানি তা অসম্পূর্ণ, কিন্তু আল্লাহ আমাকে যেমন সম্পূর্ণভাবে জানেন তখন আমি তেমনি সম্পূর্ণভাবে জানতে পারব” (১ম করিন্থীয় ১৩ : ১২)।

খোদাকে চার দেয়ালের মধ্যে যেমন বন্দী করে রাখা সম্ভব নয়, একইভাবে মসিহকেও গৃহকোণে বন্দী করা যাবে না। আর পাকরূহ হলেন খোদার রূহ যিনি মসিহের শিক্ষাকলাপ মানুষকে মনে করিয়ে দেন এবং ন্যায় সত্য সুন্দরের পক্ষে নিয়ত পরিচালনা করেন।

গোটা বিশ^ আজ পাপের সাগরে ডুবন্ত; খোদার মহান সৃষ্টি এভাবে নষ্ট হয়ে যাবে তা খোদার পক্ষে মানানসই হতে পারে কি? মানুষের পাপের কাফফারা পরিশোধ দেবার মতো তাদের হাতে কোনো কিছু সঞ্চয় নেই বিধায় জীবনভর অপরাধে কাল কাটাতে তারা সকলে বাধ্য। প্রেমের তাগিদে তিনি স্বীয় কালাম ও পাকরূহ মানবরূপে করলেন জগতে প্রেরণ। “আল্লাহ মানুষকে এত মহব্বত করলেন যে, তাঁর একমাত্র পুত্রকে তিনি দান করলেন, যেন যে কেউ সেই পুত্রের উপর ঈমান আনে সে বিনষ্ট না হয় কিন্তু অনন্ত জীবন পায়। ১৭ আল্লাহ মানুষকে দোষী প্রমাণ করবার জন্য তাঁর পুত্রকে দুনিয়াতে পাঠান নি, বরং মানুষ যেন পুত্রের দ্বারা নাজাত পায় সেজন্য তিনি তাঁকে পাঠিয়েছেন” (ইউহোন্না ৩: ১৬-১৭)। খোদা অবশ্য তেমন ঘোষণা দিয়েছিলেন আদমের পতনের সাথে সাথে “আমি তোমার ও স্ত্রীলোকের মধ্যে এবং তোমার বংশ ও স্ত্রীলোকের মধ্য দিয়ে বংশের মধ্যে শত্রæতা সৃষ্টি করব। সেই বংশের একজন তোমার মাথা পিষে দেবে আর তুমি তার পায়ের গোড়ালীতে ছোবল মারবে” (পয়দায়েশ ৩ : ১৫)।

মসিহ জগতে আগমন করেছেন আদম জাতিকে চয়ন করার জন্য, স্বীয় পূতপবিত্র রক্তের মূল্যে তাদের কৃত পাপের প্রায়শ্চিত্ত পরিশোধ করার জন্য। তিনি এসেছেন গোটা আদম বংশের হারানো সন্তানদের খুঁজে নেবার জন্য। কেবল বিশ্বাসহেতু আপনি পেয়ে গেলেন অভাবিত নাজাত এবং তা ঈসা মসিহের প্রায়শ্চিত্ত সারনকারী বিকল্প কোরবানির মাধ্যমে। কথায়ে বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর।

মানুষ পাপের কারণে শতধা বিভক্ত হয়ে পড়েছে, পরষ্পর হয়ে আছে সাপ নেউলে সম্পর্কে শত্রু ভাবাপন্ন, মসিহ সে ক্ষেত্রে এসেছেন মিলন ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার জন্য। তবে যতজনই মসিহের মধ্যে আশ্রয় পেয়েছে তারা সকলে ভ্রাতৃপ্রেমে আজ একাকার। তাদের মধ্যে আর কোনো ভেদাভেদ থাকতে পারে না (গালাতীয় ৩ : ২৮)।

প্রথম আদমে অর্থাৎ ভুতাশ্রিত আদমে হলো মানুষের পতন আর দ্বিতয় আদম পাকরূহের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে নেমে আসল মিলন ও ভ্রাতৃত্ব। মানবতার বিজয় কেবল খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহের মাধ্যমে হয়েছে সুসম্পন্ন। মসিহের মাধ্যমে গোটা বিশ্ববাসি আজ হলো এক নতুন সৃষ্টি যারা খোদার মহিমা প্রকাশ করে ফিরছে দিবানিশি।

ShareTweet
Next Post

রাশিয়া থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন সার আসবে

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি, জবাব চাইল আদালত

বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি, জবাব চাইল আদালত

August 31, 2025
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

August 31, 2025
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা