Saturday, August 30, 2025
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

পিতার গৃহ এবাদতের ব্যুহ : এম এ ওয়াহাব

alorfoara by alorfoara
May 31, 2023
in সংখ্যা ৩৮ (২৭-০৫-২০২৩), সম্পাদকীয়
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter
পিতার গৃহ এবাদতের ব্যুহ যা বাণিজ্য বা রাজনীতির বেড়াজাল দিয়ে জটিল কুটিল বা পঙ্কিল করে তোলা যাবে না (ইউহোন্না ২ : ১৩-১৬)।

বিষয়ভিত্তিক বিশ্লেষণের পূর্বে আমরা দেখে নেব খোদ শ্রষ্টার চোখে মানুষ কোন অবস্থান ও মর্যাদায় রয়েছে প্রতিষ্ঠিত; তা বলতে পারেন সৃষ্টিলগ্নে আর বর্তমানে তাদের পরিচিতি।

ডুবন্ত টাইটানিক নিয়ে আজ আমরা বহুমাত্রিক গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস ইত্যাদি লিখে চলছি এবং প্রজন্মকে তেমন একটা ধারণা শিখাচ্ছি। তা ভগ্নচূর্ণ ছবি নবীন শিক্ষার্থী শিখে শিখে তারাও পরবর্তী প্রজন্মকে ঐ ভগ্নাবশেষ নিয়ে একটি ভ্রান্ত সমাজ গড়ে তুলছে যা কোনো জাতির পক্ষে আদৌ কল্যাণজনক হতে পারে না।

বর্তমানকার পদ্মাব্রীজের কথায় আসুন, এটি একটি সম্পূর্ণ অসম্ভব বিষয় ছিল স্বাধীন দেশের দাবিদার স্বাধীন নাগরিকদের মনে। নেতা নেত্রীদের বক্তব্য ছিল বড়ই ন্যাক্যারজনক। ও পথে কেউ হাটবে না, আর যদিও কেউ অসম সাহস নিয়ে ও পথে এগোতে প্রয়াশ নেয়, তবে তাকে অবশ্যই করতে হবে সমাজচ্যুত হতোদম্য অথবা তার বুদ্ধি পরামর্শ হবে অবাস্তব। অবশ্য নিদ্দুকদের দোষ দেব কোন সুবাদে! ওরা তো ছেলে বেলা থেকেই এমন ভ্রান্ত শিক্ষা লাভ করে বর্তমানকার পন্ডিত সেজেছে।

আমাদের আকাশ দেখানো হয়েছে, আবার চাঁদ মামার সাথেও আত্মীয়তা গড়ে তোলার প্রেরণা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে চন্দ্রভিযানে নভোচারী হরদম আসা যাওয়া করছে তা আমাদের পত্র পত্রিকায় ছাপা হয়, পাঠ্যপুস্তকে পড়ানো হয়, উদ্দেশ্য একদল দক্ষ জ্ঞানিগুনি নাগরিক সৃস্টি করা। ভ্রান্ত শিক্ষা দিয়ে যে কি করে সুপন্ডিত প্রস্তুত করা সম্ভব তা কি করে মেনে নেব বলুন। আকাশের বিষয় যে বদ্ধমূল ভ্রান্ত ধারণা সমাজে প্রচলিত ছিল তা আজ ক্রমে ক্রমে নিরসন হতে শুরু করছে। একজন সাধারণ ব্যক্তি বা পরম শিক্ষিত ব্যক্তি চাঁদে পৌছাতে চাইলে তাকে নাশার মত একটি বৈমানিক দলের সাহায্য নিতে হবে, যা আজ আমরা বুঝতে পারি। আমরা বুঝতে পারি সমুদ্রে অভিযানের বা ভ্রমণের জন্য টাইটানিক জাহাজ ছিল একটি উপযুক্ত জাহাজ। ডুবন্ত হীমশৈলের সাথে আঘাত খেয়ে ভ্রমন পিপাষুদের নিয়ে ডুবে গেছে তাই ওটা হয়ে গেল একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত।

ঠিক একইভাবে মানুষ হলো বিমূর্ত খোদার মূর্তমান সৃষ্টি; উদ্দেশ্য সৃষ্ট মানুষের মাধ্যমে বিমূর্ত খোদার বহিপ্রকাশ ঘটানো। যার অর্থ ও তাৎপর্য হলো, এই মানুষ দেখে বাতেনী খোদার বিষয়ে সম্যক ও প্রাঞ্জল ধারণা লাভ করা সহজ হবে। যেমন খোদা হলেন প্রেম, তিনি হলেন অনন্ত জীবনের অধিকারী। তিনি পবিত্র ক্ষমাশুলভ যার কাছে লাভ হয় মাগফেরাত। আর অন্য পক্ষে খোদার দুষমন সুন্দর সৃষ্টি ধ্বংস করার জন্য সদা থাকে এক পা এগিয়ে। খোদার মহব্বত আর ইবলিসের জিঘাংসা; দুটো পাশাপাশি দাড় করালে মানুষ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে সহজে, জীবন আর মৃত্যু, মানবতা আর মানবতা বিদ্বংসী কর্মকান্ড আমরা নিত্যদিন দেখে দেখে মন্তব্য করে থাকি ঝাল টক মিষ্টি নিয়ে মানুষ সৃষ্টি।

কথাটা আসলে কি সঠিক মন্তব্য? খোদা কি এমন ধারণা অনুমোদন করে থাকেন? তিনি তো পরিষ্কার বলেছেন, তিনি পবিত্র বলে মানুষও যেন পবিত্র হয়; পবিত্র আর নাপাক; মিষ্টি আর তেতো, গোদুগ্ধ আর গোচণা একত্র রাখা চলে কি? প্রথম মানুষটিকে আমরা প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পাই নি; তবে আর একজন ঐশি মানুষ দেখার সুযোগ লাভ করেছে গোটা বিশ^। যার বিষয়ে অধিকাংশ গ্রন্থে রয়েছে প্রাঞ্ছল বর্ণনা। অবশ্য রাজনীতি অথবা বাণিজ্যিক স্বার্থে সত্যকে মিথ্যা বানিয়ে উপার্জন করতেও দেখেছি। খোদার গৃহ বাণিজ্যের আড়তে রূপান্তরিত হয়েছে তা কে না জানে! সুস্থ সুঠাম ব্যক্তি বদ অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ে নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে অচল মালে পরিণত, তাই বলে আমরা কি বলব সৃষ্টি লগ্ন থেকেই সে রূগ্ন? অবশ্যই জেনেশুনে মন্তব্য করা হলে সমাজ গঠনে সহায়ক হয়ে থাকে।

মানব জাতির প্রথম মানুষটি হলেন হযরত আদম যিনি খোদার সাথে নিত্যদিন আলাপচারিতা করতেন। খোদার দুষমন ইবলিসের সাথে সাক্ষাত হবার পূর্ব পর্যন্ত তার মনে কোনো বিষয়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা ছিল না; এমনকি তিনি যে সম্পূর্ণ উলঙ্গ ছিলেন সে বিষয়েও ছিল না তার কোনো খেয়াল বা লজ্জাবোধ। সহজ সরল মনে নির্ধারিত বাগানে ছুটাছুটি করতেন বেশ আরামেই। খোদা তার জন্য এক সহচর সৃষ্টি করলেন তাঁরই পঞ্জরের হাড় দিয়ে যা দেখে আদম হলেন মহাপ্রীত, আনন্দে মতোয়ারা। আমাদের সমাজে বা পরিবারে ২/৩ বৎসরের শিশুরা অনবরত খেলাধুলা বা ছুটাছুটি করে উলঙ্গ অবস্থায়, তাদের দেখে যদি কেউ লজ্জা পেয়ে যায় তবে সে অবশ্যই দর্শক, শিশুরা নয়।

দুর্ভাগ্যক্রমে আদম হাওয়ার সাথে বাক্যালাভ হয়ে গেল অভিশপ্ত ইবলিসের, তাদের কর্ণে ঢুকিয়ে দিল কুমন্ত্রনা, প্রশ্ন আর প্রশ্ন যা ছিল তাদের আওতা বহির্ভূত বিষয়। ফালতু উচ্চাভিলাষ তাদের মাথায় জুড়ে দিল। অমনি তারা নিজেদের উলঙ্গ দেখতে পেলেন। আর উলঙ্গতার অর্থ ও তাৎপর্যন্ত হল তারা সম্পূর্ণ অসহায় প্রাণী মাত্র। নিজেদের বিষয় আশয় নিয়ে নিজেদের দেখাশুনা করতে হবে।

সর্বপ্রথম উলঙ্গতা ঢেকে দেবার জন্য খুঁজতে থাকলেন উত্তম ব্যবস্থা। খোদা তাদের মনের অবস্থা অসহায়ত্ব উপলব্ধি করলেন। ডেকে জানতে চাইলেন তাদের উৎকণ্ঠা উদ্বেগের কারণসমূহ। মানুষের হাতে কি কোনো যথার্থ ব্যবস্থা রয়েছে তাদের জীবনের সকল ঘাটতি পূরণ করার? নেই, কিছুই নেই। আর নেই বলে হাতে তুলে নিয়েছে মারণাস্ত্র, যেখানে সেখানে প্রয়োগ করে নিজেদের ঘাটতি পুরণ করার চিন্তায় রয়েছে সদাব্যস্ত। কথায় বলে, পেটে ভাত নেই, বলুন কি করে, রামার গীত গাই। নুন আনতে পান্তা ফুরায়, যা হলো মানুষের নিত্যদিনের অবস্থা। মাতৃগর্ভ থেকে টেনে ভূমিষ্ট করেছে, যার ফলে গোটা জীবন চলছে টানাটানি। বর্তমানকার সম্পদশালী দেশগুলো যে কি করে অতটা সম্পদের মালিক হয়ে গেলো তা বড়ই রহস্যাবৃত্ত। ছোট্ট একটা ঘটনা বলি, প্রায় ২০০ বৎসর বৃটিশ হানাদার বাহিনী ভারতবর্ষ তথা বিশে^র অগণীত দ্বিপ রাষ্ট্র শাসন শোষণ করে সম্পদ জমা করেছে নিজেদের দ্বিপ রাষ্ট্রে, তাই আজ তারা বিশে^র মোড়ল। এমন মোড়ল রাষ্ট্র আসলে অন্যের সম্পদে হয়েছে সম্পদশালী যা বলার অপেক্ষা রাখে না।

টাইটানিক যেমন ডুবন্ত বরফের পহাড়ের প্রান্তভাগ (ঞরঢ়) দেখে সামান্য ভেবে তুচ্ছজ্ঞান করেছিল ঠিক একইভাবে আমরা পাপ ও অবাধ্যতাকে সামান্য, লঘুপাপ, গুরুপাপ ইত্যাদি ভাগ করে গুরুত্বরোপ করে চলি। আপনাদের জানা আছে কি, জাহাজের মাত্র একটি ক্ষুদে চিদ্র পথ দিয়ে পানি ঢুকে সলীল সমাধি ঘটাতে যথেষ্ট! আমাদের অতীব সাবধান হওয়া উচিত ছিল। তবে আমাদের টাইটানিক কখনোই ডুবতে পারতো না। কথায় বলে, চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।

এখন আমাদের একটি মাত্র চিন্তা, যা হলো পুনরুত্থানের ভাবনা। কে আছেন প্রেমের তাগিদে নিজেকে বিপন্ন করে আমাদের করবেন অবমুক্ত। বিপন্ন শব্দ বলার কারন হলো আমরা হলাম চরম গুনাহগার, পাপের সাগরে ডুবন্ত। আর গুনাহের শাস্তি হলো মৃত্যু! লোভে পাপ আর পাপের বেতন হলো মৃত্যু। তা আমাদের কৃত পাপের কাফফারা পরিশোধ করার মত বস্তু বা ধার্মিকতা আমাদের কারো কাছেই সঞ্চিত নেই। পাপ আমাদের জীর্ণ করে রেখেছে, আমরা কালের ¯্রােতে ডানে বায়ে ভেসে চলছি।

আমরা ভুলে গেছি আমাদের জন্মাধিকারের কথা। আসলে আমরা সকলেই হলাম খোদার সুরতে তাঁর প্রতিনিধি রূপে সৃষ্ট, যে কথা দয়াময় কখনোই অস্বীকার করেন না। কোনো অপরাধ কর্মে অভিযুক্ত ব্যক্তি কি তার নাগরিক অধিকার হারাতে পারে? যদি কেউ মারাত্মক ক্ষতিকারক ব্যক্তিতে পরিণত হয়ে ওঠে, তবে প্রশাসন তার সুব্যবস্থা হাতে নেয়। তখনও থাকে তার নাগরিক অধিকার, ভোটাধিকার থাকে কার্যকর। ঠিক একইভাবে বেহেশতি পিতা ডেকে বলছেন, যদিও গর্ভধারিণী মাতা তার শিশুকে ভুলে যেতে পারে তবুও আমাদের নির্মাতা বেহেশতি পিতা আমাদের কখনোই ভুলে যান না। আমাদের প্রতি তাঁর মহব্বত অনন্তকাল স্থায়ী (ইয়ারমিয়া ৩১ : ৩, ইশাইয়া ৪৯ : ১৫)।

আমরা আমাদের লোভ আর মাংসিক অভিলাষ চরিতার্থ করতে গিয়ে হয়েছি তাঁর অবাধ্য, তবে যখনই আমরা অনুতপ্ত হয়ে তার কাছে আশ্রয় কামনা করি, তখনই তিনি দয়ার্দ্র হয়ে আমাদের স্বীয় কোলে তুলে নেন এবং ¯œাতশুভ্র করে পুনরায় উপযুক্ত স্থানে সমাসীন করেন (২ খান্দাননামা ৭ : ১৪)।

তবে সাবধান থাকতে হবে খোদার চিরস্থায়ী মারাত্মক শত্রæ ইবলিসের মন্ত্রণা থেকে। মিথ্যা প্রলোভন হলো শয়তানের হাতিয়ার যা দিয়ে মানুষকে বধ করে আসছে যুগযুগ ধরে। শয়তানের কাজ হলো সত্য মিথ্যা গুলিয়ে ফেলা যেন সাধারণ মানুষ সমস্ত বিষয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলে, পরিশেষে নিরুপায় হয়ে ইবলিসের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে বাধ্য হয়।

খোদা হলেন রূহ, যারা তাঁর এবাদত করবে তাদের অবশ্যই রূহে ও সত্যে তাঁর এবাদত করতে হবে (ইউহোন্না ৪ : ২৪)। এক্ষেত্রে বস্তুবগত দ্রব্যের কোনো প্রয়োজন থাকতে পারে না। আমাদের অবশ্যই বস্তুজগতের প্রয়োজন রয়েছে কেননা আমাদের রয়েছে একটি ভৌতিক দেহ। খোদা তা অস্বীকার করেন নি। আদম সৃষ্টির পূর্বেই তিনি বস্তুজগত সৃষ্টি করে রেখেছেন, যে কারণে মাটি দিয়ে তিনি আদমের মূর্তী তৈরি করলেন, এবং তাঁর নাশিকায় প্রাণ বায়ু ফুঁকে দিলেন, অমনি তিনি জীবন্ত প্রাণীতে হলেন উন্নিত। মানুষের অপরিহার্য্য চাহিদা হলো অন্ন, ব¯্র, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আর বায়ু তো অবধারিত, বেঁচে থাকার জন্য।

মসিহ তাই যথার্থ বলেছেন, মানুষ কেবল রুটিতেই বাঁচে না, চাই তাঁর ঐশি কালাম এবং ঐশি জীবন্ত কালাম তাকে মানুষের মত মানুষ হিসেবে টিকিয়ে রাখে। অভিশপ্ত শয়তান হলো মন্দ আত্মা, যাকে কোনো বস্তু দিয়ে পেটাতে পারবেন না, এমন কি পাথর ছুড়ে ওকে বধ করা সম্ভব নয়। ওকে আহত করা কেবল মাবুদের পক্ষেই সম্ভব। যারা তেমন প্রথা চালু করেছে তারা তাদের বাণিজ্যের প্রসার ঘটানোর জন্যই তা প্রচলন করেছে। মাটি খুড়ে খোদার অস্তিত্ব লাভ করা সম্ভব নয়। আসমান জমীন চষে আাসুন তারপর বলুন খোদার নিজস্ব ঠিকানা কোথায় রয়েছে! খোদা নিজেই আপনার কাছে এসে ধরা দেন বিধায় আপনি লাভ করতে পারেন খোদার সাহচর্য্য। তিনি রয়েছেন সর্বত্র বিরাজমান। আপনাকে মরীচিকার পিছনে ছুটে ছুটে হয়রান হবার প্রয়োজন আছে কি? খোদার গৃহে বাণিজ্যের স্থান কোথায়। খোদাকে লাভ করা বা তার সংগ লাভ করার জন্য প্রতি বছর যে অর্থ ব্যয় করা হয় তা যদি আপনার আশে পাশে আর্তপীড়িত দুঃস্থ ব্যক্তিদের জন্য খরচ করা হয় তবে বোধ করি খোদা হবেন অধিক প্রীত।

ডুবে যাওয়া টাইটানিক খুঁজে ফেরার ব্যবস্থা কেউ না করলেও হারিয়ে যাওয়া বা বিনাশপ্রাপ্ত মানুষ খোজার জন্য মাবুদ দিবানিশি রয়েছেন ব্যস্ত, যে কথা আমি হলফ করে বলতে পারি। যেমন কালামপাকে প্রত্যয়ের সাথে তেমন অগণীত ঐশি বাণী খুঁজে পাবেন যদি মনোযোগ দিয়ে তা পাঠ করে চলেন।

সম্পূর্ণ নিখুত এক রূহানী আদম আমাদের জন্য খোদা পুনরায় জগতে পাঠিয়েছেন, যাকে দেখে আমরা সম্পূর্ণ পুতপবিত্র মানুষ সম্বন্ধে প্রাঞ্ছল ধারণা লাভ করতে পারব। আলো আধারের লোক নন তিনি। ভিতর বাহির সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, যিনি হলেন মহব্বতের পারাবার। তিনি নিজেকে কোরবানি দিলেন বিশে^র আদম বংশের কৃত পাপের কাফফারা পরিশোধ দেবার জন্য। খোদা মসিহের কোরবানি মানুষের বিকল্প কোরবানি হিসেবে কবুল করে নিলেন; ফলে বিশ^াসহেতু গোটা বিশ^ আজ হতে পারল নতুন সৃষ্টি (২করিন্থীয় ৫ : ১৭-২১)।

কর্ম বা ধার্মিকতা বা কৃচ্ছ্রতা অথবা অর্থ বিত্ত বা পান্ডিত্ব দিয়ে ক্রয় করা সম্ভব নয় পাপের কবল থেকে মুক্তি, গুনাহগারদের মুক্তপাপ হতে হবে কোরবানিকৃত মসিহের মাধ্যমে, আর তিনি জগতে এসেছেন স্বীয় প্রাণ কোরবান দেবার জন্যই। এটাই হলো নিঃস্বার্থ প্রেম যা কাউকে ধোকা দেয় না। তিনি মানুষের রক্ত ঝরাতে আগত নন, বরং নিজের রক্তের মূল্যে বিশে^র গুনাহগারদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত পরিশোধ করার জন্য এসেছেন (মথি ২০ : ২৮)।

আপনি যদি সম্পূর্ণ নিখুঁত আদম দেখতে চান তবে অবশ্যই মসিহের দিকে দৃষ্টি দিন। পঙ্কিল পৃথিবীতে বাস করেও শতভাগ পবিত্র জীবন যাপন করা সম্ভব কেবল মসিহের ক্রোড়ে বাস করার মাধ্যমে, আর তা বিশ^াসহেতু।

লুক ১৯ : ১০
যারা হারিয়ে গেছে তাদের তালাশকরতে ও নাজাত করতে ইবনে-আদম এসেছেন।

মথি ১৮ : ১১
“যা হারিয়ে গেছে তা উদ্ধার করবার জন্য ইবনে-আদম এসেছেন

যিহিস্কেল ৩৪ : ১৬
যারা হারিয়ে গেছে আমিই তাদের খুঁজব এবং যারা বিপথে গেছে তাদের ফিরিয়ে আনব। আমি আহতদের ঘা বেঁধে দেব এবং দুর্বলদের সবল করব, কিন্তু মোটাসোটা ও বলবানদের আমি ধ্বংস করব, কারণ আমি ন্যায়বিচারের মধ্য দিয়ে আমার পালের দেখাশোনা করব।

দ্বিতীয় বিবরণ ৩০ : ৩-১৩
তখন মাবুদ বন্দীদশা থেকে মুক্ত করে তোমাদের ফিরিয়ে আনবেন। তিনি তোমাদের প্রতি মমতা করবেন এবং যে সব জাতিদের মধ্যে তোমাদের ছড়িয়ে দেবেন তাদের মধ্য থেকে তিনি আবার তোমাদের কুড়িয়ে আনবেন। আসমানের শেষ সীমানায়ও যদি তোমাদের ফেলে দেওয়া হয় সেখান থেকেও তোমাদের মাবুদ আল্লাহ্ তোমাদের কুড়িয়ে আনবেন। তোমাদের পূর্বপুরুষদের দেশেই তিনি তোমাদের ফিরিয়ে আনবেন আর তোমরা তা আবার দখল করবে। তিনি তোমাদের অনেক উন্নতি করবেন এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদের চেয়েও  তোমাদের লোকসংখ্যা বাড়িয়ে দেবেন। তোমরা যাতে তোমাদের সমস্ত মনপ্রাণ দিয়ে তাঁকে মহব্বত করে বেঁচে থাক সেইজন্য তিনি  তোমাদের ও তোমাদের বংশধরদের অন্তরের খৎনা করাবেন। এই সব বদদোয়া তোমাদের মাবুদ আল্লাহ তোমাদের শত্রæদের উপর আনবেন যারা তোমাদের ঘৃণা ও জুলুম করবে। তখন তোমরা আবার মাবুদের বাধ্য হয়ে চলবে আর তাঁর যে সব হুকুম আজ আমি তোমাদের দিচ্ছি তা মেনে চলবে। “তখন তোমাদের মাবুদ আল্লাহ্ সব দিক থেকে তোমাদের উন্নতি করবেন। তিনি তোমাদের কাজকর্মে দোয়া করবেন এবং তোমাদের সন্তানের সংখ্যা, পশুর বাচ্চা এবং জমির ফসল বাড়িয়ে দেবেন। তোমাদের পূর্বপুুরুষদের উপর তাঁর যে আনন্দ ছিল তোমাদের উপর আবার সেই আনন্দ নিয়ে তিনি তোমাদের উন্নতি করবেন- অবশ্য যদি তোমরা তোমাদের মাবুদ আল্লাহ্র বাধ্য হয়ে এই তৌরাত কিতাবে লেখা তাঁর সব হুকুম ও নিয়ম পালন কর আর মনেপ্রাণে তোমাদের মাবুদ আল্লাহ্র দিকে ফেরো। জীবন অথবা মৃত্যু “আজ আমি তোমাদের যে হুকুম দিচ্ছি তা পালন করা তোমাদের পক্ষে তেমন শক্ত নয় কিংবা এই হুকুম তোমাদের নাগালের বাইরেও নয়। এই হুকুম বেহেশতে তুলে রাখা কোন জিনিস নয় যে, তোমরা বলবে, ‘কে বেহেশতে গিয়ে তা এনে আমাদের শোনাবে যাতে আমরা তা পালন করতে পারি?’ এটা সমুদ্রের ওপারের কোন জিনিসও নয় যে, তোমরা বলবে, ‘কে সমুদ্র পার হয়ে গিয়ে তা এনে আমাদের শোনাবে যাতে আমরা তা পালন করতে পারি?’

ইউহোন্না ৫ : ২৪
“আমি আপনাদের সত্যিই বলছি, আমার কথা যে শোনে এবং আমাকে যিনি পাঠিয়েছেন তাঁর কথায় ঈমান আনে, তার অনন্ত জীবন আছে। তাকে দোষী বলে স্থির করা হবে না; সে তো মৃত্যু থেকে জীবনে পার হয়ে গেছে।

রোমীয় ৮ : ৩৮-৩৯
আমি এই কথা ভাল করেই জানি, মৃত্যু বা জীবন, ফেরেশতা বা শয়তানের দূত, বর্তমান বা ভবিষ্যতের কোন কিছু কিংবা অন্য কোন রকম শক্তি, অথবা আসমানের উপরের বা দুনিয়ার নীচের কোন কিছু, এমন কি, সমস্ত সৃষ্টির মধ্যে কোন ব্যাপারই আল্লাহ্র মহব্বত থেকে আমাদের দূরে সরিয়ে দিতে পারবে না। আল্লাহ্র এই মহব্বত আমাদের হযরত ঈসা মসীহের মধ্যে রয়েছে।

নিশ্চয় আমি মুসাকে কিতাব দিয়েছি। তারপর একের পর এক রসুল পাঠিয়েছি। শেষে মরিয়মপুত্র ঈসাকে সুস্পষ্ট নিদর্শনসহ পাঠিয়েছি এবং পবিত্র আত্মা (জিবরাইলের) মাধ্যমে তার শক্তি বৃদ্ধি করেছি। কিন্তু তা সত্তে¡ও যখনই কোনো রসুলের কাছে নাজিল হওয়া বিধিবিধান তোমাদের পছন্দ হয় নি, তখনই আত্মগর্বী হয়ে তোমরা তাকে অস্বীকার করেছ, আর কাউকে খুন করেছ। (তোমাদের এই আচরণ একেবারেই অবাঞ্ছিত) (সুরা বাকারা ২ : ৮৭)

এই রসুলদের মধ্যে কাউকে কাউকে আমি বেশি মর্যাদা দান করেছি। কারো সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন, কাউকে উচ্চসম্মান দেয়া হয়েছে। মরিয়মপুত্র ঈসাকে সত্যের  উজ্জ্বল সাক্ষ্যসমূহ প্রদান করেছি এবং ‘পবিত্র আত্মা’ দ্বারা সাহায্য করেছি। সত্যের সুষ্পষ্ট প্রমাণ দেখার পরও এ রসুলের অনুসারীরা পরবর্তীকালে পরষ্পর ঝগড়া-বিবাদ ও লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছে। কেউ বিশ^াস করেছে আর কেউ সত্য অস্বীকারের অন্ধকার পথে চলে গেছে। আল্লাহ চাইলে তারা পরষ্পর মতবিরোধ ও লড়াই থেকে বিরত থাকত। [কিন্তু শক্তি প্রয়োগ করে মতবিরোধ ও লড়াই রাখা আল্লাহর নিয়ম নয়।] অবশ্যই আল্লাহ যে কোনো কিছু করার ব্যাপারে স্বাধীন। (সুরা বাকারা ২ : ২৫৩)

(স্মরণ করো!) যখন ফেরেশতারা বলল, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন তাঁর প্রেরিত বাণীর মাধ্যমে (এক পুত্রের), যার নাম হবে মসিহ-মরিয়মপুত্র ঈসা। সে দুনিয়া ও আখেরাতে সম্মানিত হবে।। সে হবে আল্লাহর সান্নিধ্যপ্রাপ্তদের একজন। (সুরা আল ইমরান ৩ : ৪৫)।

স্মরণ করো! যখন আল্লাহ বললেন, হে ঈসা! আমি তোমার জীবনকাল পূর্ণ করব এবং তোমাকে নিজের কাছে তুলে নেব। সত্য অস্বীকারকারীদের পঙ্কিলতা থেকে তোমাকে পবিত্র করব। সেইসাথে সত্য অস্বীকারকারীদের ওপর তোমার অনুসারীদের কেয়ামত পর্যন্ত বিজয়ী রাখব। তারপর তোমরা সবাই আমার কাছে ফিরে আসবে। তখন তোমাদের মতবিরোধের চূড়ান্ত মীমাংসা করব। (সুরা আল ইমরান ৩ : ৫৫)

কিন্তু সেই সত্যের রূহ যখন আসবেন তখন তিনি তোমাদের পথ দেখিয়ে পূর্ণ সত্যে নিয়ে যাবেন। তিনি নিজ থেকে কথা বলবেন না, কিন্তু যা কিছু শোনেন তা-ই বলবেন, আর যা কিছু ঘটবে তাও তিনি তোমাদের জানাবেন। (ইউহোন্না ১৬:১৩)

হে কিতাবিগণ! তোমরা তোমাদের ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি কোরো না এবং আল্লাহ সম্পর্কে সত্য ছাড়া অন্য কিছু বলো না। নিশ্চয়ই মরিয়মপুত্র ঈসা মসিহ আল্লাহর রসুল। ঈসা হচ্ছে মরিয়মের কাছে প্রেরিত আল্লাহর প্রতিশ্রæতির বাস্তবরূপ (পয়দায়েশ ৩:১৫) এবং তাঁর সৃষ্ট রুহ। সুতরাং আল্লাহ ও তাঁর রসুলের ওপর তোমরা পুরোপুরি বিশ^াস স্থাপন করো আর ‘তিনজন’ বলা থেকে বিরত থাকো। ‘ত্রিত্ববাদ’ থেকে দূরে থাকাই তোমাদের জন্যে কল্যাণকর। আল্লাহ এক (দ্বিতীয় বিবরণী ৬:৪)। তিনিই একমাত্র উপাস্য। সন্তান হওয়া থেকে তিনি মহাপবিত্র। মহাকাশ ও পৃথিবীর সবকিছুই আল্লাহর। আর এ সবকিছু পরিচালনার জন্যে এক আল্লাহই যথেষ্ট।

ShareTweet
Next Post

দিনাজপুরে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

মরুভূমি জলে ভিজে বনানী বনে (এম এ ওয়াহাব)

মরুভূমি জলে ভিজে বনানী বনে (এম এ ওয়াহাব)

August 30, 2025
‘সাইয়ারা’ ঝড়সামলেরজনীকান্তের ‘কুলি’ গড়লরেকর্ড

‘সাইয়ারা’ ঝড়সামলেরজনীকান্তের ‘কুলি’ গড়লরেকর্ড

August 30, 2025
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা