Sunday, August 31, 2025
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

স্মরণসভা : এম এ ওয়াহাব

alorfoara by alorfoara
May 20, 2023
in সংখ্যা ৩৭ (২০-০৫-২০২৩), সম্পাদকীয়
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter
কালামের আলোকে দেখা হলে মৃত্যু হলো স্থানান্তর হওয়া; যেমন কোনো অফিসার এক এলাকা থেকে আর একটি এলাকায় বদলী হয়ে গেলেন। আরবী ভাষায় মৃত্যুকে কেন ‘ইন্তেকাল’ বলা হয়? তার কারণ হলো ট্রান্সফার বা বদলী অর্থাৎ খোদা প্রদত্ত পাকরূহ মাটির দেহ থেকে রুহানী দেহে অর্থাৎ সুমহান খোদার সাথে মিশে গেল, একাকার হয়ে পড়লো (পয়দায়েশ ২ : ৭)।

আসলে, খোদা তাঁর সৃষ্ট প্রথম মানুষ হযরত আদমের নাশিকায় যে প্রাণ বায়ু ফুঁকে দিলেন, যার তাৎপর্য হলো পাকরূহ মানুষের সাথে মিশে যাবার ফলে মাটির মানুষটি অমীত শক্তি-সামর্থ প্রজ্ঞা, প্রেম দূরদৃষ্টি বিচক্ষণতা ও ঐশি গুনাবলিতে পরিপূর্ণ হলো, যার ফলে মানুষের কথায় বিশ্ব হচ্ছে নিয়ন্ত্রিত। খোদা মানুষের হাতেই তুলে দিলেন বিশ্বের সার্বিক দায়িত্ব যা তিনি বহুস্থানে প্রকাশ করেছেন, যেমন সৃষ্টি লগ্নে তিনি ঘোষণা দিলেন; (পয়দায়েশ ১ : ২৮, মথি ২৮ : ১৮-২০)।

মনোনিবেশ সহকারে আমরা ঐশি কিতাব অধ্যায়ন করি তবে দেখতে পাব মানুষ খোদার কাছে কতটা প্রিয়! তিনি মানুষকে নিজের চোখের মণির মত যতœ করে থাকে। মানুষ হলো খোদার অতীব প্রিয়। কেননা এই মানুষই বহন করে ফিরবে বাতেনী খোদার পরিচয়; তাঁর সার্বিক গুনাবলী প্রকাশ্যে বাস্তবায়ন করে দেখাবেন এই মানুষ। যারা মাবুদের সাথে যুক্ত, তারা অবশ্যই ক্ষমতাবান, অভিশপ্ত ইবলিস তাদের সহ্য করতে পারে না; পারার কথাও নয়, কেননা অন্ধকার কখনোই আন্তরিকভাবে আলোর উপস্থিতি কামনা করে না। আর বলুন, কি করে সহ্য করবে, আলোর আগমন মানে আধারের বিসার্জন!

কেউ কেউ বলে বেড়ায়, জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ, আসলে জীবন ও মৃত্যু কষ্মিণকালেও সন্ধি করেনা, করার প্রশ্নই জাগে না। আলো জ্বালাবার সাথে সাথে আঁধারপুরী পথ খুঁজে পায় না ভেগে যাবার জন্য। যেমন মসিহের উপস্থিতি ভুতাশ্রীত ব্যক্তিটি সহ্য করতে পারলো না, তারা অবশ্য ছিল একটা ‘বাহিনী’ যারা মানুষটিকে আস্টেপৃষ্টে বেধে রেখেছিল, সর্বপ্রকার অনাসৃষ্টি তাকে দিয়ে ঘটিয়ে চলতো; সে যে একজন মানুষ, আশরাফুল মাখলুকাত, সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব, যার দ্বারা খোদার বাতেনী গুনাবলী সমাজে, জগতে হবে প্রকাশিত, প্রতিষ্ঠিত, তাকেই অভিশপ্ত ইবলিস ধরে বসলো। অন্ধ, বোবা, অবোধ বানিয়ে ছাড়লো যেন ব্যক্তিটি তার নিজস্ব দায়িত্ব কর্তব্য ভুলে গিয়ে, ইবলিসের পরিচালনায়, খোদার বিরুদ্ধে থাকলো কর্মরত, যেন খোদার পূতপবিত্র শান্তিপূর্ণ পরিকল্পনা বানচাল করে দিতে পারে। আর অভিশপ্ত ইবলিসের কাজ হলো খোদার সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা বিনাশ করে ছাড়ে (লুক ৮ : ২৬-৩৯)।

মানুষ, সকলে মিলেমিশে সুখে শান্তিতে বসবাস করবে, যা হলো খোদার একক পরিকল্পনা; যে কারণে তিনি মাত্র একজন আদমের ঔরষ থেকে গোটা বিশ্ব উৎপাদন করলেন; যে রহস্য সাধারণ মানুষ আদৌ বুঝতে পারে না। তাছাড়া মানুষ হলো খোদার সুরতে তাঁর স্বীয় প্রতিনিধি হিসেবে সৃষ্ট, যা হলো খোদার নিজস্ব মনোনয়ন; বলুন ক্ষুদে কোন মানুষটি রয়েছে বর্তমান ধরাপৃষ্টে যে কিনা খোদার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে হবে কামিয়াব। নাউজুবিল্লাহ!

আমাদের প্রধান আলোচ্য বিষয় হলো, মানুষের ‘ইন্তেকাল’ নিয়ে। এবার আমরা বুঝতে পেরেছি, অবাধ্যতা অপরাধের কারণে মানুষ হলো দ্বীপান্তরীত, অর্থাৎ এদন-কানন থেকে তাদের নামিয়ে দিলেন; মানুষ যেন তার অপরাধের ক্ষতিয়ান সম্যক উপলব্ধি করতে পারে, এবং অপরাধ অন্যায় আচরণের কারণে তাদের দ্বারা খোদার মহিমা বিনাশ পেল তা যেন সম্যক বুঝতে পারে আর প্রতিক্রিয়া হিসেবে যেন অনুতপ্ত হয়। তওবা ও নিজেকে স্নাতশুভ্র করে পুনরায় যেন খোদার নয়নের মণি নয়নের মধ্যস্থানে শোভা বৃদ্ধি করতে পারে, খোদা সে জন্যই জালেমদের প্রতি অতিদ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করছেন ন। কালামপাকে রয়েছে, “খোদা ক্রোধে ধীর, আর দয়াতে মহান… (আল যবুর ১০৩ : ৮)।

মানুষের মৃত্যুতে তার কি লাভ বলুন। মানুষ জীবিত বরাবরের জন্য। কেননা মাটির দেহে যিনি নিয়ত বসবাস করে চলছেন তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন খোদার নিজস্ব পাকরূহ, জীবন্ত কর্মক্ষম কালাম, যিনি মানবরূপ ধারণ করে মাটির পৃথিবীতে আবির্ভূত হলেন। সতিসাদ্ধি এক কুমারী নারীর জঠরের মাধ্যমে। আপনারা সেই কুমারী রমণীকে চেনেন, জানেন এবং সম্মানও দিয়ে থাকেন। খোদা নিজে যাকে অনেক উচ্চ মর্যাদা দান করেছেন, আপনারা যদি তাকে অসম্মান করেন তবে কি আপনারা খোদার চোখে সম্মানিত হবেন, না লানতী হবেন; বিষয়টি একবার ভেবে দেখবেন কি?

সদাসর্বদা বুঝে সুজে পা বাড়ান, ইবলিসের চালাকী ধরতে চেষ্টা করুন। বোকা কাক র্ধূত শিয়ালের কুটিল চাল ধরতে পারেনি; অতীব প্রশংসার মোহে অন্ধ হয়ে গেল, কাকটি কা কা  রবে চিৎকার করে উঠলো, অমনি তার ঠোটে ধরা মাংসের টুকরোটি নীচে পড়ে গেল, আর যায় কোথা, ধূর্ত শিয়াল তা লুফে নিয়ে চিবুতে শুরু করে দিল। মন্তব্য করলো, যদিও কাকটির চেহারা সুন্দর কিন্তু মাথায় বুদ্ধি নেই।

বর্তমান বিশ্বে ভাইয়ে ভাইয়ে বাধবিবাধ করে কতশত পরিবার নিঃশ্ব হতে দেখেছি, বিড়ালের পিঠা শেষ পর্যন্ত পুরোটা চলে গেল বানরের পেটে। সকল মানুষ একই পরিবার থেকে জাত হওয়া সত্তে¡ও পরষ্পর চলছে সাপ নেউলের সম্পর্ক নিয়ে। কে কাকে খাবে, কে কার মাথা চিবিয়ে গুড়ো করে ছাড়বে, শতত মানুষের মনে চলছে তেমন জল্পনা-কল্পনা। উদ্বেগ উৎকণ্ঠা মানুষের কোনো কল্যান বয়ে আনতে পারে না। বরং মানুষের সুস্বাস্থ্য ভেঙ্গে দেয়। রোগ, অবসন্ন, ক্লান্তীর কারণে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ে শেষ পর্যন্ত। আর মানুষের ক্ষতিসাধন হলো ইবলিসের ব্রত।

আমরা যারা বর্তমানে বেঁচে আছি; আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো, ভাইয়ে ভাইয়ে মিলে মিশে জীবন যাপন ও সুখে শান্তিতে পারষ্পরিক সহমর্মীতা বজায় রেখে বসবাস করা। মানুষ মানুষের জন্য; একজনের পাশে আর একজন হলো বান্ধব ও সহায়ক। খোদা আদমকে সৃষ্টি করে তাকে দোয়া করেছেন যেন প্রজাবন্ত ও বহুবংশ হয়ে গোটা বিম্ব নিয়ন্ত্রণ করে চলে। আর এর ব্যতিক্রম যুক্তি হলো কেবলমাত্র অভিশপ্ত ইবলিসের।

আমরা ইবলিসকে প্রত্যাখ্যান করতে শিখব; ধর্মীয় সভা পরিচালনা করার জন্য মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তাগণ কিছু বলার পূর্বে একটি দোয়া পড়ে যা হলো, আউজুবিল্লাহ হেমিন আশ শাইতোয়ানের রাজীম যার অর্থ দাঁড়ায়, অভিশপ্ত ইবলিসের কবল থেকে বাঁচার জন্য খোদার কাছে আশ্রয় কামনা করা। ইবলিসকে ভয় না পেয়ে ওর অশুভ-অশান্তিদায়ক কর্মকান্ড সমেত ওকে তাড়িয়ে দিতে হবে। যারাই সমাজে অরাজকতা অশান্তি সৃষ্টি করে চলছে, তারা প্রত্যেকে ভুতাশ্রিত। তারা নিজেদের অবস্থান ও পরিচয় জানে না, খোদার দেয়া সর্বপ্রকার প্রতিজ্ঞার কথা ভুলে গেছে; ওরা ভাবছে, ওদের গোপনে কৃত কর্মকান্ড খোদা দেখতে পান না। আসলে ওরা বোকার হদ্দ। নিজেরাই নিজেদের ঠকাচ্ছে। নিজেরা নিজেদের পাদপ্রান্তে কুঠারাঘাত করে ফিরছে। যেমন বলা হয় নিজের নাক কেটে প্রতিবেশির যাত্রা ভঙ্গ করা।

আপনি কি জানেন, শেষ দিনে মৃত ব্যক্তিরাই জীবতদের পূর্বে হবে মসিহের সাথে মিলিত। তারপর যারা জীবিত থাকবে তারা বদলে যাবে, মাটির খাঁচা থেকে মুক্তিলাভ করে রুহানী দেহে খোদার সাথে হবে একাকার। মজার বিষয় হলো, মৃতেরা জীবতদের থেকে একধাপ এগিয়ে রলো।

আমরা কিছুই হারাইনি, মাবুদ দিয়েছেন মাবুদ ফিরিয়ে নিয়েছেন। কথায় বলে, প্রভুর ছিলাম, প্রভুর হলাম, মাঝখানে দু’দিন জ¦লেপুড়ে মরলাম। খালী হাতে এসেছি, খালী হাতেই ফিরে যেতে হবে, পুরাতন আবাসে, বেহেশতে, খোদার সাথে অনন্ত জীবন ধরে বেঁচে থাকার জন্য। অন্ততঃ কালামপাক তেমন কথাই ঘোষণা দিয়ে ফিরছে ছত্রে ছত্রে।

মাবুদ আমাদের সহায়, ইবলিস আমার কি ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে?

জবুর শরীফ ২৩
মাবুদ আমার রাখাল, আমার অভাব নেই। তিনি আমাকে মাঠের সবুজ ঘাসের উপর শোয়ান, শান্ত পানির ধারেও আমাকে নিয়ে যান। তিনি আমাকে নতুন শক্তি দেন; তাঁর নিজের সুনাম রক্ষার জন্যই আমাকে ন্যায় পথে চালান। ঘন অন্ধকার ঢাকা উপত্যকা পার হতে হলেও আমি বিপদের ভয় করব না, কারণ তুমিই আমার সংগে আছ; তোমার মুগৃর আর লাঠি দূর করে দেয় বিপদের ভয়।

শত্রুদের মধ্যে তুমি তুমি আমার সামনে খাবারে সাজানো টেবিল রেখে থাক; আমার মাথায় দাও তেল; আমার পেয়ালা উপচে পড়ে। আমি জানি সারা জীবন ধরে তোমার মেহেরবানী ও অটল মহব্বত আমার পিছনে পিছনে ছুটে আসবে; আর আমি চিরকাল মাবুদের ঘরে বাস করব।

মথি ৬ : ৯-১৩
এজন্য তোমরা এভাবে মুনাজাত কোরো: হে আমাদের বেহেশতী পিতা, তোমার নাম পবিত্র বলে মান্য হোক। তোমার রাজ্য আসুক। তোমার ইচ্ছা যেমন বেহেশতে তেমনি দুনিয়াতেও পূর্ণ হোক। যে খাবার আমাদের দরকার তা আজ আমাদের দাও। যারা আমাদের উপর অন্যায় করে, আমরা যেমন তাদের মাফ করেছি তেমনি তুমিও আমাদের সমস্ত অন্য মাফ কর। আমাদের তুমি পরীক্ষায় পড়তে দিয়ো না, বরং শয়তানের হাত থেকে রক্ষা কর।

১করিন্থীয় ১৫ : ৫১-৫৭
আমি তোমাদের একটা গোপন সত্যের কথা বলছি, শোন। আমরা সবাই যে মারা যাব তা নয়, কিন্তু বদলে যাব। এক মুহূর্তের মধ্যে, চোখের পলকে, শেষ সময়ের শিংগার আওয়াজের সংগে সংগে আমরা সবাই বদলে যাব। সেই শিংগা যখন বাজবে তখন মৃতেরা এমন অবস্থায় জীবিত হয়ে উঠবে যে, তারা আর কখনও নষ্ট হবে না; আর আমরাও বদলে যাব। যা নষ্ট হয় তাকে কাপড়ের মত করে এমন কিছু পরতে হবে যা কখনও নষ্ট হয় না। আর যা মরে যায় তাকে এমন কিছু পরতে হবে যা কখনও মরে না। যা নষ্ট হয় আর যা মরে যায়, সেগুলো যখন ঐভাবে বদলে যাবে তখন পাক-কিতাবের এই কথা পূর্ণ হবে যে, মৃত্যু ধ্বংস হয়ে জয় এসেছে। “মৃত্যু, তোমার জয় কোথায়? মৃত্যু, তোমার হুল কোথায়?” মৃত্যুর হুল গুনাহ, আর গুনাহের শক্তিই মূসার শরীয়ত। কিন্তু আল্লাহকে শুকরিয়া, আমাদের হযরত ঈসা মসিহের মধ্য দিয়ে তিনি আমাদের জয় দান করেন।

জবুর শরীফ ২৭ : ১
মাবুদই আমার নূর ও আমার উদ্ধারকর্তা, আমি কাকে ভয় করব? মাবুদই আমার জীবনের কেল্লা, আমি তাকে দেখে ভয়ে কাঁপব?

জবুর শরীফ ২৭ : ৩-৫
সৈন্যের দলও যদি আমাকে ঘিরে ধরে, তবুও আমার মনে ভয় হবে না; যদি আমার বিরুদ্ধে যুদ্ধও শুরু হয় তবুও তখন আমি নিশ্চিত থাকব। মাবুদের কাছে আমি একটা অনুরোধ জানাচ্ছি; আমি যা চাইছি তা এই আমারা সারা জীবন আমি যেন মাবুদের ঘরে বাস করতে পারি, যাতে আমি তাঁর সৌন্দর্য দেখতে পারি আর সেই বাসস্থানে তাঁর বিষয় নিয়ে ধ্যান করতে পারি; কারণ বিপদের দিনে তাঁর সেই আশ্রয়ে তিনি আমাকে নিরাপদে রাখবেন, তাঁর সেই তাম্বুতে আমাকে লুকিয়ে রাখবেন, আর পাহাড়ের উপরে আমাকে তুলে রাখবেন।

২তীমথিয় ২ : ১১-১৩
এই কথা বিশ্বাসযোগ্য যে, মসিহের সংগে যদি আমরা মরে থাকি, তবে তাঁরই সংগে আমরা জীবিতও থাকব। আমরা যদি ধৈর্য ধরে সহ্য করি, তবে তিনিও আমাদের অস্বীকার করবেন। আমরা অবিশ্বস্ত হলেও তিনি বিশ্বস্ত থাকেন, কারণ তিনি নিজেকে অস্বীকার করতে পারেন না।

হেদায়েতকারী ৩ : ১-১৯
সব কিছুর জন্য একটা সময় আছে; আসমানের নীচে প্রত্যেকটি কাজেরই একটা নির্দিষ্ট সময় আছেÑ জন্মের সময় ও মরণের সময়, বুনবার সময় ও উপড়ে ফেলবার সময়, মেরে ফেলবার সময় ও সুস্থ করবার সময়, ভেংগে ফেলবার সময় ও গড়বার সময় কাঁদবার সময় ও হাসবার সময়, শোক করবার সময় ও নাচবার সময়, পাথর ছুঁড়বার সময় ও সেগুলো জড়ো করবার সময়ভালবেসে জড়িয়ে ধরবার সময় ও জড়িয়ে না ধরবার সময়, খুঁজে পাওয়ার সময় ও হারাবার সময়, রাখবার সময় ও ফেলে দেবার সময়, ছিঁড়ে ফেলবার সময় ও সেলাই করবার সময়, চুপ করে থাকবার সময় ও কথা বলবার সময়, ভালবাসবার সময় ও ভাল না বাসবার সময়, যুদ্ধের সময় ও শান্তির সময়। যে কাজ করে সে তার পরিশ্রমের কি ফল পায়? আল্লাহ মানুষের উপর যে বোঝা চাপিয়ে দিয়েছেন তা আমি দেখেছি। তিনি সব কিছুর জন্য উপযুক্ত সময় ঠিক করে রেখেছেন। তিনি মানুষের দিলে অনন্তকাল সম্বন্ধে বুঝবার ইচ্ছা দিয়েছেন, কিন্তু তিনি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কি করেন তা মানুষ বুঝতে পারে না। আমি জানি, মানুষের জীবনকালে আনন্দ ও ভাল কাজ করা ছাড়া তার জন্য আর ভাল কিছু নেই। এটা আল্লাহর দান যে, সব মানুষ খাওয়া-দাওয়া করবে ও তার সব কাজে সন্তুষ্ট হবে। আমি জানি আল্লাহ যা কিছু করেন তা চিরকাল থাকে, কিছুই তার সংগে যোগ করা যায় না এবং কিছুই তা থেকে বাদ দেওয়াও যায় না। আল্লাহ তা করেন যেন মানুষ তাঁকে ভয় করে। যা কিছু আছে তা আগে থেকেই ছিঠল, যা হবে তাও আগে ছিল; যা হয়ে গেছে আল্লাহ তা আবার ঘটান। আমি সূর্যের নীচে আর একটা ব্যাপার দেখলাম যে, ন্যায়বিচার ও সততার জায়গায় দুষ্টতা রয়েছে। আমি মনে মনে বললাম, “আল্লাহ সৎ ও দুষ্ট এই দু’জনেরই বিচার করবেন, কারণ আল্লাহর কাছে সমস্ত ব্যাপার ও সমস্ত কাজের একটা নির্দিষ্ট সময় রয়েছে।” আমি এ-ও ভাবলাম যে, মানুষকে আল্লাহ পরীক্ষা করেন যাতে তারা দেখতে পায় তারা পশুদের মত, কারণ মানুষের প্রতি যা ঘটে পশুর প্রতিও তা-ই ঘটে। এ যেমন মরে সেও তেমনি মরে। তাদের সবার প্রাণবায়ু একই রকমের। এই ব্যাপারে পশু আর মানুষের মধ্যে আলাদা কিছু নেই; কোন কিছু স্থায়ী নয়।

ইউহোন্না ১১ : ২৫
ঈসা মার্থাকে বললেন, “আমিই পুনরুত্থান ও জীবন। যে আমার উপর ঈমান আনে সে মরলেও জীবিত হবে।
ShareTweet
Next Post

সাগরে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু ॥ উপকূলে ফিরেছেন জেলেরা

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি, জবাব চাইল আদালত

বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি, জবাব চাইল আদালত

August 31, 2025
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

August 31, 2025
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা