Sunday, August 31, 2025
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

রূহ ও দেহ দুটি ভিন্ন বিষয় : এম এ ওয়াহাব

alorfoara by alorfoara
May 3, 2023
in শিক্ষা, সংখ্যা ৩৪ (১৫-০৪-২০২৩)
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter
যে কোনো কাজের জন্য একটা সময় নিরুপণের আবশ্যক, তার মধ্যে মনস্থির করণ আসে, তারপরে উক্ত কাজের পরিবেশ পরিস্থিতি নিরুপণ এবং বাস্তবায়নের প্রয়োজনে আবশ্যিক উপকরণ যোগান এবং পরিশেষে নিজেকে উক্ত কাজে সমর্পণ অর্থাৎ ডুবে যাওয়া যা হতে পারে চুড়ান্ত পর্যায়। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি বাস্তবিকভাবে নিরুপিত কর্মে জড়িত না হচ্ছেন ততক্ষণ বলা যাবে না আপনি ব্যক্তিগতভাবে উক্ত বিষয়ে সম্পৃক্ত রয়েছেন। “নামাজ কায়েম” কখনোই ভাড়াটিয়া লোকদের দ্বারা সম্পাদিত হতে পারে না। নামাজ যাকে অন্যভাবে বলা চলে এবাদত, ভজনা, উপাসনা, খোদার সাথে ব্যক্তিগত বাক্যালাপ, নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করণ আর মাবুদের কাছ থেকে প্রাপ্ত উপহার সামগ্রীর জন্য ভক্তিগদগদ হয়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপন, এ সবই আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে করতে হবে; হুজুর ডেকে দোয়াখায়ের করালে আপনার কতটা লাভ হলো বা না হলো; হুজুরদের অবশ্যই নগদ লাভ হবে, যা আমি নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারি।

অনেকগুলো নাজায়েজ কাজ ব্যবসা-বানিজ্যের খাতিরে হয়ে আসছে সাধিত। এবাদতের শর্ত হলো, যাকে আপনি ভজনা করবেন তাকে আপনার কাছে হাজির নাজির জেনেই তবে বাক্যালাপ চলতে থাকবে অবিরত ধারায়। মাবুদের পরিচয়, তাঁর রূচিজ্ঞান তথা চাওয়া পাওয়া নিয়ে আপনাকে সজাগ সচেতন থাকতে হবে। সাথে সাথে এ কথাও আপনার মনে রাখতে হবে, তিনি নিজে পানাহার করেন না, এমন কি নিদ্রাও যান না। নামাজের জন্য আহ্বানে একটি বাক্য ঘোষণা দেয়, “আচ্ছালাতু খাইরোম মেন আন নাউম” যার অর্থ সালাত বা প্রার্থনা বা মুনাজাত অথবা খোদার সম্মুখে হাজির হয়ে তাঁর সাথে বাক্যালাপ ঘুমের চাইতে উত্তম।

যে কথা বলছিলাম প্রস্তুতি ও বাস্তবায়ন নিয়ে, বস্তুজগতে যাবতীয় কর্মযজ্ঞ আর আত্মিক জগতে কর্মযজ্ঞ এক করে গুলিয়ে ফেলা কি সম্ভব? মোটেও না! খোদা হলেন রূহ যিনি সদা সত্যে করেন বাস বা অবস্থান। যার নেই আহার নিদ্রা। আসমান জমিন জুড়ে যার ব্যপ্তি। তাকে আমরা কোথায় ঠাঁই দেব যদি  তিনি নিজেকে সীমিত না করেন। যিনি বরাবর অদৃশ্য সত্ত্বা তার সাথে সংশ্লেষ বা আত্মিয়তা স্থাপন করা প্রত্যেকের জন্য অত্যাবশ্যক, তবে মানুষ হলো আকার বিশিষ্ট আর তিনি হলেন নিরাকার, সমস্যাটা এখানেই নিহীত। তাঁকে দেখতে না পেয়ে অনেকেই উল্টো পাল্টা অনেক কিছু বলে বসেছে। তাতে অবশ্য তিনি কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না। আবার যারা তাকে বিশ্বাস করে তাদের প্রতিও তিনি রয়েছেন সদা সকরুন। তিনি হলেন প্রেমাকর। তিনি নিজেকে প্রকাশ করেছেন এবং করে চলছেন নিত্যদিন। খোদার পবিত্রতা, প্রেম, ক্ষমা ও ত্যাগের চুড়ান্ত, নিখুঁত ও যথাযথ স্বকীয়তা প্রকাশ করেছেন মানবরূপে আবির্ভুত খোদার কালাম ও পাকরূহের মাধ্যমে। যে কেউ মসিহকে একবার দেখার সুযোগ লাভে ধন্য হয়েছে তার দেহ-মন-আত্মা সম্পূর্ন রূপান্তরিত হয়ে গেছে যা আমরা দেখতে পাই কালামপাকে ২করিন্থীয় ৫:১৭-২১ পদে। ফলতঃ যদি কেউ মসিহের সাথে যুক্ত হলো তবে সে সম্পূর্ণ নতুন সৃষ্টিতে হয়ে গেল পরিণত। তার ধ্যান-ধারণা মনন চাল-চলন রূপান্তরিত হতে বাধ্য, যেমন মসিহ গোটা জীবন, অর্থাৎ মানব দেহে অবস্থানকালীন জীবন ঐশি আদর্শে পরিপূর্ণ ছিলেন। আমাদের বুঝতে হবে, মাটির মূর্তী কোনো কাজের নয়, যতক্ষণ পর্যন্ত তার মধ্যে পাকরূহ ফুঁকে দেয়া না হয় অথবা পাকরূহ অবস্থান না করেন। তা আদমের জীবনটাই দেখুন, খোদা মাটি দিয়ে তাকে সৃষ্টি করলেন। মাটির দেহ কিছুতেই চলমান হলো না, ফুঁকে দিলেন আদমের নাশিকার মধ্যে প্রাণ বায়ু, অমনি প্রজ্ঞাময় প্রেমকাতর আদমের হলো সৃষ্টি। এ দেহে থেকে প্রাণ বায়ু যখনই বের হয়ে গেল অমনি তা অথর্ব লাসে হয়ে গেল রূপান্তরিত। মহাজ্ঞানী পাহলোয়ান ভাই, যে যেমন দাপট দেখান না কেন সকলেই ঐ একই ফর্মুলায় রয়েছেন আবদ্ধ। মানুষ খাওয়া দাওয়া করে তার শরীরটাকে কর্মক্ষম ও চলমান রাখার জন্য। জৈবিক চাহিদা পুরণ ও পালন করার জন্য দেখে শুনে ভোজন পান করতে হবে; খাওয়া পরার বিষয়ে খোদার কোনো খাদ্য তালিকা থাকতে পারে কি? তিনি নিজেই হলেন অনাহারী সত্ত্বা; তাছাড়া নিদ্রা বা বিশ্রামের বিষয়েইবা কি বলব। এ বিষয়টিও নির্ভর করে ব্যক্তির ওপর। যে কোনো মেশিন কিছুক্ষণ চালানোর পরে তাকে রেষ্ট দিতে হয়, তার জন্য চাই তেল, মবিল ইত্যাদি। মানুষ তো একইভাবে এক একটি জীবন্ত মেশিন যায় প্রয়োজন রয়েছে আহার নিদ্রা বা বিশ্রাম তথা দেহের পরিচর্য্যা। নিজেকে রিনিউ করে পুনরায় স্বাভাবিক গতিতে চলতে থাকুন।

বিষয়টি পরিষ্কার হলো আহার নিদ্রা দিয়ে খোদার সেবা হবার নয়। তা কেবল মানুষের জন্য প্রযোজ্য। আহার বিহার দিয়ে খোদার সেবা কেবল ফালতু বিষয়, যা একশ্রেণির মতলববাজ ব্যক্তিদের দ্বারা রচিত বাণিজ্যিক ফায়দা হাতিয়ে নেয়ার অপকৌশল মাত্র। ধর্মের বাণীর সাথে মনুষ্য রচিত সার্বিক গোজামিল ছিড়ে ফেলুন, যেমনটা করতে হয় কমলা লেবুর থেকে ভিটামিন ‘সি’ নির্জাস নেবার ক্ষেত্রে। তথা নারকেল থেকে আসল ভোজ্য (নারকেলের সাস) পেতে হলে আপনাকে ছোবড়া এবং কঠিন মালা অবশ্যই অপসারণ করতে হবে উপভোগের স্বার্থে। একইভাবে খোদার এবাদত হবে রূহে এবং পরিপূর্ণ সত্যে বাস করার মাধ্যমে। মানুষের সাথে লুকোচুরি করা সম্ভব হলেও খোদার সাথে তেমন লুকোচুরি করা সম্পূর্ণ অসম্ভব। কেননা খোদা হলেন অন্তর্যামী। মসিহ তাই বহুক্ষেত্রে সাহাবীদের লক্ষ্য করে বলেছেন, তোমরা মনে মনে এমন কথা কেন বললে। মৃতকে জীবন দান করার সময় তিনি বলেছেন, ছেলেটি/মেয়েটি ঘুমোচ্ছে; তাই ডাক দিয়ে জাগিয়ে তুললেন, যেমন আদমের নাশিকায় ফুঁ দিতে তাকে জীবন্ত করে তুললেন।

আমাদের মূল বিষয় হলো, খোদার এবাদত। অবশ্যই আমাদের রূহানীভাবে এবং হৃদয়ে পরিপূর্ণ সত্যের আহব সৃষ্টি করে তবে মাবুদের  এবাদত করতে হবে। গ্রহণযোগ্য এবাদত তো তেমনটাই হওয়া উচিত।

সৃষ্টির শুরু থেকে, আদমের অবাধ্যতা ও পতনের পর থেকে, মানুষ ধর্মীয় কর্মকান্ড বস্তুগত ও বাণিজ্যিক স্বার্থে ডুবিয়ে দিয়েছে। মানুষ অর্থ দিয়ে প্রচারক ক্রয় করে আসছে, অথচ তা হলো মসিহের নিজস্ব মনোনয়নের আওতাধীন। কেননা মানুষ তো আর মাইন্ড রিডার নয়। মানুষের মনের খবর কেবল খোদাই রাখেন, যেমন মসিহ লোকদের  মনের গোপন কথা বলে দিতেন প্রকাশ্যে। তিনি নিজে হলেন পাকরূহ ও খোদার জীবন্ত কর্মক্ষম কালাম, যা দ্বিধার খড়গ তুল্য ধারালো (ইব্রানী ৪:১২)।

খোদার কালাম, খোদার রূহ এবং খোদা সর্বক্ষেত্রে একই কাজ করে থাকেন। রূহুল্লাহ তো খোদার পক্ষ হয়ে জগতে মানুষ হয়ে নেমে এসেছেন হারানো সন্তানদের খুঁজে পেতে এবং তাদের পাপের কাফফারা পরিশোধ করে পিতার সন্তান পিতার হাতে ফিরিয়ে দিতে। বর্তমান মানুষের মধ্যে যতপ্রকার ভাগাভাগী সৃষ্টি হয়েছে তা কেবল পাপের বিষক্রিয়া মাত্র। পাপ মানুষকে স্বার্থপর করে তোলে, যা আমরা দেখতে পাই আদমের পুত্র কাবিল মোহান্ধ ও স্বার্থান্ধ হয়ে স্বীয় ভ্রাতা হাবিলকে কতল করে ফেললো। বর্তমানকার সংঘটিত যুদ্ধগুলো ঐ একই হীনস্বার্থের কষাঘাতে তাড়িত হয়েই তবে নগর জনপদ ধ্বংসস্তুপে পরিগণিত করে চলছে। অভাব লিখতে তিনটি অক্ষরের প্রয়েজন; প্রথমে ‘ভাব’ ছিল, যখনই তার সাথে নেতিবাচক অক্ষর ‘অ’ এসে যুক্ত হলো অমনি ভাবের বা প্রেমের ইস্তাফা ঘটে গেল। পাপ শব্দের ইংরেজি হলো ‘SIN’ এক্ষেত্রেও সুপার ন্যাচার যা হলো খোদার চরিত্র, যখনই সুপার ন্যাচারের মধ্যে ‘I’ আমি ঢুকে পড়লো, অমনি SIN বা পাপ হয়ে দেখা দিল। যেমন বাঁশের বাশী নিজে নিজে বাজতে পারে না। যে কোনো সুরেলা কণ্ঠ পিছন থেকে ফুঁ দেয় আর তখনই “বাঁশী বাজে ঐ দূরে। চেনা কি অচেনা সুরে, এ লগনে মন আমার কিছুতেই রয়না ঘরে”। তবে বাঁশী কখনোই নিজের কৃতিত্ব দাবী করে না; মানুষ খোদার হাতে পাকরূহের পরিচালনায় যখন চালিত হয় তখনই তারা মধুর বাণী দিকে দিকে ছড়িয়ে দিতে থাকে। অদৃশ্য খোদা তো দৃশ্যমান মানুষের দ্বারাই বিশাল বিশাল কাজগুলো করিয়ে থাকেন। তবে মানুষের পিছনে রয়েছে খোদার কর্মক্ষম হস্ত ও প্রজ্ঞাশীল পাকরূহ, ফলে উক্ত মানুষ বাঁশীর সুরের মতো সমাজকে গঠনমূলক পরামর্শ দিয়ে ফেরে।

পার্থীব বিষয় আর রূহানী বিষয় গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। খোদার পবিত্রতার সাথে মানুষের পবিত্রতা এক করা যাবে না। মানুষ জড় জিহ্বাধারী যা পুড়িয়ে খাঁটি করা আবশ্যক। সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলেও জিহ্বা নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব। মজার বিষয় হলো, মানুষের পক্ষে যা কিছু অসম্ভব, খোদার কাছে তা অতীব সহজসাধ্য বিষয়। ব্যক্তি যখন খোদার হাতে পাকরূহের দ্বারা থাকে নিয়ন্ত্রিত ঠিক তখন রূহের যোগান দেওয়া কথাগুলোই সমাজে প্রচার প্রকাশ করে ফেরে, ফলে তখনই সমাজ পায় পুনর্গঠন। যেমন লেখা আছে মসিহের উপর বিশ্বাস স্থাপন করার ফলে গুনাহগার রূপান্তরিত হয়ে গেল খোদার আদুরে সন্তানে, ফিরে পেল হারানো অধিকার অর্থাৎ জন্মাধিকার (পয়দায়েশ ১: ২৬-২৮, ইউহোন্না ১:১২, ২করিন্থীয় ৫:২১)।

ভ্রাত: নিরাশ হবার কোনো কারণ নেই; মাবুদ আমাদের চূড়ান্তভাব প্রেম করে চলছেন, খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ নিজের প্রাণের দামে আমাদের কৃত পাপের প্রায়শ্চিত্ব শোধ দিয়েছেন, কেবল বিশ্বাসহেতু আজ আমরা হতে পারলাম সম্পূর্ণ স্নাতশুভ্র, পিতার সাথে পুনর্মিলনের অপূর্ব সুযোগ, যেন আমরা এক একজন প্রজ্জ্বলিত প্রদীপ যাদের একক দায়িত্ব হলো তাঁর ঐশি রাজ্যের খোশ খবর দিকে দিকে ছড়িয়ে দেয়া (মথি ৬:৩৩)।

আসুন ইবলিসের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে পাকরূহের পরিচালনায় গোটাবিশ্বের কাছে নাজাতের অবারিত দুয়ারের বিষয় ঘোষণা করি।

ShareTweet
Next Post

জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় : জাপানের রাষ্ট্রদূত

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি, জবাব চাইল আদালত

বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি, জবাব চাইল আদালত

August 31, 2025
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

August 31, 2025
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা