শাড়ী, লুঙ্গী, ধুতী ও গামছা পরার মধ্যে একটু কৌশল রয়েছে যা পাজামা বা প্যান্ট পরার মধ্যে তেমন বিশেষ কৌশলের প্রয়োজন পড়ে না। প্যান্ট বোতাম ও বেল্ট দিয়ে পড়তে হয়। দু’তিন বৎসরের বালক পর্যন্ত নিজে নিজে তা পরে নিতে পারে।
পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি ক্রয় করতে হয় না, উত্তরাধিকার সূত্রে উক্ত সম্পত্তির মালিকানা হয়ে থাকে। তবে কেউ যদি পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি সবটুকু বিক্রি করে দেয় তখন বসবাসের জন্য কোথাও না কোথাও গিয়ে ক্রয় করে তবে আবাসগৃহ নির্মাণ করে নিতে হবে। দুর্ভাগ্য বা সৌভাগ্য যাই বলুন না কেন, যদি কেউ বিক্রি করা সম্পত্তি নতুন মালিকের কাছ থেকে ক্রয় করার সুযোগ লাভ করে তবে সে উক্ত সম্পত্তির ক্রয় সূত্রে মালিক হতে পারে বটে, তখন আর পৈত্রিক সূত্র থাকলো না, ওটা হবে ক্রয় সূত্রে প্রাপ্ত মালিকানা। তাতে অবশ্য সহজেই প্রমাণ হয়, ব্যক্তি ইতোপূর্বে পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত সবটুকু সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছে। কোনো এক সময় অর্থাৎ ৩০/৪০ বৎসর পরে বিক্রি করা সম্পত্তির মারিকানা দাবী করে বসে, তবে তা দস্যু বৃত্তি ছাড়া আর কি হতে পারে বলুন। জমি জমার কোনো পুলি গজায় না, আর যদিওবা তেমন কিছু ঘটেও থাকে তবে তার বৈধ মালিকে হবে বর্তমান মালিক; কোনো অবস্থাতেই ৩০/৫০ বৎসর পূর্বে যে বিক্রি করে গেছে সে তো আর তা দাবি করার অধিকার রাখে না। জমা জমি বিক্রি করার সময় একটি হলফনামা দিতে হয় যার মধ্যে লেখা থাকে; অত্র বিক্রি করা সম্পত্তিতে আমার (বিক্রেতার), আমার সন্তানদের অথবা পরবর্তী প্রজন্মের কারো কোনো দাবী থাকলো না অত্র বিক্রি করা সম্পত্তিতে; যদি তেমন কেউ দাবী করার ধৃষ্ঠতা দেখায় তবে সর্বআদালতে তা অগ্রাহ্য বলে প্রমানিত হবে।
দস্যুবৃত্তির কথা হলো আলাদা। তেমন ক্ষেত্রে রয়েছে প্রশাসন। দেশটা এখন পর্যন্ত মগের মুল্লুকে পরিণত হয় নি যা হলফ করে বলতে পারি। সমাজে বহু চরিত্রের লোকজন বাস করে আসছে। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি করার লোক পাবেন আবার একই সমাজে যেথা আপনি বসবাস করে চলছেন হেথা সুখ শান্তি নিয়ম শৃঙ্খলা ভালোবাসে এমন নাগরিকও দেখতে পাবেন। একটি কথা প্রচলিত রয়েছে যা হলো “চোরে চোরে মাশতুত ভাই”। এক শিয়ালে ডাক দিলে শত শিয়াল এসে হাজির হয়। আবার তেমন কথাও রয়েছে প্রচলিত, “শতেক চোরা, এক কেরে।” কালোধলো উভয় প্রকার চরিত্রের লোকের রয়েছে সমাহার। আপনাকে দেখে শুনে পথ চলতে হবে বৈ কি?
মানুষের শরীরে অগণীত রোগ জীবাণু বাস করে আসছে। প্রত্যেকটি শরীরে প্রতিশেধক জীবাণুও রয়েছে কার্যরত, যাদের দায়িত্ব হলো ক্ষতিকারক জীবাণু দমন করে রাখা।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হলো, কারো সাথে বৈরীতা নয়, সকলের সাথে বন্ধুত্ব। তারপরও দেশ রক্ষার জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা অবশ্যই সুঠাম অবস্থায় রাখতে হবে। জলে নৌকা ভাসাবেন, তা ভালো কথা, তবে খেয়াল রাখতে হবে, কোনো চোরা ছিদ্র পথ দিয়ে ভিতরে জল গড়াচ্ছে কিনা। পরিবারে, সমাজে তথা দেশে সর্বদা বিভীষণদের উপস্থিতি রয়েছে মানবজাতির যাত্রারম্ভ থেকেই। এদের এড়িয়ে চলা কঠিন হলেও সাবধনাতা নিতে ক্ষতি কি!