মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। কোরিয়ার আবহাওয়া প্রশাসন জানিয়েছে, প্রবল বাতাস ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে গাংনিউংয়ের একটি পাহাড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাংনিউংয়ের ওপর দিয়ে সেকেন্ডে ৩০ মিটার বেগে টাইফুনের মতো শক্তিশালী বাতাস বয়ে যাচ্ছে। বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত আবাসিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে শত শত বাড়িঘর ও কয়েকটি হোটেল।
পুড়ে যাওয়া বাড়ি থেকে ৭০ বছর বয়সী এক নারীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের দুই শতাধিক ইউনিট ও সাত শতাধিক দমকলকর্মী আট ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আশেপাশের এলাকা থেকে প্রায় সাত শতাধিক বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেশের পূর্ব উপকূলের মোট ২৩টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োল কোরিয়া ফরেস্ট সার্ভিস, ন্যাশনাল ফায়ার এজেন্সি, স্থানীয় সরকার ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বোচ্চ সহায়তা ও সহযোগিতা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।