উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে গেছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা।
কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলকে ঘিরে সরকারের মেগা প্রকল্পসমূহ
বাস্তবায়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। বিশেষ করে আনোয়ারা
উপজেলার সঙ্গে পার্শ^বর্তী পটিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলার মধ্যবর্তী সংযোগ সড়কের
তিন খালে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে তিনটি সংযোগ সেতু। এতে
দক্ষিণ চট্টগ্রামের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ ও ঝুঁকিমুক্ত হয়েছে। সেতুগুলোর
কল্যাণে কক্সবাজারের সঙ্গে চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হয়েছে।
যার ফলে পাল্টে গেছে পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের আর্থসামাজিক অবস্থা।
দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার পেকুয়া, মহেশখালী ও কুতুবদিয়াসহ দক্ষিণ
অঞ্চলের যাতায়াতের রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয় আনোয়ারা উপজেলা। মূলত শাহ্ আমানত
সেতুর পরই কর্ণফুলী উপজেলা হয়ে দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রবেশপথ আনোয়ারা।
মূল সড়কগুলোর সংযুক্তিতে রয়েছে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সেতু। এর মধ্যে অন্যতম
হচ্ছে বাঁশখালী পিএবি সড়কের তৈলারদ্বীপ সেতু, আনোয়ারা-পটিয়া আরকান সড়কের
মুরালী সেতু, পটিয়া-আনোয়ারা কালীগঞ্জ সেতু এবং আরাকান সড়ক সংযুক্ত
চন্দনাইশের পিএবি সড়কের বরকল সেতু। একমাত্র তৈলারদ্বীপ সেতু ছাড়া বিগত পাঁচ
বছর আগেও ছিল না বাকি তিন সেতু।
ভরসা ছিল শুধুই নৌকা। এসব উপজেলার সংযুক্ত স্থানে সেতু না থাকায় ঝুঁকি
নিয়ে চলাচল করতেন দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের হাজার হাজার জনসাধারণ।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুমন সিংহ বলেন, দেশের সবচেয়ে বড়
মেগা প্রকল্প বঙ্গবন্ধু টানেল। তাই আনোয়ারাকে অর্থনৈতিক এলাকা হিসেবে
চিহ্নিত করে আনোয়ারা সংযোগ সড়ক ও সেতুগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। টানেলের
বদৌলতে আনোয়ারায় যে আঞ্চলিক বাজার হবে তা ঝুঁকিমুক্ত হবে। আনোয়ারা উপজেলা
চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী বলেন, উন্নয়নে মূল ভূমিকা থাকে যোগাযোগ
ব্যবস্থার।