মোম জ্বেলেছেন, ওটাকে আপদ-বিপদ, ঝড়-ঝঞ্জা ঘুর্ণীবাত্যার কবল থেকে সুরক্ষা দিন, দীপ নিজেই দিগ¦লয় করে তুলবে উদ্ভাসিত, আলোকিত।
আজ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করার জন্য কার কতটুকু এখতিয়ার বা অধিকার তা ভালভাবে বুঝে নেয়া। আপনার মেধা, শক্তি, যোগ্যতা অনুযায়ী আপনার উপর কাজ বা দায়িত্ব থাকে ন্যাস্ত। আপনার পক্ষে সম্পাদন করা যা আদৌ সম্ভব নয়, তেমন কাজের চাপ দিয়ে আপনাকে পিষ্ট করা হবে না, কেননা যিনি দায়িত্ব বন্টন করার অধিকার রাখেন, তিনি প্রজ্ঞাশীল ও ধার্মিক, তাছাড়া আপনার নির্মাতাও তিনি। তাই বস্তুটি কোন কাজে উপযুক্ত তা তাঁর ভালভাবেই রয়েছে জানা।
বন্টনকারী আপনার অনুদার চোখের উপর নির্ভর করেন না, তিনি সুদূর প্রশারী চিন্তাচেতনা নিয়ে কাজ করে থাকেন বিধায়, আজতক আমরা বেঁচে আছি। আমাদের দায়িত্ব কেবল শুকরিয়া আদায় করা। কতোটা ভুল পথ ও সিদ্ধান্ত নিয়ে জীবনের প্রতিটি বাঁকে ডুবে যাবার পালা ছিল, তেমন ক্রান্তিকালে সকলেই আমাদের ডুবিয়ে দিয়ে তবে অন্নজল স্পর্শ করার ব্রত নিয়েছিল, কিন্তু তুমি ছিলে আমাদের স্বপক্ষে, তোমার স্নেহের পরশে আমরা অদ্যাবধি বেঁচে আছি, কেবল তোমারই গুণকীর্তন করে চলছি। বলো মাবুদ, তুমি ছাড়া আর কেইবা আছে ধন্যবাদ পাবার যোগ্য!
বিশ্বের দৃশ্যমান অথবা অদৃশ্য যতকিছুই থাক না কেন, এ সকলই তোমান নিপূণ হাতের সৃষ্টি, তদুপরি তুমি নিজ হস্তে নিয়ন্ত্রন করে চলেছো বিধায়, আমরা অদ্যাবধি, প্রতিটি মূহুর্ত বেঁচে থাকার জন্য, প্রয়োজনীয় আলো বাতাসটুকু পেয়ে চলছি। বিভ্রান্ত স্বার্থান্ধ মানুষগুলো, তোমার উদার হস্তের দান, বিশ্বব্রহ্মান্ড টুকরো টুকরো করে গিলে ফেলতে চাইছে, তেমন প্রচেষ্টা চালিয়ে শেষতক ব্যার্থ পরাভুত হয়ে, রিক্ত চিত্তে, শোকে দুঃখে সংকুচিত কবজি ছেড়ে দেয়, করায়ত্ম সবকিছু অন্যের হাতে চলে যায়। অবশ্য, নিজেও বিদায় নেয়, ভবলিলা সাংগ করে।
কেবল তোমার দয়ায় আজ এ নিরেট সত্যটুকু আমরা জানতে ও বুঝতে পেরেছি।
মাবুদ হলেন দাতাদের দাতা যিনি মুক্তহস্তে বিলিয়ে চলেন, কর্জ করেন না গ্রহিতার কাছ থেকে, যা কিছু একবার দান করেন তার কিছুই ফিরায়ে নেন না। যেমন ক্ষুদে দৃষ্টান্ত হতে পারে সৌরালোক, নিয়ত বিকিরণ করে চলছে তার অফুরাণ আধার থেকে। মাবুদ স্বীয় অসীম প্রেমাধার থেকে প্রত্যেকটি সৃষ্টির জন্য নিয়ত ঢেলে চলছেন আশিষধারা, বৃষ্টি ধারার মতো। তাঁর সৃষ্টি দেখে আমরা যদি তাঁর প্রেমের পরিধি বুঝতে না পারি, তবে তাকে বুঝবো কেমন করে? তিনি নিজেকে প্রকৃতির মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, তারপর নবী-রাসুলদের মাধ্যমে তাঁর অস্তিত্তে¡র বিষয় জ্ঞাপন করেছেন এবং পরিশেষে তাঁর পূতপবিত্র রুহানি পুত্রের মাধ্যমে নিজেকে পরিপূর্ণ ও পুর্ণাঙ্গরূপে প্রকাশ করেছেন। যে কেউ খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহকে উত্তমরূপে দেখার সুযোগ পেয়েছে, সেই বুঝতে পেরেছে, খোদা হলেন কেবল মহব্বত (১ইউহোন্না ৪ ঃ ১৬)।
মসিহ হলেন মানবরূপে ঐশি প্রেম, সকল প্রকার অপরাধি নির্ভয়ে তাঁর কাছে আসার আইনানুগ অধিকার রাখে। জগতের দৃষ্টিতে যারা যতটাই ঘৃণিত, মসিহের কাছে রয়েছে তাদের জন্য স্নাতশুভ্র পুতপবিত্র হবার এক অভিনব ব্যবস্থা, তিনি আপামর জনতাকে মহব্বত করেন, আর তাদের মুক্তির মুল্য শোধ দিলেন স্বীয় প্রাণের মুল্যে মর্মবিদারক সলিবে। রাজাদের রাজা প্রভুদের প্রভু, পুতপবিত্র খোদার পুত্র, প্রেমের আতিশয্যে, বিশ্বের তাবৎ গুনাহগারদের জন্য মুক্তির মাশুল শোধ দিলেন নিজের বেগুনাহ প্রাণের বিনিময়ে যা হলো প্রেমের একক পরাকাষ্ঠা।
মসিহ মানুষ হিসেবে আর দশ জনের সাথে তুল্য, তবে তিনি একক বেগুনা ব্যক্তি, যেমনটি আদমের ঔরষজাত আর কোনো ব্যক্তি নেই বা ছিল না। আর রুহের দিক দিয়ে তিনি হলেন খোদার হুবহু বহিপ্রকাশ। আর, এ কারণেই তিনি পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতা রাখেন দেহ-মন-আত্মার উপর। সে কারণেই যতজন বিশ্বাস পূর্বক তাঁর উপর সমর্পিত হয়, তারা খোদার ক্ষমতা ও বিশেষ রহমতে হয়ে ওঠে এক একটি উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক, যারা নিজেদের ভুলে গিয়ে, গোটা বিশ্ব আলোকিত করার জন্য থাকে সদা ব্যস্ত। মসিহের পরশে প্রত্যেকে হয় রূপান্তরিত, হয়ে ওঠে এক একটি নবসৃষ্টি, যারা বেহেশতি পিতার গৌরব সাধনের জন্য আহুত। এ বাছাইক্রিয়া মাবুদ নিজেই করে থাকেন (ইউহোন্না ১৫ ঃ ১৬)।
মসিহ যেমন কাওকে ধোকা দেন না, একইভাবে মসিহে নিবেদিত প্রত্যেকটি নবীন সৃষ্টি ধোকার তো প্রশ্নই ওঠে না, উপরন্ত যারা জগতের কাছে হারমেনেছে, সর্বশান্ত হয়েছে, মার খেয়েছে, ঘৃণাভরে নিক্ষিপ্ত হয়েছে আস্তাকুড়ে, সেথায় মসিহ তাঁর নবীন সংঘ নিয়ে হাজির হন, তাদের ক্ষতস্থান সারিয়ে তোলেন, আর তাদেরকেও পুনরায় গড়ে তোলেন, আত্মত্যাগী দেশ দরদি আর্তপীড়িত দুস্থদের সেবা কর্মে এক একজন নিরলস কর্মী হিসেবে।
গোটা বিশ্ব মসিহের সৃষ্টি, সেই সুবাদে তাঁর সাহাবিগণ গোটা বিশ্বের সেবাদান করার জন্য ঐশি প্রাধিকার প্রাপ্ত সম্মানিত সেবক-সেবিকা।
আজ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করার জন্য কার কতটুকু এখতিয়ার বা অধিকার তা ভালভাবে বুঝে নেয়া। আপনার মেধা, শক্তি, যোগ্যতা অনুযায়ী আপনার উপর কাজ বা দায়িত্ব থাকে ন্যাস্ত। আপনার পক্ষে সম্পাদন করা যা আদৌ সম্ভব নয়, তেমন কাজের চাপ দিয়ে আপনাকে পিষ্ট করা হবে না, কেননা যিনি দায়িত্ব বন্টন করার অধিকার রাখেন, তিনি প্রজ্ঞাশীল ও ধার্মিক, তাছাড়া আপনার নির্মাতাও তিনি। তাই বস্তুটি কোন কাজে উপযুক্ত তা তাঁর ভালভাবেই রয়েছে জানা।
বন্টনকারী আপনার অনুদার চোখের উপর নির্ভর করেন না, তিনি সুদূর প্রশারী চিন্তাচেতনা নিয়ে কাজ করে থাকেন বিধায়, আজতক আমরা বেঁচে আছি। আমাদের দায়িত্ব কেবল শুকরিয়া আদায় করা। কতোটা ভুল পথ ও সিদ্ধান্ত নিয়ে জীবনের প্রতিটি বাঁকে ডুবে যাবার পালা ছিল, তেমন ক্রান্তিকালে সকলেই আমাদের ডুবিয়ে দিয়ে তবে অন্নজল স্পর্শ করার ব্রত নিয়েছিল, কিন্তু তুমি ছিলে আমাদের স্বপক্ষে, তোমার স্নেহের পরশে আমরা অদ্যাবধি বেঁচে আছি, কেবল তোমারই গুণকীর্তন করে চলছি। বলো মাবুদ, তুমি ছাড়া আর কেইবা আছে ধন্যবাদ পাবার যোগ্য!
বিশ্বের দৃশ্যমান অথবা অদৃশ্য যতকিছুই থাক না কেন, এ সকলই তোমান নিপূণ হাতের সৃষ্টি, তদুপরি তুমি নিজ হস্তে নিয়ন্ত্রন করে চলেছো বিধায়, আমরা অদ্যাবধি, প্রতিটি মূহুর্ত বেঁচে থাকার জন্য, প্রয়োজনীয় আলো বাতাসটুকু পেয়ে চলছি। বিভ্রান্ত স্বার্থান্ধ মানুষগুলো, তোমার উদার হস্তের দান, বিশ্বব্রহ্মান্ড টুকরো টুকরো করে গিলে ফেলতে চাইছে, তেমন প্রচেষ্টা চালিয়ে শেষতক ব্যার্থ পরাভুত হয়ে, রিক্ত চিত্তে, শোকে দুঃখে সংকুচিত কবজি ছেড়ে দেয়, করায়ত্ম সবকিছু অন্যের হাতে চলে যায়। অবশ্য, নিজেও বিদায় নেয়, ভবলিলা সাংগ করে।
কেবল তোমার দয়ায় আজ এ নিরেট সত্যটুকু আমরা জানতে ও বুঝতে পেরেছি।
মাবুদ হলেন দাতাদের দাতা যিনি মুক্তহস্তে বিলিয়ে চলেন, কর্জ করেন না গ্রহিতার কাছ থেকে, যা কিছু একবার দান করেন তার কিছুই ফিরায়ে নেন না। যেমন ক্ষুদে দৃষ্টান্ত হতে পারে সৌরালোক, নিয়ত বিকিরণ করে চলছে তার অফুরাণ আধার থেকে। মাবুদ স্বীয় অসীম প্রেমাধার থেকে প্রত্যেকটি সৃষ্টির জন্য নিয়ত ঢেলে চলছেন আশিষধারা, বৃষ্টি ধারার মতো। তাঁর সৃষ্টি দেখে আমরা যদি তাঁর প্রেমের পরিধি বুঝতে না পারি, তবে তাকে বুঝবো কেমন করে? তিনি নিজেকে প্রকৃতির মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, তারপর নবী-রাসুলদের মাধ্যমে তাঁর অস্তিত্তে¡র বিষয় জ্ঞাপন করেছেন এবং পরিশেষে তাঁর পূতপবিত্র রুহানি পুত্রের মাধ্যমে নিজেকে পরিপূর্ণ ও পুর্ণাঙ্গরূপে প্রকাশ করেছেন। যে কেউ খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহকে উত্তমরূপে দেখার সুযোগ পেয়েছে, সেই বুঝতে পেরেছে, খোদা হলেন কেবল মহব্বত (১ইউহোন্না ৪ ঃ ১৬)।
মসিহ হলেন মানবরূপে ঐশি প্রেম, সকল প্রকার অপরাধি নির্ভয়ে তাঁর কাছে আসার আইনানুগ অধিকার রাখে। জগতের দৃষ্টিতে যারা যতটাই ঘৃণিত, মসিহের কাছে রয়েছে তাদের জন্য স্নাতশুভ্র পুতপবিত্র হবার এক অভিনব ব্যবস্থা, তিনি আপামর জনতাকে মহব্বত করেন, আর তাদের মুক্তির মুল্য শোধ দিলেন স্বীয় প্রাণের মুল্যে মর্মবিদারক সলিবে। রাজাদের রাজা প্রভুদের প্রভু, পুতপবিত্র খোদার পুত্র, প্রেমের আতিশয্যে, বিশ্বের তাবৎ গুনাহগারদের জন্য মুক্তির মাশুল শোধ দিলেন নিজের বেগুনাহ প্রাণের বিনিময়ে যা হলো প্রেমের একক পরাকাষ্ঠা।
মসিহ মানুষ হিসেবে আর দশ জনের সাথে তুল্য, তবে তিনি একক বেগুনা ব্যক্তি, যেমনটি আদমের ঔরষজাত আর কোনো ব্যক্তি নেই বা ছিল না। আর রুহের দিক দিয়ে তিনি হলেন খোদার হুবহু বহিপ্রকাশ। আর, এ কারণেই তিনি পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতা রাখেন দেহ-মন-আত্মার উপর। সে কারণেই যতজন বিশ্বাস পূর্বক তাঁর উপর সমর্পিত হয়, তারা খোদার ক্ষমতা ও বিশেষ রহমতে হয়ে ওঠে এক একটি উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক, যারা নিজেদের ভুলে গিয়ে, গোটা বিশ্ব আলোকিত করার জন্য থাকে সদা ব্যস্ত। মসিহের পরশে প্রত্যেকে হয় রূপান্তরিত, হয়ে ওঠে এক একটি নবসৃষ্টি, যারা বেহেশতি পিতার গৌরব সাধনের জন্য আহুত। এ বাছাইক্রিয়া মাবুদ নিজেই করে থাকেন (ইউহোন্না ১৫ ঃ ১৬)।
মসিহ যেমন কাওকে ধোকা দেন না, একইভাবে মসিহে নিবেদিত প্রত্যেকটি নবীন সৃষ্টি ধোকার তো প্রশ্নই ওঠে না, উপরন্ত যারা জগতের কাছে হারমেনেছে, সর্বশান্ত হয়েছে, মার খেয়েছে, ঘৃণাভরে নিক্ষিপ্ত হয়েছে আস্তাকুড়ে, সেথায় মসিহ তাঁর নবীন সংঘ নিয়ে হাজির হন, তাদের ক্ষতস্থান সারিয়ে তোলেন, আর তাদেরকেও পুনরায় গড়ে তোলেন, আত্মত্যাগী দেশ দরদি আর্তপীড়িত দুস্থদের সেবা কর্মে এক একজন নিরলস কর্মী হিসেবে।
গোটা বিশ্ব মসিহের সৃষ্টি, সেই সুবাদে তাঁর সাহাবিগণ গোটা বিশ্বের সেবাদান করার জন্য ঐশি প্রাধিকার প্রাপ্ত সম্মানিত সেবক-সেবিকা।