দূরের কোনো দেবতার উদ্দেশ্যে অশ্রুবর্ষণ করে কতটা লাভ পাওয়া যায়; যদি না তিনি বিপণ্য ভক্তের প্রতি সাাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে সদা প্রস্তুত না থাকেন ও কেবল তাঁরই কাছে প্রণিপাত করা উচিত যিনি নিরবচ্ছিন্নভাবে থাকেন ভক্তের ভগ্নচূর্ণ হৃদয় পুর্নগঠন দানের জন্য।
যিনি গোটা বিশ্বেরর মালিক, সদা থাকেন ব্যস্ত বান্দার যত্ন পরিচর্যা করার জন্য, যিনি অনন্ত অসীম, ভিন্ন ভাষায় যাকে বলা হয় হাইউল কাইউম, যার নেই কোনো আহার নিদ্রা, তিনি কি প্রীত হতে পারেন নোংরা হাতে দত্ত অঞ্জলি দেখে?
মাবুদ হলেন রূহ ও সত্য; তাই অবশ্যই তাঁকে সম্মান দেখাতে হবে রূহানীভাবে ও সততায় জীবন যাপন করে।
বাতেনী খোদার হুবহু প্রকাশ দেখেছি কালেমাতুল্লাহ যিনি রূহুল্লাহ বলেও পরিচিত, তাঁর জীবদ্দশায়; তিনি হলেন খোদার অবিকল ফটোকপি ঐশি প্রেমের ঝর্ণাধারা, যার মধ্যে ঠাই পায় জগতের পরিশ্রান্ত ভারাক্রান্ত ক্লেদাক্ত আপামর জনতা (কলসীয় ১:১৫)। তিনি হলেন অবিনশ^র, অতীতে যেমন ছিলেন, বর্তমানেও তেমনই আছেন এবং গোটা ভবিষ্যত তথা অনাগত যুগ ধরে থাকবেন স্বীয় প্রতিজ্ঞা ও অবস্থানে অবিচল।
তাঁকে বন্দনা করার জন্য আমাদের অবশ্যই রূহানী ও শততার আবহে ভজনা করত হবে। এ প্রসঙ্গে কতিপয় আয়াত পাককালাম থেকে তুলে ধরছি।
ইউহোন্না ৪ : ২৩-২৫
কিন্তু এমন সময় আসছে, এমন কি, এখনই সেই সময় এসে গেছে যখন আসল এবাদতকারীরা রূহে ও সত্যে পিতার এবাদত করবে। পিতাও এই রকম এবাদতকারীদেরই খোঁজেন। আল্লাহ রূহ; যারা তাঁর এবাদত করে, রূহে ও সত্যে তাদের সেই এবাদত করতে হবে।” তখন সেই স্ত্রীলোকটি বলল, “আমি জানি মসিহ আসছেন। তিনি যখন আসবেন তখন সবই আমাদের জানাবেন।”
২য় করিন্থীয় ৩ : ১৭
এই প্রভুই হলেন পাক-রূহ; আর যেখানেই প্রভুর রূহ সেখানেই স্বাধীনতা।
মথি ১৫ : ৮-৯
এই লোকেরা মুখেই আমাকে সম্মান করে, কিন্তু তাদের দিল আমার কাছ থেকে দূরে থাকে। তারা মিথ্যাই আমার এবাদত করে; তাদের দেওয়া শিক্ষা মানুষের তৈরী কতগুলো নিয়ম মাত্র।
ফিলিপীয় ৩ : ৩
আমরাই সত্যিকারের খৎনা করানো লোক, কারণ আমরা আল্লাহর রূহের সাহায্যে তাঁর এবাদত করি এবং মসিহ ঈসাকে নিয়ে গর্ব বোধ করি আর বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠানের উপর ভরসা করি না।
আল যবুর ৫১ : ১৭
অনুতপ্ত অন্তরই আল্লাহর কবুলের যোগ্য কোরবানী; হে আল্লাহ, নত এবং নম্র মনকে তুমি তুচ্ছ করবে না।
ইশাইয়া ৫৭ : ১৫
যিনি মহান ও গৌরবে পূর্ণ, যিনি চিরকাল জীবিত, যাঁর নাম পবিত্র, তিনি বলছেন, “আমি উঁচু ও পবিত্র জায়গায় বাস করি, কিন্তু যার মন নম্র, যার মন ভেংগে চুরমার হয়েছে আমি তার সংগেও বাস করি যাতে নম্রদের ও মন ভেংগে চুরমার হওয়া লোকদের দিলকে আমি নতুন করে গড়ে তুলতে পারি।
১ম শমুয়েল ১৬ : ৭
কিন্তু সদাপ্রভু শমুয়েলকে কহিলেন, তুমি উহার মূখশ্রীর বা কায়িক দীর্ঘতার প্রতি দৃষ্টি করিও না; কারণ আমি উহাকে অগ্রাহ্য করিলাম। কেননা মানুষ যাহা দেখে, তাহা কিছু নয়; দৃষ্টি করে; কিন্তু সদাপ্রবু অন্তঃকরণের প্রতি দৃষ্টি করেন।
আল যবুর ৬৬ : ১৮
আমার দিলে যদি আমি অন্যায় পুষে রাখতাম তাহলে আমার কথা দ্বীন-দুনিয়ার মালিক শুনতেন না।
১ তীমথিয় ১:১৭
যিনি সর্বকালের রাজা, অক্ষয়, অদৃশ্য, অনন্য পরমেশ^র, তিনি যুগে যুগে সমাদৃত এবং মহিমান্বিত হোন।
আল যবুর ৫০ : ২৩
যার জীবনে শুকরিয়াই হল তার কোরবানী সে-ই আমাকে সম্মান করে; যে আমার পথে চলে তাকে আমি উদ্ধার করব।”
২ করিন্থীয় ১ : ১২
আমরা যে জন্য গর্ব বোধ করি তা এই আমাদের বিবেক এই সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, আল্লাহর দেওয়া পবিত্রতায় এবং সরলতায় আমার সব মানুষের মধ্যে, বিশেষ করে তোমাদের মধ্যে জীবন কাটিয়েছি। সেই জীবন আমরা জাগতিক জ্ঞানের পরিচালনায় কাটাই নি বরং আল্লাহর রহমতের পরিচালনায় কাটিয়েছি।
আল যবুর ৫০ : ১৩-১৫
তুমি কি মনে কর ষাঁড়ের গোশত আমার খাবার? ছাগলের রক্ত কি আমি খাই? আল্লাহর কাছে তোমার শুকরিয়াই তোমার কোরবানী হোক; সেই মহানের কাছেই তোমার সব মানত পূরণ করতে থাক। তোমার বিপদের দিনে তুমি আমাকে ডেকো; আমি তোমাকে উদ্ধার করবো আর তুমি আমাকে সম্মান করবো।”
যিনি গোটা বিশ্বেরর মালিক, সদা থাকেন ব্যস্ত বান্দার যত্ন পরিচর্যা করার জন্য, যিনি অনন্ত অসীম, ভিন্ন ভাষায় যাকে বলা হয় হাইউল কাইউম, যার নেই কোনো আহার নিদ্রা, তিনি কি প্রীত হতে পারেন নোংরা হাতে দত্ত অঞ্জলি দেখে?
মাবুদ হলেন রূহ ও সত্য; তাই অবশ্যই তাঁকে সম্মান দেখাতে হবে রূহানীভাবে ও সততায় জীবন যাপন করে।
বাতেনী খোদার হুবহু প্রকাশ দেখেছি কালেমাতুল্লাহ যিনি রূহুল্লাহ বলেও পরিচিত, তাঁর জীবদ্দশায়; তিনি হলেন খোদার অবিকল ফটোকপি ঐশি প্রেমের ঝর্ণাধারা, যার মধ্যে ঠাই পায় জগতের পরিশ্রান্ত ভারাক্রান্ত ক্লেদাক্ত আপামর জনতা (কলসীয় ১:১৫)। তিনি হলেন অবিনশ^র, অতীতে যেমন ছিলেন, বর্তমানেও তেমনই আছেন এবং গোটা ভবিষ্যত তথা অনাগত যুগ ধরে থাকবেন স্বীয় প্রতিজ্ঞা ও অবস্থানে অবিচল।
তাঁকে বন্দনা করার জন্য আমাদের অবশ্যই রূহানী ও শততার আবহে ভজনা করত হবে। এ প্রসঙ্গে কতিপয় আয়াত পাককালাম থেকে তুলে ধরছি।
ইউহোন্না ৪ : ২৩-২৫
কিন্তু এমন সময় আসছে, এমন কি, এখনই সেই সময় এসে গেছে যখন আসল এবাদতকারীরা রূহে ও সত্যে পিতার এবাদত করবে। পিতাও এই রকম এবাদতকারীদেরই খোঁজেন। আল্লাহ রূহ; যারা তাঁর এবাদত করে, রূহে ও সত্যে তাদের সেই এবাদত করতে হবে।” তখন সেই স্ত্রীলোকটি বলল, “আমি জানি মসিহ আসছেন। তিনি যখন আসবেন তখন সবই আমাদের জানাবেন।”
২য় করিন্থীয় ৩ : ১৭
এই প্রভুই হলেন পাক-রূহ; আর যেখানেই প্রভুর রূহ সেখানেই স্বাধীনতা।
মথি ১৫ : ৮-৯
এই লোকেরা মুখেই আমাকে সম্মান করে, কিন্তু তাদের দিল আমার কাছ থেকে দূরে থাকে। তারা মিথ্যাই আমার এবাদত করে; তাদের দেওয়া শিক্ষা মানুষের তৈরী কতগুলো নিয়ম মাত্র।
ফিলিপীয় ৩ : ৩
আমরাই সত্যিকারের খৎনা করানো লোক, কারণ আমরা আল্লাহর রূহের সাহায্যে তাঁর এবাদত করি এবং মসিহ ঈসাকে নিয়ে গর্ব বোধ করি আর বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠানের উপর ভরসা করি না।
আল যবুর ৫১ : ১৭
অনুতপ্ত অন্তরই আল্লাহর কবুলের যোগ্য কোরবানী; হে আল্লাহ, নত এবং নম্র মনকে তুমি তুচ্ছ করবে না।
ইশাইয়া ৫৭ : ১৫
যিনি মহান ও গৌরবে পূর্ণ, যিনি চিরকাল জীবিত, যাঁর নাম পবিত্র, তিনি বলছেন, “আমি উঁচু ও পবিত্র জায়গায় বাস করি, কিন্তু যার মন নম্র, যার মন ভেংগে চুরমার হয়েছে আমি তার সংগেও বাস করি যাতে নম্রদের ও মন ভেংগে চুরমার হওয়া লোকদের দিলকে আমি নতুন করে গড়ে তুলতে পারি।
১ম শমুয়েল ১৬ : ৭
কিন্তু সদাপ্রভু শমুয়েলকে কহিলেন, তুমি উহার মূখশ্রীর বা কায়িক দীর্ঘতার প্রতি দৃষ্টি করিও না; কারণ আমি উহাকে অগ্রাহ্য করিলাম। কেননা মানুষ যাহা দেখে, তাহা কিছু নয়; দৃষ্টি করে; কিন্তু সদাপ্রবু অন্তঃকরণের প্রতি দৃষ্টি করেন।
আল যবুর ৬৬ : ১৮
আমার দিলে যদি আমি অন্যায় পুষে রাখতাম তাহলে আমার কথা দ্বীন-দুনিয়ার মালিক শুনতেন না।
১ তীমথিয় ১:১৭
যিনি সর্বকালের রাজা, অক্ষয়, অদৃশ্য, অনন্য পরমেশ^র, তিনি যুগে যুগে সমাদৃত এবং মহিমান্বিত হোন।
আল যবুর ৫০ : ২৩
যার জীবনে শুকরিয়াই হল তার কোরবানী সে-ই আমাকে সম্মান করে; যে আমার পথে চলে তাকে আমি উদ্ধার করব।”
২ করিন্থীয় ১ : ১২
আমরা যে জন্য গর্ব বোধ করি তা এই আমাদের বিবেক এই সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, আল্লাহর দেওয়া পবিত্রতায় এবং সরলতায় আমার সব মানুষের মধ্যে, বিশেষ করে তোমাদের মধ্যে জীবন কাটিয়েছি। সেই জীবন আমরা জাগতিক জ্ঞানের পরিচালনায় কাটাই নি বরং আল্লাহর রহমতের পরিচালনায় কাটিয়েছি।
আল যবুর ৫০ : ১৩-১৫
তুমি কি মনে কর ষাঁড়ের গোশত আমার খাবার? ছাগলের রক্ত কি আমি খাই? আল্লাহর কাছে তোমার শুকরিয়াই তোমার কোরবানী হোক; সেই মহানের কাছেই তোমার সব মানত পূরণ করতে থাক। তোমার বিপদের দিনে তুমি আমাকে ডেকো; আমি তোমাকে উদ্ধার করবো আর তুমি আমাকে সম্মান করবো।”