ইউক্রেনে রুশ হামলার বর্ষপূর্তিতে শুক্রবার কিয়েভে সংবাদ সম্মেলন করেন
জেলেনস্কি। সেখানে তিনি চীনের প্রস্তাবকে ইঙ্গিত করছে বলেছেন, তারা শান্তির
পথ খোঁজার কাজ করছেন।
জেলেনস্কি বলেছেন, আমি সত্যিই বিশ্বাস করতে চাই চীন রাশিয়াকে অস্ত্র দেবে না।
এদিকে চীন শান্তির প্রস্তাব দিলেও পশ্চিমারা বেইজিংয়ের ব্যাপারে ভিন্ন মূল্যায়ন করেছে। তাদের দাবি, রাশিয়াকে অস্ত্র দেয়ার চিন্তা করছেন জিনপিং।
অন্যদিকে চীনের শান্তি প্রস্তাবে ইউক্রেন থেকে রুশ সেনাদের প্রত্যাহারের কথা স্পষ্ট করে বলা হয়নি। উল্টো মস্কোর ওপর একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপের সমালোচনা করা হয়েছে। মূলত এর মাধ্যমে পশ্চিমা দেশগুলোকেই একহাত নিয়েছে বেইজিং।
জিনপিংয়ের সঙ্গে জেলেনস্কি বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করলেও চীন এখনও এ নিয়ে
প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি। চীনের এই শান্তি প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে
রাশিয়া।
প্রসঙ্গত, চীনের ১২টি প্রস্তাবের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে শস্য রপ্তানি মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্তের
বিষয়টি।
সেখানে উল্লেখ করা হয়, জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় শস্য রপ্তানি চালু থাকলে এখনো স্বাভাবিক হয়ে ওঠেনি। বৈশ্বিক খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিঘ্নিত শস্য রপ্তানি নিশ্চিতে সবাইকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায় চীন।