লেখক ‘ভাব ও কাজ’ প্রবন্ধে ভাবাবেশকে কীসের সাথে তুলনা করেছেন?
উত্তর : লেখক ভাবাবেশকে কর্পূরের সাথে তুলনা করেছেন।
‘ভাব ও কাজ’ প্রবন্ধে লেখক ভাবের বাঁশি বাজিয়ে কাকে নাচানোর কথা বলেছেন?
উত্তর : ভাবের বাঁশি বাজিয়ে জনসাধারণকে নাচানোর কথা বলেছেন।
‘ভাব ও কাজ’ প্রবন্ধে কাকে নিঃস্বার্থ ত্যাগী ঋষি হতে বলা হয়েছে?
উত্তর : ‘ভাব ও কাজ’ প্রবন্ধে ভাবের বাঁশিবাদককে নিঃস্বার্থ ত্যাগী ঋষি হতে বলা হয়েছে।
সাধারণের সমস্ত উৎসাহ ও প্রাণ কীসের মতো ঢাকা পড়ে?
ঢোল–কাঁসি বাজিয়ে কার ঘুম ভাঙানো বিচিত্র নয়?
উত্তর : ঢোল–কাঁসি বাজিয়ে কুম্ভকর্ণের ঘুম ভাঙানো বিচিত্র নয়।
‘স্পিরিট’ কী?
উত্তর : ‘স্পিরিট’ হচ্ছে আত্মার শক্তির পবিত্রতা।
উত্তর : যথাযথ পরিকল্পনা ও কাজের স্পৃহার অভাবে।
‘ভাব ও কাজ’ প্রবন্ধে লোকদের কিসের ছোঁয়া দিয়ে জাগানোর কথা বলা হয়েছে?
উত্তর : সোনার কাঠির ছোঁয়া দিয়ে।
লেখকের মতে, আমাদের আশা–ভরসাস্থল কে?
উত্তর : লেখকের মতে, আমাদের আশা–ভরসাস্থল যুবকগণ।
সত্যিকার কর্মীর অভাবে এ দেশে মাঝমাঠে কী মারা যায়?
উত্তর : সত্যিকার কর্মীর অভাবে এ দেশে মাঝমাঠে সুবর্ণ সুযোগ মারা যায়।
বাজে লোকদের কারচুপিতে কারা পুয়াল চাপা পড়ে গেছে?
উত্তর : বাজে লোকদের কারচুপিতে সত্যিকার দেশকর্মীরা পুয়াল চাপা পড়ে গেছে।
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর সাহিত্য কীসের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদ করেন?
উত্তর : কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর সাহিত্য অবিচার ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদ করেন।
ভাবের আবেগে অতিমাত্রায় বিহ্বল হলে কী হয়?
উত্তর : ভাবের আবেগে অতিমাত্রায় বিহ্বল হলে কর্মকাণ্ডে ভালোমন্দে জ্ঞান থাকে না।
দেয়াল ভাঙতে হলে কোথায় শাবল মারতে হয়?
উত্তর : দেয়াল ভাঙতে হলে দেয়ালের ভিত্তিমূলে শাবল মারতে হয় ।
কোন বিষয় বিবেচনা করে কাজে নামলে উৎসাহ অনর্থক নষ্ট হবে না?
উত্তর : কাজের সম্ভাবনা–অসম্ভাবনার কথা আগে বিবেচনা করে কাজে নামলে উৎসাহ অনর্থক নষ্ট হবে না।
‘ভাব ও কাজ’ প্রবন্ধের লেখক ভাবের সঙ্গে বাস্তবধর্মী কর্মে তৎপর হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন কেন?
উত্তর : ‘ভাব ও কাজ’ প্রবন্ধের লেখক ভাবের সঙ্গে বাস্তবধর্মী কর্মে তৎপর হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন দেশের উন্নতি, মুক্তি ও মানুষের কল্যাণের জন্য।
‘ভাব ও কাজ’ প্রবন্ধে কোনটিকে ‘মহাপাপ’ বলা হয়েছে?
উত্তর : ‘ভাব ও কাজ’ প্রবন্ধে অন্যের প্রবোচনায় নিজের ‘স্পিরিট’ বা আত্মার শক্তি নষ্ট করাকে মহাপাপ বলা হয়েছে।
গল্প
পড়ে পাওয়া
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন
‘পড়ে পাওয়া’ কী ধরনের রচনা?
উত্তর : ‘পড়ে পাওয়া’ একটি কিশোর গল্প।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের লেখক কে?
উত্তর : ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর : বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কত তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর : বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১ নভেম্বর ১৯৫০ তারিখে মৃত্যুবরণ করেন।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাল্য ও কৈশোরকাল কেটেছে অর্থনৈতিক কোন পরিস্থিতিতে?
উত্তর : বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাল্য ও কৈশোরকাল কেটেছে দারিদ্র্যের মধ্যে।