৭। কী দেখে লেখকের সত্যিকার ভাবনা ঘুচে গেল?
উত্তর : হলদে রঙের এক জোড়া বেনে-বৌ পাখিকে আবার ফিরে আসতে দেখে লেখকের সত্যিকারের ভাবনা ঘুচে গেল।
৮। বেনে-বৌ পাখি কোন গাছে বসে হাজিরা হেঁকে যেত?
উত্তর : বেনে-বৌ পাখি ইউক্যালিপটাসগাছের সবচেয়ে উঁচু ডালটায় বসে হাজিরা হেঁকে যেত।
৯। বামুন ঠাকুরকে ডেকে লেখক কী বলেছিলেন?
উত্তর : বামুন ঠাকুরকে ডেকে লেখক বলেছিলেন, ‘ও আমার অতিথি, ওকে পেটভরে খেতে দিও।’
১০। ‘ভজন’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : ‘ভজন’ শব্দের অর্থ ঈশ্বর বা দেবদেবীর স্তুতি বা মহিমাকীর্তন।
১১। ‘বড়দিদি’ উপন্যাস কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
উত্তর : ‘বড়দিদি’ উপন্যাস ‘ভারতী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
১২। ‘পাণ্ডুর’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : ‘পাণ্ডুর’ শব্দের অর্থ ফ্যাকাসে।
১৩। দেওঘরে লোকটি একঘেয়ে সুরে কী গান গাইত?
উত্তর : দেওঘরে লোকটি একঘেয়ে সুরে ভজন গাইত।
১৪। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে সবচেয়ে ভোরে উঠত কোন পাখি?
উত্তর : সবচেয়ে ভোরে উঠত দোয়েল পাখি।
১৫। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে ভজন শুরু হয় কখন?
উত্তর : ভজন শুরু হয় রাত্রি তিনটে থেকে।
১৬। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে প্রাচীরের ধারের গাছটির নাম কী?
উত্তর : প্রাচীরের ধারের গাছটির নাম ইউক্যালিপটাস।
১৭। কার আদেশে লেখক দেওঘরে এসেছিলেন?
উত্তর : চিকিৎসকের আদেশে লেখক দেওঘরে এসেছিলেন।
১৮। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে একটু দেরি করে আসত কোন পাখি?
উত্তর : একটু দেরি করে আসত হলদে রঙের এক জোড়া বেনে-বৌ পাখি।
১৯। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে লেখকের কীসের ভাবনা ছিল?
উত্তর : ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে এক জোড়া বেনে-বৌ পাখিকে দুদিন না দেখে লেখকের ভাবনা হলো ব্যাধেরা বুঝি পাখি দুটিকে ধরে চালান করে দিয়েছে।
২০। লেখক দেওঘরে গিয়েছিলেন কেন?
উত্তর : লেখক দেওঘরে গিয়েছিলেন বায়ু পরিবর্তনের জন্য।
২১। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পটির পূর্ব নাম কী ছিল?
উত্তর : ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পটির পূর্ব নাম ‘দেওঘরের স্মৃতি’ ছিল।
২২। অন্ধকার শেষ না হতে কোন পাখির গান আরম্ভ হয়?
উত্তর : অন্ধকার শেষ না হতে দোয়েল পাখির গান আরম্ভ হয়।
২৩। পাখি চালান দেওয়া কাদের ব্যবসা?
উত্তর : পাখি চালান দেওয়া ব্যাধের ব্যবসা।