রোপন, পালন, চয়ন, নিধন, সংরক্ষণ
বাক্যটি অর্থবহ ও পরিপূর্ণ করার জন্য যে কোনো একটি শব্দ বেছে নিতে হবে।
বৃক্ষের ক্ষেত্রে আমাদের কেউ ফাকি দিতে পারে না তবে এর চেয়ে অতীব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অর্থাৎ জীবযুদ্ধে আমরা বহুপূর্বেই হেরে গেছি; আমাদের জীবনদায়ী কালাম কেবল পাঠান্তে তাকের উপর তুলে রাখি অথচ কথা ছিল উক্ত নির্দেশনা জীবনে প্রয়োগ করে এক নতুন মানুষে পরিণত হওয়া।
যারা আমাদের কাছে ঐশি গ্রন্থ পাঠ করে শুনিয়ে যাচ্ছে, হাতিয়ে নিচ্ছে কিছুটা ফাও উপার্জন, তারা আমাদের তীমির থেকে আলোর পথে আকর্ষণ করছে না; বরং আমরা যেই হাদারাম ছিলাম সেখানেই যেন পড়ে থাকি, তেমন মনোভাব হলো তাদের প্রকৃত চিন্তা। কালামের উদ্দেশ্য হলো মানুষ যেন আলোর সন্তানে হতে পারে পরিণত। আসলে তাদের তো বলাই হয়েছে ‘নিশ্চয়ই তারা ধরাপৃষ্টে খোদার প্রতিনিধি, যাদের সৃষ্টিই করা হয়েছে খোদার সুরতে, সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে।’ তা আপনার চোখ না খোলা পর্যন্ত সাদা ছড়িটি অবশ্যই কাজে লাগবে। আর একবার চোখ খুলে গেলে ওটা তো বিক্রি করে ছেলে পুলেরা কটকটি খাবে, সাদা ছড়িটির ভয় সেখানেই। কেবল কালাম পাঠ করিলেই চলবে না উক্ত কালামের আলোকে জীবনের পট পরিবর্তন অত্যাবশক। ধরুন কোনো এক ব্যাধিগস্থ ব্যক্তি বিজ্ঞ চিকিৎকের কাছে হাজির হলেন, আর তিনি নিখুঁত ডায়াগনোসি করে একটা প্রেসক্রিপশন ধরিয়ে দিলেন আপনার হাতে, এবার রোগীটির কর্তব্য উক্ত প্রেসক্রিপশনের আলোকে ঔষধ পথ্য নিয়মিত সেবন করা, তবেই না সে হয়ে উঠবে সুস্থ সামর্থ কর্মক্ষম। ধর্মের বাণী কেবল পাঠ করলেই চলবে না, তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে ব্যক্তি জীবনে বয়ে আনতে হবে আমূল পরিবর্তন।
কিতাবে তাই যথার্থ বর্ণিত রয়েছে, ফলতঃ যদি কউ মসিহের সাথে যুক্ত হয় তবে সে পরিণত হয়ে ওঠে এক নতুন মানুস হিসেবে, তখন তার পুরাতন ধ্যান ধারণার পরিবর্তন ঘটে আর হয়ে ওঠে মসিহের মত এক নিখুঁত ব্যক্তিতে রূপান্তরিত। খোদা তো তাঁকে প্রেরণ করেছেন এ পতিত জগতে পাপের কাফফারা সাধনকল্পে। ময়লা তেলকাটা জলে একফোঁটা ডিটার্জেন্ট ফেলে পরীক্ষা করুন, দেখবেন অবলীলাক্রমে ময়লার আস্তরণ চারদিকে কেটে পড়েছে।
যেখানে আলো জ্বলে ওঠে তথায় অন্ধকার দাড়াবার সাহস পায় না। অন্ধকারের কীট চায় কেউ যেন আলোর ফোয়ারা নিয়ে তথায় হাজির না হয়। মূলতঃ গোটা বিশ্ব অন্ধকারময় একটি গ্রহ, তা এক বিশাল আলোর মশাল দিয়ে আলোকিত করে রাখা হয়েছে। আর সে কারণেই আমরা চলতে পারি, মন্দের মধ্য দিয়ে ভালো কিছু খুঁজে নিতে পারি। জন্মসূত্রে আদমজাত গুনাহগার এর কোনো ব্যতিক্রম নেই। অবাধ্যতার ফলেই আদম (আ.) হলেন বিতাড়িত, খোদার হুকুমের চেয়ে ইবলিসের মন্ত্র তার কাছে প্রধান্য পেয়েছিল যার নতিজা হলো গোটা বিশ্ববাসি আমরা নিয়ত জ্বলে পুড়ে অঙ্গার হয়ে চলছি এ পতিত ধরাপৃষ্টে। গোটা বিশ্ব আলোকিত করার জন্য যেমন একটি বিশাল সূর্য নিয়ত আলো দিয়ে ফিরছে তদ্রুপ সকল মানুষকে সত্যের আলোয় পুনর্জাত করার জন্য আর এক নূরের ফোয়ারা, নূরের ধারক-বাহক বেগুনাহ ব্যক্তিত্ব খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহকে প্রেরণ করেছেন যেন তাঁর মধ্য দিয়ে পতিত দূরীকৃত ব্যক্তিবর্গ খোদার কাছে ফিরে যেতে পারে। মসিহকে জগতে প্রেরণের রহস্যটি বড়ই চমৎকার, তিনি একমাত্র পথ সত্য ও জীবন, জীবন্ত খোদার জীবন্ত কালাম ও রূহ যা মানবরূপে হয়েছেন আবির্ভূত পতিত ধরাপৃষ্টে।
তিনি প্রত্যেকটি ব্যক্তিকে ফিরে পেতে চান। প্রত্যেকের দ্বারে নিয়ত করাঘাত করে ফিরছেন। আপনি কান পাতুন, শুনতে চেষ্টা করুন, তিনি আপনাকেই আহŸান জানাচ্ছেন। তিনি জাতপাতের আলোকে কাউকে ডাকছেন না বরং সকল পরিশ্রান্ত ভারাক্রান্ত লোকদের উদাত্ত আহŸান জানাচ্ছেন। তিনি আদম সন্তানদের জন্য এসেছে। তাঁর কাছে কোনো গোষ্টিকেন্দ্রিক ভেদাভেদ নেই আর খোদা কোনো ভিন্ন ভিন্ন গোষ্টি সৃষ্টি করেন নি, বরং তিনি মাত্র একজন মানুষ সৃষ্টি করেছেন আর তাকেই আশির্বাদ করেছেন প্রজাবন্ত ও বহুবংশ হতে, গোটা বিশ্ব ভরে তুলতে। তাঁর কাছে জাতপাতের বালাই নেই, তেমন চিন্তাও অমূলক, পরিহাসের বিষয়। তবে মানুষের সংকীর্ণ দৃষ্টির দ্বারা আমরা বাধা গ্রস্থ হয়ে আছি, জাতপাত বলতে আমরা অনেক কিছুই রচনা করে চলছি। মজার বিষয় হলো, আমাদের নিরীখে মানুষকে যতটাই দূরুহ ভাগে ভাগ করি না কেন আমাদের বাহাদুরি সবই অন্তঃসারশুন্য বলে আমরাই প্রমাণ করি যখন একই ভান্ডার থেকে জীবন বাঁচানোর অক্সিজেনটুকু টেনে নিতে বাধ্য হই। জ্ঞানীর জন্য ইশারাই যথেষ্ট।
বাক্যটি অর্থবহ ও পরিপূর্ণ করার জন্য যে কোনো একটি শব্দ বেছে নিতে হবে।
বৃক্ষের ক্ষেত্রে আমাদের কেউ ফাকি দিতে পারে না তবে এর চেয়ে অতীব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অর্থাৎ জীবযুদ্ধে আমরা বহুপূর্বেই হেরে গেছি; আমাদের জীবনদায়ী কালাম কেবল পাঠান্তে তাকের উপর তুলে রাখি অথচ কথা ছিল উক্ত নির্দেশনা জীবনে প্রয়োগ করে এক নতুন মানুষে পরিণত হওয়া।
যারা আমাদের কাছে ঐশি গ্রন্থ পাঠ করে শুনিয়ে যাচ্ছে, হাতিয়ে নিচ্ছে কিছুটা ফাও উপার্জন, তারা আমাদের তীমির থেকে আলোর পথে আকর্ষণ করছে না; বরং আমরা যেই হাদারাম ছিলাম সেখানেই যেন পড়ে থাকি, তেমন মনোভাব হলো তাদের প্রকৃত চিন্তা। কালামের উদ্দেশ্য হলো মানুষ যেন আলোর সন্তানে হতে পারে পরিণত। আসলে তাদের তো বলাই হয়েছে ‘নিশ্চয়ই তারা ধরাপৃষ্টে খোদার প্রতিনিধি, যাদের সৃষ্টিই করা হয়েছে খোদার সুরতে, সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে।’ তা আপনার চোখ না খোলা পর্যন্ত সাদা ছড়িটি অবশ্যই কাজে লাগবে। আর একবার চোখ খুলে গেলে ওটা তো বিক্রি করে ছেলে পুলেরা কটকটি খাবে, সাদা ছড়িটির ভয় সেখানেই। কেবল কালাম পাঠ করিলেই চলবে না উক্ত কালামের আলোকে জীবনের পট পরিবর্তন অত্যাবশক। ধরুন কোনো এক ব্যাধিগস্থ ব্যক্তি বিজ্ঞ চিকিৎকের কাছে হাজির হলেন, আর তিনি নিখুঁত ডায়াগনোসি করে একটা প্রেসক্রিপশন ধরিয়ে দিলেন আপনার হাতে, এবার রোগীটির কর্তব্য উক্ত প্রেসক্রিপশনের আলোকে ঔষধ পথ্য নিয়মিত সেবন করা, তবেই না সে হয়ে উঠবে সুস্থ সামর্থ কর্মক্ষম। ধর্মের বাণী কেবল পাঠ করলেই চলবে না, তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে ব্যক্তি জীবনে বয়ে আনতে হবে আমূল পরিবর্তন।
কিতাবে তাই যথার্থ বর্ণিত রয়েছে, ফলতঃ যদি কউ মসিহের সাথে যুক্ত হয় তবে সে পরিণত হয়ে ওঠে এক নতুন মানুস হিসেবে, তখন তার পুরাতন ধ্যান ধারণার পরিবর্তন ঘটে আর হয়ে ওঠে মসিহের মত এক নিখুঁত ব্যক্তিতে রূপান্তরিত। খোদা তো তাঁকে প্রেরণ করেছেন এ পতিত জগতে পাপের কাফফারা সাধনকল্পে। ময়লা তেলকাটা জলে একফোঁটা ডিটার্জেন্ট ফেলে পরীক্ষা করুন, দেখবেন অবলীলাক্রমে ময়লার আস্তরণ চারদিকে কেটে পড়েছে।
যেখানে আলো জ্বলে ওঠে তথায় অন্ধকার দাড়াবার সাহস পায় না। অন্ধকারের কীট চায় কেউ যেন আলোর ফোয়ারা নিয়ে তথায় হাজির না হয়। মূলতঃ গোটা বিশ্ব অন্ধকারময় একটি গ্রহ, তা এক বিশাল আলোর মশাল দিয়ে আলোকিত করে রাখা হয়েছে। আর সে কারণেই আমরা চলতে পারি, মন্দের মধ্য দিয়ে ভালো কিছু খুঁজে নিতে পারি। জন্মসূত্রে আদমজাত গুনাহগার এর কোনো ব্যতিক্রম নেই। অবাধ্যতার ফলেই আদম (আ.) হলেন বিতাড়িত, খোদার হুকুমের চেয়ে ইবলিসের মন্ত্র তার কাছে প্রধান্য পেয়েছিল যার নতিজা হলো গোটা বিশ্ববাসি আমরা নিয়ত জ্বলে পুড়ে অঙ্গার হয়ে চলছি এ পতিত ধরাপৃষ্টে। গোটা বিশ্ব আলোকিত করার জন্য যেমন একটি বিশাল সূর্য নিয়ত আলো দিয়ে ফিরছে তদ্রুপ সকল মানুষকে সত্যের আলোয় পুনর্জাত করার জন্য আর এক নূরের ফোয়ারা, নূরের ধারক-বাহক বেগুনাহ ব্যক্তিত্ব খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহকে প্রেরণ করেছেন যেন তাঁর মধ্য দিয়ে পতিত দূরীকৃত ব্যক্তিবর্গ খোদার কাছে ফিরে যেতে পারে। মসিহকে জগতে প্রেরণের রহস্যটি বড়ই চমৎকার, তিনি একমাত্র পথ সত্য ও জীবন, জীবন্ত খোদার জীবন্ত কালাম ও রূহ যা মানবরূপে হয়েছেন আবির্ভূত পতিত ধরাপৃষ্টে।
তিনি প্রত্যেকটি ব্যক্তিকে ফিরে পেতে চান। প্রত্যেকের দ্বারে নিয়ত করাঘাত করে ফিরছেন। আপনি কান পাতুন, শুনতে চেষ্টা করুন, তিনি আপনাকেই আহŸান জানাচ্ছেন। তিনি জাতপাতের আলোকে কাউকে ডাকছেন না বরং সকল পরিশ্রান্ত ভারাক্রান্ত লোকদের উদাত্ত আহŸান জানাচ্ছেন। তিনি আদম সন্তানদের জন্য এসেছে। তাঁর কাছে কোনো গোষ্টিকেন্দ্রিক ভেদাভেদ নেই আর খোদা কোনো ভিন্ন ভিন্ন গোষ্টি সৃষ্টি করেন নি, বরং তিনি মাত্র একজন মানুষ সৃষ্টি করেছেন আর তাকেই আশির্বাদ করেছেন প্রজাবন্ত ও বহুবংশ হতে, গোটা বিশ্ব ভরে তুলতে। তাঁর কাছে জাতপাতের বালাই নেই, তেমন চিন্তাও অমূলক, পরিহাসের বিষয়। তবে মানুষের সংকীর্ণ দৃষ্টির দ্বারা আমরা বাধা গ্রস্থ হয়ে আছি, জাতপাত বলতে আমরা অনেক কিছুই রচনা করে চলছি। মজার বিষয় হলো, আমাদের নিরীখে মানুষকে যতটাই দূরুহ ভাগে ভাগ করি না কেন আমাদের বাহাদুরি সবই অন্তঃসারশুন্য বলে আমরাই প্রমাণ করি যখন একই ভান্ডার থেকে জীবন বাঁচানোর অক্সিজেনটুকু টেনে নিতে বাধ্য হই। জ্ঞানীর জন্য ইশারাই যথেষ্ট।