যদিও বাউন্ডারী দেয়াল প্রত্যক্ষভাবে কোনোকিছু উৎপাদন করে না, তবে উক্ত দেয়ালের অনস্বীকার্য ভূমিকা রয়েছে উৎপাদন ক্ষেত্রে। আপনার ফ্যাক্টরী বা কারখানার যদি প্রাচীর না থাকে তবে পদে পদে আপনাকে ক্ষতিগ্রস্থ হতে হবে। সুস্থ্যভাবে, সুস্থ্য মনে, আপনি যেন আপনার কাজ চালিয়ে যেতে পারেন, উটকো ঝামেলার হাত থেকে বেঁচে গেলেন এবং আপনার কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রিত রাখতে অনেক সুবিধে হলো।
তা প্রাচীর হতে পারে কনক্রিটের অথবা মামুলি কাঁটাতারের, একই অর্থ ও উদ্দেশ্যে বাস্তবায়ন। আবার বিশেষ ক্ষেত্রে, প্রভাব বলয়, প্রাচীরের চেয়েও কোনো অংশে কম নয়। স্থানীয় জনগণের সাথে আপনার পরিচিতি, আন্তরিকতা, আত্মিয়তা কখনো কখনো প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে অসাধারণ ভুমিকা রাখে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংযোগ হলো প্রেম। আর প্রেমের বিপরীত শব্দ হলো স্বার্থপরতা। স্বার্থপর ব্যক্তি সমাজে কল্যাণসাধনকল্পে বিশাল কোনো ভূমিকা রেখেছে বলে আমার নজরে পড়ে নি, সেতো সবসময় ব্যস্ত থাকে কেবল নিজেকে নিয়ে।
আলোচনা প্রসঙ্গে একজন বন্ধু বলে ফেললো, তা তোমার বক্তব্য ঠিক হচ্ছে না, তার একটি রেডিও আছে। দেখ, উচ্চ ভলিউমে আমি গান শুনি, উদ্দেশ্য একটাই, আর তা হলো আমার টাকায় ক্রয় করা রেডিও দিয়ে পাড়া প্রতিবেশির মনরঞ্জনের ব্যবস্থা করা। দেখনা আমি কতোটা আত্মত্যাগী, দেশ প্রেমিক! তবে সত্য নির্ভরযোগ্য খবর পরিবেশন না করে বিপরীতক্রমে যদি মিথ্যা খবর দিয়ে মানুষকে ভিতসন্ত্রস্থ তটস্থ অবস্থায় রাখা হয়, তবে তেমন বলয় অদৃশ্য, যা সমাজের অর্থাৎ আপামর জনগণের অকল্যাণ বৈ কল্যাণ নেই। ছোট্ট একটা দৃষ্টান্ত তুলে ধরি; অথৈ সাগরে সন্তরণরত অবস্থায় কেউ যদি পান করার জন্য সুপেয় জর খোঁজে, তবে তেমন প্রত্যাশা কি ভুল হবে না, অবশ্যই মারাত্মক ভুল। বর্তমান পৃথিবীটা হলো অপরাধিদের জন্য নির্বাসিত স্থান, পুরনো কথায় বলা হলে তা হবে ‘কালাপানি’ অবশ্য এ উপাধিটি সেই বৃটিশ যুগ থেকে চলে আসছে, উপাধিটি যাতে উঠেছে যেমন অস্ট্রেলিয়া।
খোদার সাথে চালাকি চলে না, ক্ষতিটা ব্যক্তিরই হয়ে থাকে পরিশেষে। তারপরও এই ভুলের সমাহার করেই তবে তাকেই খতম দিতে হবে; ‘জেনে-শুনে বিষ করিলাম পান’। এ হলো আজ আমার দশা। আজ আমি আলাদা হলাম মাবুদের পক্ষে হারানো মানিকদের খুঁজে নেবার জন্য, অথচ সেই মূল কাজের উপরই বার বার আঘাত হানা হচ্ছে, কারা যে তা করে চলছে, তা জানা সত্তে¡ও মৃদুহাস্যে বরণ করে নিতে হচ্ছে মসিহের শত্রুদের বুকের মধ্যে। মজার বিষয় হলো, ফাঁকে ২/৪ বার অতি সন্তর্পণে মসিহের সাথে যোগাযোগ সম্বন্ধ রক্ষা করে তবে ধির স্থির হয়েই আজ নাটক করে যেতে হচ্ছে, যেমনটা গমের জমিতে স্যামাঘাস, একত্রে দুটোকেই সমানে বাড়তে দেয়া, ফয়সালা হবে ফসল সংগ্রহ করার সময়। স্যামাঘাস জড়ো করে আঁটি বেধে আগুনে জ্বালিয়ে দেয়া হবে, তারপর গম ভান্ডারে সংগ্রহ করা হবে। মাবুদই আমাদের একমাত্র স্বান্তনা। যতদিন বর্তমানকার লবনাক্ত জলে রয়েছে বাস, অবমুক্ত হওয়া অবধি, ততদিন এক বিশেষ প্রভাব বলয় সৃষ্টি করে তিনিই করে চলছে আমাকে সুরক্ষা। যে আঘাতগুলো, যে বিষবান নিয়ত ছুড়ে মারা হচ্ছে আমাকে তাক করে, সবগুলোই মাবুদ নিজের পিঠের দ্বারা ঠেকিয়ে দিচ্ছেন, আমি সদাসর্বদা সুরক্ষিত। তাই কোনো অভিমান অভিযোগ করার সুযোগ নেই।
একদা আমাদের কর্মসংগীকে জ্যাম-জেলি ক্রয় করে আনতে বলায় সে চলে গেল। আমরা ডায়নিং টেবিলের কিনারে হাজির হয়ে তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে অভিযোগের সুরে বললাম, কিরে, কি করলি, সহাস্যে সে প্রশ্ন করলো, কতোটা আনতে হবে? আমি একটু ক্ষিপ্ত হয়ে বললাম, একটাই! বন্ধুটি বললো, একটি তো ইতোপূর্বে নিয়ে এসেছি, টেবিল সাজিয়ে দিয়েছি। ছেলেটি এতটাই স্মার্ট যা আমার বোধশক্তির চেয়েও ক্ষিপ্রতর।
মাবুদের কাছে কোনোকিছু আবদার করে সাথে সাথেই পেয়ে যাই, তিনি অভিযোগের সুযোগ রাখেন না। তবে আমাদের প্রার্থনীয় বিষয় অবশ্যই হতে হবে মানুষের কল্যাণবাহি ও মাবুদের গৌরবজনক চাহিদা। তিনি প্রাচুর্যে ভরা, গোটা দুনিয়ার প্রত্যেকটি দ্রব্য তারই সৃষ্টি, এ মৌল বিষয়টি অবশ্যই জানতে ও মানতে হবে অক্ষরে অক্ষরে, আন্তরিকতার সাথে। কালামে রয়েছে, ‘চাও, দেয়া হবে’ এটি একটি অখন্ড বেদবাক্য যা ব্যক্তিকে অবশ্যই মানতে হবে।
তা প্রাচীর হতে পারে কনক্রিটের অথবা মামুলি কাঁটাতারের, একই অর্থ ও উদ্দেশ্যে বাস্তবায়ন। আবার বিশেষ ক্ষেত্রে, প্রভাব বলয়, প্রাচীরের চেয়েও কোনো অংশে কম নয়। স্থানীয় জনগণের সাথে আপনার পরিচিতি, আন্তরিকতা, আত্মিয়তা কখনো কখনো প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে অসাধারণ ভুমিকা রাখে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংযোগ হলো প্রেম। আর প্রেমের বিপরীত শব্দ হলো স্বার্থপরতা। স্বার্থপর ব্যক্তি সমাজে কল্যাণসাধনকল্পে বিশাল কোনো ভূমিকা রেখেছে বলে আমার নজরে পড়ে নি, সেতো সবসময় ব্যস্ত থাকে কেবল নিজেকে নিয়ে।
আলোচনা প্রসঙ্গে একজন বন্ধু বলে ফেললো, তা তোমার বক্তব্য ঠিক হচ্ছে না, তার একটি রেডিও আছে। দেখ, উচ্চ ভলিউমে আমি গান শুনি, উদ্দেশ্য একটাই, আর তা হলো আমার টাকায় ক্রয় করা রেডিও দিয়ে পাড়া প্রতিবেশির মনরঞ্জনের ব্যবস্থা করা। দেখনা আমি কতোটা আত্মত্যাগী, দেশ প্রেমিক! তবে সত্য নির্ভরযোগ্য খবর পরিবেশন না করে বিপরীতক্রমে যদি মিথ্যা খবর দিয়ে মানুষকে ভিতসন্ত্রস্থ তটস্থ অবস্থায় রাখা হয়, তবে তেমন বলয় অদৃশ্য, যা সমাজের অর্থাৎ আপামর জনগণের অকল্যাণ বৈ কল্যাণ নেই। ছোট্ট একটা দৃষ্টান্ত তুলে ধরি; অথৈ সাগরে সন্তরণরত অবস্থায় কেউ যদি পান করার জন্য সুপেয় জর খোঁজে, তবে তেমন প্রত্যাশা কি ভুল হবে না, অবশ্যই মারাত্মক ভুল। বর্তমান পৃথিবীটা হলো অপরাধিদের জন্য নির্বাসিত স্থান, পুরনো কথায় বলা হলে তা হবে ‘কালাপানি’ অবশ্য এ উপাধিটি সেই বৃটিশ যুগ থেকে চলে আসছে, উপাধিটি যাতে উঠেছে যেমন অস্ট্রেলিয়া।
খোদার সাথে চালাকি চলে না, ক্ষতিটা ব্যক্তিরই হয়ে থাকে পরিশেষে। তারপরও এই ভুলের সমাহার করেই তবে তাকেই খতম দিতে হবে; ‘জেনে-শুনে বিষ করিলাম পান’। এ হলো আজ আমার দশা। আজ আমি আলাদা হলাম মাবুদের পক্ষে হারানো মানিকদের খুঁজে নেবার জন্য, অথচ সেই মূল কাজের উপরই বার বার আঘাত হানা হচ্ছে, কারা যে তা করে চলছে, তা জানা সত্তে¡ও মৃদুহাস্যে বরণ করে নিতে হচ্ছে মসিহের শত্রুদের বুকের মধ্যে। মজার বিষয় হলো, ফাঁকে ২/৪ বার অতি সন্তর্পণে মসিহের সাথে যোগাযোগ সম্বন্ধ রক্ষা করে তবে ধির স্থির হয়েই আজ নাটক করে যেতে হচ্ছে, যেমনটা গমের জমিতে স্যামাঘাস, একত্রে দুটোকেই সমানে বাড়তে দেয়া, ফয়সালা হবে ফসল সংগ্রহ করার সময়। স্যামাঘাস জড়ো করে আঁটি বেধে আগুনে জ্বালিয়ে দেয়া হবে, তারপর গম ভান্ডারে সংগ্রহ করা হবে। মাবুদই আমাদের একমাত্র স্বান্তনা। যতদিন বর্তমানকার লবনাক্ত জলে রয়েছে বাস, অবমুক্ত হওয়া অবধি, ততদিন এক বিশেষ প্রভাব বলয় সৃষ্টি করে তিনিই করে চলছে আমাকে সুরক্ষা। যে আঘাতগুলো, যে বিষবান নিয়ত ছুড়ে মারা হচ্ছে আমাকে তাক করে, সবগুলোই মাবুদ নিজের পিঠের দ্বারা ঠেকিয়ে দিচ্ছেন, আমি সদাসর্বদা সুরক্ষিত। তাই কোনো অভিমান অভিযোগ করার সুযোগ নেই।
একদা আমাদের কর্মসংগীকে জ্যাম-জেলি ক্রয় করে আনতে বলায় সে চলে গেল। আমরা ডায়নিং টেবিলের কিনারে হাজির হয়ে তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে অভিযোগের সুরে বললাম, কিরে, কি করলি, সহাস্যে সে প্রশ্ন করলো, কতোটা আনতে হবে? আমি একটু ক্ষিপ্ত হয়ে বললাম, একটাই! বন্ধুটি বললো, একটি তো ইতোপূর্বে নিয়ে এসেছি, টেবিল সাজিয়ে দিয়েছি। ছেলেটি এতটাই স্মার্ট যা আমার বোধশক্তির চেয়েও ক্ষিপ্রতর।
মাবুদের কাছে কোনোকিছু আবদার করে সাথে সাথেই পেয়ে যাই, তিনি অভিযোগের সুযোগ রাখেন না। তবে আমাদের প্রার্থনীয় বিষয় অবশ্যই হতে হবে মানুষের কল্যাণবাহি ও মাবুদের গৌরবজনক চাহিদা। তিনি প্রাচুর্যে ভরা, গোটা দুনিয়ার প্রত্যেকটি দ্রব্য তারই সৃষ্টি, এ মৌল বিষয়টি অবশ্যই জানতে ও মানতে হবে অক্ষরে অক্ষরে, আন্তরিকতার সাথে। কালামে রয়েছে, ‘চাও, দেয়া হবে’ এটি একটি অখন্ড বেদবাক্য যা ব্যক্তিকে অবশ্যই মানতে হবে।