বর্তমান বিশ্বে মানুষের মধ্যে যত প্রকার বাধ-বিভেধ রয়েছে কার্যরত, তার একটি অভিন্ন কারণ হলো, আদি পাপ। যুদ্ধ বিগ্রহ, হত্যাযজ্ঞ, গুম খুন, প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে নগর জনপদ কচুকাটা করণ, মাইনরিটি সম্প্রদায়কে মেজরিটি সম্প্রদায় দেশান্তরিত করণ, মানুষের হাতে মানুষ আহত নিহত প্রভৃতি কর্মকান্ড কেবল পাপের কারণে হচ্ছে সংঘটিত যা শুরু হয়েছে প্রথম মানুষ আদমের বিগড়ে যাবার কারণে, খোদাদ্রোহী কাজে ঝাপ দেবার ফলে এবং তেমন পাপের প্রকাশ্যে বিষ্ফোড়ন ঘটলো ভ্রাতার হাতে ভ্রাতার হননের মাধ্যমে (পয়দায়েশ ৩ অধ্যায় ১ থেকে ২৪ পদ)।
শুরু হলো অবাঞ্জিত খেলা, যাদের অভিধা দেওয়া হয়েছে আশরাফুর মাখলুকাত হিসেবে, লোভ, স্বার্থপরতা পাপ ও ইবলিসের কুটচালে খোদার উত্তম পরিকল্পনা লন্ডভন্ড করে দিল। খোদাদ্রোহীতার কারণে যে সকল অবক্ষয় সমাজে দেখা দিল, তার প্রভাবে স্বীয় ভ্রাতা কতল করে খুঁজে ফিরল পরিতৃপ্তি ও মূল সম্যসার সমাধান, বস্তুতপক্ষে খোদার পরিকল্পনা তুচ্ছজ্ঞান ও অবহেলা করার কারণে মানুষের ঘটল চরম পতন, যথা হতে তার কোনো উপায় আর অবশিষ্ট রলো না নিজেদের মুক্ত করার তথা প্রকৃত মানুষরূপে নিষ্পাপ মানুষের কাতারে ফিরে যাবার।
বিশ্বটা আজ ইবলিসের শস্যক্ষেত্র পরিণত যেথা ফলে চলছে সার্বিক মন্দ ফসল। “গুনাহ-স্বভাবের কাজগুলো স্পষ্টই দেখা যায়। সেগুলো হল- জেনা, নাপাকী, লম্পটতা, মূর্তিপূজা, জাদুবিদ্যা, শত্রুতা, ঝগড়া, লোভ, রাগ, স্বার্থপরতা, অমিল, দলাদলি, হিংসা, মাতলামি, হৈ-হুল্লা করে মদ খাওয়া, আর এই রকম আরও অনেক কিছু। আমি যেমন এর আগে তোমাদের সতর্ক করেছিলাম এখনও তা-ই করে বলছি, যারা এই রকম কাজ করে আল্লাহর রাজ্যে তাদের জায়গা হবে না” (গালাতীয় ৫ অধ্যায় ১৯ থেকে ২১)।
পরিবর্তে আমরা অপেক্ষা করছি পাকরূহের ফল উৎপাদন করে বিশ^টা শান্তিতে ভরে তুলতে যা হলো, “কিন্তু পাক-রূহের ফল হল- মহব্বত, আনন্দ, শান্তি, সহ্যগুণ, দয়ার স্বভাব, ভাল স্বভাব, বিশ্বস্ততা, নম্রতা ও নিজেকে দমন। এই সবের বিরুদ্ধে কোন আইন নেই। যারা মসিহ ঈসার, তারা তাদের গুনাহ-স্বভাবকে তার সমস্ত কামনা-বাসনা সুদ্ধ ক্রুশে দিয়ে শেষ করে ফেলেছে” (গালাতীয় ৫ অধ্যায় ২২ থেকে ২৪পদ)।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জণ হলো ব্যক্তি অবশ্যই নির্মিত হয়েছে খোদার নিজস্ব সুরতে, মহান নির্মাতার পক্ষে সাখ্য বহন করার জন্য, বলতে পারেন সাখ্যমর হবার জন্য। ভূমিষ্ট হবার পরে আপনি আমি অকারণে ঘুরে বেড়িয়েছি, অযথা সময় নষ্ঠ করেছি, প্রচুর কষ্ট পেয়েছি, অভিশাপ দিয়েছি, আমাদের কষ্টের ও ক্ষতির কারণ না জেনে চারপাশের লোকদের দোষ দিয়েছি যা কেবল নিষ্ফল আর নিষ্ফল!
বোধ শক্তি আমাকে যখন স্পর্শ করলো তখন বুঝতে পারলাম আমার জীবনের সবকটা অবক্ষয়ের একমাত্র অপরাধী ব্যক্তি কেবল আমি।
মনের এমন অবস্থায় খোদ নির্মাতা ডাক দিয়ে বলেন, তোমাকে অতশত আর ভাবতে হবে না। জীবনের সবটুকু দায়িত্বভার আমার উপর ছেড়ে দিয়ে প্রকৃত স্বাধীনতা উপভোগা কর। স্বাধীন থাকার জন্যই তোমাকে সৃষ্ট করা, অবশ্য ইবলিসের কুটচালে তা বিতর্কিত করে তুলেছিলে, ভয় নেই, পুনরায় আমি তা চূড়ান্ত মূল্যে ক্রয় করেছি, পুনরাযু তোমাকে স্নাতশুভ্র পুতপবিত্র ঐশি সন্তানে পরিণত করে দিয়েছি এবং তোমাকে পিতার ক্রোড়ে অনন্তকাল ধরে বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছি। যাদের সঠিক ঠিকানা জানা থাকে না তাদের ঘাটে ঘাটে প্রশ্ন করে জেনে নিতে হয় কর্মপরিকল্পনা ও গন্তব্য। আমরা প্রকৃত ঠিকানা জেনেছি, জেনেছি আমাদের সুমহান নির্মাতার পরিচয়; যদিও তিনি বরাবর অদৃশ্য এক রুহানী সত্ত্বা, তথাপি আমাদের সাথে তাঁর অনন্ত পরিচয় ঘটনোর জন্য স্বীয় কালাম ও রূহ মানবরূপে জগতে, মানুষের মধ্যে, মানুষের সেবক হিসেবে করলেন প্রেরণ, তিনি হলেন খোদার ঐশি বেগুনাহ মেষ, ঈসা কালেমাতুল্লা যিনি গোটা বিশে^র পাপের বোঝা নিজের কাঁধে বহন করে সলিবে হলেন কোরবানি; ফলে উক্ত কোরবানির মাধ্যমে বিশ্বাসহেতু বিশ্বাসীকুল হতে পারলো সম্পূর্ণ গুনাহমুক্ত।
গোটা বিশ্বে অগণীত মতবাদের মধ্যে নাজাতের বা প্রায়শ্চিত্তের কোনোই উপায় খুঁজে পাবার জন্য নয়, যার সবচেয়ে সমর্থন যোগ্য কারণ হলো, আদম বংশের সকলেই হলো গুনাহগার (রোমীয় ৩ অধ্যায় ২৩)। সকলে পাপ করেছে এবং খোদার গৌরব নষ্ট করে ফেলেছে। মসিহ আদম রূপে তবে আদমের ঔরষজাত নন। তিনি হলেন খোদার নিজস্ব রূহ যা কুমারী মরিয়মের গর্ভের মাধ্যমে মানবরূপ ধারণ করে জগতে করেছেন আগমন। এই শতভাগ বেগুনাহ মসিহ বিশ্বের পাপভার স্বীয় স্কন্ধে বহন করে বিশ্ববাসিকে করলেন মুক্ত পাপ। মসিহের মধ্যে থেকেই আমরা গেয়ে উঠি, “কে আছে মোরে দোষী করিবারে, বিশ্ব চরাচরে আজি, চূড়ান্ত মুল্যে, নিয়েছেন তুলে, ডুবায়ে পাপের রাজী” (ইউহোন্না ৮ অধ্যায় ৩৩ থেকে ৩৮পদ)।
জগতে আমাদের দাযিত্ব হবে মসিহের পদাষ্ক অনুস্মরণ করা।
শুরু হলো অবাঞ্জিত খেলা, যাদের অভিধা দেওয়া হয়েছে আশরাফুর মাখলুকাত হিসেবে, লোভ, স্বার্থপরতা পাপ ও ইবলিসের কুটচালে খোদার উত্তম পরিকল্পনা লন্ডভন্ড করে দিল। খোদাদ্রোহীতার কারণে যে সকল অবক্ষয় সমাজে দেখা দিল, তার প্রভাবে স্বীয় ভ্রাতা কতল করে খুঁজে ফিরল পরিতৃপ্তি ও মূল সম্যসার সমাধান, বস্তুতপক্ষে খোদার পরিকল্পনা তুচ্ছজ্ঞান ও অবহেলা করার কারণে মানুষের ঘটল চরম পতন, যথা হতে তার কোনো উপায় আর অবশিষ্ট রলো না নিজেদের মুক্ত করার তথা প্রকৃত মানুষরূপে নিষ্পাপ মানুষের কাতারে ফিরে যাবার।
বিশ্বটা আজ ইবলিসের শস্যক্ষেত্র পরিণত যেথা ফলে চলছে সার্বিক মন্দ ফসল। “গুনাহ-স্বভাবের কাজগুলো স্পষ্টই দেখা যায়। সেগুলো হল- জেনা, নাপাকী, লম্পটতা, মূর্তিপূজা, জাদুবিদ্যা, শত্রুতা, ঝগড়া, লোভ, রাগ, স্বার্থপরতা, অমিল, দলাদলি, হিংসা, মাতলামি, হৈ-হুল্লা করে মদ খাওয়া, আর এই রকম আরও অনেক কিছু। আমি যেমন এর আগে তোমাদের সতর্ক করেছিলাম এখনও তা-ই করে বলছি, যারা এই রকম কাজ করে আল্লাহর রাজ্যে তাদের জায়গা হবে না” (গালাতীয় ৫ অধ্যায় ১৯ থেকে ২১)।
পরিবর্তে আমরা অপেক্ষা করছি পাকরূহের ফল উৎপাদন করে বিশ^টা শান্তিতে ভরে তুলতে যা হলো, “কিন্তু পাক-রূহের ফল হল- মহব্বত, আনন্দ, শান্তি, সহ্যগুণ, দয়ার স্বভাব, ভাল স্বভাব, বিশ্বস্ততা, নম্রতা ও নিজেকে দমন। এই সবের বিরুদ্ধে কোন আইন নেই। যারা মসিহ ঈসার, তারা তাদের গুনাহ-স্বভাবকে তার সমস্ত কামনা-বাসনা সুদ্ধ ক্রুশে দিয়ে শেষ করে ফেলেছে” (গালাতীয় ৫ অধ্যায় ২২ থেকে ২৪পদ)।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জণ হলো ব্যক্তি অবশ্যই নির্মিত হয়েছে খোদার নিজস্ব সুরতে, মহান নির্মাতার পক্ষে সাখ্য বহন করার জন্য, বলতে পারেন সাখ্যমর হবার জন্য। ভূমিষ্ট হবার পরে আপনি আমি অকারণে ঘুরে বেড়িয়েছি, অযথা সময় নষ্ঠ করেছি, প্রচুর কষ্ট পেয়েছি, অভিশাপ দিয়েছি, আমাদের কষ্টের ও ক্ষতির কারণ না জেনে চারপাশের লোকদের দোষ দিয়েছি যা কেবল নিষ্ফল আর নিষ্ফল!
বোধ শক্তি আমাকে যখন স্পর্শ করলো তখন বুঝতে পারলাম আমার জীবনের সবকটা অবক্ষয়ের একমাত্র অপরাধী ব্যক্তি কেবল আমি।
মনের এমন অবস্থায় খোদ নির্মাতা ডাক দিয়ে বলেন, তোমাকে অতশত আর ভাবতে হবে না। জীবনের সবটুকু দায়িত্বভার আমার উপর ছেড়ে দিয়ে প্রকৃত স্বাধীনতা উপভোগা কর। স্বাধীন থাকার জন্যই তোমাকে সৃষ্ট করা, অবশ্য ইবলিসের কুটচালে তা বিতর্কিত করে তুলেছিলে, ভয় নেই, পুনরায় আমি তা চূড়ান্ত মূল্যে ক্রয় করেছি, পুনরাযু তোমাকে স্নাতশুভ্র পুতপবিত্র ঐশি সন্তানে পরিণত করে দিয়েছি এবং তোমাকে পিতার ক্রোড়ে অনন্তকাল ধরে বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছি। যাদের সঠিক ঠিকানা জানা থাকে না তাদের ঘাটে ঘাটে প্রশ্ন করে জেনে নিতে হয় কর্মপরিকল্পনা ও গন্তব্য। আমরা প্রকৃত ঠিকানা জেনেছি, জেনেছি আমাদের সুমহান নির্মাতার পরিচয়; যদিও তিনি বরাবর অদৃশ্য এক রুহানী সত্ত্বা, তথাপি আমাদের সাথে তাঁর অনন্ত পরিচয় ঘটনোর জন্য স্বীয় কালাম ও রূহ মানবরূপে জগতে, মানুষের মধ্যে, মানুষের সেবক হিসেবে করলেন প্রেরণ, তিনি হলেন খোদার ঐশি বেগুনাহ মেষ, ঈসা কালেমাতুল্লা যিনি গোটা বিশে^র পাপের বোঝা নিজের কাঁধে বহন করে সলিবে হলেন কোরবানি; ফলে উক্ত কোরবানির মাধ্যমে বিশ্বাসহেতু বিশ্বাসীকুল হতে পারলো সম্পূর্ণ গুনাহমুক্ত।
গোটা বিশ্বে অগণীত মতবাদের মধ্যে নাজাতের বা প্রায়শ্চিত্তের কোনোই উপায় খুঁজে পাবার জন্য নয়, যার সবচেয়ে সমর্থন যোগ্য কারণ হলো, আদম বংশের সকলেই হলো গুনাহগার (রোমীয় ৩ অধ্যায় ২৩)। সকলে পাপ করেছে এবং খোদার গৌরব নষ্ট করে ফেলেছে। মসিহ আদম রূপে তবে আদমের ঔরষজাত নন। তিনি হলেন খোদার নিজস্ব রূহ যা কুমারী মরিয়মের গর্ভের মাধ্যমে মানবরূপ ধারণ করে জগতে করেছেন আগমন। এই শতভাগ বেগুনাহ মসিহ বিশ্বের পাপভার স্বীয় স্কন্ধে বহন করে বিশ্ববাসিকে করলেন মুক্ত পাপ। মসিহের মধ্যে থেকেই আমরা গেয়ে উঠি, “কে আছে মোরে দোষী করিবারে, বিশ্ব চরাচরে আজি, চূড়ান্ত মুল্যে, নিয়েছেন তুলে, ডুবায়ে পাপের রাজী” (ইউহোন্না ৮ অধ্যায় ৩৩ থেকে ৩৮পদ)।
জগতে আমাদের দাযিত্ব হবে মসিহের পদাষ্ক অনুস্মরণ করা।