ধর্মের বাণী যখন জীবন-জীবিকা ও বাণিজ্যের পণ্যে পরিণত হয়ে পড়ে, তখনই উক্ত বাণী, ব্যক্তি ও সমাজ পরিবর্তনের অভিযানে, নিজস্ব ক্ষমতা হারিয়ে বসে। কথাটা আর একটু স্পষ্ট করে বলা চলে, প্রবক্তা যখন নিজের জীবনে উক্ত বাণীর মর্মার্থ প্রয়োগ করতে হলো অপারগ, তখন ভক্ত অনুসারীদের জীবনমান পরিবর্তনের আশা কেবল দুরাশা মাত্র।
আদম থেকে শুরু করে তদীয় ঔরশজাত প্রত্যেকটি ব্যক্তি হয়ে পড়েছে চরমভাবে ব্যর্থ কলুষিত। প্রভেধ নেই, সকলে পাপাচারে লিপ্ত, খোদার গৌরব ন্যক্কারজনকভাবে ভুলণ্ঠিত করে ছেড়েছে (রোমীয় ৩ ঃ ২৩)।
হিসেবে গণ্য নেতা নেতৃবৃন্দ যখন মানুষ হত্ম্যা করে নিজেদের হাত রাঙ্গালো, তখন তো তারা আর প্রেম, ভক্তি, শ্রদ্ধা বা নিরাপদ আশ্রয় হতে পারলোনা, পোতাশ্রয়ে যখন জাহাজ বিপন্ন হয়ে পড়ে, তখন বহিসমুদ্র অধিক নিরাপদ মনে হবে। ধর্মের ধ্বজাধারী ব্যক্তি যখন নিজেই স্বীয় স্বার্থ হাসিলকল্পে আইন অমান্য করে বসে, আর তেমন নীতিলঙ্ঘন ঐশি ফতোয়ার জোরে সে উক্ত নীতিবিগ্রহ কর্মকান্ড চালু করে দেয়, তখন দোষপ্রবন ব্যক্তিবর্গ উক্ত ঘটনা অবশ্যই, প্রেরণা মূলক সূত্র হিসেবে, নিজ নিজ অপকর্ম মনোবাসনা চরিতার্থ করতে ভ্র“ক্ষেপ করার প্রয়োজন কোথা।
আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জন্মাতে হবে, সর্বপ্রথম হৃদয়াভন্তরে, তারপর উক্ত কানুন জীবনাচরণে বাস্তবায়ন করা হবে সম্ভব। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জন্মাতে হয় শৈশব কাল থেকে, স্কুল কলেজে তেমন প্রেরণা প্রেষণা দিতে হবে সমাজটিকে সমৃদ্ধ করার মানসে। বিশ্বের তাবৎ আইনের উৎস খোদার কালামের আলোকে হয়েছে বিরচিত। যেমন ইসরাইল জাতিকে খোদা দশটি হুকুম দিয়েছিলেন যার একটিও না ফালতু, না ক্ষতিকারক। আইন অমান্য করার উস্কানী আসিবেই আসিবে; খোদা ও মানুষের দুষমণ সদাজাগ্রত, হুশিয়ার, কর্মতৎপর, গর্জনকারী সিংহের মত ওৎপেতে থাকে, কাকে কোন ফাকে গ্রাস করা চলে (১পিতর ৫ ঃ ৮)।
সকলের কাছেই বিষয়টি পরিষ্কারভাবে রয়েছে বর্ণীত প্রকাশিত। সর্বপ্রথম খোদ এদন কাননে ঢুমারলো কুলটা ইবলিস, প্রথম নরনারী আদম হাওয়াকে প্রলুব্ধ করলো, মোহান্ধ হলো, পরিশেষে হলো বিতাড়িত। তারপর পাপাক্রান্ত কাবিল স্বীয় সহোদর ভ্রাতা হাবিলকে হত্মা করে নিজে হলো পলাতক। মানবসমাজ পঁচতে শুরু করলো লোভ আর পাপে, তাই কথায় বলে লোভে পাপ, আর পাপ পরিপক্ক হয়ে উৎপন্ন করে মৃত্যু। স্বতঃসিদ্ধ বিষয় হলো, আদম সন্তান পাইকারীহারে পাপী সকলে অবাধ্যতা ও পাপের ঘাণি টেনে টেনে একসময় জীবন প্রদীব নিভে যায়। মৃত্যুকালে বলতে বাধ্য, অসারের অসার, সবকিছুই অসার! তা সত্তে¡ও গোটা জীবন কাটিয়ে গেছে বন্দী শিবিরে, ধর্মের বাণী ঘোষিত হয়েছে ক্লেদাক্ত ব্যক্তিকে স্নাতশুভ্র করার জন্য, পতীত ব্যক্তির জন্যই উদ্ধারের ব্যবস্থা, যা আশ্চর্যের কোন বিষয় নয়। তবে অবাক লাগে, পতিত ব্যক্তি সেই দাতব্য দান গ্রহণ করতে যখন অস্বীকার করে বসে। গোটা বিশ্বের প্রতি খোদার এক বিশেষ দান প্রেরণ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে অসহায় মানুষগুলো পেতে পারে সহজ মুক্তি। কঠিন বিষয় খোদা মানুষের জন্য অতিব সহজ করে দিয়েছেন, কেবল বিশ্বাসপূর্বক তা গ্রহণ করলেই চলে, নেই তাতে কোনো কৃচ্ছ্রসাধন, আর গুনাহগারদের তরফ থেকে যা কিছুই করা হোক না কেন, তাদের সবকিছুই নিরেট কলুষতা। মানুষ অপাংক্তেয় হয়েছে বিধায় পবিত্র এদন কানন থেকে হয়ে গেল বিতাড়িত।
তারপর আর কিইবা বাকী থাকতে পারে। অবশ্যই বিশাল একটা বিষয় তাদের জন্য অপেক্ষা করছে, আর তা হলো পুনর্মিলন, হারানো অধিকার ও মর্যাদা ফিরে পাওয়া। মেহেরবান খোদা মানুষের মনকে দুরস্থ করার জন্য নানাভাবে শিক্ষা দিয়ে ফিরছেন, মানুষের অহমিকা একগুয়েমি ভেঙ্গে দেবার জন্য দশটি হুকুম জারি করলেন, যার মুখোমুখি হলে, প্রত্যেকের সহজেই উপলব্ধি করা সহজ হবে, স্বীয় অবস্থান সম্যক উপলব্ধি করা। শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা বোঝার জন্য যেমন স্টিক ব্যবহার করা হয়, তদ্রুপ দশ আজ্ঞা যেন দশ রকম স্টিক যার আলোকে আপনি স্বীয় অবস্থান সহজেই টের পাবেন। আজ্ঞাগুলো নিম্নরূপ:
১) খোদার স্থানে অন্য কোনো দেবতার অস্তিত্ব রাখা চলবে না।
২) কোন মুর্তি বানানো বা পূজা দেয়া চলবে না
৩) খোদাকে অসম্মান করা চলবে না
৪) বিশ্রামের জন্য একটি দিন পালন করতে হবে।
৫) পিতা-মাতাকে সম্মান করতে হবে।
৬) খুন করা চলবে না।
৭) জেনা করা চলবে না
৮) চুরি করা চলবে না
৯) মিথ্যা স্বাক্ষ্য দেয়া চলবে না
১০) লোভ করা চলবে না।
খোদাদত্ত দশটি আজ্ঞা নিয়ে আপনি কি ভাবছেন? আপনার জীবনে ওগুলো কি প্রয়োগ করার কোনো অবকাশ রয়েছে? যদি বলেন, অবশ্য প্রয়োগ করতে হবে, তবে বিষয়টি অবশ্যই হবে হাস্যকর! চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে। তা ততক্ষনে চোরা পগার পার। যার শরীরে ইতোমধ্যে রোগ-জীবানু অনুপ্রবেশ করে ফেলেছে, তার জন্য জীবানু বিনাশকারী ব্যবস্থা অপরিহার্য। তাই প্রতিশেধক, প্রতিরক্ষা কোনো কাজে আর আসছে না। দশ আজ্ঞা সমূহ হলো কেবল প্রতিরক্ষা ধ্যুহ। ইতোমধ্যে ব্যুহ ভেধ করে শত্র“পক্ষ হৃদয় মনে ঢুকে পড়েছে, গোটা শিরা-উপশিরা দখল করে ব্যক্তিকে নাচিয়ে ফিরছে, যার কারণে সমাজে নিত্যদিন ঘটে চলছে অনাকাঙ্খিত তিক্ততা, যে কারণে ভোক্তা বিক্রেতা কেউ সুস্থ্য থাকতে পারছে না। দৃষ্টান্ত খুজছেন, ক্লান্ত হয়ে পড়বেন। তবে একটি দৃষ্টান্ত হলো ‘রোহিঙ্গা সমস্যা’।
গোটা বিশ্ববাসির চাই এমন এক ব্যক্তি, যিনি রাজি থাকবেন, বিশ্বের পাপের কাফফারা পরিশোধ দেবার জন্য। আত্মকোরবানি দিতে রাজী থাকবেন, অবশ্য শর্ত হবে, কোরবানীযোগ্য মেষটিকে হতে হবে শতভাগ নিখুঁত। আর এ নিখুঁত কথার তাৎপর্য হলো, সম্পূর্ণ বেগুনাহ! আদম বংশে কেউই নেই যিনি হবেন সম্পূর্ণ বেগুনাহ। মেহেরবান খোদা স্বীয় কালাম ও পাকরূহ মানবরূপে জগতে করলেন প্রেরণ, তিনি হলেন পূতপবিত্র, নিখুঁত ঐশি মেষ, যার রক্তের মুল্যে আজ গোটা বিশ্ববাসি হতে পারলো মুক্তপাপ, কাফফারা মুক্ত। খোদার রহমতে ঈমান আনার ফলে আজ আপনি হতে পেরেছেন খোদার গ্রাহ্য পূতপবিত্র ঐশি সন্তান, যেমন শতভাগ পূতপবিত্র খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ। আপনি একই অধিকার প্রাপ্ত যা খোদার অপার করুনায় হয়েছে দত্ত। যেমন অপব্যায়ী পুত্র পিতার ক্রোড়ে পুনরায় পেল ঠাই, আর তা সম-মর্যাদায়, অনুতপ্ত ব্যক্তি অবশ্যই হয়ে গেল সম্পূর্ণ পরিষ্কার মুক্ত-পাপ। কেবল ইবলিস তাকে করতে পারে দোষী, কিন্তু খোদার নজরে সে সম্পূর্ণ স্নাতশুভ্র পূতপবিত্র সদ্যজাত সন্তান (১পিতর ২ ঃ ১-৩)।
আদম থেকে শুরু করে তদীয় ঔরশজাত প্রত্যেকটি ব্যক্তি হয়ে পড়েছে চরমভাবে ব্যর্থ কলুষিত। প্রভেধ নেই, সকলে পাপাচারে লিপ্ত, খোদার গৌরব ন্যক্কারজনকভাবে ভুলণ্ঠিত করে ছেড়েছে (রোমীয় ৩ ঃ ২৩)।
হিসেবে গণ্য নেতা নেতৃবৃন্দ যখন মানুষ হত্ম্যা করে নিজেদের হাত রাঙ্গালো, তখন তো তারা আর প্রেম, ভক্তি, শ্রদ্ধা বা নিরাপদ আশ্রয় হতে পারলোনা, পোতাশ্রয়ে যখন জাহাজ বিপন্ন হয়ে পড়ে, তখন বহিসমুদ্র অধিক নিরাপদ মনে হবে। ধর্মের ধ্বজাধারী ব্যক্তি যখন নিজেই স্বীয় স্বার্থ হাসিলকল্পে আইন অমান্য করে বসে, আর তেমন নীতিলঙ্ঘন ঐশি ফতোয়ার জোরে সে উক্ত নীতিবিগ্রহ কর্মকান্ড চালু করে দেয়, তখন দোষপ্রবন ব্যক্তিবর্গ উক্ত ঘটনা অবশ্যই, প্রেরণা মূলক সূত্র হিসেবে, নিজ নিজ অপকর্ম মনোবাসনা চরিতার্থ করতে ভ্র“ক্ষেপ করার প্রয়োজন কোথা।
আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জন্মাতে হবে, সর্বপ্রথম হৃদয়াভন্তরে, তারপর উক্ত কানুন জীবনাচরণে বাস্তবায়ন করা হবে সম্ভব। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জন্মাতে হয় শৈশব কাল থেকে, স্কুল কলেজে তেমন প্রেরণা প্রেষণা দিতে হবে সমাজটিকে সমৃদ্ধ করার মানসে। বিশ্বের তাবৎ আইনের উৎস খোদার কালামের আলোকে হয়েছে বিরচিত। যেমন ইসরাইল জাতিকে খোদা দশটি হুকুম দিয়েছিলেন যার একটিও না ফালতু, না ক্ষতিকারক। আইন অমান্য করার উস্কানী আসিবেই আসিবে; খোদা ও মানুষের দুষমণ সদাজাগ্রত, হুশিয়ার, কর্মতৎপর, গর্জনকারী সিংহের মত ওৎপেতে থাকে, কাকে কোন ফাকে গ্রাস করা চলে (১পিতর ৫ ঃ ৮)।
সকলের কাছেই বিষয়টি পরিষ্কারভাবে রয়েছে বর্ণীত প্রকাশিত। সর্বপ্রথম খোদ এদন কাননে ঢুমারলো কুলটা ইবলিস, প্রথম নরনারী আদম হাওয়াকে প্রলুব্ধ করলো, মোহান্ধ হলো, পরিশেষে হলো বিতাড়িত। তারপর পাপাক্রান্ত কাবিল স্বীয় সহোদর ভ্রাতা হাবিলকে হত্মা করে নিজে হলো পলাতক। মানবসমাজ পঁচতে শুরু করলো লোভ আর পাপে, তাই কথায় বলে লোভে পাপ, আর পাপ পরিপক্ক হয়ে উৎপন্ন করে মৃত্যু। স্বতঃসিদ্ধ বিষয় হলো, আদম সন্তান পাইকারীহারে পাপী সকলে অবাধ্যতা ও পাপের ঘাণি টেনে টেনে একসময় জীবন প্রদীব নিভে যায়। মৃত্যুকালে বলতে বাধ্য, অসারের অসার, সবকিছুই অসার! তা সত্তে¡ও গোটা জীবন কাটিয়ে গেছে বন্দী শিবিরে, ধর্মের বাণী ঘোষিত হয়েছে ক্লেদাক্ত ব্যক্তিকে স্নাতশুভ্র করার জন্য, পতীত ব্যক্তির জন্যই উদ্ধারের ব্যবস্থা, যা আশ্চর্যের কোন বিষয় নয়। তবে অবাক লাগে, পতিত ব্যক্তি সেই দাতব্য দান গ্রহণ করতে যখন অস্বীকার করে বসে। গোটা বিশ্বের প্রতি খোদার এক বিশেষ দান প্রেরণ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে অসহায় মানুষগুলো পেতে পারে সহজ মুক্তি। কঠিন বিষয় খোদা মানুষের জন্য অতিব সহজ করে দিয়েছেন, কেবল বিশ্বাসপূর্বক তা গ্রহণ করলেই চলে, নেই তাতে কোনো কৃচ্ছ্রসাধন, আর গুনাহগারদের তরফ থেকে যা কিছুই করা হোক না কেন, তাদের সবকিছুই নিরেট কলুষতা। মানুষ অপাংক্তেয় হয়েছে বিধায় পবিত্র এদন কানন থেকে হয়ে গেল বিতাড়িত।
তারপর আর কিইবা বাকী থাকতে পারে। অবশ্যই বিশাল একটা বিষয় তাদের জন্য অপেক্ষা করছে, আর তা হলো পুনর্মিলন, হারানো অধিকার ও মর্যাদা ফিরে পাওয়া। মেহেরবান খোদা মানুষের মনকে দুরস্থ করার জন্য নানাভাবে শিক্ষা দিয়ে ফিরছেন, মানুষের অহমিকা একগুয়েমি ভেঙ্গে দেবার জন্য দশটি হুকুম জারি করলেন, যার মুখোমুখি হলে, প্রত্যেকের সহজেই উপলব্ধি করা সহজ হবে, স্বীয় অবস্থান সম্যক উপলব্ধি করা। শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা বোঝার জন্য যেমন স্টিক ব্যবহার করা হয়, তদ্রুপ দশ আজ্ঞা যেন দশ রকম স্টিক যার আলোকে আপনি স্বীয় অবস্থান সহজেই টের পাবেন। আজ্ঞাগুলো নিম্নরূপ:
১) খোদার স্থানে অন্য কোনো দেবতার অস্তিত্ব রাখা চলবে না।
২) কোন মুর্তি বানানো বা পূজা দেয়া চলবে না
৩) খোদাকে অসম্মান করা চলবে না
৪) বিশ্রামের জন্য একটি দিন পালন করতে হবে।
৫) পিতা-মাতাকে সম্মান করতে হবে।
৬) খুন করা চলবে না।
৭) জেনা করা চলবে না
৮) চুরি করা চলবে না
৯) মিথ্যা স্বাক্ষ্য দেয়া চলবে না
১০) লোভ করা চলবে না।
খোদাদত্ত দশটি আজ্ঞা নিয়ে আপনি কি ভাবছেন? আপনার জীবনে ওগুলো কি প্রয়োগ করার কোনো অবকাশ রয়েছে? যদি বলেন, অবশ্য প্রয়োগ করতে হবে, তবে বিষয়টি অবশ্যই হবে হাস্যকর! চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে। তা ততক্ষনে চোরা পগার পার। যার শরীরে ইতোমধ্যে রোগ-জীবানু অনুপ্রবেশ করে ফেলেছে, তার জন্য জীবানু বিনাশকারী ব্যবস্থা অপরিহার্য। তাই প্রতিশেধক, প্রতিরক্ষা কোনো কাজে আর আসছে না। দশ আজ্ঞা সমূহ হলো কেবল প্রতিরক্ষা ধ্যুহ। ইতোমধ্যে ব্যুহ ভেধ করে শত্র“পক্ষ হৃদয় মনে ঢুকে পড়েছে, গোটা শিরা-উপশিরা দখল করে ব্যক্তিকে নাচিয়ে ফিরছে, যার কারণে সমাজে নিত্যদিন ঘটে চলছে অনাকাঙ্খিত তিক্ততা, যে কারণে ভোক্তা বিক্রেতা কেউ সুস্থ্য থাকতে পারছে না। দৃষ্টান্ত খুজছেন, ক্লান্ত হয়ে পড়বেন। তবে একটি দৃষ্টান্ত হলো ‘রোহিঙ্গা সমস্যা’।
গোটা বিশ্ববাসির চাই এমন এক ব্যক্তি, যিনি রাজি থাকবেন, বিশ্বের পাপের কাফফারা পরিশোধ দেবার জন্য। আত্মকোরবানি দিতে রাজী থাকবেন, অবশ্য শর্ত হবে, কোরবানীযোগ্য মেষটিকে হতে হবে শতভাগ নিখুঁত। আর এ নিখুঁত কথার তাৎপর্য হলো, সম্পূর্ণ বেগুনাহ! আদম বংশে কেউই নেই যিনি হবেন সম্পূর্ণ বেগুনাহ। মেহেরবান খোদা স্বীয় কালাম ও পাকরূহ মানবরূপে জগতে করলেন প্রেরণ, তিনি হলেন পূতপবিত্র, নিখুঁত ঐশি মেষ, যার রক্তের মুল্যে আজ গোটা বিশ্ববাসি হতে পারলো মুক্তপাপ, কাফফারা মুক্ত। খোদার রহমতে ঈমান আনার ফলে আজ আপনি হতে পেরেছেন খোদার গ্রাহ্য পূতপবিত্র ঐশি সন্তান, যেমন শতভাগ পূতপবিত্র খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ। আপনি একই অধিকার প্রাপ্ত যা খোদার অপার করুনায় হয়েছে দত্ত। যেমন অপব্যায়ী পুত্র পিতার ক্রোড়ে পুনরায় পেল ঠাই, আর তা সম-মর্যাদায়, অনুতপ্ত ব্যক্তি অবশ্যই হয়ে গেল সম্পূর্ণ পরিষ্কার মুক্ত-পাপ। কেবল ইবলিস তাকে করতে পারে দোষী, কিন্তু খোদার নজরে সে সম্পূর্ণ স্নাতশুভ্র পূতপবিত্র সদ্যজাত সন্তান (১পিতর ২ ঃ ১-৩)।