জালটাকা যেমন আসল টাকার অবয়বে বাজারে ছেড়ে দেয়া হয়, আর ওগুলো যতই নয়নকাড়া হোক না কেন, কোন সচেতন ব্যক্তি তা গ্রহণ করে না, করতে পারে না, যদি অবিচকের মতো কেউ তা কবুল করে তবে তাকে গোটা জীবন পস্তাতে হবে নিশ্চয়; একইভাবে ধর্মের আদলে আগত প্রতারকচক্র নিত্যদিন সমাজে আনাগোনা করছে, মানুষের চরম ক্ষতি করা হলো ওদের আসল উদ্দেশ্য দিচ্ছে নিয়ত পায়তারা, ধর্মীয় জ্ঞানে ব্যক্তিকে অবশ্যই চেতনাদৃপ্ত হতে হবে, প্রতারকের কলাকৌশল ডিটেক্ট করার জন্য অধিকন্তু যথেষ্ট মেধা থাকতে হবে। বুঝতে হবে প্রত্যেকটি ব্যক্তি খোদার সুরতে সৃষ্ট, সৃষ্টিলগ্নে তিনি তাদের মধ্যে একটি বিশেষ স্ফুলিঙ্গ স্থাপন করে দিয়েছেন যাকে বলা চলে খোদার নূর। ভ্রান্ত শিক্ষার চাপে ক্ষণকালের জন্য সত্যিটা অদৃশ্য থাকতে পারে, তবে মুলোৎপাটিত হবার নয়। যেমন গাদারিয়া এলাকায় ভুতাশ্রিত ব্যক্তিটি চরম উম্মাদ হয়ে পড়েছিল, অবশ্য তা ছিল ভুতের কবলে কবলিত অবস্থা। খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ যখন তাকে ভুতের কবল থেকে মুক্ত করলেন, ভুতগুলো তাকে ছেড়ে শুকরের পালে আশ্রয় নিল, ব্যক্তিটি সম্পূর্ণ সুস্থাবস্থায় মসিহের পাদপ্রান্তে এসে মনের ইচ্ছাজ্ঞাপন করলো, মসিহকে অনুসরণ করাই হলো তার একমাত্র মনোবাসনা।
জাল টাকা গ্রহন করতে অস্বীকার করার অর্থ হতে পারে না ব্যক্তি টাকা নিতে অস্বীকার করছে। ধার্মিক ব্যক্তিকে সকলে খুঁজে ফিরে, তাই বলে বকধার্মিকের প্রতি থাকে বরাবর ঘৃণা। সমাজ হয়ে পড়েছে টাকা নির্ভর। টাকা তো মানুষের সৃষ্টি। টাকার ভিত্তি হলো দেশের সম্পদ যা শ্রমসাধনার ফল। খোদার রাজ্যে দিবানিশি শ্রম দিয়ে, কসরত করে ফসল ফলাতে হয়, যার সম্পদ ও ফসল যত বেশি তার টাকাও তত বেশি। মুলতঃ টাকা সম্পদের হলো সহজবোধ্য পরিচয়পত্র, একটি কাগজের টুকরো, তবে সরকার স্বীকৃত, যে করণে লেখা থাকে “চাহিবা মাত্র… দিতে বাধ্য থাকবে। কথাটার মধ্যে রহস্য লুকানো রয়েছে, যা হলো বহনযোগ্য গ্রহন করার মতো এক দেশ আর এক দেশে নিয়ে যাবার মতো সম্পদ। সাধারণত ধাবত বস্তু মাধ্যম হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে। এমন ক্ষেত্রে স্বর্ণ হলো লেনদেনের মাধ্যম।
গোট বিশ্ব আজ স্বর্ণ গ্রহন করতে রাজী, তাই যার যত বেশি স্বর্ণ রয়েছে রিজার্ভফান্ডে তার টাকার মান ততো অধিক।
বাহ্যিক চেহারার প্রয়োজন রয়েছে বটে, তবে তার মৌলিক মূল্যমান অবশ্যই যাচাই বাছাই করে নিতে হবে বিষয়বস্তু গ্রহন বর্জন করার পূর্বে। ধার্মিকতা আর অধার্মিকতার সংগা কি আপনার জানা রয়েছে? একমাত্র খোদা হলেন ধার্মিক। তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন নিজের মত গুনাবলি দিয়ে যেন তারা তাঁর প্রতিনিধিত্ব করে চলে। ময়ুর সিংহাসন বৃর্টিশ মিউজিয়ামে থাকার কথা নয়, বাস্তবে ওটা ভারতের সম্পদ, কিন্তু লুট হয়ে গেছে। তাই বর্তমানে তা রয়েছে বৃটিশের কব্জাগত। অধ্যাবধি আমাদের মত অবোধ জনগোষ্টি বৃটিশের ছাপ হলমার্ক বলে স্বাচ্ছন্দে মেনে নেই, চিত্রচাঞ্চল্য দূর হয়ে যায়।
যেহেতু মানুষ ও গোটা বিশ্ব নির্মিত হয়েছে খোদার হাতে, তাঁরই স্বীয় পরিকল্পনা ও মনোবাসনা বাস্তবায়নকল্পে, তাই মানুষের কর্মকান্ডে অবশ্যই থাকতে হবে খোদার গৌরব ও মহিমা। পাক-কালামে তেমন তাগিদ রয়েছে সর্বত্র। মানুষের জীবনের প্রতিটি অধ্যায় থাকতে হবে ঐশি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন লক্ষ্যে। কিতাবুল মোকাদ্দসে যাত্রা পুস্তক ৩৬ ঃ ১ পদে যে ইঙ্গিত রয়েছে তা হলো, …. মাবুদের হুকুম মতই সেই সব কাজ করেন।
পয়দায়েশ ৩৯ ঃ ২-৩ পদে দেখতে পাই, মানুষ ইউসুফকে যতই নির্যাতন করুক না কেন, মেহেরবান খোদা এতদসত্তে¡ও সাফল্যের চরম শিখরে তুলেছিলেন ইউসুফকে।
আল-যবুর ৫৭ ঃ ৬-৭ পদে আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানো হয়েছে সাফল্য কেবল খোদার তরফ থেকেই উৎসারিত হয়ে থাকে। পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণে মুখ ঘুরানেতে কোনো কল্যাণ নেই, থাকার প্রশ্নই জাগে না।
মানুষকে প্রীত করে খোদার সত্য ভুলন্ঠিত করা হচ্ছে, খোদার প্রতি যদি কারো আনুগত্য থাকে তবে গোটা বিশ্ব থাকবে তার কাছে অনুগত। যে কারণে বলা হয়েছে, সর্বাধিকার গুরুত্ব আরোপ করতে হবে খোদার রাজ্য ও তাঁর ধার্মিকতা বজায় রাখার জন্য, তখন খোদাই নিজেই যোগান আপনার প্রয়োজনীয় সবকিছু।
জাল টাকা গ্রহন করতে অস্বীকার করার অর্থ হতে পারে না ব্যক্তি টাকা নিতে অস্বীকার করছে। ধার্মিক ব্যক্তিকে সকলে খুঁজে ফিরে, তাই বলে বকধার্মিকের প্রতি থাকে বরাবর ঘৃণা। সমাজ হয়ে পড়েছে টাকা নির্ভর। টাকা তো মানুষের সৃষ্টি। টাকার ভিত্তি হলো দেশের সম্পদ যা শ্রমসাধনার ফল। খোদার রাজ্যে দিবানিশি শ্রম দিয়ে, কসরত করে ফসল ফলাতে হয়, যার সম্পদ ও ফসল যত বেশি তার টাকাও তত বেশি। মুলতঃ টাকা সম্পদের হলো সহজবোধ্য পরিচয়পত্র, একটি কাগজের টুকরো, তবে সরকার স্বীকৃত, যে করণে লেখা থাকে “চাহিবা মাত্র… দিতে বাধ্য থাকবে। কথাটার মধ্যে রহস্য লুকানো রয়েছে, যা হলো বহনযোগ্য গ্রহন করার মতো এক দেশ আর এক দেশে নিয়ে যাবার মতো সম্পদ। সাধারণত ধাবত বস্তু মাধ্যম হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে। এমন ক্ষেত্রে স্বর্ণ হলো লেনদেনের মাধ্যম।
গোট বিশ্ব আজ স্বর্ণ গ্রহন করতে রাজী, তাই যার যত বেশি স্বর্ণ রয়েছে রিজার্ভফান্ডে তার টাকার মান ততো অধিক।
বাহ্যিক চেহারার প্রয়োজন রয়েছে বটে, তবে তার মৌলিক মূল্যমান অবশ্যই যাচাই বাছাই করে নিতে হবে বিষয়বস্তু গ্রহন বর্জন করার পূর্বে। ধার্মিকতা আর অধার্মিকতার সংগা কি আপনার জানা রয়েছে? একমাত্র খোদা হলেন ধার্মিক। তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন নিজের মত গুনাবলি দিয়ে যেন তারা তাঁর প্রতিনিধিত্ব করে চলে। ময়ুর সিংহাসন বৃর্টিশ মিউজিয়ামে থাকার কথা নয়, বাস্তবে ওটা ভারতের সম্পদ, কিন্তু লুট হয়ে গেছে। তাই বর্তমানে তা রয়েছে বৃটিশের কব্জাগত। অধ্যাবধি আমাদের মত অবোধ জনগোষ্টি বৃটিশের ছাপ হলমার্ক বলে স্বাচ্ছন্দে মেনে নেই, চিত্রচাঞ্চল্য দূর হয়ে যায়।
যেহেতু মানুষ ও গোটা বিশ্ব নির্মিত হয়েছে খোদার হাতে, তাঁরই স্বীয় পরিকল্পনা ও মনোবাসনা বাস্তবায়নকল্পে, তাই মানুষের কর্মকান্ডে অবশ্যই থাকতে হবে খোদার গৌরব ও মহিমা। পাক-কালামে তেমন তাগিদ রয়েছে সর্বত্র। মানুষের জীবনের প্রতিটি অধ্যায় থাকতে হবে ঐশি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন লক্ষ্যে। কিতাবুল মোকাদ্দসে যাত্রা পুস্তক ৩৬ ঃ ১ পদে যে ইঙ্গিত রয়েছে তা হলো, …. মাবুদের হুকুম মতই সেই সব কাজ করেন।
পয়দায়েশ ৩৯ ঃ ২-৩ পদে দেখতে পাই, মানুষ ইউসুফকে যতই নির্যাতন করুক না কেন, মেহেরবান খোদা এতদসত্তে¡ও সাফল্যের চরম শিখরে তুলেছিলেন ইউসুফকে।
আল-যবুর ৫৭ ঃ ৬-৭ পদে আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানো হয়েছে সাফল্য কেবল খোদার তরফ থেকেই উৎসারিত হয়ে থাকে। পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণে মুখ ঘুরানেতে কোনো কল্যাণ নেই, থাকার প্রশ্নই জাগে না।
মানুষকে প্রীত করে খোদার সত্য ভুলন্ঠিত করা হচ্ছে, খোদার প্রতি যদি কারো আনুগত্য থাকে তবে গোটা বিশ্ব থাকবে তার কাছে অনুগত। যে কারণে বলা হয়েছে, সর্বাধিকার গুরুত্ব আরোপ করতে হবে খোদার রাজ্য ও তাঁর ধার্মিকতা বজায় রাখার জন্য, তখন খোদাই নিজেই যোগান আপনার প্রয়োজনীয় সবকিছু।