অংকে যেমন মাত্র নয়টি সংখ্যা দিয়ে সকল হিসেব নিকেশ করা হয় তেমনি কতিপয় মৌলিক অক্ষর দিয়ে যাবতীয় ভাষা রচনা করা হয়।
ভাষা তো অগণিত, তবে ঐশি দান উপভোগ তথা বেঁচে থাকার তাগিদে হাজারো ভিন্নতা থাকা সত্তে¡ও মানুষ একঘাটে আসতে বাধ্য। ধরুন অক্সিজেন ও জল। বিশ্বের যে কোনো স্থানেই জান কেন বাঁচতে হলে এই দুটো উপাদান ছাড়া বাঁচা সম্ভব নয়; আপনি যে ভাষাভাসি হোন না কেন, আপনার ফুসফুস ও শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ একই আকার প্রকারে সৃষ্টÑ আপনি তো খোদার হাতে, খোদার সুরতে, খোদার প্রতিনিধি হিসেবে সৃষ্ট।
কুলটা ইবলিস মানুষের মধ্যে প্রবেশ করে মানুষকে একটু অধিক কিছু করে ফেলেছে! জানতে চান সেই অধিকটুকু কি? মানুষের পূর্বে একটা ‘অ’ যোগ দিয়ে দেখুন, অ+মানুষ=অমানুষ!
মানুষ সহজেই ভুলে যায় অতীতের কথা, আর তার কারণ হলো, অগাধ অর্থ বিত্তের সমাহার। মানিব্যাগ একই দামের থাকে, তবে কোনটিতে কতোটা অর্থ রাখা হয় সেই অনুপাতে ব্যগটির দাম ওঠানামা করে।
মানুষ কিন্তু কেবল বস্তু নয়, সে খোদার প্রতিনিধি! তার মধ্যে যখন খোদার সত্য ও আত্মা বিরাজমান থাকে তখন থাকে তার মর্যাদা, কেননা মর্যাদাশীল, রাজদরবার রাজা ব্যতিত নিস্তেজ হয়ে পড়ে আবার রাজার আগমনে তা সরগম হয়ে ওঠে। মানুষের দেহ কোনো মর্যাদা বা ক্ষমতার অধিকারি নয়, উক্ত দেহাভ্যন্তরে অর্থাৎ তার হৃদয়ে যখন পাকরূহ বাস করেন তখন উক্ত ব্যক্তি ঐশি ব্যক্তিতে হয়ে ওঠেন পরিণত।
পাকরূহ তো খোদার নিজের রূহ ঐ একই রূহ মানবরূপ ধারণ করে পতিত বিশ্বে নেমে আসলেন মানুষকে মুক্ত পাপ করার জন্য, আর তার জন্য তাকে দিতে হলো মুক্তির মূল্য হিসেবে নিজের প্রাণ। প্রেমের আতিসয্যে তিনি তা করলেন, যেমন কিতাবে রয়েছে খোদা জগতকে এতটাই প্রেম করলেন যে তাঁর একজাত পুত্র অর্থাৎ ‘কালাম ও রূহ’ মানুষের রূপে প্রেরণ করলেন, যতজন তাকে গ্রহন করেন তাদের সকলেই যেন হয়ে উঠতে পারে খোদার সন্তান, অধিকারি মুক্তপাপের।
অর্থবিত্তের দম্ভে অথবা পরিচিত প্রতিপত্তির প্রভাবে আমাদের অন্ধ হলে চলবে না, তেমনক্ষেত্রে অপব্যয়ি পুত্র অথবা ধনি যুবকের মতো স্খলন হবার সম্ভাবনা থাকবে, তার চেয়ে কে কতটা পাকরূহের নিয়ন্ত্রনে চলছি সেদিকে আমাদের নজর দিতে হবে। কেননা মসিহ তো আমাদের ইতোপূর্বে বলেই দিয়েছেন সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান বা একমাত্র প্রাধিকার থাকবে ‘খোদার রাজ্য’ প্রতিষ্ঠা করার নিমিত্তে। খোদা তাদের যুগিয়ে দিবেন সর্বপ্রকার প্রয়োজনীয় উপকরণ যুদ্ধ চালিয়ে যাবার জন্য।
খোদা মাত্র একজন, খোদা ও মানুষের মধ্যে সংযোগ সেতু মাত্র একজন, তিনি হলেন খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ। তিনি হলেন খোদার কালাম ও রূহ। ঐশি মেষ হিসেবে জগতে করেছেন আগমন। তিনি বিশ্বের পাপের প্রায়শ্চিত্ত শোধ দিয়েছেন, নিজের পূতপবিত্র রক্তের মূল্যে, আর উক্ত কোরবানি নিজেদের কোরবানি হিসেবে বিশ্বাস পূর্বক আজ আমরা হলাম মুক্তপাপ, সম্পূর্ণ এক নতুন সৃষ্টি, যোগ্য খোদার সাথে পুনমিলিত হবার। সকলেই খোদার সন্তান, খোদার প্রতিনিধি। মসিহের মাধ্যমে হতে পেরেছি সকলেই এক ও অভিন্ন।
ভাষা তো অগণিত, তবে ঐশি দান উপভোগ তথা বেঁচে থাকার তাগিদে হাজারো ভিন্নতা থাকা সত্তে¡ও মানুষ একঘাটে আসতে বাধ্য। ধরুন অক্সিজেন ও জল। বিশ্বের যে কোনো স্থানেই জান কেন বাঁচতে হলে এই দুটো উপাদান ছাড়া বাঁচা সম্ভব নয়; আপনি যে ভাষাভাসি হোন না কেন, আপনার ফুসফুস ও শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ একই আকার প্রকারে সৃষ্টÑ আপনি তো খোদার হাতে, খোদার সুরতে, খোদার প্রতিনিধি হিসেবে সৃষ্ট।
কুলটা ইবলিস মানুষের মধ্যে প্রবেশ করে মানুষকে একটু অধিক কিছু করে ফেলেছে! জানতে চান সেই অধিকটুকু কি? মানুষের পূর্বে একটা ‘অ’ যোগ দিয়ে দেখুন, অ+মানুষ=অমানুষ!
মানুষ সহজেই ভুলে যায় অতীতের কথা, আর তার কারণ হলো, অগাধ অর্থ বিত্তের সমাহার। মানিব্যাগ একই দামের থাকে, তবে কোনটিতে কতোটা অর্থ রাখা হয় সেই অনুপাতে ব্যগটির দাম ওঠানামা করে।
মানুষ কিন্তু কেবল বস্তু নয়, সে খোদার প্রতিনিধি! তার মধ্যে যখন খোদার সত্য ও আত্মা বিরাজমান থাকে তখন থাকে তার মর্যাদা, কেননা মর্যাদাশীল, রাজদরবার রাজা ব্যতিত নিস্তেজ হয়ে পড়ে আবার রাজার আগমনে তা সরগম হয়ে ওঠে। মানুষের দেহ কোনো মর্যাদা বা ক্ষমতার অধিকারি নয়, উক্ত দেহাভ্যন্তরে অর্থাৎ তার হৃদয়ে যখন পাকরূহ বাস করেন তখন উক্ত ব্যক্তি ঐশি ব্যক্তিতে হয়ে ওঠেন পরিণত।
পাকরূহ তো খোদার নিজের রূহ ঐ একই রূহ মানবরূপ ধারণ করে পতিত বিশ্বে নেমে আসলেন মানুষকে মুক্ত পাপ করার জন্য, আর তার জন্য তাকে দিতে হলো মুক্তির মূল্য হিসেবে নিজের প্রাণ। প্রেমের আতিসয্যে তিনি তা করলেন, যেমন কিতাবে রয়েছে খোদা জগতকে এতটাই প্রেম করলেন যে তাঁর একজাত পুত্র অর্থাৎ ‘কালাম ও রূহ’ মানুষের রূপে প্রেরণ করলেন, যতজন তাকে গ্রহন করেন তাদের সকলেই যেন হয়ে উঠতে পারে খোদার সন্তান, অধিকারি মুক্তপাপের।
অর্থবিত্তের দম্ভে অথবা পরিচিত প্রতিপত্তির প্রভাবে আমাদের অন্ধ হলে চলবে না, তেমনক্ষেত্রে অপব্যয়ি পুত্র অথবা ধনি যুবকের মতো স্খলন হবার সম্ভাবনা থাকবে, তার চেয়ে কে কতটা পাকরূহের নিয়ন্ত্রনে চলছি সেদিকে আমাদের নজর দিতে হবে। কেননা মসিহ তো আমাদের ইতোপূর্বে বলেই দিয়েছেন সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান বা একমাত্র প্রাধিকার থাকবে ‘খোদার রাজ্য’ প্রতিষ্ঠা করার নিমিত্তে। খোদা তাদের যুগিয়ে দিবেন সর্বপ্রকার প্রয়োজনীয় উপকরণ যুদ্ধ চালিয়ে যাবার জন্য।
খোদা মাত্র একজন, খোদা ও মানুষের মধ্যে সংযোগ সেতু মাত্র একজন, তিনি হলেন খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ। তিনি হলেন খোদার কালাম ও রূহ। ঐশি মেষ হিসেবে জগতে করেছেন আগমন। তিনি বিশ্বের পাপের প্রায়শ্চিত্ত শোধ দিয়েছেন, নিজের পূতপবিত্র রক্তের মূল্যে, আর উক্ত কোরবানি নিজেদের কোরবানি হিসেবে বিশ্বাস পূর্বক আজ আমরা হলাম মুক্তপাপ, সম্পূর্ণ এক নতুন সৃষ্টি, যোগ্য খোদার সাথে পুনমিলিত হবার। সকলেই খোদার সন্তান, খোদার প্রতিনিধি। মসিহের মাধ্যমে হতে পেরেছি সকলেই এক ও অভিন্ন।