অত্যাবশ্যক হয়ে দাঁড়িয়েছে একটা পরিশুদ্ধ বিশ্লেষণাত্মক নীরিক্ষা। প্রকাশ্যে বিষ্ফোরণের মুহুর্ত থেকে হলে চলবে না, একান্নভুক্ত পরিবার হাড়ি ভাগ করার পূর্বে কোন ক্ষণে কোন মুহুর্তে করে ফেললো হৃদয় ভাগ, ব্যাধিটা ঠিক তখন থেকেই হয়েছে শুরু, দেখতে হবে শুরুতেই শুরু, গুরু কেন নজর করলো না, যার হাতে গোটা দায়িত্ব, তার নজর এড়ালো কি করে, সে প্রশ্নটি আজ সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বলছি মানবতা নিয়ে কথা। শুনে আসছি খোদা মাত্র একজন মানুষ সৃষ্টি করলেন, তারপর তাকে দোয়া ও ক্ষমতা দিলেন প্রজাবন্ত ও বহু সংখ্যায় পরিণত হতে; বহুসংখ্যায়, তবে পারষ্পরিক বিবাদে জড়িয়ে নিজেদের ধ্বংস করে খোদার পরিকল্পনা বিনাশ করার জন্য নিশ্চয়ই খোদা তাদের সৃষ্টি করলেন না।
মানব বাগান হলো অদৃশ্য খোদার দৃশ্যমান আবাদ। তারা যখন মিলে মিশে একসাথে সুখে শান্তিতে বসবাস করে, কবি বলেছেন, তখনই উক্ত ক্ষেত্রটি রূপান্তরিত হয়ে ওঠে অবিকল স্বর্গে, আবার যখন তারা পারষ্পরিক বিবাদ ও হত্যাযজ্ঞে লিপ্ত হয়, তখন তার চেয়ে অধিক জ্বালাতন নরক আর কোথা খুঁজতে যাবে।
তা আদম আদিষ্ট ছিলেন, নিষিদ্ধ কাজে কদম না বাড়াতে। আদম অবশ্য বাধ্যগত সুবোধ বালক, খোদার সাথে ছিল তাঁর আন্তরিক সুসম্পর্ক ও সম্পূর্ণ নির্ভরতা। তিনি প্রীত হলেন তাঁরই পঞ্জরাশ্রিত সাথী পেয়ে, দুজন দুজনার পরিপূরক সহযোদ্ধা, খোদার গোটা পরিকল্পনা বাস্তবায়নকল্পে। খোদা যখন ফেরেশতাদের আজ্ঞা করলেন, জ্ঞানেগুনে যাকে অভিষেক দিলেন, সেজদা দেয়া অর্থাৎ খোদার দৃশ্যমান প্রতিনিধিকে সম্মান দেখাবার জন্য, তখন ইবলিস ব্যতিত সকলেই খোদার আজ্ঞা সানন্দে স্রদ্ধচিত্তে মেনে নিলেন। কিন্তু গোয়ার্তুমি করে বসলো ইবলিস, আর উক্ত অবাধ্যতা আদমের বিরুদ্ধে নয়, স্বয়ং আজ্ঞাদানকারী খোদ খোদার বিরুদ্ধে গিয়ে দাঁড়ালো। খোদার রাজ্যে বাস করে, তারই প্রসাদ উপভোগ করে খোদাদ্রোহী কাজ চালিয়ে যাওয়া, সহ্য হবার মত কাজ হতে পারে কি?
আজ আমাদের উপর দায়িত্ব গড়িয়েছে বিবদমান বিশ্বটাকে নিয়ে আগাগোড়া পুরো ডায়াগনোসিস করার, হয়তো বলবেন, শরীরে প্রবিষ্ট কাঁটা খসানো সম্ভব হলেও হাড়কাটা খসানো অতোটা সম্ভব নয়। কথাটা সত্য, সদ্য প্রবিষ্ট কাঁটা আর অনেক পূর্বে প্রবিষ্ট কাটা কিন্তু দুটোই কাঁটা, তা অবশ্য আনুপূর্বক পর্যবেক্ষণের ফলে ধরা পড়ে এবং যা কিছু ধরা পড়ে তার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কোনো একটা উপায় আবিষ্কৃত হয়ে যায়।
প্রথম নর-নারী আদম হাওয়া হলেন খোদার অবাধ্য, তাদের তখন বাধাদান করায় খোদা ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। তারপর কাবিল হাবিলকে যখন বধ করলো তখনও কাবিলকে বাধা দেবার আর কেইবা ছিল। অবশ্য বিবেকের তাড়ন তাদের মধ্যে কাজ করলেও মাংসিক লোভ বিবেকের দংশনের চাইতে প্রবল থাকা বিধায়, মানুষ সদা-সর্বদা স্খলিত হয়ে পড়ছে সত্য সুন্দরের পথ থেকে। কামনার জ্বলন পুড়ে মারে বিবেকের শাসন। ডায়াগনোষ্টিক রিপোর্টে দেখা যায়, যে কোনো রোগের শুরু ও প্রাদুর্ভাব এর মধ্যে থাকে বেজায় সময়, যে সময়ে উক্ত রোগের মুলোৎপাটন করা সম্ভব হতে পারে, হয়ে থাকে।
মানুষের মধ্যে পারষ্পরিক বিভেধ শুরুই হয়েছে দুষ্ট আত্মা ইবলিসের কুট চালে রাজি হবার ফলে। মানুষের একার পক্ষে সম্ভব নয় ইবলিসকে তাড়িয়ে ফেরা, চাই তার ঐশি শক্তি-প্রাপ্তি। লক্ষ্য করবেন, ধর্মিয় বয়ান দেবার পূর্বে প্রত্যেকে মুখ খুলেই খোদার কাছ থেকে সাহায্য করে থাকে অভিশপ্ত ইবলিসের কবল থেকে, যা হলো ‘আউজুবিলাহ হে মিনাশশাই তোয়ানের রাজিম’ খোদা অবশ্য মানুষের হৃদয় দ্বারে নিয়ত দাঁড়িয়ে আছেন তাকে সাহায্য করার জন্য (প্রকাশিত কালাম ৩ ঃ ২০)।
যদিও মানুষ ঐশি শক্তি পরিহিত ছিলেন, তবে তা সৃষ্টি লগ্নে, কিন্তু আজ সে সম্পূর্ণ উলঙ্গ। তার মধ্যে বাসা বেধেছে অভিশপ্ত ইবলিস, যে কিনা খোদা ও মানুষের চির দুষমণ। ছলে-বলে কলা-কৌশলে মানুষের ক্ষতি করার জন্য নিয়ত কুটচাল চেলে চলছে। মাছ জীবন ধারণ করে মাছ খেয়ে। মাছ শিকারী একটি জীবন্ত মাছ বড়শির ডগায় ঝুলিয়ে দিয়ে বড়শিটি জলাসয়ে পেতে রাখে, আর বড়শিতে গেথে দেয়া মাছটি বিষের জ্বালায় ছটফট করতে থাকে, যা দেখে শিকারী মাছ এসে বড়শিসহ মাছটিকে গিলে ফেলে, আর যায় কোথায়! আমরা আজ ইবলিসের শিকারে পরিণত, নিজেদের মধ্যে কোনো উপায় নেই নিজেদের অবমুক্ত করার। আমাদের কান্না বিলাপ আর যেন কোনোভাবেই থামার উপায় নেই। দেহের কামনা, চোখের লোভ আর সাংসারিক বিষয়ের অহংকার কেবল অত্র বিশ্বের মধ্যে রয়েছে পর্যবসিত, আর এই পৃথিবীটাই মানুষের নাকের ডগায় ঝুলিয়ে রেখে মানুষকে করে রাখছে পাগলপারা-উম্মাদ মাতাল। বিশ্বের তাবৎ লঙ্কাকান্ড ব্যাত্যয়হীনভাবে ঘটে চলছে কেবল পার্থিব কারণে।
আসলে আমরা অপব্যায়ী পুত্র, নিজেদের খেয়াল খুশিমত কাজ করতে এসে গুটি পোকার মতো নিজেদের সৃষ্ট তন্তুতে বাধা পড়ে গেছি, গরম জলে সেদ্ধ হয়ে মৃত্যু ছাড়া আর কিইবা বাকি আছে আমাদের সম্মুখে। সমূহ শঙ্কা দেখে আকাশ-পাতাল ছাড়িয়ে জুড়ে দিয়েছি কান্না আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হয়ে ওঠে আমাদের আর্তচিৎকারে, খোদার আরশ পর্যন্ত কম্পমান হয়ে পড়ে, আর্দ্র হয়ে যায় কঠিন পাষাণ হিয়া।
মাবুদ আমাদের সহায়। তিনি দেখিয়ে দিলেন আমাদের প্রকৃত রোগ ও তার প্রতিকার। উক্ত রোগের নাম হলো পাপ আর প্রতিকারের নাম অনুতাপানলে জ্বলেপোড়া দৃঢ় বিশ্বাস, প্রতিকার করলেন, পরমকরুনাময় খোদার পুত্র পূতপবিত্র খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ।
মসিহ হলেন একমাত্র প্রতিকার, মানুষ রক্ষা করার জন্য একমাত্র এলাজ যা আদমের পতনের সাথে সাথে হয়েছে ঘোষিত (পয়দায়েশ ২ ঃ ১৫)
বলছি মানবতা নিয়ে কথা। শুনে আসছি খোদা মাত্র একজন মানুষ সৃষ্টি করলেন, তারপর তাকে দোয়া ও ক্ষমতা দিলেন প্রজাবন্ত ও বহু সংখ্যায় পরিণত হতে; বহুসংখ্যায়, তবে পারষ্পরিক বিবাদে জড়িয়ে নিজেদের ধ্বংস করে খোদার পরিকল্পনা বিনাশ করার জন্য নিশ্চয়ই খোদা তাদের সৃষ্টি করলেন না।
মানব বাগান হলো অদৃশ্য খোদার দৃশ্যমান আবাদ। তারা যখন মিলে মিশে একসাথে সুখে শান্তিতে বসবাস করে, কবি বলেছেন, তখনই উক্ত ক্ষেত্রটি রূপান্তরিত হয়ে ওঠে অবিকল স্বর্গে, আবার যখন তারা পারষ্পরিক বিবাদ ও হত্যাযজ্ঞে লিপ্ত হয়, তখন তার চেয়ে অধিক জ্বালাতন নরক আর কোথা খুঁজতে যাবে।
তা আদম আদিষ্ট ছিলেন, নিষিদ্ধ কাজে কদম না বাড়াতে। আদম অবশ্য বাধ্যগত সুবোধ বালক, খোদার সাথে ছিল তাঁর আন্তরিক সুসম্পর্ক ও সম্পূর্ণ নির্ভরতা। তিনি প্রীত হলেন তাঁরই পঞ্জরাশ্রিত সাথী পেয়ে, দুজন দুজনার পরিপূরক সহযোদ্ধা, খোদার গোটা পরিকল্পনা বাস্তবায়নকল্পে। খোদা যখন ফেরেশতাদের আজ্ঞা করলেন, জ্ঞানেগুনে যাকে অভিষেক দিলেন, সেজদা দেয়া অর্থাৎ খোদার দৃশ্যমান প্রতিনিধিকে সম্মান দেখাবার জন্য, তখন ইবলিস ব্যতিত সকলেই খোদার আজ্ঞা সানন্দে স্রদ্ধচিত্তে মেনে নিলেন। কিন্তু গোয়ার্তুমি করে বসলো ইবলিস, আর উক্ত অবাধ্যতা আদমের বিরুদ্ধে নয়, স্বয়ং আজ্ঞাদানকারী খোদ খোদার বিরুদ্ধে গিয়ে দাঁড়ালো। খোদার রাজ্যে বাস করে, তারই প্রসাদ উপভোগ করে খোদাদ্রোহী কাজ চালিয়ে যাওয়া, সহ্য হবার মত কাজ হতে পারে কি?
আজ আমাদের উপর দায়িত্ব গড়িয়েছে বিবদমান বিশ্বটাকে নিয়ে আগাগোড়া পুরো ডায়াগনোসিস করার, হয়তো বলবেন, শরীরে প্রবিষ্ট কাঁটা খসানো সম্ভব হলেও হাড়কাটা খসানো অতোটা সম্ভব নয়। কথাটা সত্য, সদ্য প্রবিষ্ট কাঁটা আর অনেক পূর্বে প্রবিষ্ট কাটা কিন্তু দুটোই কাঁটা, তা অবশ্য আনুপূর্বক পর্যবেক্ষণের ফলে ধরা পড়ে এবং যা কিছু ধরা পড়ে তার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কোনো একটা উপায় আবিষ্কৃত হয়ে যায়।
প্রথম নর-নারী আদম হাওয়া হলেন খোদার অবাধ্য, তাদের তখন বাধাদান করায় খোদা ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। তারপর কাবিল হাবিলকে যখন বধ করলো তখনও কাবিলকে বাধা দেবার আর কেইবা ছিল। অবশ্য বিবেকের তাড়ন তাদের মধ্যে কাজ করলেও মাংসিক লোভ বিবেকের দংশনের চাইতে প্রবল থাকা বিধায়, মানুষ সদা-সর্বদা স্খলিত হয়ে পড়ছে সত্য সুন্দরের পথ থেকে। কামনার জ্বলন পুড়ে মারে বিবেকের শাসন। ডায়াগনোষ্টিক রিপোর্টে দেখা যায়, যে কোনো রোগের শুরু ও প্রাদুর্ভাব এর মধ্যে থাকে বেজায় সময়, যে সময়ে উক্ত রোগের মুলোৎপাটন করা সম্ভব হতে পারে, হয়ে থাকে।
মানুষের মধ্যে পারষ্পরিক বিভেধ শুরুই হয়েছে দুষ্ট আত্মা ইবলিসের কুট চালে রাজি হবার ফলে। মানুষের একার পক্ষে সম্ভব নয় ইবলিসকে তাড়িয়ে ফেরা, চাই তার ঐশি শক্তি-প্রাপ্তি। লক্ষ্য করবেন, ধর্মিয় বয়ান দেবার পূর্বে প্রত্যেকে মুখ খুলেই খোদার কাছ থেকে সাহায্য করে থাকে অভিশপ্ত ইবলিসের কবল থেকে, যা হলো ‘আউজুবিলাহ হে মিনাশশাই তোয়ানের রাজিম’ খোদা অবশ্য মানুষের হৃদয় দ্বারে নিয়ত দাঁড়িয়ে আছেন তাকে সাহায্য করার জন্য (প্রকাশিত কালাম ৩ ঃ ২০)।
যদিও মানুষ ঐশি শক্তি পরিহিত ছিলেন, তবে তা সৃষ্টি লগ্নে, কিন্তু আজ সে সম্পূর্ণ উলঙ্গ। তার মধ্যে বাসা বেধেছে অভিশপ্ত ইবলিস, যে কিনা খোদা ও মানুষের চির দুষমণ। ছলে-বলে কলা-কৌশলে মানুষের ক্ষতি করার জন্য নিয়ত কুটচাল চেলে চলছে। মাছ জীবন ধারণ করে মাছ খেয়ে। মাছ শিকারী একটি জীবন্ত মাছ বড়শির ডগায় ঝুলিয়ে দিয়ে বড়শিটি জলাসয়ে পেতে রাখে, আর বড়শিতে গেথে দেয়া মাছটি বিষের জ্বালায় ছটফট করতে থাকে, যা দেখে শিকারী মাছ এসে বড়শিসহ মাছটিকে গিলে ফেলে, আর যায় কোথায়! আমরা আজ ইবলিসের শিকারে পরিণত, নিজেদের মধ্যে কোনো উপায় নেই নিজেদের অবমুক্ত করার। আমাদের কান্না বিলাপ আর যেন কোনোভাবেই থামার উপায় নেই। দেহের কামনা, চোখের লোভ আর সাংসারিক বিষয়ের অহংকার কেবল অত্র বিশ্বের মধ্যে রয়েছে পর্যবসিত, আর এই পৃথিবীটাই মানুষের নাকের ডগায় ঝুলিয়ে রেখে মানুষকে করে রাখছে পাগলপারা-উম্মাদ মাতাল। বিশ্বের তাবৎ লঙ্কাকান্ড ব্যাত্যয়হীনভাবে ঘটে চলছে কেবল পার্থিব কারণে।
আসলে আমরা অপব্যায়ী পুত্র, নিজেদের খেয়াল খুশিমত কাজ করতে এসে গুটি পোকার মতো নিজেদের সৃষ্ট তন্তুতে বাধা পড়ে গেছি, গরম জলে সেদ্ধ হয়ে মৃত্যু ছাড়া আর কিইবা বাকি আছে আমাদের সম্মুখে। সমূহ শঙ্কা দেখে আকাশ-পাতাল ছাড়িয়ে জুড়ে দিয়েছি কান্না আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হয়ে ওঠে আমাদের আর্তচিৎকারে, খোদার আরশ পর্যন্ত কম্পমান হয়ে পড়ে, আর্দ্র হয়ে যায় কঠিন পাষাণ হিয়া।
মাবুদ আমাদের সহায়। তিনি দেখিয়ে দিলেন আমাদের প্রকৃত রোগ ও তার প্রতিকার। উক্ত রোগের নাম হলো পাপ আর প্রতিকারের নাম অনুতাপানলে জ্বলেপোড়া দৃঢ় বিশ্বাস, প্রতিকার করলেন, পরমকরুনাময় খোদার পুত্র পূতপবিত্র খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ।
মসিহ হলেন একমাত্র প্রতিকার, মানুষ রক্ষা করার জন্য একমাত্র এলাজ যা আদমের পতনের সাথে সাথে হয়েছে ঘোষিত (পয়দায়েশ ২ ঃ ১৫)