মাথার চুল বিক্রি করে ঘড়ির বেল্ট ক্রয়, আর ঘড়ি বিক্রি করে মাথার চুলের ক্লিপ ক্রয়Ñযদিও ঘটে প্রেমের পরিচয় তবু ব্যবহারোপযুগি হতে পারে কি? আসলে কারো মনের খবর কেউ জানতো না বিধায় এমনটা ঘটেছিল- প্রত্যেকে প্রত্যেককে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিল, অজানার কারণে প্রকৃত প্রেমনির্বাক হয়ে গেল। প্রেম প্রজ্ঞার সাথে হতে হবে সম্পৃক্ত।
প্রদীপ আলো দান করে, অন্ধকার দূর করে, তাই বলে প্রদীপের আগুন অনিয়ন্ত্রিত হলে নগর জনপদ জ্বালিয়ে পুড়ে ধ্বংস করেও দিতে পারে। প্রেম বিগলিত দ্রব্যের মতো, যেমন মধু-যা কাঁচের পরিষ্কার পাত্রে রাখতে হবে, সঠিক ভাবে ব্যবহার ও উপভোগ করার জন্য। মানুষ একদিকে যেমন প্রেম বহন করতে পারে, তেমন উক্ত মানুষ হিংসানলে জ¦লে পুড়ে হতে পারে অংগার। নিজে জ¦লে আর অপরকে জ্বালাতে থাকে। গোটাবিশ্বের ইতিহাস রচিত হলো বলগাহীন প্রেম কেন্দ্র রেখে।
বিশ্বে আদমের পতনের পরবর্তী সময় থেকে খোদার প্রতি যে প্রেম প্রদর্শিত হচ্ছে তা অজ্ঞতার নামান্তর মাত্র, যেমন চিনামাটির পাত্রের ঘরে শিংওয়ালা বলদের প্রবেশ। খোদার প্রেম প্রতিষ্ঠাকল্পে কত হাজার মানুষের মুন্ডুপাত যে ঘটেছে তার ইয়াত্তা কেউ দিতে পারবে বলে আমার জানা নেই। খোদা মানুষ সৃষ্টি করেছেন, মানুষ হলো তাঁর অতিপ্রিয় সৃষ্টি, নয়নের মণিতুল্য, যদিও মানুষ ইবলিসের লোভাতুরা কুটচালে ধরা খেয়ে নিজের মহাক্ষতি ডেকে আনলো, গোটা বংশ হলো পদানত, যার বড় প্রমান আমরা ভুক্তভোগি গোটাবিশ^বাসি, আমাদের দাবি, ‘আমরা মানুষ’ তবুও অন্তর্দন্ধে এতটাই নাজুক হয়ে আছি যা কাটাতে পাই না কোনো দিশা। আমরা মানুষ দুষে চলছি, হত্যা করছি, বন্দি করে রাখছি বছরের পর বছর, এক ঘরে করে রাখছি স্বজন-প্রিয়জনকে, তবু কোনো সমাধান খুঁজে পাই না আমাদের পিষ্ট করা যাতনা থেকে। প্রেমের অপব্যবহার হচ্ছে সর্বত্র।
চাই ফিরে যেতে মাবুদের কাছে যিনি আদুরে পরশে পুনরায় আমাদের মানুষ হিসেবে মানুষ গড়ে তুলবেন। সবার উপর মানুষ সত্য, আর এই মানুষই বহন করবে ঐশি আলো, বিশ^াস ভক্তি নিয়ে যারাই মসিহের সাথে হবে যুক্ত তারাই বয়ে বেড়াবে ঐশি আলো, যেমন যে মোমটি লাভ করলো আগুন, উক্ত মোমটির পক্ষেই সম্ভব আলোর বিস্তার ঘটানো, অন্ধকার দূর করা। তেমন মোমটিই হলো ‘মোমবাতি’।
প্রদীপ আলো দান করে, অন্ধকার দূর করে, তাই বলে প্রদীপের আগুন অনিয়ন্ত্রিত হলে নগর জনপদ জ্বালিয়ে পুড়ে ধ্বংস করেও দিতে পারে। প্রেম বিগলিত দ্রব্যের মতো, যেমন মধু-যা কাঁচের পরিষ্কার পাত্রে রাখতে হবে, সঠিক ভাবে ব্যবহার ও উপভোগ করার জন্য। মানুষ একদিকে যেমন প্রেম বহন করতে পারে, তেমন উক্ত মানুষ হিংসানলে জ¦লে পুড়ে হতে পারে অংগার। নিজে জ¦লে আর অপরকে জ্বালাতে থাকে। গোটাবিশ্বের ইতিহাস রচিত হলো বলগাহীন প্রেম কেন্দ্র রেখে।
বিশ্বে আদমের পতনের পরবর্তী সময় থেকে খোদার প্রতি যে প্রেম প্রদর্শিত হচ্ছে তা অজ্ঞতার নামান্তর মাত্র, যেমন চিনামাটির পাত্রের ঘরে শিংওয়ালা বলদের প্রবেশ। খোদার প্রেম প্রতিষ্ঠাকল্পে কত হাজার মানুষের মুন্ডুপাত যে ঘটেছে তার ইয়াত্তা কেউ দিতে পারবে বলে আমার জানা নেই। খোদা মানুষ সৃষ্টি করেছেন, মানুষ হলো তাঁর অতিপ্রিয় সৃষ্টি, নয়নের মণিতুল্য, যদিও মানুষ ইবলিসের লোভাতুরা কুটচালে ধরা খেয়ে নিজের মহাক্ষতি ডেকে আনলো, গোটা বংশ হলো পদানত, যার বড় প্রমান আমরা ভুক্তভোগি গোটাবিশ^বাসি, আমাদের দাবি, ‘আমরা মানুষ’ তবুও অন্তর্দন্ধে এতটাই নাজুক হয়ে আছি যা কাটাতে পাই না কোনো দিশা। আমরা মানুষ দুষে চলছি, হত্যা করছি, বন্দি করে রাখছি বছরের পর বছর, এক ঘরে করে রাখছি স্বজন-প্রিয়জনকে, তবু কোনো সমাধান খুঁজে পাই না আমাদের পিষ্ট করা যাতনা থেকে। প্রেমের অপব্যবহার হচ্ছে সর্বত্র।
চাই ফিরে যেতে মাবুদের কাছে যিনি আদুরে পরশে পুনরায় আমাদের মানুষ হিসেবে মানুষ গড়ে তুলবেন। সবার উপর মানুষ সত্য, আর এই মানুষই বহন করবে ঐশি আলো, বিশ^াস ভক্তি নিয়ে যারাই মসিহের সাথে হবে যুক্ত তারাই বয়ে বেড়াবে ঐশি আলো, যেমন যে মোমটি লাভ করলো আগুন, উক্ত মোমটির পক্ষেই সম্ভব আলোর বিস্তার ঘটানো, অন্ধকার দূর করা। তেমন মোমটিই হলো ‘মোমবাতি’।