জীবন থাকে কঠিন আবরণের মধ্যে বন্দি, যেমন একটি তালের বীজ, বিশাল একটি তাল গাছ লুকিয়ে আছে তেমন একটি কঠিন খোলসের মধ্যে, আপনার দায়িত্ব, যত্ন-আদর দিয়ে অন্তঃপুর থেকে ও জীবনটাকে বিকশিত হতে সাহায্য করা।
তালের শাঁশ মুখরোচক খাবারও বটে, তবে ক্ষণকালের তৃপ্তি পেতে যদি বিশাল সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নষ্ট করে ফেলেন, তা হবে আত্মঘাতি নির্বোধের পদক্ষেপ।
আজ আমরা কতজন মর্মবাণী জানি যা কিছু আমরা ধারণ করে চলি সে বিষয়ে। আমরা এক একটি জীবনের মালিক, প্রকৃতার্থে মাটির খোলায় অমূল্য জীবন, রক্ষণাবেক্ষনের জন্য কিছুক্ষণের জন্য দান করা হয়েছে; মহান দাতা, জীবনের প্রকৃত মালিকের কাছ থেকে, যিনি হলেন প্রকৃতার্থে জীবনের মালিক! তিনি নিজেই মহব্বত, প্রেমের অফুরান পারাবার। কথাটা যেন পদ্মার তীরে বাস করেও জলের তৃষ্ণায় কাতর হওয়া। হাত বাড়ালেই সমাধান, যেমন মুখ খুললেই শব্দ তরঙ্গ গিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে দিগবলয়ে, সবকিছু জাগিয়ে তোলে গোলাপ নিজে দিক-বিদিগ ছুটাছুটি করে না বিকাশের জন্য, যা কিছু প্রচার প্রসার তা গোলাপের সৌরভ করে থাকে।
আমাদের স্রষ্টা বড়ই মেহেরবান। প্রেমে প্রেমে কানায় কানায় ভরা, বলতে পারেন, উপচে পড়া, আর উপচেই যদি না পড়ে, তবে আমরা যারা চার পাশে বিরাজমান, তারা কি করে লাভ করবো প্রেমের ফল্গুধারা, কি করে আমাদের উষড় হৃদয় প্রেমে থাকবে তরতাজা গড়ে উঠবে নয়ন কাড়া প্রেম কানন, তবে অবোধ ও গোয়ার গবিন্দের কথা না হয় নাইবা বললাম।
অভিশপ্ত ইবলিস যাদের চোখে পর্দা সেটে দিয়েছে, তাদের নিয়ে আজ মাবুদের হৃদয় সদা কাঁদে। প্রথম মানুষ আদমের বিভ্রান্ত হবার পর থেকে মাবুদের মধ্যে ঐকান্তিক বাসনা জাগলো, তার হৃদয়ে একটি প্রদীপ জ্বালিয়ে দেবার, ফলে আদমের মধ্যে ক্ষণকালের ভ্রান্ত মোহ দূর হয়ে যেতে পারে। তিনি নিজের কালাম ও রূহ মানুষের মধ্যে চিরকাল বসতি করার জন্য প্রেরণ করবেন, আর সেই মোক্ষম রূহের পক্ষেই সম্ভব হবে, আদমের মধ্যে পুঞ্জিভুত পাপ কালিমা অবাধ্যতা হিংস্রতা অনবরত মুছে ফেলা।
আদম যখন হলেন বিতাড়িত, সাথে সাথে তার ঔরশজাত প্রত্যেকটি ব্যক্তি, নর ও নারীসহ সকলেই আজ ক্লেদাক্ত হয়ে পড়লো উক্ত বিষের দ্বারা। মাত্র একটি প্রমাণ রাখা যেতে পারে বড়জোড় দৃষ্টান্ত হিসেবে; কাবিলের হাতে ভ্রাতা হাবিলের হনন।
মানুষের ধমনিতে নিয়ত বয়ে চলছে উক্ত বেহায়া লোভ ও স্বার্থপরতা, যার আঘাতে আজ আমাদের নিত্যদিন হয়রান থাকতে হয়। চলার পথে আজ আমরা সকলেই শ্রান্ত, ক্লান্ত, অবসন্ন, নেই বাকী কোনো সম্ভাবনা নিজেদের মধ্যে, কেবল হতাশা আর নিরাশা, অগত্যা, মাবুদের মুখাপেক্ষা। পেয়ে গেছি জীবনের উদ্দমতা, উচ্ছলতা, নিত্যদিন যা রহে বহমান, ভাসিয়ে নিচ্ছে খড়কুটো সম জীবনের সবকটা জঞ্জাল, যেমন বানের জলে সবকিছু ভেসে যায় গভির সমুদ্রে, কটা লোনাজলে বিলীন করে দিতে।
কেবল মাবুদের কাছেই আজ আমার মিনতি, আমাকে বাঁচাও কঠিন বেড়াজাল থেকে, লোভাতুরা নিষ্ঠুর জলাদের কবল থেকে। চাই না আমি খোলসগুলো, আমি বিকশিত হতে চাই মুক্ত আলোয়, অমীত শক্তি পেতে চাই কেবল তোমার কাছ থেকে, আর নির্মল সুখ আনন্দ তো কেবল তোমার কাছ থেকেই হয়ে থাকে উৎসারিত। তুমিই জীবনের মানিক, বন্ধু, সখা, প্রাণের প্রাণ, তোমাতে লীন হয়ে আজ হতে পেরেছি যোগ্য সন্তান, তোমার আদুরে সন্তান। হয়রান ও রায়হান দূর থেকে কেবল করছে অবলোকন, প্রকৃত রহস্য রয়েছে ওদের অজানা।
ওরা অদ্যাবধি আবদ্ধ রয়েছে আস্তাবলে, উম্মুক্ত করার ক্ষমতা প্রজ্ঞা তো কেবল তোমার হাতেই রয়েছে, তাই সনির্বন্ধ অনুরোধ, কেবল তোমারই পাদপ্রান্তে, আমাকে শক্তি দাও, আমাকে জ্বালিয়ে দাও, এ অন্তহীন শক্তি যেন ওদের জীবনেও প্রবাহিত করে চলতে পারি, ঠিক তখনই শোভা পাবে আলোর মেখলা, আলোয় আলোয় ভরে ওঠবে এককালের অভিশপ্ত আধার পুরি, আর এ পরিবর্তন তো কেবল তোমারই দ্বারা ঘটে চলছে নিয়ত। কেবল তুমিই সেই আলোর সন্তান, আলোর ধারক-বাহক, শব্দের গতির চেয়েও অধিক হলো আলোর গতি।
আজ আমরা পরিতৃপ্ত কেবল তোমারই উপর, আর কেন বলছি উপর, তোমার মধ্যে মিশে যেতে পেরে, একাকার হতে পেরে, আর তা সম্ভব হয়েছে কেবল তোমারই অপার প্রেমানুগ্রহে।
আজ আমাদের উপর মাত্র একটি দায়িত্ব ন্যাস্ত করেছো, আর তা হলো অকৃপন হস্তে নিরলসভাবে যেন তোমার প্রেমের বারতা দিকে দিকে ছড়িয়ে দিয়ে চলি, বাকি সব কিছু তুমি নিজেই সম্পন্ন করে চলছো, তার জ্বলন্ত সাক্ষী হলাম আজ আমরা শতবার আক্রান্ত হওয়া সত্তে¡ও অবিরাম চলছে আমাদের অব্যাহত গতি অগ্রযাত্রা আর এ গৌরব প্রশংসার একমাত্র দাবিদার হলে এক মাত্র তুমি, মানবরূপে আগত অদৃশ্য পরওয়ার দেগার খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ।
তালের শাঁশ মুখরোচক খাবারও বটে, তবে ক্ষণকালের তৃপ্তি পেতে যদি বিশাল সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নষ্ট করে ফেলেন, তা হবে আত্মঘাতি নির্বোধের পদক্ষেপ।
আজ আমরা কতজন মর্মবাণী জানি যা কিছু আমরা ধারণ করে চলি সে বিষয়ে। আমরা এক একটি জীবনের মালিক, প্রকৃতার্থে মাটির খোলায় অমূল্য জীবন, রক্ষণাবেক্ষনের জন্য কিছুক্ষণের জন্য দান করা হয়েছে; মহান দাতা, জীবনের প্রকৃত মালিকের কাছ থেকে, যিনি হলেন প্রকৃতার্থে জীবনের মালিক! তিনি নিজেই মহব্বত, প্রেমের অফুরান পারাবার। কথাটা যেন পদ্মার তীরে বাস করেও জলের তৃষ্ণায় কাতর হওয়া। হাত বাড়ালেই সমাধান, যেমন মুখ খুললেই শব্দ তরঙ্গ গিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে দিগবলয়ে, সবকিছু জাগিয়ে তোলে গোলাপ নিজে দিক-বিদিগ ছুটাছুটি করে না বিকাশের জন্য, যা কিছু প্রচার প্রসার তা গোলাপের সৌরভ করে থাকে।
আমাদের স্রষ্টা বড়ই মেহেরবান। প্রেমে প্রেমে কানায় কানায় ভরা, বলতে পারেন, উপচে পড়া, আর উপচেই যদি না পড়ে, তবে আমরা যারা চার পাশে বিরাজমান, তারা কি করে লাভ করবো প্রেমের ফল্গুধারা, কি করে আমাদের উষড় হৃদয় প্রেমে থাকবে তরতাজা গড়ে উঠবে নয়ন কাড়া প্রেম কানন, তবে অবোধ ও গোয়ার গবিন্দের কথা না হয় নাইবা বললাম।
অভিশপ্ত ইবলিস যাদের চোখে পর্দা সেটে দিয়েছে, তাদের নিয়ে আজ মাবুদের হৃদয় সদা কাঁদে। প্রথম মানুষ আদমের বিভ্রান্ত হবার পর থেকে মাবুদের মধ্যে ঐকান্তিক বাসনা জাগলো, তার হৃদয়ে একটি প্রদীপ জ্বালিয়ে দেবার, ফলে আদমের মধ্যে ক্ষণকালের ভ্রান্ত মোহ দূর হয়ে যেতে পারে। তিনি নিজের কালাম ও রূহ মানুষের মধ্যে চিরকাল বসতি করার জন্য প্রেরণ করবেন, আর সেই মোক্ষম রূহের পক্ষেই সম্ভব হবে, আদমের মধ্যে পুঞ্জিভুত পাপ কালিমা অবাধ্যতা হিংস্রতা অনবরত মুছে ফেলা।
আদম যখন হলেন বিতাড়িত, সাথে সাথে তার ঔরশজাত প্রত্যেকটি ব্যক্তি, নর ও নারীসহ সকলেই আজ ক্লেদাক্ত হয়ে পড়লো উক্ত বিষের দ্বারা। মাত্র একটি প্রমাণ রাখা যেতে পারে বড়জোড় দৃষ্টান্ত হিসেবে; কাবিলের হাতে ভ্রাতা হাবিলের হনন।
মানুষের ধমনিতে নিয়ত বয়ে চলছে উক্ত বেহায়া লোভ ও স্বার্থপরতা, যার আঘাতে আজ আমাদের নিত্যদিন হয়রান থাকতে হয়। চলার পথে আজ আমরা সকলেই শ্রান্ত, ক্লান্ত, অবসন্ন, নেই বাকী কোনো সম্ভাবনা নিজেদের মধ্যে, কেবল হতাশা আর নিরাশা, অগত্যা, মাবুদের মুখাপেক্ষা। পেয়ে গেছি জীবনের উদ্দমতা, উচ্ছলতা, নিত্যদিন যা রহে বহমান, ভাসিয়ে নিচ্ছে খড়কুটো সম জীবনের সবকটা জঞ্জাল, যেমন বানের জলে সবকিছু ভেসে যায় গভির সমুদ্রে, কটা লোনাজলে বিলীন করে দিতে।
কেবল মাবুদের কাছেই আজ আমার মিনতি, আমাকে বাঁচাও কঠিন বেড়াজাল থেকে, লোভাতুরা নিষ্ঠুর জলাদের কবল থেকে। চাই না আমি খোলসগুলো, আমি বিকশিত হতে চাই মুক্ত আলোয়, অমীত শক্তি পেতে চাই কেবল তোমার কাছ থেকে, আর নির্মল সুখ আনন্দ তো কেবল তোমার কাছ থেকেই হয়ে থাকে উৎসারিত। তুমিই জীবনের মানিক, বন্ধু, সখা, প্রাণের প্রাণ, তোমাতে লীন হয়ে আজ হতে পেরেছি যোগ্য সন্তান, তোমার আদুরে সন্তান। হয়রান ও রায়হান দূর থেকে কেবল করছে অবলোকন, প্রকৃত রহস্য রয়েছে ওদের অজানা।
ওরা অদ্যাবধি আবদ্ধ রয়েছে আস্তাবলে, উম্মুক্ত করার ক্ষমতা প্রজ্ঞা তো কেবল তোমার হাতেই রয়েছে, তাই সনির্বন্ধ অনুরোধ, কেবল তোমারই পাদপ্রান্তে, আমাকে শক্তি দাও, আমাকে জ্বালিয়ে দাও, এ অন্তহীন শক্তি যেন ওদের জীবনেও প্রবাহিত করে চলতে পারি, ঠিক তখনই শোভা পাবে আলোর মেখলা, আলোয় আলোয় ভরে ওঠবে এককালের অভিশপ্ত আধার পুরি, আর এ পরিবর্তন তো কেবল তোমারই দ্বারা ঘটে চলছে নিয়ত। কেবল তুমিই সেই আলোর সন্তান, আলোর ধারক-বাহক, শব্দের গতির চেয়েও অধিক হলো আলোর গতি।
আজ আমরা পরিতৃপ্ত কেবল তোমারই উপর, আর কেন বলছি উপর, তোমার মধ্যে মিশে যেতে পেরে, একাকার হতে পেরে, আর তা সম্ভব হয়েছে কেবল তোমারই অপার প্রেমানুগ্রহে।
আজ আমাদের উপর মাত্র একটি দায়িত্ব ন্যাস্ত করেছো, আর তা হলো অকৃপন হস্তে নিরলসভাবে যেন তোমার প্রেমের বারতা দিকে দিকে ছড়িয়ে দিয়ে চলি, বাকি সব কিছু তুমি নিজেই সম্পন্ন করে চলছো, তার জ্বলন্ত সাক্ষী হলাম আজ আমরা শতবার আক্রান্ত হওয়া সত্তে¡ও অবিরাম চলছে আমাদের অব্যাহত গতি অগ্রযাত্রা আর এ গৌরব প্রশংসার একমাত্র দাবিদার হলে এক মাত্র তুমি, মানবরূপে আগত অদৃশ্য পরওয়ার দেগার খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ।