প্রত্যেকটি যন্ত্রের ব্যবহারবিধি সংবলিত পুস্তিকা ওই যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার ও যথাযথ উপযোগ প্রাপ্তিতে সাহায্য করে থাকে। অনেকেই ওই পুস্তিকা পাঠ করতে পারে, করে থাকে, এমনকি মুখস্ত পর্যন্ত করে নিজেকে সুপন্ডিত বলে জাহির করে। কিন্তু তাতে কী ফল দাঁড়ায়? কিছুটা ভারবাহীর এতো দৃশ্য মনে জাগায়। ব্যবহারবিধি তার কাছেই শতভাগ অর্থবহ, যার কাছে রয়েছে তেমন একটি যন্ত্র, এবং যিনি ওই যন্ত্রটি নিয়মিত ব্যবহার করে লাভ করেন প্রচুর ফায়দা।
বাজারে ঐশী গ্রন্থের অভাব নেই, সমাজেও একই অবস্থা। ঐশী বিধিবিধান মুখস্ত করে রাখার মতো যথেষ্ট লোকও পাবেন। কিন্তু অতিনগণ্যসংখ্যক লোক পাবেন, যারা ঐশীনির্দেশনা নিজেদের জীবনে প্রয়োগ করে নিজের এবং সমাজের ভাগ্যে বয়ে এনেছে আমূল পরিবর্তন।
হযরত আদম (আ.) থেকে শুরু করে অদ্যাবধি অর্থাৎ যুগের শেষ পর্যন্ত মাবুদ যেমন একজনই আছেন এবং থাকবেন, তদ্রƒপ তার নির্দেশনাও অপরিবর্তিত থাকতে বাধ্য। সমগ্র মানুষ তাঁর প্রতিনিধি, একই আদমের ঔরস থেকে সকলে হয়েছে পয়দা। তিনি মানুষের মাধ্যমে নিজের মহিমা প্রকাশ করার আগ্রহ বোধ করে আসছেন সেই আদিকাল থেকে। মহান রাব্বুল আলামিন মানুষের হাতে গড়া গৃহে বাস করেন না, তিনি অবশ্যই ঈমানদার ব্যক্তির কলবে বাস করেন।
ঈমানদার বলতে কী বুঝানো হয়? হযরত ইব্রাহীম নবীকে ঈমানদারদের রোল মডেল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি মাবুদের আহŸান পাবার সাথে সাথে আপন জ্ঞাতি দেশ তথা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মায়া ত্যাগ করে খোদার মনোনীত স্থানে ছুটে চললেন। তেমন ঈমানদার ব্যক্তির মুখে খোদার নির্দেশনামা শুনতে ভালো লাগে। মসিহ অধিকারসহ শিক্ষা দিয়ে থাকেন। তার অর্থ হলো, তিনি যা কিছু শিক্ষা দিতেন, তা নিজের জীবনে অক্ষরে অক্ষরে পালন করেই তবে অন্যকে শিক্ষা দিতেন।
প্রসঙ্গান্তরে বলতে হয়, একটি প্রেমের কাহিনী। দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠা প্রেম, বয়স যাই হোক না কেন, প্রেমের ক্ষেত্রে স্থান-কাল-পাত্র-ভাষা-খাদ্যাভ্যাস প্রধান বিষয় নয়। প্রেম হলো হৃদয়ের বিষয়, যা কোনোমতেই উদরের নয়। প্রেমপত্র হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে সাথে সাথে প্রেমও যে হারিয়ে যাবে, তেমন ভাবনা সম্পূর্ণ অবান্তর। ধরুন, প্রেমপত্রটি বেহাত হয়ে গেছে, আর তা শত্রুপক্ষের কারো হাতে। তারা যখন পত্রটি পাঠ করে, তখন কি প্রেমপত্রের প্রকৃত মালিকের মতো পাঠ করে, না ছিদ্র খুঁজে বের করার জন্য তা পাঠ করে। প্রেমিক প্রেমিকার পত্র যখন পাঠ করে তখন প্রতিটি শব্দে তার হৃদয়ে জেগে ওঠে অগণিত ঢেউ; কখনো আনন্দের, কখনো বিষাদেরÑ না না দোলাচলে এক নিশ্বাসে পত্রখানা শেষ করে ফেলে। প্রতিটি সিকোয়েন্সে যথাযথ প্রতিক্রিয়া ঘটতে থাকে তার মনে, হৃদয়ে, আচরণে, যা তার চোখে-মুখে-অধরে ফুটে ওঠে এবং ভাবগতিতে তা প্রকাশ হতে বাধ্য। ফুটন্ত গোলাপের গন্ধ লুকোবার উপায় নেই। হৃদয়ে জেগে ওঠা আনন্দের বন্যা ঠেকাবার ব্যবস্থা আছে কি? অথই পারাবারে জেগে ওঠা নতুন ভূমি গাংচিলের দল আগেই দেখতে পায়। প্রেমপত্রে ছত্রে ছত্রে যা কিছু লেখা থাকে তার শতগুণ প্রেমিক-প্রেমিকার হৃদয়ে, প্রতিটি মুহূর্তে, আন্দোলিত হতে থাকে। যেমন আগ্নেগিরির অভ্যন্তরে বিশালাকার লাভা প্রতিনিয়ত খেলতে থাকে। মাঝেমধ্যে তা থেকে দু-চার ফোটা বাহিরে উৎক্ষিপ্ত হয়ে পাহাড়ের পাদমূলে গড়িয়ে পড়ে। আমরা তখনই তা প্রত্যক্ষ করে থাকি। একইভাবে প্রেমের পারাবার থেকে দু-চার কলি সীমিত কাগজে প্রকাশ করার অর্থ প্রেম সীমাবন্ধ হবার নয়। প্রেমপত্র চুরি হয়ে গেলে বা বেহাত হয়ে পড়লে প্রেমদরিয়া শুকিয়ে যাবার নয়। আমাদের মনে রাখতে হবে, পত্রের ওপর নির্ভর করে প্রেম গড়ে ওঠে না, বরং বিপরীত, গড়ে ওঠা প্রেমের প্রয়োজনে মাঝেমধ্যে পত্রের প্রয়োজন হয়ে থাকে।
আদম (আ.) ও আলাহপাকের সাথে গড়ে ওঠা প্রেম পত্রনির্ভর নয়। মহাজ্ঞানী মাবুদ নিজের প্রয়োজনেও প্রাণবন্ত সহভাগিতা লাভের জন্য মানুষ সৃষ্টি করলেন। যদিও ফেরেশতাকুল চরমভাবে আপত্তি তুলেছিল, মানুষ সৃষ্টিতে বাধা দিয়েছিল, নিরুৎসাহিত করেছিল, যুক্তিজাল দাঁড় করাল; কিন্তু আলাহপাক কারো আপত্তি শুনলেন না, তিনি নিজের সুরতে মানুষ সৃষ্টি করলেন, প্রতিনিধিত্ব রক্ষার জন্য প্রজ্ঞা ধার্মিকতায় ভূষিত করলেন, অধিকন্তু, ফেরেশতাদের হুকুম দিলেন তারা যেন আদম (আ.) কে সেজদা দেয়। প্রিয় পাঠক, আপনি কি আঁচ করতে পেরেছেন, কোন মাপের মানুষটি হলেন আপনি।
যেহেতু আদম (আ.) স্বয়ং আলাহপাকের প্রতিনিধি, তাই তাঁর ঔরস থেকে যত মানুষ ভূমিষ্ঠ হয়েছে, উত্তরাধিকার সুত্রে তারা সকলেই আদমি এবং খোদার প্রতিনিধি, ফেরেশতাদের ভক্তি-সেজদা পাবার যোগ্য। হয়ত আপনি হারিয়ে ফেলেছেন আপনার পদমর্যদা। যদি হারাধন ফিরে পেতে চান, তবে আপনাকে অনুতপ্ত হৃদয়ে মাবুদের কাছে ফরিয়াদ জানাতে হবে। মাবুদ আপনার মিনতি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন না। তিনি অবশ্যই আপনার ফরিয়াদে সাড়া দেবেন। আপনার সাথে মাবুদের থাকতে হবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, দহরম-মহরম।
মাবুদ ও আপনার মাঝখানে অন্তরায় হিসেবে কে দাঁড়িয়ে আছে, আপনি কি তা জানেন? একমাত্র অভিশপ্ত ইবলিশ। ইবলিশকে রুখে দাঁড়ান, সে আপনার কাছ থেকে পালিয়ে যাবে। ঐশীনির্দেশনা জীবনে প্রয়োগ করার ফলে পরিবারে তথা সমাজে সাধিত হয় অকল্পনীয় পরিবর্তন। কাক্সিক্ষত শান্তি, বিশ্বশান্তি-মিশন যা কল্পনাও করতে পারে না। বিধিকলাপ পাঠ করা হয় প্রয়োগের কারণে। বিধিবাক্য মুখস্ত আছে, অথচ জীবন চলছে বিধিবহির্ভূত, তবে তেমন ক্ষেত্রে কী বলা যাবে। কেবলমাত্র ধোঁকাবাজের পক্ষেই তা মানায়। মানুষ ধোকায় পড়তে পারে। তাই বলে মহাজ্ঞানী অন্তর্যামি খোদাকে কি ধোকা দেয়া সম্ভব? মুর্খের দল কত কিছুই না ভাবে। চতুর কাক নিজের চোখ বন্ধ করে খাবার লুকিয়ে রাখে, ভাবে দুনিয়ার কেউ দেখল না। বিষয়টি বড়ই হাস্যকর।
মসিহ তাই শিক্ষা দিয়েছেন, শিশুদের এতো সরল না হলে কেউ বেহেশতি রাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না। এইমাত্র জন্মেছে এমন শিশুর মতো খাঁটি দুধ পেতে আগ্রহী হতে হবে, পেতে হবে বৃদ্ধি তার দ্বারা।
বাজারে ঐশী গ্রন্থের অভাব নেই, সমাজেও একই অবস্থা। ঐশী বিধিবিধান মুখস্ত করে রাখার মতো যথেষ্ট লোকও পাবেন। কিন্তু অতিনগণ্যসংখ্যক লোক পাবেন, যারা ঐশীনির্দেশনা নিজেদের জীবনে প্রয়োগ করে নিজের এবং সমাজের ভাগ্যে বয়ে এনেছে আমূল পরিবর্তন।
হযরত আদম (আ.) থেকে শুরু করে অদ্যাবধি অর্থাৎ যুগের শেষ পর্যন্ত মাবুদ যেমন একজনই আছেন এবং থাকবেন, তদ্রƒপ তার নির্দেশনাও অপরিবর্তিত থাকতে বাধ্য। সমগ্র মানুষ তাঁর প্রতিনিধি, একই আদমের ঔরস থেকে সকলে হয়েছে পয়দা। তিনি মানুষের মাধ্যমে নিজের মহিমা প্রকাশ করার আগ্রহ বোধ করে আসছেন সেই আদিকাল থেকে। মহান রাব্বুল আলামিন মানুষের হাতে গড়া গৃহে বাস করেন না, তিনি অবশ্যই ঈমানদার ব্যক্তির কলবে বাস করেন।
ঈমানদার বলতে কী বুঝানো হয়? হযরত ইব্রাহীম নবীকে ঈমানদারদের রোল মডেল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি মাবুদের আহŸান পাবার সাথে সাথে আপন জ্ঞাতি দেশ তথা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মায়া ত্যাগ করে খোদার মনোনীত স্থানে ছুটে চললেন। তেমন ঈমানদার ব্যক্তির মুখে খোদার নির্দেশনামা শুনতে ভালো লাগে। মসিহ অধিকারসহ শিক্ষা দিয়ে থাকেন। তার অর্থ হলো, তিনি যা কিছু শিক্ষা দিতেন, তা নিজের জীবনে অক্ষরে অক্ষরে পালন করেই তবে অন্যকে শিক্ষা দিতেন।
প্রসঙ্গান্তরে বলতে হয়, একটি প্রেমের কাহিনী। দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠা প্রেম, বয়স যাই হোক না কেন, প্রেমের ক্ষেত্রে স্থান-কাল-পাত্র-ভাষা-খাদ্যাভ্যাস প্রধান বিষয় নয়। প্রেম হলো হৃদয়ের বিষয়, যা কোনোমতেই উদরের নয়। প্রেমপত্র হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে সাথে সাথে প্রেমও যে হারিয়ে যাবে, তেমন ভাবনা সম্পূর্ণ অবান্তর। ধরুন, প্রেমপত্রটি বেহাত হয়ে গেছে, আর তা শত্রুপক্ষের কারো হাতে। তারা যখন পত্রটি পাঠ করে, তখন কি প্রেমপত্রের প্রকৃত মালিকের মতো পাঠ করে, না ছিদ্র খুঁজে বের করার জন্য তা পাঠ করে। প্রেমিক প্রেমিকার পত্র যখন পাঠ করে তখন প্রতিটি শব্দে তার হৃদয়ে জেগে ওঠে অগণিত ঢেউ; কখনো আনন্দের, কখনো বিষাদেরÑ না না দোলাচলে এক নিশ্বাসে পত্রখানা শেষ করে ফেলে। প্রতিটি সিকোয়েন্সে যথাযথ প্রতিক্রিয়া ঘটতে থাকে তার মনে, হৃদয়ে, আচরণে, যা তার চোখে-মুখে-অধরে ফুটে ওঠে এবং ভাবগতিতে তা প্রকাশ হতে বাধ্য। ফুটন্ত গোলাপের গন্ধ লুকোবার উপায় নেই। হৃদয়ে জেগে ওঠা আনন্দের বন্যা ঠেকাবার ব্যবস্থা আছে কি? অথই পারাবারে জেগে ওঠা নতুন ভূমি গাংচিলের দল আগেই দেখতে পায়। প্রেমপত্রে ছত্রে ছত্রে যা কিছু লেখা থাকে তার শতগুণ প্রেমিক-প্রেমিকার হৃদয়ে, প্রতিটি মুহূর্তে, আন্দোলিত হতে থাকে। যেমন আগ্নেগিরির অভ্যন্তরে বিশালাকার লাভা প্রতিনিয়ত খেলতে থাকে। মাঝেমধ্যে তা থেকে দু-চার ফোটা বাহিরে উৎক্ষিপ্ত হয়ে পাহাড়ের পাদমূলে গড়িয়ে পড়ে। আমরা তখনই তা প্রত্যক্ষ করে থাকি। একইভাবে প্রেমের পারাবার থেকে দু-চার কলি সীমিত কাগজে প্রকাশ করার অর্থ প্রেম সীমাবন্ধ হবার নয়। প্রেমপত্র চুরি হয়ে গেলে বা বেহাত হয়ে পড়লে প্রেমদরিয়া শুকিয়ে যাবার নয়। আমাদের মনে রাখতে হবে, পত্রের ওপর নির্ভর করে প্রেম গড়ে ওঠে না, বরং বিপরীত, গড়ে ওঠা প্রেমের প্রয়োজনে মাঝেমধ্যে পত্রের প্রয়োজন হয়ে থাকে।
আদম (আ.) ও আলাহপাকের সাথে গড়ে ওঠা প্রেম পত্রনির্ভর নয়। মহাজ্ঞানী মাবুদ নিজের প্রয়োজনেও প্রাণবন্ত সহভাগিতা লাভের জন্য মানুষ সৃষ্টি করলেন। যদিও ফেরেশতাকুল চরমভাবে আপত্তি তুলেছিল, মানুষ সৃষ্টিতে বাধা দিয়েছিল, নিরুৎসাহিত করেছিল, যুক্তিজাল দাঁড় করাল; কিন্তু আলাহপাক কারো আপত্তি শুনলেন না, তিনি নিজের সুরতে মানুষ সৃষ্টি করলেন, প্রতিনিধিত্ব রক্ষার জন্য প্রজ্ঞা ধার্মিকতায় ভূষিত করলেন, অধিকন্তু, ফেরেশতাদের হুকুম দিলেন তারা যেন আদম (আ.) কে সেজদা দেয়। প্রিয় পাঠক, আপনি কি আঁচ করতে পেরেছেন, কোন মাপের মানুষটি হলেন আপনি।
যেহেতু আদম (আ.) স্বয়ং আলাহপাকের প্রতিনিধি, তাই তাঁর ঔরস থেকে যত মানুষ ভূমিষ্ঠ হয়েছে, উত্তরাধিকার সুত্রে তারা সকলেই আদমি এবং খোদার প্রতিনিধি, ফেরেশতাদের ভক্তি-সেজদা পাবার যোগ্য। হয়ত আপনি হারিয়ে ফেলেছেন আপনার পদমর্যদা। যদি হারাধন ফিরে পেতে চান, তবে আপনাকে অনুতপ্ত হৃদয়ে মাবুদের কাছে ফরিয়াদ জানাতে হবে। মাবুদ আপনার মিনতি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন না। তিনি অবশ্যই আপনার ফরিয়াদে সাড়া দেবেন। আপনার সাথে মাবুদের থাকতে হবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, দহরম-মহরম।
মাবুদ ও আপনার মাঝখানে অন্তরায় হিসেবে কে দাঁড়িয়ে আছে, আপনি কি তা জানেন? একমাত্র অভিশপ্ত ইবলিশ। ইবলিশকে রুখে দাঁড়ান, সে আপনার কাছ থেকে পালিয়ে যাবে। ঐশীনির্দেশনা জীবনে প্রয়োগ করার ফলে পরিবারে তথা সমাজে সাধিত হয় অকল্পনীয় পরিবর্তন। কাক্সিক্ষত শান্তি, বিশ্বশান্তি-মিশন যা কল্পনাও করতে পারে না। বিধিকলাপ পাঠ করা হয় প্রয়োগের কারণে। বিধিবাক্য মুখস্ত আছে, অথচ জীবন চলছে বিধিবহির্ভূত, তবে তেমন ক্ষেত্রে কী বলা যাবে। কেবলমাত্র ধোঁকাবাজের পক্ষেই তা মানায়। মানুষ ধোকায় পড়তে পারে। তাই বলে মহাজ্ঞানী অন্তর্যামি খোদাকে কি ধোকা দেয়া সম্ভব? মুর্খের দল কত কিছুই না ভাবে। চতুর কাক নিজের চোখ বন্ধ করে খাবার লুকিয়ে রাখে, ভাবে দুনিয়ার কেউ দেখল না। বিষয়টি বড়ই হাস্যকর।
মসিহ তাই শিক্ষা দিয়েছেন, শিশুদের এতো সরল না হলে কেউ বেহেশতি রাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না। এইমাত্র জন্মেছে এমন শিশুর মতো খাঁটি দুধ পেতে আগ্রহী হতে হবে, পেতে হবে বৃদ্ধি তার দ্বারা।