ইয়ারমিয়া ২ ঃ ১৩ ‘… আমার বান্দারা দু’টা গুনাহ করেছে। জীবনদায়ী পানির ঝর্ণা যে আমি, সেই আমাকেই তারা ত্যাগ করেছে, আর নিজেদের জন্য এমন পানি রাখবার জায়গা তৈরি করেছে যা ভাঙ্গা, যাতে পানি ধরে রাখা যায় না।’
জগতের অধিকাংশ লোক ভুল পথে জীবনের উপচয় ও উৎস খুঁজে ফেরে। ঈমানদার বান্দার এমন ভুল পথ থেকে সাবধান থাকতে হবে সর্বাবস্থায়। উপরোক্ত আয়াতটি শুরু হয়েছে ‘আমার লোক’ দিয়ে যা প্রনিধানযোগ্য। তাদের বিরুদ্ধে দু’টো অপরাধের বিষয়ে অভিযোগ দেয়া হয়েছে, একটি হলো প্রকৃত জীবনের উৎস অর্থাৎ সর্বশক্তিমান রহমতের পারাবার আলাহকে পরিহার করে চলা, আর দ্বিতীয়টি হলো নিজেদের (জীবনের) চাহিদা পুরণের নিমিত্তে অনুপযোগি অযোগ্য উৎস প্রস্তুত করে নেয়া।
ইয়ারমিয়া নবীর সময়কার লোকজন ভুলে গিয়েছিল, খোদা যে একমাত্র সত্য ও জীবনের উৎস সে কথা। মসিহ শিক্ষা দিয়েছেন তাঁর উপর পুর্ণাঙ্গ আস্থা স্থাপন করার জন্য। যেন তিনিও আমাদের মধ্যে বসবাস করতে পারেন। খোদার কালাম পাঠ না করা, তা জীবনে প্রয়োগ ও হজম না করা ও তদনুযায়ী জীবন-যাপন না করে আমরা তাকে প্রত্যাখ্যান করে চলছি, ফলে এই জগতে সুখী সমৃদ্ধশালী জীবন-যাপন করার জন্য অত্যাবশ্যকীয় শক্তি ও পুষ্টি থেকে হচ্ছি বঞ্চিত।
খোদার কালাম নিয়মিত পাঠ অধ্যয়ন থেকে ক্রমশঃ দুরে সরে যাবার ফলে, আমরা নিজেদের মনোনিত ভাঙ্গা জলাধার যা তৃষ্ণা নিবারণের প্রয়োজনীয় জল ধরে রাখতে পারে না, জোড়াতালি দিতে বাধ্য হচ্ছি। খেদাকে বাদ দিয়ে স্বকল্পিত হাজারো উপায়ের দিকে যখন আমরা আকর্ষিত হয়ে পড়ি, তখন আমাদের জীবন অপূর্ণ ও চীতা বহ্নিমান অবস্থায় থেকে যায় বরাবর।
ইউনুস নবী হাড়ে হাড়ে বুঝতে পেরেছিলেন খোদার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবার মারাত্মক কুফল। যারা অপদার্থ মুর্তিগুলোর পূজা করে তারা তোমার যে রহমত পেতে পারতো তা অবহেলা করে (ইউনুস ২ ঃ ৮)।
খোদার দয়ায় জীবনের পরিপূর্ণতা লাভ, যা খোদা আমাদের জন্য বরাদ্দ রেখেছেন, রহমত বুঝাতে তা বুঝানো হয়। খোদাকে ত্যাগ করা ও ক্ষয়িষ্ণু প্রতিমা অর্থাৎ মনুষ্যরচিত উন্নয়নের বিধিকলাপের মুখোপেক্ষা করার কারণে খোদার অভাবিত আশির্বাদের ফল্গুধারা থেকে আজ আমরা বঞ্চিত হয়ে আছি।
কল্যাণের নিমিত্তে আমাদের স্মরণ করতে হবে এ আয়াতটি ‘ঈদের শেষের দিনটাই ছিল প্রধান দিন। সেই দিন মসিহ দাঁড়িয়ে জোরে জোরে বললেন, কারও যদি পিপাসা পায় তবে সে আমার কাছে এসে পানি খেয়ে যাক; যে আমার উপর ঈমান আনে, পাক-কিতাবের কথামত তার দিল থেকে জীবন্ত পানির নদী বইতে থাকবে’ (ইউহোন্ন ৭ ঃ ৩৭-৩৮)।
তিনিই জীবনের উৎস আর জীবন্ত জলের একমাত্র ফোয়ারা; তিনি বলেছেন,
মানুষের শরীর কোনো কাজের নয়, পাকরূহই জীবনর দেন। আমি তোমাদের যে কথাগুলো বলেছি তা রুহানি জীবনদান করেন (ইউহোন্না ৬ ঃ ৬৩)
আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন?
আমি কি জীবনের উৎস লাভের জন্য মসিহের উপর নির্ভরশীল।
জগতের অধিকাংশ লোক ভুল পথে জীবনের উপচয় ও উৎস খুঁজে ফেরে। ঈমানদার বান্দার এমন ভুল পথ থেকে সাবধান থাকতে হবে সর্বাবস্থায়। উপরোক্ত আয়াতটি শুরু হয়েছে ‘আমার লোক’ দিয়ে যা প্রনিধানযোগ্য। তাদের বিরুদ্ধে দু’টো অপরাধের বিষয়ে অভিযোগ দেয়া হয়েছে, একটি হলো প্রকৃত জীবনের উৎস অর্থাৎ সর্বশক্তিমান রহমতের পারাবার আলাহকে পরিহার করে চলা, আর দ্বিতীয়টি হলো নিজেদের (জীবনের) চাহিদা পুরণের নিমিত্তে অনুপযোগি অযোগ্য উৎস প্রস্তুত করে নেয়া।
ইয়ারমিয়া নবীর সময়কার লোকজন ভুলে গিয়েছিল, খোদা যে একমাত্র সত্য ও জীবনের উৎস সে কথা। মসিহ শিক্ষা দিয়েছেন তাঁর উপর পুর্ণাঙ্গ আস্থা স্থাপন করার জন্য। যেন তিনিও আমাদের মধ্যে বসবাস করতে পারেন। খোদার কালাম পাঠ না করা, তা জীবনে প্রয়োগ ও হজম না করা ও তদনুযায়ী জীবন-যাপন না করে আমরা তাকে প্রত্যাখ্যান করে চলছি, ফলে এই জগতে সুখী সমৃদ্ধশালী জীবন-যাপন করার জন্য অত্যাবশ্যকীয় শক্তি ও পুষ্টি থেকে হচ্ছি বঞ্চিত।
খোদার কালাম নিয়মিত পাঠ অধ্যয়ন থেকে ক্রমশঃ দুরে সরে যাবার ফলে, আমরা নিজেদের মনোনিত ভাঙ্গা জলাধার যা তৃষ্ণা নিবারণের প্রয়োজনীয় জল ধরে রাখতে পারে না, জোড়াতালি দিতে বাধ্য হচ্ছি। খেদাকে বাদ দিয়ে স্বকল্পিত হাজারো উপায়ের দিকে যখন আমরা আকর্ষিত হয়ে পড়ি, তখন আমাদের জীবন অপূর্ণ ও চীতা বহ্নিমান অবস্থায় থেকে যায় বরাবর।
ইউনুস নবী হাড়ে হাড়ে বুঝতে পেরেছিলেন খোদার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবার মারাত্মক কুফল। যারা অপদার্থ মুর্তিগুলোর পূজা করে তারা তোমার যে রহমত পেতে পারতো তা অবহেলা করে (ইউনুস ২ ঃ ৮)।
খোদার দয়ায় জীবনের পরিপূর্ণতা লাভ, যা খোদা আমাদের জন্য বরাদ্দ রেখেছেন, রহমত বুঝাতে তা বুঝানো হয়। খোদাকে ত্যাগ করা ও ক্ষয়িষ্ণু প্রতিমা অর্থাৎ মনুষ্যরচিত উন্নয়নের বিধিকলাপের মুখোপেক্ষা করার কারণে খোদার অভাবিত আশির্বাদের ফল্গুধারা থেকে আজ আমরা বঞ্চিত হয়ে আছি।
কল্যাণের নিমিত্তে আমাদের স্মরণ করতে হবে এ আয়াতটি ‘ঈদের শেষের দিনটাই ছিল প্রধান দিন। সেই দিন মসিহ দাঁড়িয়ে জোরে জোরে বললেন, কারও যদি পিপাসা পায় তবে সে আমার কাছে এসে পানি খেয়ে যাক; যে আমার উপর ঈমান আনে, পাক-কিতাবের কথামত তার দিল থেকে জীবন্ত পানির নদী বইতে থাকবে’ (ইউহোন্ন ৭ ঃ ৩৭-৩৮)।
তিনিই জীবনের উৎস আর জীবন্ত জলের একমাত্র ফোয়ারা; তিনি বলেছেন,
মানুষের শরীর কোনো কাজের নয়, পাকরূহই জীবনর দেন। আমি তোমাদের যে কথাগুলো বলেছি তা রুহানি জীবনদান করেন (ইউহোন্না ৬ ঃ ৬৩)
আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন?
আমি কি জীবনের উৎস লাভের জন্য মসিহের উপর নির্ভরশীল।