দস্তানা পরে হাতে হাত মিলানো, দুই বুকে ফাঁকা রেখে বুক মিলানো, মনে এক চিন্তা আর মুখে বিপরীত কথা হলো বিমূর্ত প্রতারণার মূর্তমান বিকাশ।
পূর্ব জার্মানী আর পশ্চিম জার্মানী মাঝখানে ছিল দুর্ভেদ্ধ কংক্রিটের দেয়াল, যদিও জার্মানি ছিল একটিই মাত্র দেশ, একই ভূখন্ড, তথাপি জনস্বার্থের পরিপন্থি অচ্ছুত দেয়াল ছিল বিভক্তকারী সীমানা। জনরোষে তা এককালে ভূমিস্মাৎ হয়ে গেল ১৯৮৯ সনে। আজ আমাদের ভূ-ভাগগুলো এমন কাটাতার দিয়ে টুকরো টুকরো করে রাখা হয়েছে, যা আমাদের হৃদয়ের মধ্যে পুষে রাখা অধরা হিংসা-বিদ্ধেষের দৃশ্যমান প্রকাশমাত্র। তা সত্তে¡ও লাউডস্পিকারের মাধ্যমে আমরা দিবানিশি ঘোষণা দিয়ে ফিরছি ‘সবার উপর মানুষ সত্য’ ‘সকল মানুষ এক আদমের সন্তান’, ‘আমাদের মাবুদ মাত্র একজনই’ যিনি মহব্বত ও রহমতের ধারক-বাহক, অথচ নিজেদের মধ্যে সৃষ্টি করে চলছি নিয়ত মেরামত ও প্লাস্টার দিয়ে ফিরছি বিভাজনকারী কাঁটাতার ও কক্রিটের বেড়া দিয়ে। আমরা সকলেই প্রতারক। আর তা পাইকারী হারে। আমাদের কোনো অধিকার নেই মানবতার মুক্তি ও ঐক্যের গাওয়া দেবার। যদি একান্তই স্লোগান দিতে হয় তবে পারষ্পরিক বিভাজনকারী দেওয়ালগুলো আগে ভাংতে হবে, সকলকে এক কাতারে সামিল হবার আগ্রহ প্রকাশ করতে হবে, বাস্তবে হতে হবে মিলিত, ঠিক তখনই প্রমান হবে ‘সকলেই আমরা সকলের তরে’। তখন আর বাহারী সুরে স্লোগানের কোনো প্রয়োজন পড়বে না।
মোদ্ধা কথা হলো, মানুষের মাঝে বিভাজনকারী সকল প্রকার দেয়াল তা দৃশ্যমান বা অদৃশ্য, বস্তুগত বা ভার্চিউয়্যাল অথবা ধর্মিয় বা সামাজিক যতপ্রকার বিভক্তকারী দেওয়াল থাক না কেন, মানবতার স্বার্থ প্রতিষ্ঠাকল্পে যেকোনো মূল্যে তা ভূলন্ঠিত করতেই হবে।
পূর্ব জার্মানী আর পশ্চিম জার্মানী মাঝখানে ছিল দুর্ভেদ্ধ কংক্রিটের দেয়াল, যদিও জার্মানি ছিল একটিই মাত্র দেশ, একই ভূখন্ড, তথাপি জনস্বার্থের পরিপন্থি অচ্ছুত দেয়াল ছিল বিভক্তকারী সীমানা। জনরোষে তা এককালে ভূমিস্মাৎ হয়ে গেল ১৯৮৯ সনে। আজ আমাদের ভূ-ভাগগুলো এমন কাটাতার দিয়ে টুকরো টুকরো করে রাখা হয়েছে, যা আমাদের হৃদয়ের মধ্যে পুষে রাখা অধরা হিংসা-বিদ্ধেষের দৃশ্যমান প্রকাশমাত্র। তা সত্তে¡ও লাউডস্পিকারের মাধ্যমে আমরা দিবানিশি ঘোষণা দিয়ে ফিরছি ‘সবার উপর মানুষ সত্য’ ‘সকল মানুষ এক আদমের সন্তান’, ‘আমাদের মাবুদ মাত্র একজনই’ যিনি মহব্বত ও রহমতের ধারক-বাহক, অথচ নিজেদের মধ্যে সৃষ্টি করে চলছি নিয়ত মেরামত ও প্লাস্টার দিয়ে ফিরছি বিভাজনকারী কাঁটাতার ও কক্রিটের বেড়া দিয়ে। আমরা সকলেই প্রতারক। আর তা পাইকারী হারে। আমাদের কোনো অধিকার নেই মানবতার মুক্তি ও ঐক্যের গাওয়া দেবার। যদি একান্তই স্লোগান দিতে হয় তবে পারষ্পরিক বিভাজনকারী দেওয়ালগুলো আগে ভাংতে হবে, সকলকে এক কাতারে সামিল হবার আগ্রহ প্রকাশ করতে হবে, বাস্তবে হতে হবে মিলিত, ঠিক তখনই প্রমান হবে ‘সকলেই আমরা সকলের তরে’। তখন আর বাহারী সুরে স্লোগানের কোনো প্রয়োজন পড়বে না।
মোদ্ধা কথা হলো, মানুষের মাঝে বিভাজনকারী সকল প্রকার দেয়াল তা দৃশ্যমান বা অদৃশ্য, বস্তুগত বা ভার্চিউয়্যাল অথবা ধর্মিয় বা সামাজিক যতপ্রকার বিভক্তকারী দেওয়াল থাক না কেন, মানবতার স্বার্থ প্রতিষ্ঠাকল্পে যেকোনো মূল্যে তা ভূলন্ঠিত করতেই হবে।