শিবু সম্ভুর ঘটনা অনেকের রয়েছে জানা, যারা মাত্র একটা বাঁশঝাড়কে কেন্দ্র করে হয়েছিল সর্বসান্ত। তারা ছিল সহোদর, একই পিতার ঔরষজাত সন্তান। ক্ষুদে বাঁশঝাড়কে কেন্দ্রে রেখে হলো তাদের মতিভ্রম, ঠ্যাঙ্গাঠেঙ্গি করে হলো সর্বহারা।
ঘটনাটি যেন এদন উদ্যানে ঘটে যাওয়া প্রথম খুন-খারাবি, যা কাবিল হাবিলকে হত্যা করেছিল। আপনার সামনে যদি কোনো বিবদমান দল হাতাহাতি মারামারি করতে শুরু করে তবে আপনার মনে কি প্রতিক্রিয়া জাগবে? অবশ্যই আপনার খারাপ লাগবে, যা হবে আপনার সুস্থতার প্রকাশ। খোদা শান্তিকামি, তিনি মানুষের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করতে চান অনাবিল নিরষ্কুষ শান্তি, আর তিনি হারিয়ে যাওয়া সন্তানদের নিয়ত ফিরে পেতে চান, স্বীয় ক্রোড়ে ঠাই দিতে চান, কেননা তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন নিজ সুরতে, তাঁর প্রতিনিধিত্ব করনার্থে, যে বিষয়টি জ্ঞানালোক প্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ কখনোই অস্বীকার করতে চাইবে না।
আসুন, একটি জটিল প্রশ্নের ফায়সালা করার আন্তরিক প্রচেষ্টা করে দেখি। বিবাদের অবশ্যই সমাধান থাকতে হবে, অবশ্যই তা হতে হবে বস্তুনিষ্ট, যুক্তি নির্ভর ও নিরপেক্ষ। আদম-হাওয়ার পতনের পর তারা বহু কেঁদেছেন। তাদের দেহমনে সংক্রমিত হয়ে গেছে অবাধ্যতার জিদ, যা তার ঔরষজাত সকল সন্তানদের মধ্যে কমবেশি হয়ে চলছে প্রবাহিত। তাদের পতনের পরবর্তী প্রভাব তাঁর ঔরষজাত সন্তানদের মধ্যে ভালো করে লক্ষ করা হলে দেখা যাবে রোগ শোকে ভুগে ভুগে যত সংখ্যক মানুষ হত না হয়েছে তার চেয়ে অধিক সংখ্যক মানুষ মারা গেছে যুদ্ধ-বিগ্রহে, মানুষের হাতে মানুষ হত হয়ে। এ প্রবণতা বর্তমান বিশ্বে কোনো অংশে কোথাও কম নয়। মানুষ আজ পাপ ও ইবলিসের হাতে কবলিত হয়ে আছে, কয়েদি নিজেকে নিজে মুক্ত করার ক্ষমতা আদৌ রাখে না।
পতিত আদমের ঔরষজাত কোনো সন্তানের হাতেই তেমন ক্ষমতা অবশিষ্ট নেই, মানুষের হাতে যে ঐশি প্রাধিকার দেয়া হয়েছিল, তাও সে হারিয়ে ফেলেছে ইবলিসের কুটচালে ধরা খেয়ে, অপকর্ম করতে রাজি হবার ফলে। যদিও মহাজ্ঞানি আলাহপাক আগেভাগেই তাদের নিষেধ করে রেখেছিলেন, কিন্তু কে শোনে কার মন্ত্র। তারা প্রলুব্ধ হয়ে পড়লো মনভুলানো পার্থিব সুখ শান্তির প্রত্যাশায়। এ কারনে কালামপাকে একটি বিশ্লেষণ ধর্মি আয়াত রয়েছে, যা হলো, ‘দেহের কামনা, চোখের লোভ ও সাংসারিক বিষয়ের অহংকার’ মানুষের পদস্খলন ঘটায়। জ্ঞানি মুর্খ এক্ষেত্রে সমান। কেবল ব্যবধান হলো, সে কার হাতে হচ্ছে নিয়ন্ত্রিত সে বিষয়ে। ব্যক্তি যদি পাকরূহের নিয়ন্ত্রণে হতে থাকে পরিচালিত, তবে সে অবশ্যই ধরতে পারবে শয়তানের সর্বপ্রকার চালাকি ও পারবে তারে প্রতিহত করতে। পাককালামে তেমন প্রত্যয়োক্তি রয়েছে, মসিহের শক্তিতে পরিহিত হলে ব্যক্তি অসাধ্য সাধন করতে পারে (ফিলিপীয় ৪ ঃ ১৩)।
আর দ্বিতীয় আর একটি অপশক্তি রয়েছে যে কিনা প্রথম থেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করে আসছে, আর ওর কাজই হলো মানুষের ক্ষতিসাধন করা। কেননা মানুষের কারণেই ইবলিস আজ বিতাড়িত। তাই স্বভাবতঃ উক্ত ইবলিস হলো মানুষের আজন্ম শত্রæ।
তাছাড়া ব্যক্তি তো বরাবরের মতো প্রতিনিধিÑ মূলতঃ খোদার প্রতিনিধি, আর হৃত হবার পরে সে হলো ইবলিসের ক্রিড়নক। মানুষকে পুনরায় হয়েছে ক্রয় করা, সর্বোচ্চ মূল্যে, খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহের পূতপবিত্র রক্তের মূল্যে। তিনি মানুষের পাপের প্রায়শ্চিত্ত শোধ দিয়েছেন, মানুষকে করেছেন গুনাহমুক্ত, ফলে তারা খোদার সাথে যুক্ত হবার এক অভাবিত সুযোগ লাভ করেছে, আর তা সম্ভব হয়েছে কেবল মসিহের প্রায়শ্চিত্ত সাধনকারী কোরবানির মাধ্যমে।
মসিহ গোটা বিশ্বের তাবৎ পতিত সন্তানদের উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন তার কাছে ছুটে আসার জন্য, আশ্রয় গ্রহণের জন্য, অনন্ত জীবন লাভের জন্য, সম্পূর্ণ বেগুনাই জীবন নিয়ে খোদার সাথে অনন্তকালিন জীবন-যাপন করার জন্য। এর ব্যতিক্রম আর কোনো উপায় গুনাহগারদের জন্য অবশিষ্ট নেই মুক্তিলাভের। কালামে তাই পরিষ্কার লিপিবদ্ধ রয়েছে, খোদার রহমতে ঈমান আনিবার মধ্য দিয়ে মানুষ নাজাত লাভ করে থাকে, ব্যক্তির ধার্মিকতার ফলে যা অর্জন করা কষ্মিনকালেও সম্ভব নয়।
মসিহ সকল গুনাহগারদের একটি প্লাটফর্মে একত্রিত করার জন্য আহবান করেছেন, আর উক্ত প্লাটফর্মটি হলো মহান রাব্বুল আল-আমিন, প্রেম অনুগ্রহের পারাবার স্বয়ং খোদার প্রেমশিক্ত বিশাল হৃদয়। মানুষতো তথা থেকেই পতিত হয়ে পড়েছিল, আর পুনরায় মসিহের জানের মূল্যে আবার তারা হারানো অধিকার, মর্যাদা ও পবিত্রতা ফিরে পেল মসিহের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে। আদমজাত সকলে গুনাহ করেছে, সকলের ধমনিতে প্রবহমান হচ্ছে কলুষিত রক্তের ধারা, সকলেই পাপী, হারিয়ে ফেলেছে খোদার গৌরব; আর ঐশি মেষ খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ, যিনি একাধারে কালেমাতুলা ও রুহুলাহ, তিনি একমাত্র বেগুনাহ ব্যক্তি, ঐশি মেষ, যিনি হলেন কোরবানি, অসহায় পতিত মানুষকে মুক্ত করার জন্য, আর এটিই হলো একমাত্র খোদার বিশেষ ব্যবস্থা, গুনাহগারদের নাজাত দানের জন্য।
আপনি মসিহকে জানতে, বুঝতে, তাঁর সাথে সখ্য স্থাপন করার জন্য তথা নিজের হৃদয়ের সকল জ্বালা-যন্ত্রনা ব্যাথা অভিমান অভিযোগ তাঁর কাঁধে তুলে দেবার জন্য ও এক নিবীড় সম্পর্ক স্থাপনকল্পে দ্রুত ছুটে আসুন এবং হৃদয়ের দরজা খুলে দিন, মুহুর্তের মধ্যে আপনি হয়ে ওঠলেন সম্পূর্ণ পরিবর্তিত এক ঐশি ব্যক্তিত্ব, যা দেখে সকলে অবিভুত হতে হবে বাধ্য। এখন থেকে আপনার নাম হলো ‘নূরুল আলম’।
ঘটনাটি যেন এদন উদ্যানে ঘটে যাওয়া প্রথম খুন-খারাবি, যা কাবিল হাবিলকে হত্যা করেছিল। আপনার সামনে যদি কোনো বিবদমান দল হাতাহাতি মারামারি করতে শুরু করে তবে আপনার মনে কি প্রতিক্রিয়া জাগবে? অবশ্যই আপনার খারাপ লাগবে, যা হবে আপনার সুস্থতার প্রকাশ। খোদা শান্তিকামি, তিনি মানুষের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করতে চান অনাবিল নিরষ্কুষ শান্তি, আর তিনি হারিয়ে যাওয়া সন্তানদের নিয়ত ফিরে পেতে চান, স্বীয় ক্রোড়ে ঠাই দিতে চান, কেননা তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন নিজ সুরতে, তাঁর প্রতিনিধিত্ব করনার্থে, যে বিষয়টি জ্ঞানালোক প্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ কখনোই অস্বীকার করতে চাইবে না।
আসুন, একটি জটিল প্রশ্নের ফায়সালা করার আন্তরিক প্রচেষ্টা করে দেখি। বিবাদের অবশ্যই সমাধান থাকতে হবে, অবশ্যই তা হতে হবে বস্তুনিষ্ট, যুক্তি নির্ভর ও নিরপেক্ষ। আদম-হাওয়ার পতনের পর তারা বহু কেঁদেছেন। তাদের দেহমনে সংক্রমিত হয়ে গেছে অবাধ্যতার জিদ, যা তার ঔরষজাত সকল সন্তানদের মধ্যে কমবেশি হয়ে চলছে প্রবাহিত। তাদের পতনের পরবর্তী প্রভাব তাঁর ঔরষজাত সন্তানদের মধ্যে ভালো করে লক্ষ করা হলে দেখা যাবে রোগ শোকে ভুগে ভুগে যত সংখ্যক মানুষ হত না হয়েছে তার চেয়ে অধিক সংখ্যক মানুষ মারা গেছে যুদ্ধ-বিগ্রহে, মানুষের হাতে মানুষ হত হয়ে। এ প্রবণতা বর্তমান বিশ্বে কোনো অংশে কোথাও কম নয়। মানুষ আজ পাপ ও ইবলিসের হাতে কবলিত হয়ে আছে, কয়েদি নিজেকে নিজে মুক্ত করার ক্ষমতা আদৌ রাখে না।
পতিত আদমের ঔরষজাত কোনো সন্তানের হাতেই তেমন ক্ষমতা অবশিষ্ট নেই, মানুষের হাতে যে ঐশি প্রাধিকার দেয়া হয়েছিল, তাও সে হারিয়ে ফেলেছে ইবলিসের কুটচালে ধরা খেয়ে, অপকর্ম করতে রাজি হবার ফলে। যদিও মহাজ্ঞানি আলাহপাক আগেভাগেই তাদের নিষেধ করে রেখেছিলেন, কিন্তু কে শোনে কার মন্ত্র। তারা প্রলুব্ধ হয়ে পড়লো মনভুলানো পার্থিব সুখ শান্তির প্রত্যাশায়। এ কারনে কালামপাকে একটি বিশ্লেষণ ধর্মি আয়াত রয়েছে, যা হলো, ‘দেহের কামনা, চোখের লোভ ও সাংসারিক বিষয়ের অহংকার’ মানুষের পদস্খলন ঘটায়। জ্ঞানি মুর্খ এক্ষেত্রে সমান। কেবল ব্যবধান হলো, সে কার হাতে হচ্ছে নিয়ন্ত্রিত সে বিষয়ে। ব্যক্তি যদি পাকরূহের নিয়ন্ত্রণে হতে থাকে পরিচালিত, তবে সে অবশ্যই ধরতে পারবে শয়তানের সর্বপ্রকার চালাকি ও পারবে তারে প্রতিহত করতে। পাককালামে তেমন প্রত্যয়োক্তি রয়েছে, মসিহের শক্তিতে পরিহিত হলে ব্যক্তি অসাধ্য সাধন করতে পারে (ফিলিপীয় ৪ ঃ ১৩)।
আর দ্বিতীয় আর একটি অপশক্তি রয়েছে যে কিনা প্রথম থেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করে আসছে, আর ওর কাজই হলো মানুষের ক্ষতিসাধন করা। কেননা মানুষের কারণেই ইবলিস আজ বিতাড়িত। তাই স্বভাবতঃ উক্ত ইবলিস হলো মানুষের আজন্ম শত্রæ।
তাছাড়া ব্যক্তি তো বরাবরের মতো প্রতিনিধিÑ মূলতঃ খোদার প্রতিনিধি, আর হৃত হবার পরে সে হলো ইবলিসের ক্রিড়নক। মানুষকে পুনরায় হয়েছে ক্রয় করা, সর্বোচ্চ মূল্যে, খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহের পূতপবিত্র রক্তের মূল্যে। তিনি মানুষের পাপের প্রায়শ্চিত্ত শোধ দিয়েছেন, মানুষকে করেছেন গুনাহমুক্ত, ফলে তারা খোদার সাথে যুক্ত হবার এক অভাবিত সুযোগ লাভ করেছে, আর তা সম্ভব হয়েছে কেবল মসিহের প্রায়শ্চিত্ত সাধনকারী কোরবানির মাধ্যমে।
মসিহ গোটা বিশ্বের তাবৎ পতিত সন্তানদের উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন তার কাছে ছুটে আসার জন্য, আশ্রয় গ্রহণের জন্য, অনন্ত জীবন লাভের জন্য, সম্পূর্ণ বেগুনাই জীবন নিয়ে খোদার সাথে অনন্তকালিন জীবন-যাপন করার জন্য। এর ব্যতিক্রম আর কোনো উপায় গুনাহগারদের জন্য অবশিষ্ট নেই মুক্তিলাভের। কালামে তাই পরিষ্কার লিপিবদ্ধ রয়েছে, খোদার রহমতে ঈমান আনিবার মধ্য দিয়ে মানুষ নাজাত লাভ করে থাকে, ব্যক্তির ধার্মিকতার ফলে যা অর্জন করা কষ্মিনকালেও সম্ভব নয়।
মসিহ সকল গুনাহগারদের একটি প্লাটফর্মে একত্রিত করার জন্য আহবান করেছেন, আর উক্ত প্লাটফর্মটি হলো মহান রাব্বুল আল-আমিন, প্রেম অনুগ্রহের পারাবার স্বয়ং খোদার প্রেমশিক্ত বিশাল হৃদয়। মানুষতো তথা থেকেই পতিত হয়ে পড়েছিল, আর পুনরায় মসিহের জানের মূল্যে আবার তারা হারানো অধিকার, মর্যাদা ও পবিত্রতা ফিরে পেল মসিহের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে। আদমজাত সকলে গুনাহ করেছে, সকলের ধমনিতে প্রবহমান হচ্ছে কলুষিত রক্তের ধারা, সকলেই পাপী, হারিয়ে ফেলেছে খোদার গৌরব; আর ঐশি মেষ খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ, যিনি একাধারে কালেমাতুলা ও রুহুলাহ, তিনি একমাত্র বেগুনাহ ব্যক্তি, ঐশি মেষ, যিনি হলেন কোরবানি, অসহায় পতিত মানুষকে মুক্ত করার জন্য, আর এটিই হলো একমাত্র খোদার বিশেষ ব্যবস্থা, গুনাহগারদের নাজাত দানের জন্য।
আপনি মসিহকে জানতে, বুঝতে, তাঁর সাথে সখ্য স্থাপন করার জন্য তথা নিজের হৃদয়ের সকল জ্বালা-যন্ত্রনা ব্যাথা অভিমান অভিযোগ তাঁর কাঁধে তুলে দেবার জন্য ও এক নিবীড় সম্পর্ক স্থাপনকল্পে দ্রুত ছুটে আসুন এবং হৃদয়ের দরজা খুলে দিন, মুহুর্তের মধ্যে আপনি হয়ে ওঠলেন সম্পূর্ণ পরিবর্তিত এক ঐশি ব্যক্তিত্ব, যা দেখে সকলে অবিভুত হতে হবে বাধ্য। এখন থেকে আপনার নাম হলো ‘নূরুল আলম’।