Saturday, August 30, 2025
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

ঐশি প্রাধিকার (এম এ ওয়াহাব)

alorfoara by alorfoara
December 2, 2022
in সংখ্যা ২২ (৩০-১১-২০২২), সম্পাদকীয়
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter

মানুষের ঝোঁক, আনুকূল্য, অনুরাগ, চিত্তবৃত্তি, আগ্রহ ইত্যাদি প্রমান করে তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট!

কাউকে কোনো কাজে দায়িত্ব দেবার পূর্বে আপনাকে অবশ্যই তার মনস্তাত্তিক অনুরাগ চিত্তবৃত্তি জেনে নিতে হবে, আর সে কারণেই দায়িত্ব প্রদানের পূর্বে ইন্টারভিউ নেয়া হয়।

বর্তমানকার মানুষ আর আদম, প্রথম মানুষ, কি একই চিত্তচাঞ্চল্যতায় ভুগে চলছে? প্রশ্নটি করার পিছনে যথার্থ কারণ হলো, পাইকারীহারে আমরা সকলেই ঐ একই অবাধ্য আদমের বংশধর। আদমের বিদ্রোহী রক্ত আমাদের ধমনিতে রয়েছে প্রবাহিত। রক্ত বদলে দেয়া সম্ভব নয়। আর তাতে কোনো লাভও নেই।

মানুষ হলো ভৌতিক সৃষ্টি, যার মধ্যে স্থাপন করা চলে প্রভাব। সে খোদার সুমহান প্রেরণায় চলতে পারে, আবার ইবলিসের কুটচালে পরিচালিত হয়ে সুন্দর শান্তিপূর্ণ সৃষ্টি লন্ডভন্ড করেও দিতে পারে।

মানবেতিহাস নিয়ে পর্যালোচনা করা হলে মানুষের প্রবণতা প্রকাশ পাবে। সকলে পাপ করেছে আর তা ব্যতিক্রমহীনভাবে প্রথম মানুষ অবাধ্য আদমের ঔরষজাত সকলেই। মানুষের চিন্তা ও কর্ম সদাই মন্দ আর মন্দ। যে কারণে খুন, রাহাজানী সংক্রান্ত বই ও ছবিগুলো এতটা বাজার পেয়েছে। ছেলেপুলেরা খাওয়া-দাওয়া পর্যন্ত ভুলে যায়; যখন তারা তেমন নরঘাতী ছায়াছবি দেখতে থাকে। যে ছায়াছবিতে মারদাঙ্গা থাকে না, তা কতিপয় পছন্দ করতে পারে, তবে সাধারণ দর্শক দুরে থাকে। আর বয়স্ক লোকদের প্রবণতা কতকটা অভিন্ন, কোন পক্ষ কোনপক্ষকে ঘায়েল করলো, অপূর্ব কৌশলে পরাভুত করলো, তেমন শত্রুনিধন কর্মনিপুণতা দেখে লাভ করে প্রচুর আমোদ। হয়ে ওঠে মাতোয়ারা। বিষয়টি অর্থাৎ খুনি চেতনা প্রবণতা কখন থেকে জাত হলো খোদার মনোনীত সর্বোত্তম সৃষ্টির মধ্যে।

খোদা আদমকে যখন সৃষ্টি করলেন, তখন তিনি নিজের মত করেই তাকে মান-সম্মান, প্রজ্ঞা, ধার্মিকতা অভিষেক দান করলেন; যথার্থ প্রতিনিধিত্ব করার জন্য অবশ্যই থাকতে হবে একই প্রজ্ঞা, দৃষ্টি, মনোভাব। স্বীয় প্রতিনিধিকে অপূর্ণ রাখলেন না শ্রষ্টা, ঢেলে দিলেন ঐশি গুনাবলী যোগ্যতা, আপন সুমহান স্রষ্টার মানমর্যাদা অক্ষুন্ন রাখার জন্য। বাধ সাধল অভিশপ্ত বিতাড়িত ইবলিস, ছলে বলে নানান কৌশলে তাদের ভুলিয়ে দিল; অবশ্য দেহের কামনা, চোখের লোভ আর ক্ষণস্থায়ী সংসারের প্রতি অদম্য উন্মাদনার তোড়ে লোভাতুরা হয়ে পড়লো; ঐশি সর্বাঙ্গীন সুন্দর ব্যবস্থা পরিহার করে অভিশপ্ত কুলটা ইবলিসের পদলেহন করতে লেগে রইল

বিষয়টি হলো মানুষকে নিয়ে কথা। খোদা মানুষ সৃষ্টি করেছেন আপন মহিমা প্রকাশ করার জন্য। এই মানুষই যে নিপুণভাবে বহন করতে পারে ঐশি বিষয়াদি তা মানুষ নিজে যতটা না জানে তার চেয়ে অধিক জানে অভিশপ্ত ইবলিস। আর ইবলিসের মস্তক চূর্ণবিচূর্ণ করার ক্ষমতা যে মানুষের হাতে রয়েছে সে খবরও জানা আছে ইবলিসের (পয়দায়েশ ৩ : ১৫)।

বর্তমানকার মানুষ বিষাক্ত মারাত্মক পাপের প্রভাবে হয়ে আছে দিশেহারা; নিজেদের ক্ষুদে জ্ঞানার্জিত উপায়গুলো কেবল নিজেদের কাঁদায়, পস্তাতে হয় মনে মনে, সমস্যার সমাধান তো মিলেই না, উপরন্ত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দ্বিগুন দুর্বিসহ করে তোলে।

দৃষ্টান্ত দেয়া চলে হাবিল কাবিলের মধ্যে ঘটে যাওয়া কলহ বিবাদের সমাধান শেষ পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া গেল না, পরিণতি দাঁড়ালো বড়ই করুন ‘ভ্রাতৃহনন’ যা প্রতিনিয়ত ঘটে চলছে অদ্যাবধি।

জীবনে, চলার পথে, সমস্যা তো আসতেই পারে, কন্টকাকীর্ণ পথে বড়ই সাবধানে চলতে হবে, তা সকলের জানা রয়েছে। তারপরও ভুল হয়, মতিভ্রম হবার ফলে গতিপথ উল্টো মনে হয়। কথায় আছে, ‘সময় হইলে মন্দ কুবুদ্ধি ঘটায়; যাহাতে হইবে ক্ষতি রাজী তাতে হয়।’

মানুষ নিয়ত খুঁজে ফিরছে, জ্বালাতনকারী সমস্যার নিখুঁত সমাধান। কখনো কখনো নিজে নিজে তা আবিষ্কার করে ফিরছে, আবার কখনো যাচ্ছে বিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছে; মনে হবে যে কোনো মুল্যে চাই আসু সমাধান! দোষ আমি দেব না তেমন প্রবণতা দেখে, তবে বলতে চাই, যারাই ‘মুস্কিল আছান’ বিলিয়ে বেড়াচ্ছে, তাদের নিজেদের সমস্যার সমাধান কি খুঁজে পেয়েছে? সার্বিক সমস্যার কবল থেকে হতে পেরেছে কি অবমুক্ত? প্রশ্ন আর প্রশ্ন।

আদম পতিত ও বিতাড়িত। আমরা হলাম তেমন অবাধ্য আদমের বংশজাত সন্তান, আমাদের প্রত্যেকের ধমনিতে বহমান রয়েছে ঐ একই খুনে একগুয়েমি চিন্তা; নবী-রাসুল পর্যন্ত ঐ একই আদমের বংশজাত, প্রভেদ নেই, কিতাবে অবশ্য উল্লেখ রয়েছে, দায়িত্ব প্রদানের পূর্বে প্রত্যেকটি ব্যক্তিকে সুসিদ্ধ করে নেবার নির্দেশনা বা ঘটনা। কারো হৃদয় চীরে কালো রক্ত বের করে দিয়ে তার হাতে তুলে দিয়েছে ঐশি গুরুদায়িত্ব, আবার কারো নাপাক ঠোট আগুন নিয়ে পুড়ে দেয়া হয়েছে; যাকগে, মানুষ বরাবর মানুষই থাকে, মানুষের দেহ কোনো কাজের নয়, অর্থাৎ, রুহানি বিষয় সাধন করার জন্য দেহের কোনো ভুমিকাই থাকে না। কেরোসিন তেল দিয়ে প্রদীপ জ¦ালালেন আর মোমবাতি জ¦ালিয়ে অন্ধকার দূর করলেন, উভয়ক্ষেত্রে অভিন্ন বিষয় হলো আগুন, যাকে আমরা আলো বলতে পারি। আগুন নিয়ন্ত্রণ করে তবে উত্তাপ নিতে হয়, আবার নিয়ন্ত্রণে রেখে পেতে হবে আলো, সর্বাবস্থায় অন্ধকার দূর করা হলো কেবলমাত্র আলোর দায়িত্ব। জ্যোতির্ময় যা করে তা হলো প্রদীপ্ত প্রদীপ উচুতে তুলে ধরে, যেমন লেখা আছে, প্রদীপ জে¦লে কেউ তা ঢেকে রাখে না বরং বাতিদানের উপর রাখে, যাতে অধিক সংখক লোক হতে পারে উক্ত প্রজ্জ্বলিত আলোর দ্বারা উপকৃত। আলোর নিজস্ব দায়িত্ব হলো অন্ধকার দূর করা। ঐ গুরুদায়িত্ব বহন করার ক্ষমতা বা অধিকার পতিত আদমের হাতে দেয়া হয় নি, সম্ভবও নয়।

খোদা হলেন নূর, মসিহ সেই একই নূর যিনি আমাদের মধ্যে মানবরূপ নিয়ে নেমে এসেছেন। তিনি বরাবর নূরের কাজ করে গেছেন, তাঁর দ্বারা অন্ধকারের কোনো কাজ হয় নি সাধিত। তিনি জীবনের মালিক, যিনি হলেন অনন্তজীবি এক রুহানি সত্ত্বা। লোকে তাকে চিনতে পারে নি। যখন তিনি তাঁর রক্ত-মাংসের কথা বলেছেন যা হলো একমাত্র জীবনদায়ী খাদ্য, তখনই জনতা বিগড়ে গেল। তিনি যে পাকরূহ এবং ঐশিকালাম, আল্লাহপাকের জীবন্ত কালাম, কর্মক্ষম রুহ তা তাদের কাছে গুরুত্বসহকারে বুঝাতে চেষ্টা করেছেন। গল্পচ্ছলে দৃষ্টান্তের মাধ্যমে তিনি শিক্ষা দিতেন, যেন শ্রোতামন্ডলী তাঁর শিক্ষার মর্মকথা সহজেই বুঝতে পারে। তাঁর কথা যদি তারা বুঝতেই না পারলো, তবে জীবনে বাস্তবায়ন করবে কেমন করে।

তিনি বুঝাতে চেয়েছেন, সর্পাঘাতে মুমুর্ষূ ব্যক্তি একজন আর একজনকে সাহায্য করতে পারে না। কোনো গুনাহগার অন্য গুনাহগার ব্যক্তিকে গুনাহমুক্ত করার ক্ষমতা ও অধিকার কোনোটাই রাখে না। যাদের রয়েছে বিষয়ভিত্তিক তিক্ত অভিজ্ঞতা ও অধিকার, তারা নবীনদের হেদায়েত উপদেশ দিয়ে থাকেন, যেন কেউ ভুল পথে ডুবে থেকে নিজের ক্ষয়ক্ষতি অধিক পরিমাণ বাড়িয়ে না তোলে।

মানুষের হৃদয়ে পুঞ্জীভূত গুনাহ দূর করার জন্য ইতোমধ্যে এক নিখুঁত মেষের কোরবানী দেয়া হয়েছে। প্রেমের তাগিদে পরমকরুণাময় খোদা নিজেই তেমন পারঙ্গম ব্যবস্থা সাধন করেছেন। অবশ্য তিনি তেমন অপূর্ব ব্যবস্থার কথা ঘোষণা করেছেন প্রথম মানুষ আদমের পতনের সাথে সাথে। কিতাব থেকে তা দেখে নিতে পারেন (পয়দায়েশ ৩ : ১৫)।

যেহেতু জীবন্ত জাগ্রত ঐশি নূর খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ হলেন শতভাগ বেগুনাহ ব্যক্তি, পাকরূহের মানবরূপ ও পাককালারেম মূর্তমান প্রকাশ, আর তিনি নিজেই মানুষের সর্বপ্রকার পাপ ও সমস্যার সমাধানকল্পে নিজে হরেন কোরবানী, কেবল বিশ্বাসহেতু গোটা বিশ্ব হয়ে গেল গুনাহমুক্ত, নির্দোষ ঐশি সন্তান। পুনরায় তারা ফিরে পেল হৃত অধিকার যা পাপের কারণে হারিয়ে ফেলেছিল একদা। আদরেম ঔরষজাত কোনো গুনাহগারের পক্ষে তেমন যোগ্য মেষের ভূমিকা পালন করার উপায় ছিল না বা নেই।

প্রশ্ন হলো, ধর্ম নামে বর্তমান বিশ্বে যতগুলো মতবাদ বা নিয়ম-কানুন চালু রয়েছে, ওগুলো তবে কেন রচিত হলো? যে কোনো জটিল রোগের চিকিৎসা সাধারণত দুটো পর্যায়ে চালানো হয়ে থাকে। প্রথম ধাপ হলো রোগ নির্ণয় আর দ্বিতীয়টি হলো ঔষধপথ্যের সঠিক প্রয়োগ। অনেকগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা নিয়ে বিজ্ঞ চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে হয়; তারপর তিনি ব্যাধি নিরাময়ের জন্য ঔষধপথ্যের নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। আপনি প্রথম ধাপ পার করলেন তারপর দ্বিতীয় ধাপ অতিক্রম করলেন, এবার আপনার পালা নিয়মিত ঔষধ পথ্য সেবন করা, তবেই আপনি ক্রমান্বয়ে সুস্থ্য হয়ে ওঠবেন। গোটা বিশ্ববাসির জন্য তেমন একখানা ঐশি প্রেসক্রিপশন হলো দশ আজ্ঞা বা দশ শরীয়ত (হিজরত ২০ : ১-২১)। এবার হলো নিজেকে পরিক্ষা করার পালা। যাদের জীবনী নিয়ে হয়ে আছেন পাগলপারা, তাদের জীবন এবং ভক্তকুলদের জীবন উক্ত দশ আজ্ঞা মাফিক চলেছে কিনা তা হলফ করে বলুন। অবশ্য আমার কাছে তা স্বীকার করতে আপনি বাধ্য নন, তবে অনুরোধ র’ল নিজেকে প্রবোধ দেবার মত মনের জোর লাভ করুন।

কর্মহেতু মুক্তি আসে না, আর আদমকুলে জাত প্রত্যেকে গুনাহগার; যে কারণে গুনাহমুক্তির এতশত ব্যবস্থা ভূইফোরের মত সমাজে গজিয়ে ওঠেছে, অজ্ঞতার কারণে বাজার পাচ্ছে। তীর্থে তীর্থে, মাজারে মাজারে, ঐতিহাসিক স্থান সমূহে নিয়ত মানুষ ছুটে বেড়াচ্ছে, মাজারের মালিকের কথামত কতকিছু যে করে বেড়াচ্ছে, কেবল মুক্তি লাভের জন্য, চিত্তের মধ্যে জাত বেদনাদায়ক দুষ্ট ক্ষত আর শুকাচ্ছে না। মানুষ নিয়ত তীমির থেকে তীমিরেই নেমে যাচ্ছে। তারা সকলেই যেন মহান মাবুদের সাথে পাল্লা ধরেছে।

খোদা মাত্র একজন মানুষ সৃষ্টি করেছেন, আর তাকে দোয়া করেছেন, প্রজাবন্ত ও বহুবংশ হবার জন্য। প্রথম মানুষ আদমের ঔরষ থেকে যত সন্তানের জন্ম হয়েছে তারা সকলেই একই জাতি। জাতিভেদ করা পরিষ্কার খোদাদ্রোহী প্রচেষ্টা। তা আপনি যত প্রকার অস্র দিয়েই গোটা মানবসমাজ খন্ডবিখন্ড করুন না কেন, ঐ একই মানুষের মধ্যে সৃষ্টি করে চলছেন উষ্মা, ঘৃণা, কলহ, পারষ্পরিক প্রতিহিংসা। মজার বিষয় হলো, মানুষ দিয়ে মানুষ বধ করার খেলা দেখার জন্য স্টেডিয়াম ভরে ওঠে, অথচ মানুষের মধ্যে প্রেমপ্রীতি প্রতিষ্ঠাকল্পে আয়োজিত সমাবেশে লোকজনের আগমন, তুলনামূলকভাবে, অনেক কম। শত্রু নিধনের জন্য অগণীত অর্থ ব্যয় করা হয়ে থাকে আর তা রাষ্ট্রীয়ভাবে, সরকারী কোষাগার থেকে, তবে মানুষের মধ্যে প্রেমপ্রীতি ফিরিয়ে দেবার জন্য যিনি নিজ প্রাণ পর্যন্ত দিলেন অকাতরে কোরবানী, তাকে নিয়ে প্রচারপত্র, বইপুস্তক সভা-সমাবেশ আয়োজন করতে গিয়ে নাভিশ্বাস শুরু হয়।

তাছাড়া শত্রু বলতে আপনি কাকে মনে করেন? মানুষের শত্রু কোনো মানুষ হতে পারে না। মানুষের চিরস্থায়ী শত্রু হলো অভিশপ্ত ইবলিস, যে কিনা নিয়ত সাধনা করে চলছে বিশ্বটি নরশুন্য করে দিতে। আর তা করার জন্য চাই (Divide and Rule) বিভক্ত করো ও শাসন কর এ হলো ইবলিসের সর্বোত্তম ব্যবস্থা। শোষিত জনগোষ্টি জানে, মানুষের চরম শত্রু হলো ইবলিস, আর আমাদের যুদ্ধ হলো ইবলিসের বিরুদ্ধে, সর্বপ্রকার চালাকি ফাঁস করে দেয়া হবে আমাদের দায়িত্ব, জনগের কাছে তাদের প্রকৃত শত্রুটিকে পরিচিত করে দেয়া হবে আমাদের একমাত্র দায়িত্ব। এ যুদ্ধ কোনো সামগ্রীক যুদ্ধ নয়, গোলাবারুদের নেই হেথা কোনো প্রয়োজন, এ যুদ্ধ পরিচালনা করতে অত্যাবশ্যক হলো ঐশি কালাম, যা হলো দ্বিধার খগড়ের চাইতেও অধিক ধারালো, অস্থিমজ্জা পর্যন্ত পৌছে যায় অবলীলাক্রমে। এ অভিনভ তরবারীর দায়িত্ব হলো অন্যায় অপরাধকে ন্যায় ও সত্যের মধ্য থেকে বাহির করে দেয়া। যেমন ছেদনের সময় শ্যামাঘাস আর রোপন করা গম আলাদা করে; একটি পড়ে ফেলে আর একটিকে করে গোলাজাত (মথি ২৫ : ৩১-৪৬)।

ধর্মীয় বিষয়ে যে উপদেশ মানুষ প্রত্যাশা করে তা হলো মানুষের মধ্যে চলমান ঘটমান বাধ-বিভেদের হোক সমাধান। মানুষ যেন আবার মিলে মিশে চলে, আসলে খোদার পরিকল্পনা কেবল তাই। মাত্র একজন আদম, যাকে দোয়া করেছেন, জনসংখ্যা উৎপাদন করে বিশ্বটাকে মানুষের উপযোগী আবাস ভূমি হিসেবে ব্যবহার করা। মানুষের মধ্যে পরশ্রীকাতরতা কেবল পাপের ফল। মারাত্মক বিষ শরীরে প্রবিষ্ট হয়ে তাৎক্ষণিক স্বাভাবিক গতি, তাপ চাপ বিকৃত করে তোলে, একইভাবে পাপ মানুষের হৃদয়ে প্রবেশলাভ করার তাৎক্ষণিক ফল হলো ভ্রাতৃ হনন। কালামপাকে পরিষ্কার আর্জী রয়েছে, তারা যেন এক হয় (ইউহোন্না ১৩ : ৩৪)।

ধর্ম শব্দ নিয়ে জনমনে একটা অস্পষ্ট ধারণা বিরাজ করছে। বিশ্লেষণাত্বক ধারণা জানতে চেয়ে যে জবাব পেয়েছি তা হলো মিশ্র বক্তব্য। যেমন হিন্দু ধর্ম, খ্রীষ্টান ধর্ম, বৌদ্ধ ধর্ম, যৈণ ধর্ম ইত্যাদি। মূলত মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাগ দিয়ে ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ কতোটা জুৎসই বস্তুনিষ্ঠ হতে পারে তা অবশ্যই আমাদের ক্ষতিয়ে দেখতে হবে। ধর্ম হলো অন্তর্যাত স্বভাব, যেমন চুম্বকের ধর্ম, আগুনের ধর্ম, জলের ধর্ম প্রভৃতি সহজাত প্রকৃতি। সেই সুবাদে মানুষের ধর্ম অবশ্যই হবে মানবতা। খোদা মানুষ সৃষ্টি করেছেন; বর্তমানকার শতধা বিভক্ত বিবদমান মানুষ হলো বিভক্তি বিচ্ছিন্নতার অশুভ প্রতিফল; যাকে পাপের কুৎসিত ফল বলাও চলে।

মানবশ্রষ্টা পরমকরুনাময় মানুষের পরিচয় বহন করলেন যা শুনলে আক্কেলগুরুম হবার পালা। মানুষ হলো খোদার সুরতে খোদার প্রতিনিধি; খোদার প্রতিনিধিত্ব করা হলো মানুষের জন্মগত অধিকার।

খোদা নিজেই মানুষকে এক পরম সম্মাননা দান করলেন, তাঁর বাতেনি গুনাবলী দিয়ে তিনি তাঁকে করলেন জ্ঞানবান সম্মানিত ব্যক্তি, যা সহ্য হলো না অভিশপ্ত ঈর্ষাকাতর ইবলিসের। খোদার বিরুদ্ধে চলে গেল এবং মানুষের সর্বনাশ করার জন্য আজন্ম এক ব্রত নিয়ে নিল। কর্মব্যস্ত হয়ে পড়লো কুলটা ইবলিস মানুষের বিনাশ করার জন্য। শেষতক হলো কামিয়াব। একই আদমের সন্তান-সন্তুতি আজ কলহ, যুদ্ধ, বলিদানে হয়ে দাঁড়ালো সিদ্ধহস্ত। মানুষ মানুষকে কতল করতে লেগে গেল, যার ফিতা কাটলেন কাবিল সহোদর ভ্রাতা হাবিলকে হত্যার মাধ্যমে।

বিশ্ব ইতিহাস পর্যালোচনা করার সুযোগ পেলে বুঝতে পারবেন, পার্থীব ক্ষণস্থায়ী স্বার্থের মোহে অন্ধ হয়ে মানুষ আপন ভ্রাতা-ভগ্নি, পিতা-মাতাকে খুন করে সিংহাসন কন্টক মুক্ত করেছে।

যতগুলো সাম্রাজ্য বিশ্বের চিত্রপটে ইতোপূর্বে অতিবাহিত বা ক্ষমতা দেখিয়ে গেছে, তাদের প্রত্যেকটি অভিযান ছিল রক্ত স্নাত আর তা স্বজন-প্রিয়জনদের রক্তের মূল্যে। বিশ্বাস না হয় একবার পাবলিক লাইব্রেরী থেকে ঘুরে আসুন।

কতশত কবি-সাহিত্যিক বিগত হয়েছে, আর বর্তমানে যারাই কলম চালিয়ে চলছেন, তাদের কাছ থেকে সমাজ সত্যিকারের মানবতার দীশা পেতে চায়। নতুন একটা বই বাজারে আসার সাথে সাথে সকলে এর মর্মার্থ মোদ্দা কথা জানার জন্য ঔৎসুক্য নিয়ে অপেক্ষা করে। সকলে অপেক্ষায় থাকে, এমন এক বলিষ্ট লেখক বেরিয়ে আসুক, যিনি সমাজের পুঞ্জিভূত অবক্ষয় ক্লেদকালিমা নিয়ে বক্তব্য রাখবেন, আর তেমন সঠিক পরামর্শ সকলে মেনে নিয়ে সমাজটাকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে অনুপ্রাণীত হবে। ‘মানুষ মানুষের জন্য’ সকলে স্বজন-প্রিয়জন, একইবৃন্তে ফোঁটা শতফুল, পরষ্পর মিলেমিশে ক্ষমা ও প্রেমের আশিষবর্ষনে দোযখের প্রজ্জ্বলিত লেলিহান শীখা নিভিয়ে দেয়া যা হবে আমাদের ঐশি প্রতিজ্ঞা। মাবুদ আমাদের শক্তি দান করেন, যার ফলে আমাদের পক্ষে ইবলিসের বিরুদ্ধে অবিরাম যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে।

আমরা বহুক্ষেত্রে বলে বসি, মরতে মরতে বেঁচে গেলাম! ইবলিসের সাথে যুদ্ধের ক্ষেত্রটি কিন্তু তেমন। ইতোপূর্বে ইবলিসের সার্বিক শক্তি সম্পূর্ণভাবে চূর্ণবিচূর্ণ করে ফেলা হয়েছে। আর তা করেছেন বেগুনাহ নাজাতদাতা ঐশি তনয় খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ। ঘোষণাটি এসেছে সর্বশক্তিমান প্রেমের পারাবার খোদ মালিকের কাছ থেকে। পয়দায়েশ পুস্তকের তিন অধ্যায় পনের পদে বিষয়টি এভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে, আমি চৌদ্দপদ থেকে তুলে দিলাম, তখন মাবুদ আল্লাহ সেই সাপকে বললেন, “তোমার এই কাজের জন্য ভূমির সমস্ত গৃহপালিত আর বন্য প্রাণীদের মধ্যে তোমাকে সবচেয়ে বেশী বদদোয়া দেওয়া হল। তুমি সারা জীবন পেটের উপর ভর করে চলবে এবং ধুলা খাবে। আমি তোমার ও স্ত্রীলোকের মধ্যে এবং তোমার বংশ ও স্ত্রীলোকের মধ্য দিয়ে বংশের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করব। সেই বংশের একজন তোমার মাথা পিষে দেবে আর তুমি তার পায়ের গোড়ালীতে ছোবল মারবে।”

এবার বলুন, কারপক্ষে সম্ভব হয়েছে ইবলিসের পুরো চাতুর্য সম্পূর্ণ নাকাম করে দেয়া। যিনি জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত গোটা জীবন সম্পূর্ণ নিষ্পাপ অবস্থায় কাটিয়ে গেছেন, কেবল তিনিই ইবলিসের গুপ্ত রহস্যপূর্ণ পরিকল্পনা বানচাল করে ফেলেছেন। খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহকে নিয়ে যারা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের বুঝতে আর বাকী নেই, কেন অবাধ্য লোকজন তাঁর বিরোধীতা করে চলছে। যারাই ধর্মটাকে অথবা বলা চলে ধর্মীয় মতবাদ ক্ষণিকের স্বার্থে ব্যবসায়ের পুজি বানিয়ে জীবন বীবিকা নির্বাহ করে আসছে তেমন স্বার্থান্ধ মহল নিজ দন্তে কামড় দিয়ে মসিহের শিক্ষার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে ঢালাও ভাবে।

খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ কোনো নতুন ধর্মের সাথে আমাদের পরিচয় ঘটাতে আসেন নি। ঘটক যেমন নতুন নতুন বর কনের খবর বয়ে বেড়ায়, তিনি তেমন পয়গাম নিয়ে ধরা পৃষ্টে আবির্ভূত হন নি। ভেঙ্গে যাওয়া পরিবার পুর্ণগঠন দেবার জন্যই পতিত বিশ্বে বিবদামান মানব সমাজে তাঁর মহতি আগমন। তিনি সোজা সাপটা বলেছেন, “আমি আসিয়াছি যেন তারা জীবন পায়, স্বার্থক জীবন, মানসম্মত অর্থবহ জীবন, পূর্ণাঙ্গ জীবন, বিনষ্ট হবার পূর্বে যে স্বার্থক জীবন ছিল তা ফিরিয়ে দেবার জন্যই তিনি এসেছেন, মাসুল দিয়েছেন চূড়ান্ত মানুস, স্বীয় পূতপবিত্র জীবন দিয়ে; উদ্দেশ্য কেবল মৃত-অর্ধমৃত মানব সমাজকে পুণরুজ্জীবিত করে তোলা। যদিও আইন কানুন তথা দশ শরিয়ত দেবার অর্থ ছিল মানুষ যেন খোদার পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করার নিমিত্তে খোদারই মত পূতপবিত্র প্রেমপূর্ণ জীবন যাপন করে চলে। মানুষে মানুষে থাকবে কেবল মিলন ভ্রাতৃত্ব, ‘সকলে মোরা সকলের জন্য’ এই মন্ত্র দীক্ষা নিয়ে সকল আদম সন্তান খোদার গৌরব মহিমা মানসম্মান বজায় রেখে চলবে; তা আর হলো কই! প্রথম মানুষটি নিজেই রাজী হয়ে পড়লো ইবলিসের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে। আর ভুল পথে চলতে গেলে যে কুফল নেমে আসে তা দেখতে পাই ভ্রাতা হননের মধ্য দিয়ে।

আমাদের অবশ্যই শত্রু নিধন করে চলতে হবে। তবে আমাদের আসল শত্রুটিকে খুঁজে বের করতে হবে সর্বপ্রথমে; আর উক্ত জানের দুষমণ হলো অভিশপ্ত ইবলিস। ধর্ম সভায় বক্তব্য রাখার সময় বক্তা একটি দোয়া পড়ে, আপনার কি জানা আছে উক্ত দোয়াটি; যা হলো, ‘আয়ুজুবিল্লাহ হেমিনআশ শাইতোয়ানের রাজীম…। যে বক্তা যত বিষয়ের উপর আলোকপাত করুক না কেন, কমন প্রবণতা হলো সর্বাগ্রে উক্ত দোয়াটি উচ্চারণ করা। এর অর্থ হলো, অভিশপ্ত শয়তানের ক্ষতিকারক হাত থেকে খোদার কাছে আমি আশ্রয় কামনা করছি।। অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য অত্র প্রার্থনাটি। সকলেই শয়তানকে ভয় পায়। জগতে যতপ্রকার অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে চলছে, তা তো উক্ত কুলটার কুট চালে ধরা খাওয়ার ফলে। শয়তান কেবল প্রলুব্ধই করে না, কখনো কখনো ভয়ও দেখায়। অন্য দিকে এক ধরণের শিক্ষক পাবেন যাদের কাছে বাক্য বা শব্দের অর্থ জানতে চাইলে গরিমসি করে, বার বার তাগিদ দেয় বাক্যটি মুখস্ত করার জন্য ও বার বার উচ্চারণের জন্য। আমার অতোটা আপত্তি নেই মুখস্ত করায়, তবে তৎপূর্বে অবশ্যই সমাজে জানতে হবে বাব্যের প্রকৃত অর্থ ও উদ্দেশ্য; অর্থ বলতে আমি বুঝাতে চাই, উক্ত বাক্যটি কখন কোন পরিস্থিতিতে উক্ত হয়েছে। কে কার জন্য তা প্রকাশ করেছেন, বিশেষ করে ধর্মীয় বাণী সমূহের ক্ষেত্রে অবশ্যই এর ব্যুৎপত্তি প্রেক্ষপট জানতে হবে নিজের মত করে।

মনে রাখবেন, ভাষান্তরে খোদার অস্তিত্বের উপর কোনো প্রভাব পড়তে পারে না। খোদা কোনো ভাষা সৃষ্টি বা রচনা করেন নি। যদি একান্তই খোদার নিজস্ব ভাষার প্রশ্নে আপনাকে বলতে হয় তবে নিশ্চিত ভাবে জেনে রাখুন, খোদার বাষা হলো মহব্বত বা প্রেম। আর মহব্বতের কারণেই তিনি স্বীয় প্রতিচ্ছবিতে মানুষ নির্মাণ করেছেন। গোপন রহস্য হলো অদৃশ্য খোদার হুবহু প্রকাশ। যাকে বলা চলে বিকাশ। যেন খোদা মানবরূপে হলেন আবির্ভূত। ধরাপৃষ্টে মানব সমাজে, মানুষের কল্যাণের নিমিত্তে এক চিরস্থায়ী সমাধান দানের জন্য, যার কারণে তিনি (মসিহ) বলতে পেরেছেন, অনন্ত জীবন দান করাই হলো মসিহের একমাত্র মিশন বা উদ্দেশ্য। যেমন লেখা আছে, ইউহোন্ন ১ : ১২ গুনাগার মানুষের সাথে সৃষ্ট হওয়া কলহ তিনি সম্পূর্ণভাবে দূর করতে সক্ষম হয়েছেন (ইউহোন্না ৫ : ২৪)।

কোনো ভাষার প্রতি খোদার দুর্বলতা নেই। তিনি হলেন অন্তর্যামী, আপনার মনের কথা তিনি সহজেই বুঝতে পারেন। মনে মনে আপনি তার ভজনা করুন, তিনি আপনার প্রার্থনা অবশ্যই মঞ্জুর করবেন। আয়ত-আল-কুরসীতে প্রকাশ পেয়েছে, খোদা আহার নিদ্রা করেন না, তাঁর কর্তৃত্ব আসমান জমীন জুড়ে সর্বত্র পরিব্যাপ্ত। আসমানে তাঁর সিংহাসন আর জমিনে তাঁর পা রাখবার স্থান। কল্পনাতীত বিশাল বপু! তার জন্য ক্ষুদে মানুষ কলঙ্কিত হস্ত দিয়ে গৃহ নির্মান করবে আর তার মধ্যে তিনি করবেন বসবাস, চিন্তাটি কেবল মাতালের চিন্তা। নকল ঔষধে যেমন প্রভুত লাভ দুষ্ট লোকদের, একইভাবে খোদার ঘর নির্মাতাদের লাভ হয় জনগণের কাছ থেকে প্রচুর অর্থ আদায় করার মাধ্যমে করতে পারে উক্ত নির্মানধীন অবকাঠামো পুজি করে। মৃত ব্যক্তিদের মাজারে সহসা বাজার জমজমাট হয়ে ওঠে ভ্রান্তিকর আজগুবি প্রচার প্রচারণার কারণে।

সাধারণ জনতাকে অবশ্যই জ্ঞাত করতে হবে ধর্মের একক উদ্দেশ্য, যা হলো মানুষ যেন পুনরায় মিলিত হতে পারে পিতার সাথে, লাভ করে সম্পূর্ণ পূতপবিত্রতা (লুক ১৯ :১০, ইউহোন্না ১০ : ১৪)।

ShareTweet
Next Post

ঠিক এই মুহুর্ত (এম এ ওয়াহাব)

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

মরুভূমি জলে ভিজে বনানী বনে (এম এ ওয়াহাব)

মরুভূমি জলে ভিজে বনানী বনে (এম এ ওয়াহাব)

August 30, 2025
‘সাইয়ারা’ ঝড়সামলেরজনীকান্তের ‘কুলি’ গড়লরেকর্ড

‘সাইয়ারা’ ঝড়সামলেরজনীকান্তের ‘কুলি’ গড়লরেকর্ড

August 30, 2025
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা