Saturday, August 30, 2025
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

গোলাকধাঁধা (এম এ ওয়াহাব)

alorfoara by alorfoara
November 30, 2022
in সংখ্যা ২২ (৩০-১১-২০২২), সম্পাদকীয়
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter
আমরা আসলে জ্ঞানী না অবোধ, কোন পর্যায়ে যে পড়ে আছি তা অবশ্যই পরখ করে দেখা প্রয়োজন। একই কাঠের একটি অংশ দিয়ে সিংহাসন বানানো হলো; মহামান্য রাজা উক্ত আসনে সমাসীন হলেন, আর উক্ত গুঁড়ির আর একটি অংশ দিয়ে খড়ম বানানো হলো (খড়ম অধুনা অচল পাদুকা বিশেষ), যা সদাসর্বদা থাকছে পাদপিষ্ট হয়ে। কোনটিকে আমি কি বলবো ভেবে পাই না।মজার বিষয় হলো, কাঠের দ্বারা তৈরি করা আসবাবপত্রের ভিন্ন নাম থাক না কেন, এর মৌলিক নাম হারিয়ে যায় না, যেমন কাঠের টেবিল, কাঠের চেয়ার, আলমিরা, খাটপালংক যাবতীয় আলাদা আলাদা নামের গোড়াতে মৌলিক নামটি কখনোই মুছে যায় না। বর্তমানে টেবিল চেয়ার ধাতবও হয়ে থাকে, তাই ক্রয়ের ক্ষণে আপনাকে উল্লেখ করতে হবে, কাঠের চেয়ার বা টেবিল যা কিছু আপনার প্রয়োজন। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে কেন ব্যতিক্রম হয়ে গেল।

একই মানুষের সন্তান অসুস্থ হলো, সুস্থতার জন্য এক এক জনকে এক এক হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। মানুষ মরণশীল, কথাটা অস্বীকার করবো কোন সুবাদে। তবে আশ্চর্য বোধ করি, “মরার পরে খাঁড়ার ঘা” দিতে দেখে। মৃত লাশের অন্তোষ্টিক্রিয়া নানাভাবে সমাপ্ত করা হলো। মাটির দেহ মাটিতেই মিশে যাবে যা কতইনা স্বাভাবিক, আর মাটির আবার ধরণ কতোটা থাকতে পারে? মৌলিক দিক দিয়ে বহুলাংশে মিল থাকবে, আছে বিশ^ময় সকল মাটিতে।

মানুষ সদা শংঙ্কিত থাকে তার মধ্যে বিশাল ঘাটতি উপলব্ধি করার কারণে। মরণদায়ী রোগ-জীবাণু করোনা আজ আতঙ্কগ্রস্থ করে তুলেছে গোটা বিশ্ব! আপন আপন কুলায় নিজেদের সুরক্ষিত ভাবছে। দেখা যায়, তাড়া খেদে ইদুর নিজ গর্তে ঢুকে পড়ে, আত্মরক্ষা করে। আত্মরক্ষা করা সকল প্রাণীকুলের জন্য স্বাভাবিক স্বপ্রণোদিত অধিকার। মানুষের মধ্যে স্তুপীকৃত ঘাটতি পুরণের জন্য দিবানিশি শ্রম-সাধনা চালিয়ে আসছে নিজ নিজ প্রজ্ঞা ও অর্জিত জ্ঞান তথা প্রচলিত বিধিবিধান অনুসারে। বিবেচনার চেয়ে অনুকরণ অধিক প্রধান্য লাভ করে। কাওকে হাসতে দেখে আগন্তুক, বিষয়টি না বুঝেই, হাসিতে তাদের সাথে সামিল হয়ে গেল। পরে অবশ্য একা একা পস্তাতে থাকে, বোকাবনে যাবার কারণে। গবাদিপশু যতক্ষণ ময়দানে চরানির জন্য ছাড়া পায় ততক্ষণ গোগ্রাসে তাজা তাজা ঘাস গিলে চলে; পরবর্তী পর্যায়ে অধচর্বিত খাবার পুনরায় চিবোতে থাকে, যা হলো রোমন্থন প্রক্রিয়া। খাদ্য থেকে শক্তি পেতে হলে অবশ্যই তা পুরোপুরিভাবে হজম হতে হবে। যারা বদহজমে ভোগে তারা প্রায়শই দুর্বল থাকে। আপনি যা কিছুই খাবেন ওগুলো যেন পাকস্থলীতে পুরোপুরি পরিপাক হয়ে যায়, তবেই না আপনি বয়সের চেয়েও অধিক শক্তিধর থাকবেন।

অর্থনীতি বলুন আর রাজনীতি বলুন; তা তো জীবিত লোকদের নিয়েই পরিচালনা করতে হবে; কোনো মোর্দা এসে আপনাকে সাহায্য করবেনা। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার সাথে সাথে উক্ত ব্যক্তির আর কোনো অধিকার থাকলোনা ভঙ্গুর পৃথিবীতে; ক্ষমতা দেখাবার। মেনে নিতে আপত্তি বা অস্বীকৃতি যাই প্রতিক্রিয়া দেখান না কেন, ঘটনাটি রূঢ় বাস্তব। মানুষের দেহ চিরস্থায়ী কোনো কাজের নয়। কবি-সাহিত্যিকদের অবদান, রচনা সামগ্রী পড়ে আছে, মানুষ ঐসকল সাহিত্যপত্র দিয়ে শিক্ষা ও প্রেরণা লাভ করছে, তবে ব্যক্তি কবি আর অধিককাল টিকে থাকতে পারলো না ধরাপৃষ্টে।

সত্য নাকি বড়ই রূঢ় হয়ে থাকে। জানিনা কথাটার অন্তর্নিহিত কারণ, তবে সত্যবাদী পারে না ইনিয়ে বিনিয়ে তৈল মর্দন করে কিছু ফাও উপায় লাভ করতে; জাগ্রত ব্যক্তির প্রেম, সততাপূর্ণ বিবেক, অসত কাজে সর্বদা বাঁধা দেয়। একখন্ড কাঠের গুড়ির দৃষ্টান্ত টেনেছি এ কারণে, কাঠের যাবতীয় আসবাবপত্র সাধারণত একই প্রকার গাছ দিয়ে বানিয়ে নিতে চেষ্টা করে ভোক্তাকুল। কথায় বলে শাল সেগুন সকলের প্রথম পছন্দ। তবে আয় রোজগারের তারতম্যের কারণে মনের সাধ মনে পাষানচাপা দিয়ে প্রাপ্ত সাধ্য অনুযায়ী কাজ চালিয়ে নেয়। যেমন কাঠের জায়গা দখল করেছে প্লাষ্টিকের বা প্লাইউড! মেহগণি কাঠের কদর যথেষ্ট পরিমানে রয়েছে বাজারে। যাক আমি কাঠ ব্যবসায়ী নই, তবে গোটা বিশ^বাসী মানব সমাজ যে একই আদমের ঔরষজাত, তা অস্বীকার করি কোন সুবাদে। যে ভাষাতেই আপনি উচ্চারণ করুন, বাস্তবতা ও মর্মার্থ অনঢ় অবিচল থাকবে, থাকতে বাধ্য। যে ঘাটেরই জল বহন করুন না কেন, গোটা জলের উপাদান একই। অজ্ঞতা মানুষকে নিয়ে ভোগাতে থাকে।

খোদা কিন্তু আপনাকে বিজ্ঞ হবার প্রেরণা যোগাচ্ছেন অবিরত। বিদ্যাশিক্ষা হলো ঐশি আজ্ঞা। কথায় বলে, আলেমের ঘুম আর মুর্খের এবাদত; এতদুভয়ের মধ্যে আলেমের ঘুমকেই অধিক মর্যাদা দেয়া হয়েছে।

রোগীদের যেমন রোগের ভিন্নতার কারণে ভিন্ন ভিন্ন চিকিৎসকের অধিনে তুলে দেয়া হয় সুস্থতার আশায়, কেননা সকল ডাক্তার সবদিকে সমপারদর্শী হয় না। এক একজন এক একটা রোগের বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান রাখে। তা শিক্ষা ক্ষেত্রে বলুন, কর্মক্ষেত্রে বলুন, রকমফের না আছে কোথায়।

আমার কথা হলো রকমফের নিয়ে, তা যতোপ্রকার বিভাগে করার প্রয়োজন হোক, তা চালিয়ে যান, তবে গোড়ার দিকে একবার নজর ফেলবেন। রকমারী তৈরী করার জন্য মানুষ চাই। সবার উপরে মানুষ সত্য। মানুষের প্রতি মানুষের দরদ, সেবা, যত্ন ও সম্মাননা দেয়া হবে মানবীয় গুনাবলির অপরিহার্য্য অংশ। মৌলিক শক্তি বা জ্ঞানবিহীন ব্যক্তি কোনো কাজে আশানুরূপ উৎপাদন বা ফল বয়ে আনতে পারে না। মানব সমাজের সর্বক্ষেত্রে এতটা অবক্ষয় সৃষ্টির মুলে যে কারণ রয়েছে, তা হলো অনুসৃত বিষয়ে যথাযোগ্য ও নিবেদিত ব্যক্তিদের যথাস্থানে যথাযথ দায়িত্ব অর্পণ করার সমস্যা থাকার কারণে। ধরুন কোনো এক ব্যক্তি বিতরণের জন্য প্রাপ্ত অর্থ ভুল করে নিজের কব্জাগত করে নিল; তেমন ক্ষেত্রে তাকে অবশ্যই তষ্কর বলা যাবে, আর তেমন তষ্কর উক্ত দায়িত্বে বা অবস্থানে পৌছালো কেমন করে, কার হাত ধরে; নিয়োগদাতা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলে কি যুগলবন্ধী হয়ে আছে। কথায় বলে “চোরে চোরে মাসতুত ভাই” বিষয়টি যে অতীব জটিল তা নির্বিবাদে সকলেই মেনে নিতে বাধ্য। তবে দেখতে হবে শিক্ষাক্ষেত্র, গণশিক্ষা; মানুষ গড়ার কারিগরদের অবশ্যই সততা ও কর্মদৃপ্ত দেশ প্রেমিক কর্মকুশলি হতে হবে। যদিও মানস সরোবরে বিষ ঢেলে দেয়া হয়েছে, অর্থাৎ গোড়ায় গলদ রয়ে গেছে, তাই বিশুদ্ধ জলের প্রত্যাশা আকাশ কুসুম চিন্তার পর্যায়ে পড়ে। তারপরেও আমাদের বাঁচতে হবে। যথাসাধ্য নানাবিধ ব্যবস্থা নিয়ে তবে অন্তত: পানেয় জলটুকু বিশুদ্ধ করে তবে পান করা!

যা বলছিলা, হাসপাতালের ভিন্নতার কারণে চিকিৎসাধীন মানুষগুলো অবশ্যই মানুষ; পুনরায় সুস্থ হবে, আবার মানুষের কাতারেই মিশে যাবে যা হলো তাদের জন্মগত মৌলিক অধিকার। ধর্মপীঠে তথা তীর্থে সে সকল শুধীজন নিয়মিত যাতায়াত করেন তাদের জানা আছে নিজেদের জীবনের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় ও হৃদয়ের অবস্থান; আর জানে বলেইতো অতশত কাঠগড় দিবানিশি পুড়ে চলছে। চাই মথুরা পার হওয়া; মোক্ষম ধামে পৌছাতে না পারলে শ্রম পন্ড হয়ে যাবে যে। এক করোনার সাথেই তো পেরেঢ় ওঠা নাভিশ^াসের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। সামাজিক বিধিবিধানে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। আসল নকলের মধ্যে ব্যবধান অধিকাংশের বোধে ধরতে শুরু করেছে; বিবেকের পূবকাশে ভানুর উদয় দৃষ্ট হচ্ছে। কর্তব্যের মধ্যে অপরিহার্য্য আর পরিহারযোগ্য। এমন কতকগুলো নিয়ম কানুন সাধারণের কাছে আজ পরিষ্কার। করোনার কঠিন আঘাতে মিথ্যা খোলস উবে যাচ্ছে। খোদার সেবার বিষয়ে আজ মানুষ বড়ই সচেতন হয়ে উঠেছে। খোদার অস্তিত্ব হলো কেবল রুহানী আর তিনি থাকেন সততার শিখরে। তিনি সকলকে ডেকে বলেছেন, “আমি পবিত্র বলে তোমরাও পবিত্র হও” (লেবীয় ১১ : ৪৪)।

খোদার গৃহের বিষয়ে তিনি যে কথা বলেছেন, তা শুনে আক্কেলগুড়ুম হবার পালা। তাঁর সিংহাসন বেহেশতে স্থাপিত আর পাদমূল জমিন পর্যন্ত বিস্তৃত। ক্ষুদে মানুষ, কলুষিত রক্তমাখা হাত দিয়ে খোদার জন্য কতবড় ঘর নির্মাণ করবে, যার মধ্যে সম্ভব হবে তার নিবাস স্থাপন। আর্তপীড়িত দুস্থদের জন্য যদি কিছু করা হয় তাবেই হবেন তিনি মহাখুশী। খোদার ঘরের শিন্নি বলতে যা বুঝা যায় তা জনগণের জন্য গিন্নি রান্না করেন; উক্ত শিন্নির একটা শরিসা পরিমান ক্ষুদে অংশ খোদা খান না; মাটির দেহধারী ব্যক্তিদের বেঁচে থাকার জন্যই চাই মৃত্তিকাজাত ফসল। দেহের খোরাক আর রূহের খোরাক অবশ্যই দ্বিবিধ। খোদা মহাপ্রীত হন মানুষ যখন নিজেকে খোদার হাতে সম্পূর্ণ সমর্পণ করে দেয়; কেননা সমর্পীত ব্যক্তিকেই পারেন তিনি সঠিক পথে পরিচালনা করতে। হযরত পৌল যথার্থ কারণে বলেছেন, আমি আর জীবিত নই (গালাতীয় ২ : ২০)।

কেউ যখন কোনো অভিযোগ নিয়ে কোর্টে কারো বিরুদ্ধে মকর্দমা বসায়, উক্ত মকর্দমার চুড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত বাদীবিবাদী পরষ্পর নিরব থাকতে বাধ্য, অন্যথায় কোর্ট অবমাননার দায়ে পড়ার ভয় থাকে। সমর্পীত ব্যক্তি অবশ্যই তাকিয়ে থাকবেন তাঁর মুখ পানে যার কাছে করেছেন তিনি আর্জী পেশ। অবশ্য ব্যক্তিকে আস্থাবান থাকতে হবে বিচারের নিরপেক্ষতার বিষয়ে। একই মানুষকে নিয়ে আজ সমাজ চলছে অশুভ টানাহেচড়া। দলের মধ্যে চলে এস, পরিশোধনের কোনো প্রয়োজন নেই। যাদের মুখে এমন স্লোগান হচ্ছে উচ্চারিত, অবশ্য তাদের হাতে ব্যক্তিকে শোধণ করার মত কোনো উপায়ে বা ক্ষমতাই নেই। দলভারি না করে হৃদয়টা জারিত করে নিতে পারলে অবশ্যই হবে সিদ্ধিলাভ। খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ এক্ষেত্রে হৃদয় পরিবর্তনের উপর চুড়ান্ত গুরুত্ব আরোপ করেছেন। কালামপাকে অবশ্য দেখা যায়, পুরাতন হৃদয় পরিবর্তন করে খোদার পূতপবিত্র হৃদয় প্রতিস্থাপন করে দেবার রয়েছে প্রতিজ্ঞা; পাকরূহের দ্বারা যিনি একবার অভিষিক্ত হলেন ঠিক তখনই ব্যক্তির মধ্য দিয়ে ঐশি গুনাবলী হতে থাকবে প্রতিভাত (যিহিস্কেল ৩৬ : ২৪-২৭)।

যখন সকলেই খোদার মহিমা বহন প্রকাশ ও পালন করতে সক্ষম হবে। প্রত্যেকটি মোমদন্ড আগুন পেলে যেভাবে প্রদীপে রূপান্তরিত হয়ে যায়, একইভাবে গুনাহে লিপ্ত ব্যক্তিবর্গও পাকরূহের অভিষেক লাভ করার ফলে সম্পূর্ণ বদলে যাবে; প্রজ্জলিত মোমের মত সদাসর্বদা তারা ন্যয়, সত্য সুন্দরের শিক্ষা বিস্তার করে চলবে, করে চলবে সমাজকে প্রভাবিত। মিথ্যাচারের হবে অবশান। নোংরা পোশাক ধোপদারস্ত হবার পরে পুনরায় তা পরিধান করতে আর কোনো আপত্তি থাকে না। ক্ষণকালেল পঙ্কাবর্ত ব্যক্তিরা হবে যখন পুনরায় পূতপবিত্র মসিহের পবিত্র রক্ত স্নাত, তখনই তারা শুভ্রতার পক্ষে সাক্ষি দিতে শুরু করবে, কেননা যিনি তাদের স্নাতশুভ্র করলেন তিনি থাকেন সদা সততার শীর্ষে, আজন্ম পুতপবিত্র তখনই লোকে বলবে “কিসের পুত্রের কি হইল” (১শমুয়েল ১০ : ১১)।

আসলে আল্লাহ মানুষের মনের পরিবর্তন সাধন করে থাকেন। আল্লাহ মানুষের প্রতি বড়ই করুণাবিষ্ট, যারাই তার কাছে রয়েছে সমর্পীত, তাদের উপর করোনার প্রভাব কার্যকর হতে পারে না; সবকিছু তো খোদা নিজেই নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। মসিহে নিবেদিত সমাজ জামাতের মহাযাত্রা শুরু হয় ঈদুল ফেসাখের সময়, অর্থাৎ পাপের কাফফারা পারিশোধ দেবার উদ্দেশ্যে যে কোরবানির পর্ব পালন করা হতো, তেমন একটি দিনে খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ ভীতসন্ত্রস্থ সাহাবীদের উপর পাকরূহের অভিষেক দান করেন। মহা ভয়ে ভীত সাহাবীগণ জনভীড় দেখে প্রাণের ভয়ে নিজেদের লুকিয়ে রেখেছিলেন, অভিষেক লাভের সাথে সাথে মসিহ তাদের মধ্যে এসে হাজির হলেন, পাকরূহের অভিষেক দিলেন (প্রেরিত ২), সাহাবীদের হৃদয়ে যোগান দিলেন প্রজ্ঞা, ধার্মিকতা যথাযথ মনোবল, অসহায় লোকদের প্রতি মমতা, ক্ষমতা ও দায়িত্ব কর্তব্য। মসিহ অবশ্য তেমন মনোভাব প্রকাশ করেছেন, “বেহেশতের ও দুনিয়ার সমস্ত ক্ষমতা আমাকে দেওয়া হয়েছে। একজন্য তোমরা গিয়ে সমস্ত জাতির লোকদের আমার উম্মত কর। পিতা, পুত্র ও পাক-রূহের নামে তাদের তরিকাবন্দী দাও। আমি তোমাদের যে সব হুকুম দিয়েছি তা পালন করতে তাদের শিক্ষা দাও। দেখ, যুগের শেষ পর্যন্ত সব সময় আমি তোমাদের সংগে সংগে আছি” (মথি ২৮ : ১৮-২০)।

পুনরুত্থিত মসিহ যখন কোনো ব্যক্তিকে পরিচালনা করেন অর্থাৎ প্রতিজ্ঞাত পাকরূহ যিনি বিশ্বাসিদের কোনো অবস্থাতেই অস্বীকার করেন না, যুগযুগ ধরে প্রকৃত বিশ্বাসিবর্গ মসিহের অদৃশ্য হস্তদ্বারা স্বার্থকভাবে সাখ্য বহন করে চলছে খোদার গৌরব মহিমা মান সম্ভ্রম রক্ষাকল্পে। আমাদের সকলের জীবন কর্মে হোক তিনি প্রতিভাত, গোটা বিশ্বের সমূখে, এ হোক আমাদের সকলের কামনা!
ShareTweet
Next Post

কার আজ্ঞা শিরোধার্য (এম এ ওয়াহাব)

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

মরুভূমি জলে ভিজে বনানী বনে (এম এ ওয়াহাব)

মরুভূমি জলে ভিজে বনানী বনে (এম এ ওয়াহাব)

August 30, 2025
‘সাইয়ারা’ ঝড়সামলেরজনীকান্তের ‘কুলি’ গড়লরেকর্ড

‘সাইয়ারা’ ঝড়সামলেরজনীকান্তের ‘কুলি’ গড়লরেকর্ড

August 30, 2025
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা