গবেষক, ভাবুক, লেখক কবি সাহিত্যিকদের স্বভাব আচরণ কতকটা, ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো অবস্থা।
জমি জমা নিয়ে নিয়ত কলহ লেগে থাকে প্রত্যেকটি পাড়ায়, মহল্লায়, জনপদে। আবার সমাধানকল্পে দেন-দরবার চলতে থাকে বছরের পর বছর। কেস আদলত পর্যন্ত গড়ায়; বছরের পর বছর চলতে থাকে মকর্দমা। শেষ পর্যন্ত একটা কিছু রায় ঘোষিত হয়, ততক্ষণে উভয় পক্ষ অর্থাৎ বিবদমান দল প্রায় নিঃশ্বেষিত হয়ে পড়ে। রায় ঘোষণার পূর্বে বাদী-বিবাদী কারো কারো মৃত্যুও ঘটতে দেখেছি।
তা জমা-জমির সীমানা ঘটিত কোন্দল কি করে আপনি দূর করবেন বা মিমাংসা করবেন, যেন উভয় পক্ষ সুখে শান্তিতে সহাবস্থান করতে শুরু করে পুনরায়। আপনাকে অবশ্যই দন্ধের মূলোৎপাটন করতে হবে। আর তা করার জন্য আবশ্যক গোটা ভূখÐটিকে সার্ভে করা; নকশা অনুযায়ী ভাগবাটোয়ারা করে দেবার জন্য চাই মালিকানা সত্ত¡ ও তেমন সমর্থনযোগ্য প্রমান পত্র। মনে রাখতে হবে, মেধা ও পেষীর বলে ইতোমধ্যে সরকারী নকশা বহুবার ডিঙ্গানো হয়ে গেছে; আর সে কারণেই শুরু হয়ে গেছে দন্ধ কোলাহল আপত্তি সোরগোল।
আসুন, মূল ভূখন্ডের প্রথম ও প্রধান নকশা ও পরিকল্পনা পুনরায় আমলে নেই। জমির যিনি প্রকৃত মালিক তাঁকে এবং তাঁর সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা বাদ দিয়ে আপনি যা কিছু করবেন বা করে চলছেন, তার প্রত্যেকটা পদক্ষেপ বড়ই আফসোসের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। সমস্যার সমাধানকল্পে চাই সঠিক জরিপ, আর অবশ্যই তা হতে হবে সরেজমীনে। পরিমাপক বা আমিন অবশ্যই হবে দক্ষ-অভিজ্ঞ ও নিরপেক্ষ, থাকতে পারবে না তার মধ্যে পক্ষপাত দোষ। তাকে ঘুষ দিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে টানা সম্ভব নয়; এমন এক নিরপেক্ষ সদাসয় প্রজাবাৎসল্য আমিনের উপস্থিতি থাকতে হবে হেথা। তাছাড়া উক্ত আমিনের হাতে থাকতে হবে সবকারি ভূমির নকশা, যার বলে তিনি সঠিক ফিতা দিয়ে জরিপ করবেন, থাকতে হবে যথাযথ প্রাধিকার।
আপনি কি জানেন, কে বিশ্ব নির্মান করেছেন? কি ছিল তাঁর সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা। কোথায় গেলে পাওয়া যাবে মূল দলিল দস্তাবেজ। গায়ের জোরে আজ যা কিছু করা হচ্ছে তাতে শান্তি প্রতিষ্ঠা না পেয়ে প্রকৃত মিলন ভ্রাতত্ব বিঘ্নিত হচ্ছে; দেশে দেশে কলহ বিবাদ দাবানলের মত বিস্তার লাভ করছে। কাঁটা তারের বেড়া বা কঠিন পাঁচীল পর্যন্ত অকার্যকর জঞ্জাল হয়ে পড়েছে। পাহারাদার বাড়ীর মালিককে হটিয়ে নিজেই মালিক সেজে বসেছে, কেননা ওর হাতে যে রয়েছে বন্দুক। বিগত ১৯৫৬খৃষ্টাব্দে এমন একটি দুর্ঘটনার সূত্রপাত ঘটতে দেখা যায়; বন্দুকধারী পাহারাদার বাড়ীর মালিক। তা যে যাই করুক, একটা কিছু ঘোষণা টাইটেল অবশ্যই দিতে হবে, নতুবা ভোগ দখল যায়েজ হবে না যে। হয়ে গেল ‘মার্শাল ল’।
আমাদের আলোচনার মধ্যে অধিক চোনা ঢালা উচিৎ হবে না। সমস্যার প্রকৃত সমাধান অবশ্যই খুঁজে পেতে হবে; পেতে হবে এমন এক বান্ধব, যিনি আমাদের আত্মবৎ প্রেম করে চলবেন; অজ্ঞতা দুর্বলতাহেতু ভুলভ্রান্তি নিজগুনে ক্ষমা ও স্নাতশুভ্র করে পুনরায় সর্বস্ব অকাতরে বিলিয়ে দিয়ে, সর্বহারাদের করে তুলবেন সার্বিক জ্ঞানী সর্বস্বের অধিকারী।
নামজারীর ব্যাপারে আমার আপত্তি রয়েছে, তবে বিপত্তি নেই, কেননা, কেবল নাম দিয়ে জান বাঁচে না। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে হতে হবে বস্তুনিষ্ট। নামের পূর্বে ‘পাক’ প্রত্যয় জুড়ে দিলেই কি তা পাকপবিত্র হয়ে গেল? মনে করুন বিগত ১৯৭১ এর করুণ অবর্ণনীয় পৈশাচিক আচরণের কথা, তা কি পাকবাহীনি দেশ জনতাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে যায় নি? এমন জঘণ্যতর ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের নাম কোন খাতায় তুলে রেখেছেন, জানতে পারলে ভালই হতো।
ভূমি হলো খোদার সৃষ্টি, তিনি মানুষের জন্য তা সৃষ্টি করেছেন; তিনি মাত্র একজন মানুষ নির্মাণ করেছে, ফলে জাতের নামে বজ্জাতি করার নেই কোনো অবকাশ। সকলে মানুষ, আদমজাতি। ভূমি আমাদের সকলের, মিলে মিশে সুখে শান্তিতে আমরা উপভোগ করবো যা হলো খোদ মালিকের ঐকান্তিক বাসনা, মূল পরিকল্পনা। ইতিহাস ঐতিহ্য বিবর্জিত আনপড় মূর্খ লোকদের কোনো দৃষ্টান্ত তুলতে চাই না। পেষির জোরে পশুর দল শান্তিপূর্ণ বিশ্বটা ভাগাড়ে পরিণত করে ছেড়েছে। বিশ্ব আজ পতনের অতলে তলিয়ে আছে। উদ্ধার করতে হবে খোদ মালিককেই, আমাদের লোভ-লালসা হিংসা বিদ্বেষজনিত পাপ-অপরাধের প্রায়শ্চিত্ত্বের শোধ তাঁকে দিতে হবে। আলোচনা সূদীর্ঘ না করে সংক্ষেপে বিষয়টি তুলে ধরার প্রয়াস নিচ্ছি এবার।
খোদা মানুষ সৃষ্টি করেছেন; আর মানুষের প্রয়োজনে গোটা বিশ্ব নির্মাণ করেছেন। ভূমি হলো, প্রথম মানুষ আদমের জন্য আবাদ আবাস যোগ্য স্থান, দান সূত্রে দত্ত সম্পত্তি। আর পরবর্তী পর্যায়ে তাঁর ঔরষজাত সন্তান সন্তুতি তা উপভোগ করবে কেবল উত্তরাধিকার সূত্র বলে, এক্ষেত্রে গায়ের বলের প্রয়োজন নেই অধিকারের প্রশ্নে।
দুষ্মন্ত ও শকুন্তলার পুত্র ভরতকে যে জমি দান করা হয়েছিল, বর্তমানকার ভারতবর্ষ কি সেই জমি নয়? কথিত আছে রাজা দুষ্মন্ত ও শকুন্তলার পরিণয় ঘটে শিকার খেলতে খেলতে; পরষ্পর পরষ্পরের প্রেমে জড়িয়ে পড়েন এবং বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ হন। তাদের পুত্র হলো ভরত, যাকে একটি প্রদেশ উপহার হিসেবে দান করেন। ভরত ছিলেন বড়ই বিচক্ষণ, ক্ষমতাধর রাজা। কেবল তার সময় গোটা ভারতবর্ষ একটা রাজে পরিণত হতে পেরেছিল, যাকে বলা চলে অখন্ড ভারতবর্ষ।
কে আমেরিকা প্রথম খুঁজে পেল, সে কি কলাম্বাস নয়? প্রাচীন ইতিহাস মানব সভ্যতা নিয়ে কতটুকু আলোচনা করে, তা কি আমাদের জন্য যথেষ্ট; না নিত্যদিন আমাদের গবেষণা চালানো উচিৎ সবকিছুর আদি ও আসল খবর নেবার জন্য।
শান্তির খোদার অনুসারী হওয়া সত্তেও আজ আমরা অশান্তির দাবদাহে নিত্যদিন হচ্ছি প্রজ্জ্বলিত। গলিত লাভা পূণঃ পুণঃ বাহির্মূখী ধাক্কা দিচ্ছে, বিষ্ফোরণ ঘটাচ্ছে; জনমনে চাঁপ উত্তোজনা, চাপাক্রোধ, উদভ্রান্ত করে ছেড়েছে। প্রত্যুষে প্রথম দেখার সাথে সাথে ভুত দেখার মতো চেহারার পরিবর্তন ঘটে, জনে জনে পারষ্পরিক শান্তি সহমর্মীতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা ধোঁয়াসা হয়ে গেছে। বুনো ষাঁড়ের মত তেড়ে আসার মনোভাব কে বা কোন কারণে সৃষ্টি হলো, তা কি ভেবে দেখেছেন? চলার পথে এতশত ঐতিহাসিক সত্য ও মৌলিক ঘটনাপুঞ্জি না জানার কারণে আজ আমরা ভারসাম্যহীন অবস্থায় একে বেকে চলছি; ঝড়োহাওয়ায় প্রজ্জ্বলিত মোম যেমন কেঁপে কেঁপে নিভে যায়, বহুবার আমরা তেমনি নিভে গেছি; মেহেরবান মাবুদ বারবার আমাদরে জ্বালিয়ে দিচ্ছেন স্বীয় নয়নের মণি বলে। মা কি পারে তার সন্তান ভুলে যেতে; একইভাবে আমাদের পরম পিতা আমাদের জানেন, জানেন আমাদের সীমা-পরিসীমা, বিদ্যা মেধা শক্তি সামর্থ; আমরা যে অঘটন ঘটাতে পটিয়শী, সে বিষয়ে তিনি ভালোই জানেন। জানেন বিধায় লাগাম নিজের হাতে, স্বীয় নিয়ন্ত্রনে রেখ দিয়েছেন।
গরু-ছাগল চরানোর সময় ছেড়ে দিতে হয়, কখনো কখনো দু’চারটা গবাদি পশু ভুল পথে হারিয়ে যায়; তাই মেষের মালিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরও ছেড়ে দেয় যেন বিপথে যাবার আগেই হুশিয়ার সাবধান করে ফিরিয়ে আনে সুনির্দিষ্ট চরানিতে। দেখা যায় কোনো একটি গবাদিপশু বিশাল মাঠে ছেড়ে দেয়া হয়েছে, প্রাণীটি আপন মনে গোগ্রাসে গিলে চলছে, তবে একটা সুনির্দিষ্ট সীমারেখার মধ্যে থাকছে সীমাবদ্ধ, কারণ এর গলায় পরানো আছে একটি রশি। সীমানা ডিঙ্গানোর উপায় নেই প্রাণীটির।
তবে মানুষ তো গৃহপালিত পশু নয়, মানুষ খোদার সুরতে তাঁর প্রতিনিধিত্ব করার জন্য সৃষ্ট মনোনীত; তাকে বিশেষ সম্মাননা দেয়া হয়েছে। স্বাধীনতা, প্রজ্ঞা, ধার্মিকতা ঐশি গুনাবলি দেয়া হয়েছে, প্রতিনিধির মধ্যে যদি ঐসব গুনাবলি না থাকে তবে তেমন কান্ডজ্ঞানহীন ব্যক্তির পক্ষে কতক্ষণ খোদার মহিমা বজায় রাখা সম্ভব হবে? দুঃখের বিষয় হলো, প্রথম ও প্রধান প্রতিনিধি খোদার চিরশত্রু ইবলিসের কুটচালে ধরা খেল। অবাধ্যতা, পাপ অপরিণামদর্শীতার কুফল প্রাঞ্জলভাবে ফুটে উঠলো ভ্রাত্রি হননের মাধ্যমে।
গোটা বিশ্ব আজ চরমভাবে পতিত, আক্রান্ত, দিশেহারা, পারষ্পরিক উষ্মা অগ্নিবাষ্প, বিষাক্ত নেত্রবাণ ছুড়ে পরষ্পরকে আহত বিদ্ধ করে মারতে চাইছে। ভাগ্যিস প্রতিরক্ষা আবরণ দেয়া হয়েছে সকলের জন্য, যারাই বসবাস করে চলছে মাবুদের পক্ষ ছায়ায়। তিনি তো প্রতিজ্ঞা করেছেন, যারাই তাঁর সুশীতল ছায়াতলে বাস করবে তাদের আবার ভয়ের কি আছে?
চলুন এবার ভ্রান্ত নকশা পরিহার করে আদি ও আসল নকশা পরিকল্পনা তুলে নেই। প্রয়োগ করে চলি ভ্রান্তির বিষবাস্প উজার করার জন্য। ঐশি প্রেমে পুনরায় বিশ্বটি স্নাতশুভ্র করার জন্য কালক্ষেপন করণ আর বিজ্ঞোচিত কাজ হবে না। দ্বিধা দন্দ দূর করে প্রেমের পারাবারে সকলে মিলে ডুব দিয়ে স্নাতশুভ্র নতুন সৃষ্টি হয়ে উঠি। মাবুদ আমাদের সহায়। চাই নিরপেক্ষ নিষ্পাপ ব্যক্তি; রয়েছে যার হৃদয়জুড়ে নিখাদ প্রেম, যিনি হিংসা জানেন না, যার মুখে নেই কোনো ছলনার উক্তি; পূত পবিত্র, স্বীয় রক্ত পর্যন্ত দিয়েছেন কোরবানি, অসহায় পতিত বিশ্ববাসিকে মুক্তপাপ দায়মুক্ত করার জন্য যা হলো প্রেমের পরাকাষ্ঠা, একক নজীর কেবল শতভাগ বেগুনাহ ব্যক্তির পক্ষেই সম্ভব সাধন করা।
খোদ মালিকের পক্ষ থেকে আগত উদ্ধারকারী, যিনি মানুষকে আত্মতুল্য প্রেম করেন, যার ধমনিতে নেই খুনে প্রবণতা, ধ্বংসাত্মক জিঘাংসা।
জরিপের সময় সরকারী পিলার ধরে মাপ নিতে দেখেছি, আর বদর আমিন, সরকার যাকে প্রেরণ করেন, অবশ্য তিনি থাকবেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, হতে পারবেনা তিনি পার্থীব দোষে দুষ্ট। যার একমাত্র লক্ষ হারানো মানিক ফিরিয়ে নেয়া; হোক না যে কোনো মাষুলের বিনিময়ে তা অর্জীত।
যারা যুক্তির প্রয়োজন বোধ করে না; মুল নকশার ধারে কাছে ঘেঁষে না, পারষ্পরিক দরদ ও সহমর্মীতার তোয়াক্কা করে না, তেমন স্বার্থান্ধ ভুতাশ্রিত ব্যক্তির পক্ষে ঐশি নকশা ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা আদৌ সম্ভব নয়।
মানুষ খুন করে যারা নিজেদের হাত রাঙ্গিয়েছে, তেমন নরখাদকদের কাছ থেকে মানবতাবাদী কোনো মন্ত্র শোনার ও মানার প্রশ্নই জাগে না। আদমের ঔরষজাত কোনো সন্তানই অবশিষ্ট নেই, রয়েছেন যিনি সম্পূর্ণ পবিত্র, নিষ্কলুষ, মানুষের ক্ষতি করা দূরে থাক, তিনি স্বীয় জানের শত্রুদের পর্যন্ত অকাতরে ক্ষমা করে দিয়েছেন। পিতা এদের ক্ষমা করো, এমন হলো তাঁর উক্তি যা তিনি উচ্চারণ করেছেন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার ঠিক পূর্ব মুহুর্তে।
তিনি হলেন কুমারী তনয় বেগুনাহ ঈসা মসিহ। আপনার জীবনটকে তিনি সম্পূর্ণ বদলে দিতে চান। তিনি গুনাহগার অবাধ্য জনতাকে কখনোই অবহেলা করেন নি; বরং তাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন, আপামর জনতা, যারাই রয়েছে পরিশ্রান্ত, কর্মক্লান্ত, দিশেহারা, যাদের জন্য মুক্তির পথ হয়ে আছে অবরুদ্ধ, তারা যেন নিঃসন্দেহে ছুটে আসে তাঁর কাছে। তিনি জটিল সমস্যার একমাত্র পারফেক্ট সমাধান দিয়েছেন; হারিয়ে যাওয়া সন্তানদের পিতার ক্রোড়ে ফিরিয়ে দেবার জন্য।
মানুষে মানুষে আর কোনো বাদ-বিভেধের প্রয়োজনীয়তা অবশিষ্ট রইল না; পরষ্পর ঐশি পরিকল্পনানুযায়ী সকলে ফিরে গেল পিতৃ গৃহে, সম্মানপূর্বক অবস্থান অধিকার কেবল মসিহের মাধ্যমে। গানের কলি এল চলি, “প্রভুর ছিলাম; প্রভুর হলাম, মাঝখানে দু’দিন জ¦লেপুড়ে মরলাম” মানুষের কথাই বলুন আর ভূমির কথাই বলুন, খোদা সৃষ্টি করেছেন মানুষ, যারা হলো বাতেনী খোদার হুবহু বহিপ্রকাশ। যিনি মানুষ দেখেছেন তিনি তো ইতোমধ্যে খোদার পরিচয় পেয়ে গেছেন। মানবরূপে মসিহ তেমন দাবি, প্রত্যয়ের সাথে ঘোষণা করেছেন।
কেবল খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহের মাধ্যমে বিশ্বের তাবৎ সমস্যার সমাধান হয়ে গেল, অবলীলাক্রমে, এক চূড়ান্ত মূল্যে (গালাতীয় ৩:২৮)।
মসিহের আত্মত্যাগের ফলে বিশ্ববাসি ফিরে পেল তাদের মান-মর্যাদা, প্রজ্ঞা, ধার্মিকতা, দূরদর্শিতা ক্ষমতা তথা ঐশি প্রদত্ত সার্বিক অধিকার! মানুষ আজ সত্যিকারের মানুষে হলো পরিণত; পার্থীব লোভ আর স্বার্থের কারণে জমে ওঠা বিষাক্ত পদার্থ আর তাকে বয়ে নিতে হচ্ছে না, সে আজ সম্পূর্ণ স্বাধীন কলঙ্কমুক্ত, পূতপবিত্র, যেমন শতভাগ পবিত্র হলেন ঐশি তনয় খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ। “তবে যতজন তাঁর উপর ঈমান এনে তাঁকে গ্রহণ করল তাদের প্রত্যেককে তিনি আল্লাহর সন্তান হবার অধিকার দিলেন” (ইউহোন্না ১:১২)