ভিনজাতীয় ভাষা দিয়ে প্রশংসা করা বা গালমন্দ দেয়া; নয় কি সমার্থক তেমন ব্যক্তির কাছে, যার পক্ষে সম্ভব নয়, উক্ত ভাষার মর্মার্থ অনুধাবন করা।
যেমন ওজু গোছল করে কোনো ব্যক্তিকে কখনোই দেখি নি, মালকোঁচা মেরে, কাউকে লক্ষ্য, করে গালমন্দ দিতে, অথবা তার গোষ্ঠি উদ্ধার করতে! তবে বিষয়টি যদি কোনো অজানা ভাষায়, তার চেয়েও জঘন্য ভাষা উচ্চারণ করতে হয়, তাতেও তাদের থাকে না কোনো আপত্তি। বরং সকলের প্রশংসা কুড়াতে তা যথেষ্ট সহায়ক হয়ে থাকে।
দুর্বোদ্ধ ভাষা অথবা কালো যবনিকার অন্তরালে চোর তষ্কর তো অনেক কিছুই করে থাকে, তবে প্রকাশ্য দিবালোকে, জনসমক্ষ্যে তাদের তেমন কাজ করতে বাধ্য করা হয়, তখন অবশ্যই থলের বিড়াল বেড়িয়ে পারবে।
ছদ্মবেশী প্রতারক চক্র সমাজে সদা ছিল, আছে এবং কেয়ামতের পূর্বমূহুর্ত পর্যন্ত থাকবে তাদের অস্তিত্ব। চোরাবালিতে অতি সাবধানে চলতে হবে, আর চলার পথ কণ্টকাকীর্ণ থাকার কারণেই পথচারীকে দেখে শুনে অতি সাবধানে পা ফেলতে হবে; তবে কোনো ভাবেই কাঁটা হেরি ক্ষান্ত হওয়া চলবে না; যেমন কবিতার সুরে বলা হয়, “কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে, দুঃখ বিনে শুখ লাভ হয় কি মোহীতে?” আসলে জীবনের সর্বক্ষেত্রে একটা কিছু অস্তিত্বমান অন্তরায় রয়েছে। খেলার মাঠে থাকে দু’টি পক্ষ, আপনি ছুড়ে মারবেন আর একজন সদাজাগ্রত প্রস্তুত, তা ঠেকিয়ে দেবার জন্য; তাই শত বাধাবিন্দাচল অতিক্রম করেই তবে কাঙ্খিত সাফল্যের দূয়ারে পৌছে যাওয়া।
সাধারণত: প্রাণী জগতের মধ্যে রয়েছে তিন প্রকার প্রাণী; যথা ভূচর, খেচর ও জলচর। ভূচর শক্তিলাভ করে ভূমিতে বসে, আর জলচর শক্তি লাভ করে জলের মধ্যে আর খেচর শক্তি পায় বাতাসে; যা হলো প্রাকৃতিক নিয়ম।
মানুষের শক্তি অবশ্যই আসতে হবে খোদ নির্মাতার কাছ থেকে। তিনি প্রথম মানুষ আদমের নাকে প্রাণ বায়ু ফুঁকে দিলেন, অমনি মাটির মূর্তী জীবন্ত মানুষের হলো রূপান্তরিত। মানুষের শক্তি প্রজ্ঞা ধার্মিকতা উৎসারিত হয়ে থাকে খোদ নির্মাতা খোদার কাছ থেকে। যখনই উক্ত মানুষটি খোদা থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে পড়লো অমনি সে রুহানীভাবে হয়ে পড়লো মৃত। তাকে এখন ব্যবহার করে চলছে খোদার আজন্ম শত্রæ ইবলিস। যাকে যখনই অবমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে ইবলিসের কব্জা থেকে, অমনি পুনরায় খোদার সন্তান খোদার মতই চাল বোল জীবন আচরণ করতে বাধ্য। তখন থেকে পাকরূহ তাকে পুনরায় পরিচালনা করে চলে। কথায় বলে ন্যাড়া একবারই বেলতলা যায়।
কালামপাকে প্রবোধ বাণী স্পষ্ট দেখা যায়, “আমি আসল আংগুর গাছ আর আমার পিতা মালী। আমার যে সব ডালে ফল ধরে না সেগুলো তিনি কেটে ফেলেন, আর যে সব ডালে ফল ধরে সেগুলো তিনি ছেঁটে পরিষ্কার করেন, যেন আরও অনেক ফল ধরতে পারে। আমি যে কথা তোমাদের বলেছি তার জন্য তোমরা আগেই পরিষ্কার হয়েছ। আমার মধ্যে থাক আর আমিও তোমাদের দিলে থাকব। আংগুর গাছে যুক্ত না থাকলে যেমন ডাল নিজে নিজে ফল ধরাতে পারে না তেমনি আমার মধ্যে না থাকলে তোমরাও নিজে নিজে ফল ধরাতে পার না। “আমিই আংগুর গাছ, আর তোমরা তার ডালপালা। যদি কেউ আমার মধ্যে এবং আমি তার মধ্যে থাকি, তবে তার জীবনে অনেক ফল ধরে, কারণ আমাকে ছাড়া তোমরা কিছুই করতে পার না। যদি কেউ আমার মধ্যে না থাকে তবে কাটা ডালের মতই তাকে বাইরে ফেলে দেওয়া হয় আর তা শুকিয়ে যায়। তখন সেই ডালগুলো কুড়িয়ে আগুনে ফেলে দেওয়া হয় এবং সেগুলো পুড়ে যায়। যদি তোমরা আমার মধ্যে থাক আর আমার কথাগুলো তোমাদের দিলে থাকে তবে তোমাদের যা ইচ্ছা তা-ই চেয়ো; তোমাদের জন্য তা করা হবে” (ইউহোন্না ১৫ : ১-৭)।
আসুন, খোদার সন্তান খোদার ক্রোড় ফিরে যাই। আর ফিরে যাবার যাবতীয় ব্যবস্থা ইতোমধ্যে সুসম্পন্ন করে রেখেছেন খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ। কেবল প্রেমের কারণে আমাদের নতুন জীবন লাভ করা সম্ভব হয়েছে, যা আমাদের নিজস্ব পরিশ্রম, যোগ্যতা, ধার্মিকতা, প্রজ্ঞা কোনো কাজে লাগে নি। পার্থীব কোনো বস্তুর বিনিময়ে তা লাভ করা সম্পূর্ণ অসম্ভব!
কেবল খোদার রহমতে আমরা ফিরে পেয়েছি জীবন, মান-মর্যাদা, অধিকার আর আমাদের চেতনায় জন্ম নিয়েছে দায়িত্ব কর্তব্যবোধ। কেবল পাকরূহের অব্যস্থানের ফলেই সবকিছু হয়েছে সাধিত। খোদার অশেষ শুকরিয়া।
যেমন ওজু গোছল করে কোনো ব্যক্তিকে কখনোই দেখি নি, মালকোঁচা মেরে, কাউকে লক্ষ্য, করে গালমন্দ দিতে, অথবা তার গোষ্ঠি উদ্ধার করতে! তবে বিষয়টি যদি কোনো অজানা ভাষায়, তার চেয়েও জঘন্য ভাষা উচ্চারণ করতে হয়, তাতেও তাদের থাকে না কোনো আপত্তি। বরং সকলের প্রশংসা কুড়াতে তা যথেষ্ট সহায়ক হয়ে থাকে।
দুর্বোদ্ধ ভাষা অথবা কালো যবনিকার অন্তরালে চোর তষ্কর তো অনেক কিছুই করে থাকে, তবে প্রকাশ্য দিবালোকে, জনসমক্ষ্যে তাদের তেমন কাজ করতে বাধ্য করা হয়, তখন অবশ্যই থলের বিড়াল বেড়িয়ে পারবে।
ছদ্মবেশী প্রতারক চক্র সমাজে সদা ছিল, আছে এবং কেয়ামতের পূর্বমূহুর্ত পর্যন্ত থাকবে তাদের অস্তিত্ব। চোরাবালিতে অতি সাবধানে চলতে হবে, আর চলার পথ কণ্টকাকীর্ণ থাকার কারণেই পথচারীকে দেখে শুনে অতি সাবধানে পা ফেলতে হবে; তবে কোনো ভাবেই কাঁটা হেরি ক্ষান্ত হওয়া চলবে না; যেমন কবিতার সুরে বলা হয়, “কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে, দুঃখ বিনে শুখ লাভ হয় কি মোহীতে?” আসলে জীবনের সর্বক্ষেত্রে একটা কিছু অস্তিত্বমান অন্তরায় রয়েছে। খেলার মাঠে থাকে দু’টি পক্ষ, আপনি ছুড়ে মারবেন আর একজন সদাজাগ্রত প্রস্তুত, তা ঠেকিয়ে দেবার জন্য; তাই শত বাধাবিন্দাচল অতিক্রম করেই তবে কাঙ্খিত সাফল্যের দূয়ারে পৌছে যাওয়া।
সাধারণত: প্রাণী জগতের মধ্যে রয়েছে তিন প্রকার প্রাণী; যথা ভূচর, খেচর ও জলচর। ভূচর শক্তিলাভ করে ভূমিতে বসে, আর জলচর শক্তি লাভ করে জলের মধ্যে আর খেচর শক্তি পায় বাতাসে; যা হলো প্রাকৃতিক নিয়ম।
মানুষের শক্তি অবশ্যই আসতে হবে খোদ নির্মাতার কাছ থেকে। তিনি প্রথম মানুষ আদমের নাকে প্রাণ বায়ু ফুঁকে দিলেন, অমনি মাটির মূর্তী জীবন্ত মানুষের হলো রূপান্তরিত। মানুষের শক্তি প্রজ্ঞা ধার্মিকতা উৎসারিত হয়ে থাকে খোদ নির্মাতা খোদার কাছ থেকে। যখনই উক্ত মানুষটি খোদা থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে পড়লো অমনি সে রুহানীভাবে হয়ে পড়লো মৃত। তাকে এখন ব্যবহার করে চলছে খোদার আজন্ম শত্রæ ইবলিস। যাকে যখনই অবমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে ইবলিসের কব্জা থেকে, অমনি পুনরায় খোদার সন্তান খোদার মতই চাল বোল জীবন আচরণ করতে বাধ্য। তখন থেকে পাকরূহ তাকে পুনরায় পরিচালনা করে চলে। কথায় বলে ন্যাড়া একবারই বেলতলা যায়।
কালামপাকে প্রবোধ বাণী স্পষ্ট দেখা যায়, “আমি আসল আংগুর গাছ আর আমার পিতা মালী। আমার যে সব ডালে ফল ধরে না সেগুলো তিনি কেটে ফেলেন, আর যে সব ডালে ফল ধরে সেগুলো তিনি ছেঁটে পরিষ্কার করেন, যেন আরও অনেক ফল ধরতে পারে। আমি যে কথা তোমাদের বলেছি তার জন্য তোমরা আগেই পরিষ্কার হয়েছ। আমার মধ্যে থাক আর আমিও তোমাদের দিলে থাকব। আংগুর গাছে যুক্ত না থাকলে যেমন ডাল নিজে নিজে ফল ধরাতে পারে না তেমনি আমার মধ্যে না থাকলে তোমরাও নিজে নিজে ফল ধরাতে পার না। “আমিই আংগুর গাছ, আর তোমরা তার ডালপালা। যদি কেউ আমার মধ্যে এবং আমি তার মধ্যে থাকি, তবে তার জীবনে অনেক ফল ধরে, কারণ আমাকে ছাড়া তোমরা কিছুই করতে পার না। যদি কেউ আমার মধ্যে না থাকে তবে কাটা ডালের মতই তাকে বাইরে ফেলে দেওয়া হয় আর তা শুকিয়ে যায়। তখন সেই ডালগুলো কুড়িয়ে আগুনে ফেলে দেওয়া হয় এবং সেগুলো পুড়ে যায়। যদি তোমরা আমার মধ্যে থাক আর আমার কথাগুলো তোমাদের দিলে থাকে তবে তোমাদের যা ইচ্ছা তা-ই চেয়ো; তোমাদের জন্য তা করা হবে” (ইউহোন্না ১৫ : ১-৭)।
আসুন, খোদার সন্তান খোদার ক্রোড় ফিরে যাই। আর ফিরে যাবার যাবতীয় ব্যবস্থা ইতোমধ্যে সুসম্পন্ন করে রেখেছেন খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ। কেবল প্রেমের কারণে আমাদের নতুন জীবন লাভ করা সম্ভব হয়েছে, যা আমাদের নিজস্ব পরিশ্রম, যোগ্যতা, ধার্মিকতা, প্রজ্ঞা কোনো কাজে লাগে নি। পার্থীব কোনো বস্তুর বিনিময়ে তা লাভ করা সম্পূর্ণ অসম্ভব!
কেবল খোদার রহমতে আমরা ফিরে পেয়েছি জীবন, মান-মর্যাদা, অধিকার আর আমাদের চেতনায় জন্ম নিয়েছে দায়িত্ব কর্তব্যবোধ। কেবল পাকরূহের অব্যস্থানের ফলেই সবকিছু হয়েছে সাধিত। খোদার অশেষ শুকরিয়া।