আপন কুৎসিত পদযুগল দেখার সাথে সাথে নৃত্যরত ময়ূরের পেখম আপনা থেকে বন্ধ হয়ে যায়, আয়নাতে স্বীয় কদর্য কুৎসিত মুখাবয়ব দেখার সাথে সাথে গরিলা থাবা মের আয়না ভেঙ্গে ফেলে এরূপ কল্পকথার ন্যায় দেশ-বিদেশে কতিপয় লোক রয়েছে যারা সমাজে অপকর্ম করে বেড়ায় অথচ সমালোচনা করলে ক্ষেপে ওঠে। সোনা পোড়ালে হারাবার কোনো ভয় থাকে কী? তবে ইমিটেশনের গয়না খাঁটি সোনা বলে চালিয়ে দেবার দুরভিসন্ধি যাদের মনে থাকে তারা অগ্নিপরীক্ষার মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে অবশ্যই দূরে থাকে।
মতবাদ, নীতি, সাহিত্য, ধর্ম, নিয়মাচার প্রভৃতি মানুষের কল্যাণ ও উৎকর্ষ সাধনের জন্যই দত্ত হয়েছে।
তবে আলোচনা-সমালোচনার মাধ্যমে ওই বিষয়াদি লিখিত ও নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠে। গবেষণা প্রত্যেকটি বিষয়কে সহজ-সুন্দর করে গড়ে তোলে।
যে মতবাদ সমালোচনা সহ্য করতে চায় না তা ধীরে ধীরে মরিচাধরা লৌহযন্ত্রের মতো অকেজো হয়ে পড়ে। মতবাদ যতোই সুন্দর হোক না কেন, তা সৃষ্ট বা প্রদত্ত হয়েছে মানুষের জন্য, আর এ মানুষ হলো ভুল-শুদ্ধ, ভালো-মন্দের সমাহার। শরীরে সুগন্ধী মেখে কিছুদূর চলার পর মনে হবে সুগন্ধী দ্রব্য নকল বা দুর্গন্ধে ভরা। এর প্রধান কারণ শরীরের ময়লা-ক্লেদ সুগন্ধী দ্রব্যটিকে ইতোমধ্যে দুর্গন্ধযুক্ত করে ফেলেছে।
ধর্মের বাণী নির্ভরযোগ্য; মহান রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে প্রদত্ত। তবে যাদের দ্বারা ধর্মীয় বাণী ব্যাখ্যাত হয়ে থাকে; সাধারণত দৃষ্ট হচ্ছে, অধিকাংশ ব্যক্তিবর্গ নিজ নিজ হীনস্বার্থ চরিতার্থ করণার্থে এর অপব্যাখ্যা করে ফেরে। তাছাড়া ধর্মীয় সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাদের নিজেদের মধ্যে গড়মিল তো লেগেই থাকে। যেহেতু সাধারণ লোকজন পরীক্ষা করার ক্ষমতা অতি অল্পই রাখে তাই তারা ভ্রান্ত শিক্ষার সস্তা শিকারে পরিণত হয়ে পড়ে অতি সহজেই। ধর্মনেতাগণ কি কেবল পুলপিটে বসেই সাধুবাদের খই ফুটাবেন না, কি চলার পথে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধর্মের প্রায়োগিক প্রভাব প্রকাশ করবেন। পথেঘাটে ধর্মনেতাদের সাথে দেখা হলে তারা মুখ ঘুরিয়ে নেন কোন কারণে?
বিপন্ন মানুষকে রক্ষার জন্য খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ পতিত বিশ্বে নেমে এসেছেন। তাঁর সাথে যুক্ত ভক্তবৃন্দগণ যদি তেমন কাজ না করে মুখে মসিহের অনুসারী বলে দাবি করে বসে তখন তেমন দাবি এবং তেমন ভক্তবৃন্দকে ভাক্ত বলা হলে কতোটা অপরাধ হবে?
মতবাদ, নীতি, সাহিত্য, ধর্ম, নিয়মাচার প্রভৃতি মানুষের কল্যাণ ও উৎকর্ষ সাধনের জন্যই দত্ত হয়েছে।
তবে আলোচনা-সমালোচনার মাধ্যমে ওই বিষয়াদি লিখিত ও নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠে। গবেষণা প্রত্যেকটি বিষয়কে সহজ-সুন্দর করে গড়ে তোলে।
যে মতবাদ সমালোচনা সহ্য করতে চায় না তা ধীরে ধীরে মরিচাধরা লৌহযন্ত্রের মতো অকেজো হয়ে পড়ে। মতবাদ যতোই সুন্দর হোক না কেন, তা সৃষ্ট বা প্রদত্ত হয়েছে মানুষের জন্য, আর এ মানুষ হলো ভুল-শুদ্ধ, ভালো-মন্দের সমাহার। শরীরে সুগন্ধী মেখে কিছুদূর চলার পর মনে হবে সুগন্ধী দ্রব্য নকল বা দুর্গন্ধে ভরা। এর প্রধান কারণ শরীরের ময়লা-ক্লেদ সুগন্ধী দ্রব্যটিকে ইতোমধ্যে দুর্গন্ধযুক্ত করে ফেলেছে।
ধর্মের বাণী নির্ভরযোগ্য; মহান রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে প্রদত্ত। তবে যাদের দ্বারা ধর্মীয় বাণী ব্যাখ্যাত হয়ে থাকে; সাধারণত দৃষ্ট হচ্ছে, অধিকাংশ ব্যক্তিবর্গ নিজ নিজ হীনস্বার্থ চরিতার্থ করণার্থে এর অপব্যাখ্যা করে ফেরে। তাছাড়া ধর্মীয় সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাদের নিজেদের মধ্যে গড়মিল তো লেগেই থাকে। যেহেতু সাধারণ লোকজন পরীক্ষা করার ক্ষমতা অতি অল্পই রাখে তাই তারা ভ্রান্ত শিক্ষার সস্তা শিকারে পরিণত হয়ে পড়ে অতি সহজেই। ধর্মনেতাগণ কি কেবল পুলপিটে বসেই সাধুবাদের খই ফুটাবেন না, কি চলার পথে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধর্মের প্রায়োগিক প্রভাব প্রকাশ করবেন। পথেঘাটে ধর্মনেতাদের সাথে দেখা হলে তারা মুখ ঘুরিয়ে নেন কোন কারণে?
বিপন্ন মানুষকে রক্ষার জন্য খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ পতিত বিশ্বে নেমে এসেছেন। তাঁর সাথে যুক্ত ভক্তবৃন্দগণ যদি তেমন কাজ না করে মুখে মসিহের অনুসারী বলে দাবি করে বসে তখন তেমন দাবি এবং তেমন ভক্তবৃন্দকে ভাক্ত বলা হলে কতোটা অপরাধ হবে?