নবীনবরণ অনুষ্ঠানে আনন্দ, হাসি ঠাট্টা, জোকস একটু আধটু হতেই পারে। তেমন এক অনুষ্ঠানে প্রত্যেকের নামধাম ও অভিজ্ঞতার বিষয় সংক্ষিপ্ত পরিচিতি পর্ব চলছি, হঠাৎ একজন নিজের নাম প্রকাশ করলো ‘আগুন’ অমনি সকলে স্লোগান তুললো, আগুন! আগুন!! আগুন!!!
পাশেই ছিল দমকল বাহীনি; ছুটে আসলো অকুস্থলে; কোথায় আগুন, কি পুড়েছে, কেউ হতাহত হয় নি তো? সবার জিজ্ঞাসু নেত্র, তবে ক্ষেত্রটি ইতোপূর্বে শান্ত হয়ে গেল।
প্রিয় শ্রোতাবৃন্দ, নামে আগুন আর কাজে আগুন কখনো কি এক হতে পারে? আমরা বোকার হদ্দ। কতকগুলো মুখস্ত বিদ্যা ভিন্ন ভাষায় আউড়ে চলছে একদল ফন্দিবাজ, আর তা শুনে হাততালি দিয়ে চরীছ আমরা, কথাগুলো হতে পারে সুললীত, শ্রুতি মধুর, তা কতটা মধুর আমাদের জন্য বয়ে আনবে, অর্থ না বুঝে কেমন করে নিশ্চিত হব। তাছাড়া, কথাগুলো হতে পারে নির্দেশিকা, নিয়ম কানুন, ঘটে যাওয়া অতীতে ঘটনাপুঞ্জী, ইত্যাদি।
ব্যক্তিজীবনে তেমন নিয়ম প্রয়োগের মাধ্যমেই বয়ে আনে অভূতপূর্ব সাফল্য ও পরিবর্তন। ‘ধরি মাছা না ছুই পানি, চৌথ আসমানে মোর আসন খানি’।
মন্ত্র বেত্তাদের দেখেছি, তাবিজ কবজ বিক্রি করতে। কবজের মধ্যে পুরে দেয় মেশক জাফরানের দ্বারা লিখিত কাতিপয় কথা, কবজের মধ্যে ভরে দিয়ে সিলগালা করে দেয়া হয়। ব্যবহারকারীচরম মোম দিয়ে সিলগালা করে দেয়া হয়। ব্যবহারকারী নিজেকে উত্তরোত্তর সুস্থ বোধ করে। এট একধরণের বিশ্বাস সর্বস্তরে হচ্ছে দৃষ্ট। ব্যক্তিকে ওভাবেই শিক্ষা দেয়া হয়েছে। মোহরংকৃতদের নিয়ে নিরবে প্রার্থনা করা হবে অতি উত্তম।
ডিমের মাধ্যমে যে শিক্ষা লাভ করা সম্ভব, তা হলো ডিমের সাথে ডিমের কোনো সহভাগিতা থাকে না। যদিও একটি পাত্রে একত্রে রাখা হয়েছে তবুও প্রত্যেকটি স্বাতন্ত্র নিয়ে স্বস্থানে শক্তভাবে থাকে অবস্থানরত। তবে ডিমের খোলস ভেঙ্গে একটি পাথে ঢালা হলে একক সহভাগীতায় হয়ে গেল জড়িত। তাছাড়া ডিমগুলো যদি ফলপ্রসু হয়ে থাকে, তবে তেমন ক্ষেত্রে ডিমগুলো মুরগীর উমে বসান, দেখবেন, ধীরে ধীরে খোলসের মধ্যে কুসুম ও লালী সবটা একটা আকৃতি পাচ্ছে, অধীর অপেক্ষাতে থাকুন, সময় মত নতুন ছানা উৎপন্ন হলো। কেবল নতুন ছানার জন্মই হলো না, উক্ত নবাগত স্বীয় চঞ্চু দিয়ে ডিমের নিঃছিদ্র কঠিকন শিবীর আবরণ চৌচীর করে তবে মুক্তালয়ে এসে হাজির। সকলে সকলের সহভাগীতা পাচ্ছে। আহারে বিহারে ছানাগুলো থাকে আনন্দে মুখরীত। অবশ্য তখনও তারা মাতৃহারা নয়। নিয়ত ছানাগুলো ছুটাছুটি করে চলে। ওদের জানার কথা নয়, মগডালে চীল তাক করে থাকে, কাকে কখন ছোঁ মারবে। তবে মা কিন্তু অতন্দ্র প্রহরীর মত চতুর্দিকে নজর রাখে, আসন্য বিপদ দেখা মাত্র ছানাদের হুশিয়ার করে দেয়, আর সংকেত অনুযায়ী ছানাগুলোও লুকিয়ে পড়ে।
পাশেই ছিল দমকল বাহীনি; ছুটে আসলো অকুস্থলে; কোথায় আগুন, কি পুড়েছে, কেউ হতাহত হয় নি তো? সবার জিজ্ঞাসু নেত্র, তবে ক্ষেত্রটি ইতোপূর্বে শান্ত হয়ে গেল।
প্রিয় শ্রোতাবৃন্দ, নামে আগুন আর কাজে আগুন কখনো কি এক হতে পারে? আমরা বোকার হদ্দ। কতকগুলো মুখস্ত বিদ্যা ভিন্ন ভাষায় আউড়ে চলছে একদল ফন্দিবাজ, আর তা শুনে হাততালি দিয়ে চরীছ আমরা, কথাগুলো হতে পারে সুললীত, শ্রুতি মধুর, তা কতটা মধুর আমাদের জন্য বয়ে আনবে, অর্থ না বুঝে কেমন করে নিশ্চিত হব। তাছাড়া, কথাগুলো হতে পারে নির্দেশিকা, নিয়ম কানুন, ঘটে যাওয়া অতীতে ঘটনাপুঞ্জী, ইত্যাদি।
ব্যক্তিজীবনে তেমন নিয়ম প্রয়োগের মাধ্যমেই বয়ে আনে অভূতপূর্ব সাফল্য ও পরিবর্তন। ‘ধরি মাছা না ছুই পানি, চৌথ আসমানে মোর আসন খানি’।
মন্ত্র বেত্তাদের দেখেছি, তাবিজ কবজ বিক্রি করতে। কবজের মধ্যে পুরে দেয় মেশক জাফরানের দ্বারা লিখিত কাতিপয় কথা, কবজের মধ্যে ভরে দিয়ে সিলগালা করে দেয়া হয়। ব্যবহারকারীচরম মোম দিয়ে সিলগালা করে দেয়া হয়। ব্যবহারকারী নিজেকে উত্তরোত্তর সুস্থ বোধ করে। এট একধরণের বিশ্বাস সর্বস্তরে হচ্ছে দৃষ্ট। ব্যক্তিকে ওভাবেই শিক্ষা দেয়া হয়েছে। মোহরংকৃতদের নিয়ে নিরবে প্রার্থনা করা হবে অতি উত্তম।
ডিমের মাধ্যমে যে শিক্ষা লাভ করা সম্ভব, তা হলো ডিমের সাথে ডিমের কোনো সহভাগিতা থাকে না। যদিও একটি পাত্রে একত্রে রাখা হয়েছে তবুও প্রত্যেকটি স্বাতন্ত্র নিয়ে স্বস্থানে শক্তভাবে থাকে অবস্থানরত। তবে ডিমের খোলস ভেঙ্গে একটি পাথে ঢালা হলে একক সহভাগীতায় হয়ে গেল জড়িত। তাছাড়া ডিমগুলো যদি ফলপ্রসু হয়ে থাকে, তবে তেমন ক্ষেত্রে ডিমগুলো মুরগীর উমে বসান, দেখবেন, ধীরে ধীরে খোলসের মধ্যে কুসুম ও লালী সবটা একটা আকৃতি পাচ্ছে, অধীর অপেক্ষাতে থাকুন, সময় মত নতুন ছানা উৎপন্ন হলো। কেবল নতুন ছানার জন্মই হলো না, উক্ত নবাগত স্বীয় চঞ্চু দিয়ে ডিমের নিঃছিদ্র কঠিকন শিবীর আবরণ চৌচীর করে তবে মুক্তালয়ে এসে হাজির। সকলে সকলের সহভাগীতা পাচ্ছে। আহারে বিহারে ছানাগুলো থাকে আনন্দে মুখরীত। অবশ্য তখনও তারা মাতৃহারা নয়। নিয়ত ছানাগুলো ছুটাছুটি করে চলে। ওদের জানার কথা নয়, মগডালে চীল তাক করে থাকে, কাকে কখন ছোঁ মারবে। তবে মা কিন্তু অতন্দ্র প্রহরীর মত চতুর্দিকে নজর রাখে, আসন্য বিপদ দেখা মাত্র ছানাদের হুশিয়ার করে দেয়, আর সংকেত অনুযায়ী ছানাগুলোও লুকিয়ে পড়ে।