জীবন একটি শব্দ, মনে হবে এটি একটি একক শব্দ, তবে বিশ্লেষণ করা হলে দেখা যাবে, অবশ্যই এটি একটি যৌগিক শব্দ! যেমন দেহের সাথে প্রাণের সংযোগ ঘটার ফলে হয়ে গেল তা অর্থবহ শব্দ। প্রেম, সহমর্মীতা, কামনা, বাসনা, দয়া-মায়া, ভোগ-বিলাস, স্বাদ-বিস্বাদ, সাধ আহলাদ, সুমধুর প্রাণ জুরানো চিত্যহারি বাক্যালাপ গানের সুর প্রাণকাড়া মুর্ছনা ভূমিষ্ট যাবতীয় বিষয়াদী অর্থবহ থাকে কেবল জীবদ্দশায়। দেহ থেকে প্রাণের বিয়োগ যেন সমস্ত রচনার জ¦লন্ত যবনিকা। গতি বলুন আর বিহার বলুন, কোনো কিছুই আর থাকলোনা বলবৎ; সবকিছু হয়ে গেল স্তব্ধ!
আপনি কি জানেন, কে আপনাকে সৃষ্টি করেছেন? সৃষ্টি লগ্নে কোন অদৃশ্য রোজনামচা আপনার হাতে তুলে দিয়েছেন, যা আমৃত্যু চালিয়ে যেতে হবে আপনাকে, এক মুহুর্তের জন্য থামিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তেমন যন্ত্রটি জন্মসূত্রে প্রাপ্ত, আপনি, আমি, বলতে পারেন বিশে^র প্রত্যেকটি প্রাণী জগত; তা দুপেয় বলুন আর চারপেয় বলুন অথবা তিন পায়ের প্রাণী ক্যাঙ্গারুর কথাই বলুন, যতক্ষণ পর্যন্ত জীবন বায়ু নাশিকার মধ্য দিয়ে আসা-যাওয়া করবে ততক্ষণ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে প্রাণীর প্রাণময় কর্মকান্ড।
মানুষের প্রসঙ্গে আসুন, খোদা মানুষ সৃষ্টি করেছেন। অবশ্য আপন গুন ও প্রতিমূর্তীতে। সে এক বিশেষ রহস্য, তবে গোপন নয়। এটি একটি সাধারণ বিশ^াস, খোদা মাটি দিয়ে মানুষ সৃষ্টি করেছেন, মাত্র একজন মানুষ, যাকে তিনি আদম বলে অভিধা দিলেন। তবে মাটির দেহ তখনও ছিল না কার্যকর, যেমন ইঞ্জিনবোট। বোটের সাথে ইঞ্জিন জুড়ে না দেয়া পর্যন্ত ওটি ইঞ্জিনবোট হিসেবে আর কার্যকর হতে পারবে না। বোটে ইঞ্জিন জুড়ে দিন, যথাযথ তেল মোবিল ঢালুন, মেশিন চালু করুন, এবার হচ্ছেমত ভ্রমন করুন; হয়ে গেল নৌ বিহার।
খোদা মাটির দেহে ফুকে দিলেন প্রাণবায়ু; অমনি বাস্তবায়ীত হলো জীবন্ত মানবের আগমন বা সৃষ্টি। প্রেম-প্রীতি, জৌবিক চাহিদা, চাওয়া-পাওয়া, মান-অভিমান, আনন্দ-ফুর্তী, সোহাগ-আহলাদ, যাবতীয় কর্মচাঞ্চল্যতা মূর্তমান হয়ে গেল জীবন পাওয়ার সাথে সাথে।
জীবন কর্মময়। জীবন অর্থবহ। গল্প কবিতা প্রবন্ধ সুরের মুর্ছনা সবকিছু রচিত হয়েছে জীবন্ত মানুষের জন্য, জীবন্ত মানুষের দ্বারা। এবাদত বন্দেগী, তাও কেবল জীবন্ত মানুষের পক্ষেই সম্ভব। দেহ থেকে প্রাণবায়ু বেরিয়ে গেলে হয়ে গেল উক্ত ব্যক্তি একটি লাশ। সে আর জীবিতদের আসরে বা বাসরে ঠাঁই পেতে পারে না। তা মমি করে রাখুন আর ভিন্ন প্রক্রিয়ায় লাইফসাপোর্ট দিয়ে কিছু অর্থ কামিয়ে নিন, তেমন কর্মকান্ড চাপিয়ে দেয়া নীতি বিরোধী বৃথা প্রয়াশ মাত্র। জীবদ্দশায় অর্থবহ থাকে বাকচারিতা। কেউ মৃত ব্যক্তির সাথে কথা বলে না। তেমন যে ভাষা আপনি বুঝবেন না, ভাষায় আলাপচারিতা কেবল পÐশ্রম মাত্র।
যে ব্যক্তি মাতৃ ভাষাটুকুও বুঝতে পারে না, তার উপর চাপিয়ে দেয়া অজানা-অচেনা ভাষায় রচিত চালবোল; মুর্খতা ছাড়া আর কি হতে পারে বলুন? খোদা হলেন সনাতন অবিনশ^র এক রুহানী সত্তা। যিনি নিজে হলেন প্রেম, কেবল প্রেমের তাগিদে বিশ^চরাচর সৃষ্টি করেছেন। বিশ^টি হলো পঞ্চভূতের সমাহার। একজন জীবিত মানুষ ঐ একই পঞ্চভূতের ক্ষিতি, অপ, তেজ, মরুৎ, ব্যোম দ্বারা হচ্ছে পরিচালিত। তবে মানুষকে সাধরণত: দু’টি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে, যা হলো দেহ ও আত্মা। এটা যেন ইঞ্জিনবোটের সাথে তুলনা করা চলে! ইঞ্জিন জুড়ে না দিলে বোটটি রয়ে গেল অকার্যকর। মানুষের নাশিকায় প্রাণবায়ু ফুঁকে দিলেন খোদা, অমনি উক্ত দেহটি হয়ে গেল চলমান বা জীবন্ত। আবার দেহ থেকে প্রাণবায়ু বিদায় নিল, মহাজ্ঞানী সৃষ্টি হলো অকেজো নিষ্প্রাণ!
দেখা যায়, মায়ের কাছে শিশুর আবদার, হৃদয়ে যে কতোটা অনুভুতি তাড়নার সৃষ্টি করে, তা অপ্রকাশ্য! অবোধ শিশুটি তো আর বোঝে না, ওর মা চিরকালের জন্য বিদায় নিয়েছে, চলে গেছে দূরে বহুদুরে ওর নাগালের বাইরে! বিষয়টি উপলব্ধি করা হৃদয় বিদারক বটে। বাস্তবতা বড়ই রুঢ়, বড়ই নিষ্ঠুর! বিশে^র তাবৎ মানুষ কোনো এক মুহুর্তে, ক্রান্তিলগ্নে অবশ্যই পৌছে যাব, তবে জীবদ্দশায় তেমনটা অনুভুত হয় না।
আমি বলছি না, জীবদ্দশায় মরণের গান গাইতে হবে, তবে মনে রেখে চলতে হবে সকল বিবেকবান মানুষের, নতুবা গোটা জীবন অতৃপ্তির জ¦ালায় জ¦লে পুড়ে অঙ্গার হতে হবে। জীবনের প্রকৃত অর্থ বুঝা যাবে না, অথবা জীবন বলতে যা কিছু বুঝা যায় তাও উপলব্ধি করা সম্ভব হবার নয়।
জীবন অবশ্যই মধুময়। জীবনের মালিক হলেন মমতাময়ী সদাপ্রভু, চিরজাগ্রত সর্বত্র বিরাজমান ক্ষমাশীল এক মহান রুহানী সত্তা। তাঁকে পেতে হবে অবশ্যই রুহানী আবহে। তিনি আমাদের নির্মাতা, এক বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে সৃষ্টি করেছেন, কেবল কল্যাণ আর কল্যাণ। মাতা যেমন তার সন্তানের প্রতি থাকে ¯েœহার্দ্র, বিশ^ পিতা তাঁর সন্তানদের প্রতি থাকেন শতত: নেগাবান।
মানুষের অকল্যাণ কামনা করে কেবল অভিশপ্ত ইবলিস। মানুষের পতন ঘটেছে কুলটার কু-পরামর্শ অনুসরণ করার ফলে। লোভ, হিংসা, স্বার্থপরতা কেবল ইবলিসের সেখানো মন্ত্র ও যুক্তিজাল, যা ছিন্ন করার মত শক্তি মানুষের হাতে নেই।
ইবলিসের হাতে মানুষ হলো এক অসহায় শিকার। কোনো মানুষ নিজেকে যেমন মুক্ত করার ক্ষমতা রাখে না একইভাবে কোনো বন্দী অপর বন্দীকে অবমুক্ত করার ক্ষমতাও রাখে না। নিজেকে মুক্ত করার জন্য অবশ্যই পেতে হবে ঐশি ক্ষমতা ও সাহায্য যা নির্মাতা আমাদের সাহায্য করা ও অবমুক্ত করার জন্য সদা হাত বাড়িয়ে রেখেছেন অসহায় বন্দিদের প্রতি।
মানুষ নিয়ত রং নাম্বারে ফোন করে ফিরছে, কেউবা অজানা ভাষায় আর্জী পেষ করে চলছে জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি! বিশ^টা যেন পাগলের আড়ত। আড়তে মালামাল যেমন হাত বদলায়, একইভাবে মানুষ নিয়ত মতবাদের অভিঘাতে ক্লান্ত শ্রান্ত অসহায় অবোধের গতি নিয়ে ভুল পথে ছুটে ফিরছে। মাটির কাছে পানাহ খুঁজে ফিরছে, সূর্য-চন্দ্রের গতিবিধি অনুসরণ করে মুক্তির ক্ষণ গণনা করে প্রমাদ আনন্দ লাভ করে। খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ প্রতিজ্ঞা করেছেন, “আমি আসিয়াছি যেন তারা জীবন পায়, এবং তা যেন উপচে পড়া জীবন হয়” (ইউহোন্না ১০ অধ্যায় ১০ পদ)।
দূর দেশ থেকে আমি তোমাকে বাছাই করেছি (ইশাইয়া ৪১ অধ্যায় ৯ থেকে ১০ পদ)।
আপনি কি জানেন, কে আপনাকে সৃষ্টি করেছেন? সৃষ্টি লগ্নে কোন অদৃশ্য রোজনামচা আপনার হাতে তুলে দিয়েছেন, যা আমৃত্যু চালিয়ে যেতে হবে আপনাকে, এক মুহুর্তের জন্য থামিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তেমন যন্ত্রটি জন্মসূত্রে প্রাপ্ত, আপনি, আমি, বলতে পারেন বিশে^র প্রত্যেকটি প্রাণী জগত; তা দুপেয় বলুন আর চারপেয় বলুন অথবা তিন পায়ের প্রাণী ক্যাঙ্গারুর কথাই বলুন, যতক্ষণ পর্যন্ত জীবন বায়ু নাশিকার মধ্য দিয়ে আসা-যাওয়া করবে ততক্ষণ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে প্রাণীর প্রাণময় কর্মকান্ড।
মানুষের প্রসঙ্গে আসুন, খোদা মানুষ সৃষ্টি করেছেন। অবশ্য আপন গুন ও প্রতিমূর্তীতে। সে এক বিশেষ রহস্য, তবে গোপন নয়। এটি একটি সাধারণ বিশ^াস, খোদা মাটি দিয়ে মানুষ সৃষ্টি করেছেন, মাত্র একজন মানুষ, যাকে তিনি আদম বলে অভিধা দিলেন। তবে মাটির দেহ তখনও ছিল না কার্যকর, যেমন ইঞ্জিনবোট। বোটের সাথে ইঞ্জিন জুড়ে না দেয়া পর্যন্ত ওটি ইঞ্জিনবোট হিসেবে আর কার্যকর হতে পারবে না। বোটে ইঞ্জিন জুড়ে দিন, যথাযথ তেল মোবিল ঢালুন, মেশিন চালু করুন, এবার হচ্ছেমত ভ্রমন করুন; হয়ে গেল নৌ বিহার।
খোদা মাটির দেহে ফুকে দিলেন প্রাণবায়ু; অমনি বাস্তবায়ীত হলো জীবন্ত মানবের আগমন বা সৃষ্টি। প্রেম-প্রীতি, জৌবিক চাহিদা, চাওয়া-পাওয়া, মান-অভিমান, আনন্দ-ফুর্তী, সোহাগ-আহলাদ, যাবতীয় কর্মচাঞ্চল্যতা মূর্তমান হয়ে গেল জীবন পাওয়ার সাথে সাথে।
জীবন কর্মময়। জীবন অর্থবহ। গল্প কবিতা প্রবন্ধ সুরের মুর্ছনা সবকিছু রচিত হয়েছে জীবন্ত মানুষের জন্য, জীবন্ত মানুষের দ্বারা। এবাদত বন্দেগী, তাও কেবল জীবন্ত মানুষের পক্ষেই সম্ভব। দেহ থেকে প্রাণবায়ু বেরিয়ে গেলে হয়ে গেল উক্ত ব্যক্তি একটি লাশ। সে আর জীবিতদের আসরে বা বাসরে ঠাঁই পেতে পারে না। তা মমি করে রাখুন আর ভিন্ন প্রক্রিয়ায় লাইফসাপোর্ট দিয়ে কিছু অর্থ কামিয়ে নিন, তেমন কর্মকান্ড চাপিয়ে দেয়া নীতি বিরোধী বৃথা প্রয়াশ মাত্র। জীবদ্দশায় অর্থবহ থাকে বাকচারিতা। কেউ মৃত ব্যক্তির সাথে কথা বলে না। তেমন যে ভাষা আপনি বুঝবেন না, ভাষায় আলাপচারিতা কেবল পÐশ্রম মাত্র।
যে ব্যক্তি মাতৃ ভাষাটুকুও বুঝতে পারে না, তার উপর চাপিয়ে দেয়া অজানা-অচেনা ভাষায় রচিত চালবোল; মুর্খতা ছাড়া আর কি হতে পারে বলুন? খোদা হলেন সনাতন অবিনশ^র এক রুহানী সত্তা। যিনি নিজে হলেন প্রেম, কেবল প্রেমের তাগিদে বিশ^চরাচর সৃষ্টি করেছেন। বিশ^টি হলো পঞ্চভূতের সমাহার। একজন জীবিত মানুষ ঐ একই পঞ্চভূতের ক্ষিতি, অপ, তেজ, মরুৎ, ব্যোম দ্বারা হচ্ছে পরিচালিত। তবে মানুষকে সাধরণত: দু’টি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে, যা হলো দেহ ও আত্মা। এটা যেন ইঞ্জিনবোটের সাথে তুলনা করা চলে! ইঞ্জিন জুড়ে না দিলে বোটটি রয়ে গেল অকার্যকর। মানুষের নাশিকায় প্রাণবায়ু ফুঁকে দিলেন খোদা, অমনি উক্ত দেহটি হয়ে গেল চলমান বা জীবন্ত। আবার দেহ থেকে প্রাণবায়ু বিদায় নিল, মহাজ্ঞানী সৃষ্টি হলো অকেজো নিষ্প্রাণ!
দেখা যায়, মায়ের কাছে শিশুর আবদার, হৃদয়ে যে কতোটা অনুভুতি তাড়নার সৃষ্টি করে, তা অপ্রকাশ্য! অবোধ শিশুটি তো আর বোঝে না, ওর মা চিরকালের জন্য বিদায় নিয়েছে, চলে গেছে দূরে বহুদুরে ওর নাগালের বাইরে! বিষয়টি উপলব্ধি করা হৃদয় বিদারক বটে। বাস্তবতা বড়ই রুঢ়, বড়ই নিষ্ঠুর! বিশে^র তাবৎ মানুষ কোনো এক মুহুর্তে, ক্রান্তিলগ্নে অবশ্যই পৌছে যাব, তবে জীবদ্দশায় তেমনটা অনুভুত হয় না।
আমি বলছি না, জীবদ্দশায় মরণের গান গাইতে হবে, তবে মনে রেখে চলতে হবে সকল বিবেকবান মানুষের, নতুবা গোটা জীবন অতৃপ্তির জ¦ালায় জ¦লে পুড়ে অঙ্গার হতে হবে। জীবনের প্রকৃত অর্থ বুঝা যাবে না, অথবা জীবন বলতে যা কিছু বুঝা যায় তাও উপলব্ধি করা সম্ভব হবার নয়।
জীবন অবশ্যই মধুময়। জীবনের মালিক হলেন মমতাময়ী সদাপ্রভু, চিরজাগ্রত সর্বত্র বিরাজমান ক্ষমাশীল এক মহান রুহানী সত্তা। তাঁকে পেতে হবে অবশ্যই রুহানী আবহে। তিনি আমাদের নির্মাতা, এক বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে সৃষ্টি করেছেন, কেবল কল্যাণ আর কল্যাণ। মাতা যেমন তার সন্তানের প্রতি থাকে ¯েœহার্দ্র, বিশ^ পিতা তাঁর সন্তানদের প্রতি থাকেন শতত: নেগাবান।
মানুষের অকল্যাণ কামনা করে কেবল অভিশপ্ত ইবলিস। মানুষের পতন ঘটেছে কুলটার কু-পরামর্শ অনুসরণ করার ফলে। লোভ, হিংসা, স্বার্থপরতা কেবল ইবলিসের সেখানো মন্ত্র ও যুক্তিজাল, যা ছিন্ন করার মত শক্তি মানুষের হাতে নেই।
ইবলিসের হাতে মানুষ হলো এক অসহায় শিকার। কোনো মানুষ নিজেকে যেমন মুক্ত করার ক্ষমতা রাখে না একইভাবে কোনো বন্দী অপর বন্দীকে অবমুক্ত করার ক্ষমতাও রাখে না। নিজেকে মুক্ত করার জন্য অবশ্যই পেতে হবে ঐশি ক্ষমতা ও সাহায্য যা নির্মাতা আমাদের সাহায্য করা ও অবমুক্ত করার জন্য সদা হাত বাড়িয়ে রেখেছেন অসহায় বন্দিদের প্রতি।
মানুষ নিয়ত রং নাম্বারে ফোন করে ফিরছে, কেউবা অজানা ভাষায় আর্জী পেষ করে চলছে জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি! বিশ^টা যেন পাগলের আড়ত। আড়তে মালামাল যেমন হাত বদলায়, একইভাবে মানুষ নিয়ত মতবাদের অভিঘাতে ক্লান্ত শ্রান্ত অসহায় অবোধের গতি নিয়ে ভুল পথে ছুটে ফিরছে। মাটির কাছে পানাহ খুঁজে ফিরছে, সূর্য-চন্দ্রের গতিবিধি অনুসরণ করে মুক্তির ক্ষণ গণনা করে প্রমাদ আনন্দ লাভ করে। খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ প্রতিজ্ঞা করেছেন, “আমি আসিয়াছি যেন তারা জীবন পায়, এবং তা যেন উপচে পড়া জীবন হয়” (ইউহোন্না ১০ অধ্যায় ১০ পদ)।
দূর দেশ থেকে আমি তোমাকে বাছাই করেছি (ইশাইয়া ৪১ অধ্যায় ৯ থেকে ১০ পদ)।
Tags: সংখ্যা ১৯ (২১-৫-২০২২)