স্বপ্ন পূরণ
একটি কলম কতকিছু লিখে চলে
গল্প বা কবিতা কলমে থাকে না
কল্পনা বেরিয়ে আসে
পরতে পরতে সাজানো থাকে
কবির চিন্তা জগতে
বিমূর্ত চিন্তাগুলো মূর্তমান হলো
কলমের শীর্ষে কাগজে ঘষা খেয়ে
মূর্তমান চিন্তা উপভোগ করি
মাটির মূর্তি আমরা
করি প্রশংসা কলমের কেননা
অদৃশ্য হাতটি কেউ দেখতে পাই না
ওটি দেখার জন্য চাই
হৃদয়ের চোখ অন্তরের আয়না
এসো সবে ছুটে যাই তার কাছে
সেই সুতোর কারিগরের কাছে
যিনি হৃদয়রাজে ব্যস্ত কাজে
দূর করে আজে বাজে ক্ষতিকারক ভিরে
অশান্তি সৃষ্টি করে শান্তির নীরে
যিনি গুছিয়ে পরিপাটি
আপন গৃহ করেন খাঁটি
হারানো মানিক ফিরে আসে
পিতা পুত্রের সমাহারে
পাকরূহের কলেবরে সার্থক
স্বপ্ন পূরণ চিরতরে
অপরূপ ছবি
অপরূপ ছবি আকেন কবি
একুশের আন্দোলন নিয়ে
কলমটি তার বারংবার বাধা পায়
খসখসে কাগজের বুকে।
মাতৃভাষায় কথা বলাতে
স্বাধীনতার সাধ মিটাতে
ছুটছে জনতার স্রোত পথে পথে
সে এক প্রতীক্ষিত ছবি
নিটোল প্রেম দেশ মাতৃকার তরে।
কবি হারিয়ে ফেলে সাজানো প্লট
নেড়ে চেড়ে দেখে শুণ্য ঘট
দেবার তো কিছুই নেই
উর্মির কাছ থেকে নেবেই বা কি
কবি আজ হতাশ ছ’টি দশক অতিক্রান্ত
দাবীগুলো পড়ে আছে ঝুলন্ত
যেমন ঝুলিয়ে রাখা হয় আলামত
পুলিশের হেফাজতে অজস্র হাড়িতে
দেনা-পাওনা হিসেব নিকেশ শেষে
মামলাটি হয়ে গেল খারিজ
মেলেনি প্রমাণ এতোদিনে
আজ রাজকবি ফর্দ লিখে বাংলায়
বিচারক মামলার রায় তাও লিখে বাংলায়
কারো ফাসি কারো যাবৎজীবন
বিলক্ষণ বাংলাতে তবেই বুঝতে পারে স্বজনপ্রিয়!
কবিরাজ ব্যবস্থাপত্রে লিখেছে এইডস গণোরিয়ার কথা
বাংলায় লিখে দিলাম যেন মনে না পাও ব্যাথা
ভিখারী ভিক্ষা মাগে তাও বাংলাতে
চোখ রাঙানোর কেউ নেই মোরা পরাধীন নই।
বেকার যুবক নষ্টামিতে জড়িয়ে আছে অন্ধ গলিতে
সমাজচিত্রের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি
যা কিছু পরিবর্তন, ভিন জবানে বলতে বাধ্য নই।
বৃটিশ শোষণের বিরুদ্ধে আমরা লড়েছি
দেশের সম্পদ শুষে নিতো ওরা আপন দেশে
আমরা প্রতিবাদ করি, আন্দোলন গড়ি, গণসচেতনতার প্রয়োজনে
শুষিত জনতার চেতনা ঘটে, শোষকের টনক নড়ে বুঝতে পারে
প্রত্যক্ষ নিষ্পেষণ আর চলবে না
কৌশল বদলের পালা, বলদের হাতে তুলে দাও মালা
সুর বদলে ফেলো, নামাও গলা
জনস্রোত মন্থর হয়, তেজদৃপ্ত স্তিমিত হয়, আন্দোলন থেমে যায়।
দেশ আজ স্বাধীন ফিরে পেয়েছে নির্যাতিত জনতা
কাক্সিক্ষত সুদিন
তারপর বুঝতে সময় লাগে কাকে বলে ছেলের হাতের মোয়া
চতুর কাক ফতুর হয়ে বুঝতে পার ধূর্ত শিয়ালের খেলা
ভাষা আশা পূরণের প্রাথমিক পর্ব।
লক্ষ্যবিন্দুতে পৌছাতে না পারলে সবই হবে খর্ব
আমরা কথা বলি ব্যথা প্রকাশে কথা বলি হাস্য উলাসে
কথা বলি স্বজনপ্রিয়জনে, কথা বলি সুখে দুঃখে
কথা বলি পরম সত্তার সাথে
কেননা, আমরা পড়ে আছি চরম বিপাকে
চাই মুক্তি চাই নাজাত চাই নাজাতের নিশ্চয়তা
নতুবা আনুসাংগিক সবকিছু যাবে বৃথাÑ
কে মোর বিধাতা তিনি কি এতোই অবোধ
বুঝতে পারেন না যদি বলি বাংলাতে কথা
সেই অজানা অচেনা ভাষা রয়েছে ঠাসা
কী বলতে চাই, কী বলে ফেলি হয়ে গেল সর্বনাশা
বাংলাতে শুনতে চাই না ‘খুনের দায়ে ফাঁসি’
ভিনদেশী ভাষাতে বলতে চাই না ‘মৃত্যু হবে কাশি’
জীবন বেগবান করতে ভাষার ভূমিকা
তা অস্বীকার করা যাবে না
জীবন সাজাতে উপকরণ করুণানিধি দিয়েছেন ঢেলে
ছেলের হাতের মোয়া নয় ভোলানো যাবে না সে কথা
সর্বপ্রকার শোষণ নিপীড়ন নির্যাতন অথবা
দূর্নীতি স্বজনপ্রীতি হানাহানি কাটাকাটি
সমাজদেহে চলতে দেয়া যাবে নাÑ চাই চেতনা নয় কালো ফিতা
কতকাল চলবে নাঙ্গা পায়ে প্রভাত ফেরি
শহীদ মিনারে পুষ্পবৃষ্টি জনতার ঢল শোকগাথা
চাই দাবি দাওয়ার বাস্তবতাÑ হবে স্বাধীন সুশিক্ষিত জনতা
জীবনের জয়গানে মুখরিত বিশ্ব হোক পুলকিত
বাংগালি এবার মেতেছে, স্বাধীনতার জয়গানে
দেশি বা বিদেশি ভাষায় ভিক্ষা পাওয়ায় মর্যাদা কোথা
না মোরা ভিক্ষুকের জাতি নই
আমরা খান্দানি দাতা
আশরাফুল মাখলুকাত, সৃষ্টির স্রেষ্ঠজীব মূল কথা
আমাদের মৌলিক অধিকার কতোটা প্রাপ্তি ঘটেছে
আজ মহেন্দ্র ক্ষণ দেনা-পাওনা চুকাবার।
লাল সালাম জানাই তাদের যাঁরা চেতনাদৃপ্ত করার কাজে
প্রাণ বিলিয়েছে তাদের অবদান অম্লান
সকলে মোরা নীত হয়েছি এক প্লাটফর্মে
কেবল করুনার ফলে
একটি কলম কতকিছু লিখে চলে
গল্প বা কবিতা কলমে থাকে না
কল্পনা বেরিয়ে আসে
পরতে পরতে সাজানো থাকে
কবির চিন্তা জগতে
বিমূর্ত চিন্তাগুলো মূর্তমান হলো
কলমের শীর্ষে কাগজে ঘষা খেয়ে
মূর্তমান চিন্তা উপভোগ করি
মাটির মূর্তি আমরা
করি প্রশংসা কলমের কেননা
অদৃশ্য হাতটি কেউ দেখতে পাই না
ওটি দেখার জন্য চাই
হৃদয়ের চোখ অন্তরের আয়না
এসো সবে ছুটে যাই তার কাছে
সেই সুতোর কারিগরের কাছে
যিনি হৃদয়রাজে ব্যস্ত কাজে
দূর করে আজে বাজে ক্ষতিকারক ভিরে
অশান্তি সৃষ্টি করে শান্তির নীরে
যিনি গুছিয়ে পরিপাটি
আপন গৃহ করেন খাঁটি
হারানো মানিক ফিরে আসে
পিতা পুত্রের সমাহারে
পাকরূহের কলেবরে সার্থক
স্বপ্ন পূরণ চিরতরে
অপরূপ ছবি
অপরূপ ছবি আকেন কবি
একুশের আন্দোলন নিয়ে
কলমটি তার বারংবার বাধা পায়
খসখসে কাগজের বুকে।
মাতৃভাষায় কথা বলাতে
স্বাধীনতার সাধ মিটাতে
ছুটছে জনতার স্রোত পথে পথে
সে এক প্রতীক্ষিত ছবি
নিটোল প্রেম দেশ মাতৃকার তরে।
কবি হারিয়ে ফেলে সাজানো প্লট
নেড়ে চেড়ে দেখে শুণ্য ঘট
দেবার তো কিছুই নেই
উর্মির কাছ থেকে নেবেই বা কি
কবি আজ হতাশ ছ’টি দশক অতিক্রান্ত
দাবীগুলো পড়ে আছে ঝুলন্ত
যেমন ঝুলিয়ে রাখা হয় আলামত
পুলিশের হেফাজতে অজস্র হাড়িতে
দেনা-পাওনা হিসেব নিকেশ শেষে
মামলাটি হয়ে গেল খারিজ
মেলেনি প্রমাণ এতোদিনে
আজ রাজকবি ফর্দ লিখে বাংলায়
বিচারক মামলার রায় তাও লিখে বাংলায়
কারো ফাসি কারো যাবৎজীবন
বিলক্ষণ বাংলাতে তবেই বুঝতে পারে স্বজনপ্রিয়!
কবিরাজ ব্যবস্থাপত্রে লিখেছে এইডস গণোরিয়ার কথা
বাংলায় লিখে দিলাম যেন মনে না পাও ব্যাথা
ভিখারী ভিক্ষা মাগে তাও বাংলাতে
চোখ রাঙানোর কেউ নেই মোরা পরাধীন নই।
বেকার যুবক নষ্টামিতে জড়িয়ে আছে অন্ধ গলিতে
সমাজচিত্রের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি
যা কিছু পরিবর্তন, ভিন জবানে বলতে বাধ্য নই।
বৃটিশ শোষণের বিরুদ্ধে আমরা লড়েছি
দেশের সম্পদ শুষে নিতো ওরা আপন দেশে
আমরা প্রতিবাদ করি, আন্দোলন গড়ি, গণসচেতনতার প্রয়োজনে
শুষিত জনতার চেতনা ঘটে, শোষকের টনক নড়ে বুঝতে পারে
প্রত্যক্ষ নিষ্পেষণ আর চলবে না
কৌশল বদলের পালা, বলদের হাতে তুলে দাও মালা
সুর বদলে ফেলো, নামাও গলা
জনস্রোত মন্থর হয়, তেজদৃপ্ত স্তিমিত হয়, আন্দোলন থেমে যায়।
দেশ আজ স্বাধীন ফিরে পেয়েছে নির্যাতিত জনতা
কাক্সিক্ষত সুদিন
তারপর বুঝতে সময় লাগে কাকে বলে ছেলের হাতের মোয়া
চতুর কাক ফতুর হয়ে বুঝতে পার ধূর্ত শিয়ালের খেলা
ভাষা আশা পূরণের প্রাথমিক পর্ব।
লক্ষ্যবিন্দুতে পৌছাতে না পারলে সবই হবে খর্ব
আমরা কথা বলি ব্যথা প্রকাশে কথা বলি হাস্য উলাসে
কথা বলি স্বজনপ্রিয়জনে, কথা বলি সুখে দুঃখে
কথা বলি পরম সত্তার সাথে
কেননা, আমরা পড়ে আছি চরম বিপাকে
চাই মুক্তি চাই নাজাত চাই নাজাতের নিশ্চয়তা
নতুবা আনুসাংগিক সবকিছু যাবে বৃথাÑ
কে মোর বিধাতা তিনি কি এতোই অবোধ
বুঝতে পারেন না যদি বলি বাংলাতে কথা
সেই অজানা অচেনা ভাষা রয়েছে ঠাসা
কী বলতে চাই, কী বলে ফেলি হয়ে গেল সর্বনাশা
বাংলাতে শুনতে চাই না ‘খুনের দায়ে ফাঁসি’
ভিনদেশী ভাষাতে বলতে চাই না ‘মৃত্যু হবে কাশি’
জীবন বেগবান করতে ভাষার ভূমিকা
তা অস্বীকার করা যাবে না
জীবন সাজাতে উপকরণ করুণানিধি দিয়েছেন ঢেলে
ছেলের হাতের মোয়া নয় ভোলানো যাবে না সে কথা
সর্বপ্রকার শোষণ নিপীড়ন নির্যাতন অথবা
দূর্নীতি স্বজনপ্রীতি হানাহানি কাটাকাটি
সমাজদেহে চলতে দেয়া যাবে নাÑ চাই চেতনা নয় কালো ফিতা
কতকাল চলবে নাঙ্গা পায়ে প্রভাত ফেরি
শহীদ মিনারে পুষ্পবৃষ্টি জনতার ঢল শোকগাথা
চাই দাবি দাওয়ার বাস্তবতাÑ হবে স্বাধীন সুশিক্ষিত জনতা
জীবনের জয়গানে মুখরিত বিশ্ব হোক পুলকিত
বাংগালি এবার মেতেছে, স্বাধীনতার জয়গানে
দেশি বা বিদেশি ভাষায় ভিক্ষা পাওয়ায় মর্যাদা কোথা
না মোরা ভিক্ষুকের জাতি নই
আমরা খান্দানি দাতা
আশরাফুল মাখলুকাত, সৃষ্টির স্রেষ্ঠজীব মূল কথা
আমাদের মৌলিক অধিকার কতোটা প্রাপ্তি ঘটেছে
আজ মহেন্দ্র ক্ষণ দেনা-পাওনা চুকাবার।
লাল সালাম জানাই তাদের যাঁরা চেতনাদৃপ্ত করার কাজে
প্রাণ বিলিয়েছে তাদের অবদান অম্লান
সকলে মোরা নীত হয়েছি এক প্লাটফর্মে
কেবল করুনার ফলে
Tags: সংখ্যা ১৯ (২১-৫-২০২২)